শহীদ শামসুল হক
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
সংগঠনের পরামর্শে শহীদ শামসুল হক বাজারে পুলিশ-বিজিবির গতিবিধি দেখার ডিউটি করতেন। ২৭নভেম্বর সকালে বাজারে ডিউটি করতে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো পুলিশ-বিজিবির গাড়ি। তখন তিনি তার ছোট বাচ্চার জন্যে কিছু খাবার দেয়ার জন্যে বাড়ীতে আসেন এবং স্ত্রীকে খবরটি দিয়ে আবার বাজারে ছুটে আসেন। তখন ১৮ দল ঘোষিত অবরোধ চলছিল। তিনি অবরোধের সমর্থনে মিছিলে যোগদান করেন। তার মাথায় ছিল সাদা তোয়ালে। পুলিশ, বিজিবি এবং আওয়ামী লীগের যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তাদের ছোড়া গুলি সরাসরি শামসুল হকের মাথায় আঘাত করে এবং অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ শামসুল হক ১৭.০৫.১৯৭০ সাতক্ষীরা জেলার সদর থানায় জন্মগ্রহণ করেন। অভাবের সংসারে বড় হয়েছেন শহীদ শামসুল হক। পড়ালেখা তেমন করেননি। একটু বড় হবার পর থেকে পিতার কাজে সাহায্য করতেন। খেত-খামারে কাজ করতেন। সংসার জীবনে এসে রাজ-মিস্ত্রীর কাজ শুরু করেন। এ কাজ করে যা পেতেন তা দিয়ে কোন মতে সংসার চালাতেন। শহীদ শামসুল হক আওয়ামী লীগ করতেন এবং তাদেরকেই ভোট দিতেন। কিন্তু এবার ক্ষমতায় আসার পর জুলুম-নির্যাতন এবং বিশেষ করে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার পর তিনি আওয়ামী লীগ থেকে ফিরে আসেন এবং জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। জামায়াতে যোগ দেয়ার পর থেকে তিনি সকল কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
সংগঠনের পরামর্শে শহীদ শামসুল হক বাজারে পুলিশ-বিজিবির গতিবিধি দেখার ডিউটি করতেন। ২৭নভেম্বর সকালে বাজারে ডিউটি করতে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো পুলিশ-বিজিবির গাড়ি। তখন তিনি তার ছোট বাচ্চার জন্যে কিছু খাবার দেয়ার জন্যে বাড়ীতে আসেন এবং স্ত্রীকে খবরটি দিয়ে আবার বাজারে ছুটে আসেন। তখন ১৮ দল ঘোষিত অবরোধ চলছিল। তিনি অবরোধের সমর্থনে মিছিলে যোগদান করেন। তার মাথায় ছিল সাদা তোয়ালে। পুলিশ, বিজিবি এবং আওয়ামী লীগের যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তাদের ছোড়া গুলি সরাসরি শামসুল হকের মাথায় আঘাত করে এবং অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
শামসুল হক সব সময় বলতেন "আল্লামা সাঈদী সাহেবের জীবন যদি না থাকে তাহলে আমার জীবন থেকে কি লাভ! আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও সাঈদী সাহেবকে এবং দেশকে রক্ষা করতে হবে।"
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শামসুল হক, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
২০১৩ সালের মার্চ মাসে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের। নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম। যদিও জাহেলী মিডিয়া সংবাদ পাল্টে দিয়ে এসব ঘটনায় বরাবর ভিলেন হিসেবে উপস্থিত করতো জামায়াত-শিবিরকেই। এসব কারণে সাতক্ষীরার প্রতিটি জনপদের প্রবেশ পথে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহারার দায়িত্ব নেয়। রাতের প্রহরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে জনশক্তিকে পালা করে পাহারার দায়িত্ব দেয়া হয়। সেদিন সাতাশ নভেম্বর ২০১৩। আবেদের হাট বাজারে পাহারার দায়িত্ব ছিল শহীদ শামসুল হকসহ আরো কয়েকজনের। রাত বারোটায় কথিত যৌথবাহিনী ঢুকে পড়ে। পাহারাদার বাহিনীর ডাক চিৎকারে পুরো জনপদের সকলে জেগে উঠে প্রতিহতের চেষ্টা চালায়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে রাত দুইটার দিকে
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শামসুল হক।
পরদিন জোহরের নামাজের পর শিয়ালডাঙ্গা ঈদগা মাঠে তাঁর জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফনের দুই মাস দশ দিন পরে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করা হয়।
আপনজনদের কথা
শহীদের স্ত্রী তাহমিনা খাতুন বলেন- শামসুল হক আগে আওয়ামী লীগ করতো। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী গ্রেফতার হবার পরে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে যোগদান করেন। তিনি বলেন হুজুরের মতো এত ভালো লোককে যারা অপমানিত করছেন সে রকম জালিমের দলে থাকা উচিত নয়। তাঁর সহকর্মীদের সাথেও এসব নিয়ে তর্ক হতো। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের লোকেরা তার বিরুদ্ধে নানা রকম মামলা দিতে থাকে। এসব কারণে তিনি পালিয়ে বেড়াতেন। সন্তানদের অনেক ভালোবাসতেন।
শহীদের পরিবার
শহীদ শামসুল হকের দুই মেয়ে ও এক ছেলের সংসারে উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি শহীদের স্ত্রী তাহমিনা খাতুন। তিনি রাস্তা মেরামতের কাজে দিনমজুর হিসেবে শ্রম বিক্রি করে শহীদের সংসার চালাচ্ছেন। শহীদের সন্তানদের মধ্যে বড় মেয়ে আয়েশা খাতুনের বয়স বিশ বছর। তিনি অনার্স ও ফাজিল একসাথে পড়ছেন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার কর্মী। শহীদের দ্বিতীয় সন্তান সবুজ হোসেন শ্রমিক, শহীদের ছোট সন্তান তৌফিকা ইয়াসমিনের বয়স নয় বছর, পড়াশুনা করছে তৃতীয় শ্রেণীতে।
এক নজরে শহীদ শামসুল হক
নাম: শামসুল হক
পিতার নাম: আবদুল মাজেদ
মাতার নাম: মনোয়ারা
স্ত্রীর নাম: তাহমিনা খাতুন
ঠিকানা: মাদরাসার দক্ষিণ পাশে, গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা পূর্ব পাড়া, আগরদাড়ি, সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা
ভাই বোন: আট ভাই দুই বোনের মধ্যে চতুর্থ
সন্তান: এক ছেলে দুই মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
শাহাদাতের তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০১৩, আবেদের হাট বাজার
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
সংগঠনের পরামর্শে শহীদ শামসুল হক বাজারে পুলিশ-বিজিবির গতিবিধি দেখার ডিউটি করতেন। ২৭নভেম্বর সকালে বাজারে ডিউটি করতে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো পুলিশ-বিজিবির গাড়ি। তখন তিনি তার ছোট বাচ্চার জন্যে কিছু খাবার দেয়ার জন্যে বাড়ীতে আসেন এবং স্ত্রীকে খবরটি দিয়ে আবার বাজারে ছুটে আসেন। তখন ১৮ দল ঘোষিত অবরোধ চলছিল। তিনি অবরোধের সমর্থনে মিছিলে যোগদান করেন। তার মাথায় ছিল সাদা তোয়ালে। পুলিশ, বিজিবি এবং আওয়ামী লীগের যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তাদের ছোড়া গুলি সরাসরি শামসুল হকের মাথায় আঘাত করে এবং অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
শামসুল হক সব সময় বলতেন "আল্লামা সাঈদী সাহেবের জীবন যদি না থাকে তাহলে আমার জীবন থেকে কি লাভ! আমার জীবনের বিনিময়ে হলেও সাঈদী সাহেবকে এবং দেশকে রক্ষা করতে হবে।"
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শামসুল হক, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
২০১৩ সালের মার্চ মাসে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের। নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম। যদিও জাহেলী মিডিয়া সংবাদ পাল্টে দিয়ে এসব ঘটনায় বরাবর ভিলেন হিসেবে উপস্থিত করতো জামায়াত-শিবিরকেই। এসব কারণে সাতক্ষীরার প্রতিটি জনপদের প্রবেশ পথে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহারার দায়িত্ব নেয়। রাতের প্রহরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে জনশক্তিকে পালা করে পাহারার দায়িত্ব দেয়া হয়। সেদিন সাতাশ নভেম্বর ২০১৩। আবেদের হাট বাজারে পাহারার দায়িত্ব ছিল শহীদ শামসুল হকসহ আরো কয়েকজনের। রাত বারোটায় কথিত যৌথবাহিনী ঢুকে পড়ে। পাহারাদার বাহিনীর ডাক চিৎকারে পুরো জনপদের সকলে জেগে উঠে প্রতিহতের চেষ্টা চালায়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার এক পর্যায়ে রাত দুইটার দিকে
মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শামসুল হক।
পরদিন জোহরের নামাজের পর শিয়ালডাঙ্গা ঈদগা মাঠে তাঁর জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। দাফনের দুই মাস দশ দিন পরে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করা হয়।
আপনজনদের কথা
শহীদের স্ত্রী তাহমিনা খাতুন বলেন- শামসুল হক আগে আওয়ামী লীগ করতো। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী গ্রেফতার হবার পরে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে যোগদান করেন। তিনি বলেন হুজুরের মতো এত ভালো লোককে যারা অপমানিত করছেন সে রকম জালিমের দলে থাকা উচিত নয়। তাঁর সহকর্মীদের সাথেও এসব নিয়ে তর্ক হতো। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের লোকেরা তার বিরুদ্ধে নানা রকম মামলা দিতে থাকে। এসব কারণে তিনি পালিয়ে বেড়াতেন। সন্তানদের অনেক ভালোবাসতেন।
শহীদের পরিবার
শহীদ শামসুল হকের দুই মেয়ে ও এক ছেলের সংসারে উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি শহীদের স্ত্রী তাহমিনা খাতুন। তিনি রাস্তা মেরামতের কাজে দিনমজুর হিসেবে শ্রম বিক্রি করে শহীদের সংসার চালাচ্ছেন। শহীদের সন্তানদের মধ্যে বড় মেয়ে আয়েশা খাতুনের বয়স বিশ বছর। তিনি অনার্স ও ফাজিল একসাথে পড়ছেন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার কর্মী। শহীদের দ্বিতীয় সন্তান সবুজ হোসেন শ্রমিক, শহীদের ছোট সন্তান তৌফিকা ইয়াসমিনের বয়স নয় বছর, পড়াশুনা করছে তৃতীয় শ্রেণীতে।
এক নজরে শহীদ শামসুল হক
নাম: শামসুল হক
পিতার নাম: আবদুল মাজেদ
মাতার নাম: মনোয়ারা
স্ত্রীর নাম: তাহমিনা খাতুন
ঠিকানা: মাদরাসার দক্ষিণ পাশে, গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা পূর্ব পাড়া, আগরদাড়ি, সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা
ভাই বোন: আট ভাই দুই বোনের মধ্যে চতুর্থ
সন্তান: এক ছেলে দুই মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
শাহাদাতের তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০১৩, আবেদের হাট বাজার
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍