শহীদ আতিয়ার রহমান
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ আতিয়ার রহমানের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মোবারক সরদারের বয়স পঞ্চান্ন বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দ্বিতীয় ছেলে আফজাল সরদার পেশায় কৃষক। ৫৩ বছর বয়স্ক আফজালের সংসারে আছে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। পরিবারের তৃতীয় সন্তান আবু বকর সরদার পেশায় জেলে। তাঁর তিনটি মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। শহীদের চতুর্থ সন্তান মোঃ ওমর ফারুকের টং দোকান আছে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহিদের পঞ্চম সন্তান ও একমাত্র মেয়ে ফাতেমা বেগম বিবাহিত। তিন ছেলেকে নিয়ে তিনি থাকেন স্বামীর সংসারে। ষষ্ঠ সন্তান মোঃ সেকান্দার আলীর বয়স চল্লিশ বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর রুকন এই ইউনিয়ন সেক্রেটারী। শহীদের সর্বশেষ সন্তান মোঃ হাবীবুর রহমান ইজিবাইক চালান। তিনি জামায়াতের কর্মী এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ আতিয়ার রহমান ১৯২৬ সালের ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার আশাশুনি থানাধীন গোয়ালডাঙ্গায় জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মৃত জব্বার সরদার এবং মাতা মৃত আতেজান বিবি। তিনি বড়দাল ইউনিয়নের জামায়াত সেক্রেটারী সেকেন্দার আলীর পিতা।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
২৫.১২.২০১৩ তারিখ জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে মিছিলে আওয়ামীলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে তিনি আহত হন। রাতে পুনরায় পুলিশসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা আতিয়ার রহমানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করে। বাড়ীর সব জিনিসপত্র ভেঙ্গে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং তাকেসহ মহিলাদের মারধর করে। হামলায় আতিয়ার রহমান মারাত্মক আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
তিনি সব সময় বলতেন জীবনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে- ইসলামের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করা।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ আতিয়ার রহমান, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর শহীদের ষষ্ঠ সন্তান জামায়াতের ইউনিয়ন সেক্রেটারী সেকান্দার আলীকে ধরতে ক্লকওয়াইজ: সরকারি বাহিনীর বুলডোজারেপিষ্ট আগরদাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আনোয়ারুল ইসলামের দোতলাবাড়ি, জেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আ. খালেকের দোতলা বাড়ি, জামায়াতের এক নেতার বাড়ি ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলামের বাড়ি
যায় পুলিশ। তাকে বাড়িতে না পেয়ে শহীদের গর্ভবতী স্ত্রীকে প্রচুর মারধর করে। এ সময় সেকেন্দার ও তার ৬ ভাইয়ের বাড়িঘরে পুলিশ হামলা, লুটপাট ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এক পর্যায়ে শহীদ আতিয়ার রহমান বাধা দিতে গেলে নব্য ফেরাউনের চেলা চামুন্ডারা বৃদ্ধ আতিয়ারের উপর হামলে পড়ে। তাণ্ডব চলাকালে পুলিশ লাঠি দিয়ে সেকেন্দার আলীর বৃদ্ধ পিতা আতিয়ারকে আঘাত করে। এর কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান। এ সময় থানা শিবিরের সেক্রেটারি আরিফুল্লাহর ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, কম্পিউটার যন্ত্রপাতি ভাংচুর ও নগদ টাকা লুট করে পুলিশ। এছাড়া পুলিশ আল মামুন ও বকুল শিকারির বাড়িঘরে তান্ডব চালিয়েছে। রাতভর অভিযানে গোটা এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। মহিলা ও শিশুরা দিক-বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী পুলিশ ৩টি গ্রামে এ তাণ্ডব চালায় পুলিশ।
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল হুদা জানান, যে সব পুলিশ সদস্য এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে। তিনি অবিলম্বে এসআই আফিজের গ্রেফতারের দাবি জানান। এসআই আফিজ ইতোপূর্বেও ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন বিকেলে হাজার হাজার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে নিহত আতিয়ার রহমান (৯০)-এর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা কর্মপরিষদ ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সুবহান মুকুল, শিবিরের জেলা সভাপতি রুহুল আমিন, থানা জামায়াতের আমীর, আবু বক্কর সিদ্দিক, নায়েবে আমীর আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় অনেকে। বক্তারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের আইনের আওয়তায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদ আতিয়ার রহমানের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মোবারক সরদারের বয়স পঞ্চান্ন বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দ্বিতীয় ছেলে আফজাল সরদার পেশায় কৃষক। ৫৩ বছর বয়স্ক আফজালের সংসারে আছে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। পরিবারের তৃতীয় সন্তান আবু বকর সরদার পেশায় জেলে। তাঁর তিনটি মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। শহীদের চতুর্থ সন্তান মোঃ ওমর ফারুকের টং দোকান আছে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহিদের পঞ্চম সন্তান ও একমাত্র মেয়ে ফাতেমা বেগম বিবাহিত। তিন ছেলেকে নিয়ে তিনি থাকেন স্বামীর সংসারে। ষষ্ঠ সন্তান মোঃ সেকান্দার আলীর বয়স চল্লিশ বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর রুকন এই ইউনিয়ন সেক্রেটারী। শহীদের সর্বশেষ সন্তান মোঃ হাবীবুর রহমান ইজিবাইক চালান। তিনি জামায়াতের কর্মী এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী।
শহীদ আতিয়ার রহমানের ছেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সেক্রেটারী সেকান্দার আলী বলেন- আব্বা ছিলেন প্রতিবাদী। অন্যায় সহ্য করতে পারতেন না। তিনি তিনটা মামলার আসামী ছিলেন। মেয়েছেলেদের মারধর করায় তিনি সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদ করেছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি শহীদ হয়েছেন।
এক নজরে শহীদ আতিয়ার রহমান
নাম: আতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মৃত জব্বার সরদার
মাতা: মৃত আতেজান বিবি
জন্ম তারিখ: ১৫ জুলাই ১৯২৬
ঠিকানা: গ্রাম- গোয়ালডাঙা, চাম্পাখালী, জামালনগর আশাশুনি, সাতক্ষীরা- ৯৪৬১
সন্তান: ছয় ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী
শাহাদাতের তারিখ: ২৫ নভেম্বর ২০১৪, নিজ বাড়িতে
আঘাতের ধরন: পুত্রবধুকে মারধরের প্রতিবাদ করায় পুলিশ ও যুবলীগের গুন্ডারা পিটিয়ে হত্যা করে
জানাজা ও দাফন: ২৬ নভেম্বর সকাল দশটায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরে সমাহিত করা হয়।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
২৫.১২.২০১৩ তারিখ জামায়াত নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবীতে মিছিলে আওয়ামীলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে তিনি আহত হন। রাতে পুনরায় পুলিশসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা আতিয়ার রহমানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করে। বাড়ীর সব জিনিসপত্র ভেঙ্গে রাস্তায় ফেলে দেয় এবং তাকেসহ মহিলাদের মারধর করে। হামলায় আতিয়ার রহমান মারাত্মক আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
তিনি সব সময় বলতেন জীবনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে- ইসলামের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করা।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ আতিয়ার রহমান, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
২০১৪ সালের ২৫ নভেম্বর শহীদের ষষ্ঠ সন্তান জামায়াতের ইউনিয়ন সেক্রেটারী সেকান্দার আলীকে ধরতে ক্লকওয়াইজ: সরকারি বাহিনীর বুলডোজারেপিষ্ট আগরদাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আনোয়ারুল ইসলামের দোতলাবাড়ি, জেলা জামায়াতের আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আ. খালেকের দোতলা বাড়ি, জামায়াতের এক নেতার বাড়ি ও জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলামের বাড়ি
যায় পুলিশ। তাকে বাড়িতে না পেয়ে শহীদের গর্ভবতী স্ত্রীকে প্রচুর মারধর করে। এ সময় সেকেন্দার ও তার ৬ ভাইয়ের বাড়িঘরে পুলিশ হামলা, লুটপাট ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এক পর্যায়ে শহীদ আতিয়ার রহমান বাধা দিতে গেলে নব্য ফেরাউনের চেলা চামুন্ডারা বৃদ্ধ আতিয়ারের উপর হামলে পড়ে। তাণ্ডব চলাকালে পুলিশ লাঠি দিয়ে সেকেন্দার আলীর বৃদ্ধ পিতা আতিয়ারকে আঘাত করে। এর কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান। এ সময় থানা শিবিরের সেক্রেটারি আরিফুল্লাহর ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, কম্পিউটার যন্ত্রপাতি ভাংচুর ও নগদ টাকা লুট করে পুলিশ। এছাড়া পুলিশ আল মামুন ও বকুল শিকারির বাড়িঘরে তান্ডব চালিয়েছে। রাতভর অভিযানে গোটা এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে। মহিলা ও শিশুরা দিক-বিদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী পুলিশ ৩টি গ্রামে এ তাণ্ডব চালায় পুলিশ।
সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল হুদা জানান, যে সব পুলিশ সদস্য এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে। তিনি অবিলম্বে এসআই আফিজের গ্রেফতারের দাবি জানান। এসআই আফিজ ইতোপূর্বেও ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন বিকেলে হাজার হাজার গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে নিহত আতিয়ার রহমান (৯০)-এর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জেলা কর্মপরিষদ ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সুবহান মুকুল, শিবিরের জেলা সভাপতি রুহুল আমিন, থানা জামায়াতের আমীর, আবু বক্কর সিদ্দিক, নায়েবে আমীর আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় অনেকে। বক্তারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের আইনের আওয়তায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদ আতিয়ার রহমানের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মোবারক সরদারের বয়স পঞ্চান্ন বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দ্বিতীয় ছেলে আফজাল সরদার পেশায় কৃষক। ৫৩ বছর বয়স্ক আফজালের সংসারে আছে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। পরিবারের তৃতীয় সন্তান আবু বকর সরদার পেশায় জেলে। তাঁর তিনটি মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। শহীদের চতুর্থ সন্তান মোঃ ওমর ফারুকের টং দোকান আছে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহিদের পঞ্চম সন্তান ও একমাত্র মেয়ে ফাতেমা বেগম বিবাহিত। তিন ছেলেকে নিয়ে তিনি থাকেন স্বামীর সংসারে। ষষ্ঠ সন্তান মোঃ সেকান্দার আলীর বয়স চল্লিশ বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর রুকন এই ইউনিয়ন সেক্রেটারী। শহীদের সর্বশেষ সন্তান মোঃ হাবীবুর রহমান ইজিবাইক চালান। তিনি জামায়াতের কর্মী এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী।
শহীদ আতিয়ার রহমানের ছেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সেক্রেটারী সেকান্দার আলী বলেন- আব্বা ছিলেন প্রতিবাদী। অন্যায় সহ্য করতে পারতেন না। তিনি তিনটা মামলার আসামী ছিলেন। মেয়েছেলেদের মারধর করায় তিনি সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদ করেছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি শহীদ হয়েছেন।
এক নজরে শহীদ আতিয়ার রহমান
নাম: আতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মৃত জব্বার সরদার
মাতা: মৃত আতেজান বিবি
জন্ম তারিখ: ১৫ জুলাই ১৯২৬
ঠিকানা: গ্রাম- গোয়ালডাঙা, চাম্পাখালী, জামালনগর আশাশুনি, সাতক্ষীরা- ৯৪৬১
সন্তান: ছয় ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী
শাহাদাতের তারিখ: ২৫ নভেম্বর ২০১৪, নিজ বাড়িতে
আঘাতের ধরন: পুত্রবধুকে মারধরের প্রতিবাদ করায় পুলিশ ও যুবলীগের গুন্ডারা পিটিয়ে হত্যা করে
জানাজা ও দাফন: ২৬ নভেম্বর সকাল দশটায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরে সমাহিত করা হয়।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍