শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
২০১৩ সালে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ০২.০৫.১৯৮৪ সাতক্ষীরা বাঁশদহের সাতানি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আহাদ মোল্লা ও মাতা মূলমা বেগমের দুই সন্তানের মধ্যে তিনি বড়। জামায়াত কর্মী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
পেশায় কৃষক ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান।
১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাত ৩.৩০ টায় যৌথবাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে গ্রামের সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই প্রতিরোধ আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
বন্ধুদের সাথে তিনি মাঝে মাঝে নিজের শাহাদাতের কথা ও দোয়া করতে বলতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ।
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শামসুল হক, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশে অভিযান চালায় পুলিশ। তারই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এসময় পুলিশ আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে অভিযানের নামে জামায়াত-শিবিরের জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের টার্গেট করে গ্রেফতার করে এবং বন্দুকযুদ্ধের নামে গুলী করে হত্যা করে। এ সময় পুলিশ অনেককে হত্যা, গুম ও পঙ্গু করেছে।
২০১৩ সালে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম।
২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এরপর থেকে শহিদী জনপদ সাতক্ষীরার আপামর জনতা ফুঁসে উঠে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আগের রাত। সময় রাত বারোটা। শহীদ জাহাঙ্গীরের বাসস্থান সাতানিতে পুলিশ ঢোকার চেষ্টা করে। আগরদাড়ি মাদরাসার সামনে জামায়াত শিবিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা স্থানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে খুনী বাহিনীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির একপর্যায়ে শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনও ঘর থেকে বের হয়ে যোগ দেন তাদের সাথে। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এলোপাথারি গুলি করা শুরু করলে রাত দুইটার দিকে শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনের বাম হাতের পেশী বিদ্ধ করে গুলি তার বুকে লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
জানাজা ও দাফন:
পরদিন ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, জোহরের নামাজের পর আগরদাড়ি বলফিল্ডে শহীদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। দাফনের ৪২ দিন পর পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করে।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদের স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন- আমাদের সংসারে টাকা পয়সার অভাব ছিল কিন্তু সুখের অভাব ছিল না। গ্রামের হিন্দু-মুসলিম সবাই তার মৃত্যুতে কেঁদেছে। জাহাঙ্গীর হোসেন সবাইকে ভালোবাসতো। সন্তানকে আদর করতো অনেক। শাহাদাতের রাতে তিনি যখন ঘর থেকে বের হন, ছেলে তখন তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছে- বাবা পুলিশ গুলি করতেছে, যেও না। কিন্তু তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য বেরিয়ে গেলেন। শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী নাসিমা বেগম বর্তমানে ঢাকার একটি গার্মেন্টে কর্মরত আছেন। মা ও বোনকে নিয়ে নিয়ে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। শহীদের ছেলে রিফাত হোসেনের বর্তমান বয়স তের বছর। রিফাত পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে সাথে সাথে হাফেজীও পড়ছে।
এক নজরে শহীদ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন
নাম: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
পিতার নাম: আহাদ মোল্লা, বয়স: ৫৫, পেশা: কৃষি
মাতার নাম: মৃত মুলমা বেগম
সৎ মা: রেহানা বেগম, পেশা: গৃহিণী
স্ত্রীর নাম: নাসিমা বেগম, বয়স: ২৫ বছর, পেশা: গার্মেন্টস কর্মী, সাভার, ঢাকা
ঠিকানা: গ্রাম- সাতানী, বাশদহ, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: এক ভাই দুই বোন
সন্তান: এক ছেলে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
শাহাদাতের তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, আগরদাড়ি মাদরাসার সামনে
পেশায় কৃষক ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান।
১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাত ৩.৩০ টায় যৌথবাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে গ্রামের সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই প্রতিরোধ আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর মোল্লা।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
বন্ধুদের সাথে তিনি মাঝে মাঝে নিজের শাহাদাতের কথা ও দোয়া করতে বলতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ।
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শামসুল হক, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে সারা দেশে অভিযান চালায় পুলিশ। তারই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরায় পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। এসময় পুলিশ আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে অভিযানের নামে জামায়াত-শিবিরের জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের টার্গেট করে গ্রেফতার করে এবং বন্দুকযুদ্ধের নামে গুলী করে হত্যা করে। এ সময় পুলিশ অনেককে হত্যা, গুম ও পঙ্গু করেছে।
২০১৩ সালে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম।
২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এরপর থেকে শহিদী জনপদ সাতক্ষীরার আপামর জনতা ফুঁসে উঠে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আগের রাত। সময় রাত বারোটা। শহীদ জাহাঙ্গীরের বাসস্থান সাতানিতে পুলিশ ঢোকার চেষ্টা করে। আগরদাড়ি মাদরাসার সামনে জামায়াত শিবিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা স্থানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে খুনী বাহিনীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করে। সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির একপর্যায়ে শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনও ঘর থেকে বের হয়ে যোগ দেন তাদের সাথে। পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এলোপাথারি গুলি করা শুরু করলে রাত দুইটার দিকে শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনের বাম হাতের পেশী বিদ্ধ করে গুলি তার বুকে লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
জানাজা ও দাফন:
পরদিন ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, জোহরের নামাজের পর আগরদাড়ি বলফিল্ডে শহীদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়। দাফনের ৪২ দিন পর পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করে।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদের স্ত্রী নাসিমা বেগম বলেন- আমাদের সংসারে টাকা পয়সার অভাব ছিল কিন্তু সুখের অভাব ছিল না। গ্রামের হিন্দু-মুসলিম সবাই তার মৃত্যুতে কেঁদেছে। জাহাঙ্গীর হোসেন সবাইকে ভালোবাসতো। সন্তানকে আদর করতো অনেক। শাহাদাতের রাতে তিনি যখন ঘর থেকে বের হন, ছেলে তখন তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছে- বাবা পুলিশ গুলি করতেছে, যেও না। কিন্তু তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য বেরিয়ে গেলেন। শহীদ জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী নাসিমা বেগম বর্তমানে ঢাকার একটি গার্মেন্টে কর্মরত আছেন। মা ও বোনকে নিয়ে নিয়ে তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। শহীদের ছেলে রিফাত হোসেনের বর্তমান বয়স তের বছর। রিফাত পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে সাথে সাথে হাফেজীও পড়ছে।
এক নজরে শহীদ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন
নাম: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন
পিতার নাম: আহাদ মোল্লা, বয়স: ৫৫, পেশা: কৃষি
মাতার নাম: মৃত মুলমা বেগম
সৎ মা: রেহানা বেগম, পেশা: গৃহিণী
স্ত্রীর নাম: নাসিমা বেগম, বয়স: ২৫ বছর, পেশা: গার্মেন্টস কর্মী, সাভার, ঢাকা
ঠিকানা: গ্রাম- সাতানী, বাশদহ, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: এক ভাই দুই বোন
সন্তান: এক ছেলে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
শাহাদাতের তারিখ: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৩, আগরদাড়ি মাদরাসার সামনে
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍