শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একত্রিত হয়ে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন মোঃ শহিদুল্লাহ।
এক নজরে শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ
নাম: মোঃ শহিদুল্লাহ
পিতার নাম: মরহুম ইলিয়াস সরদার
মাতার নাম: মর্জিনা বেগম, বয়স- ৫৫ বছর
স্ত্রীর নাম: নাসিমা খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা, ডাকঘর- আগরদাড়ী থানা- সদর, জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সন্তান: দুই ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আহত হওয়ার তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
শাহাদাতের তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
এক নজরে শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ
নাম: মোঃ শহিদুল্লাহ
পিতার নাম: মরহুম ইলিয়াস সরদার
মাতার নাম: মর্জিনা বেগম, বয়স- ৫৫ বছর
স্ত্রীর নাম: নাসিমা খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা, ডাকঘর- আগরদাড়ী থানা- সদর, জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সন্তান: দুই ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আহত হওয়ার তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
শাহাদাতের তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ ২০.১০.১৯৭৩ ইং তারিখ সাতক্ষীরা সদর থানার শিয়ালডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পিতা মৃত ইলিয়াস সরদার এবং মাতা মর্জিনা খাতুনের সন্তান মোঃ শহিদুল্লাহ তিন সন্তানের জনক। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্মী ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একত্রিত হয়ে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন মোঃ শহিদুল্লাহ।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ সবসময় বলতেন ইসলামের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করাই জীবনের উদ্দেশ্য।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শফিকুল ইসলাম শিকারী, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
আওয়ামী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই এদেশের ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপর বর্বর নির্যাতন চালাতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ।
আপনজনদের কথা
পিতা-মাতা: আল্লাহ আমার ছেলেকে শহীদী মর্যাদা দান করুন।
স্ত্রী: আমার স্বামীর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন, আমীন।
সন্তানদের বিবরণঃ
১. রুবেল, বয়স- ১৫ বছর, পেশা- কৃষিকাজ
২. সাথী, বয়স- ১৩ বছর, বিবাহিতা
৩. রাজীব, বয়স- ৪ বছর
ভাই-বোনের বিবরণ:
১. জিয়াউর রহমান, ব্যবসা
২. তোফায়েল আহমেদ কৃষি
৩. দেলোয়ার হোসাইন, প্রবাসী
৪. জমির উদ্দীন, কৃষি,
৫. হুমায়ন আহমদ, ব্যবসা
৬. সেলিনা বেগম, গৃহিণী
৭. রোকসানা খাতুন, গৃহিণী
৮. আরপিনা খাতুন, গৃহিণী
৯. বেনেজলা বেগম, গৃহিণী
এক নজরে শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ
নাম: মোঃ শহিদুল্লাহ
পিতার নাম: মরহুম ইলিয়াস সরদার
মাতার নাম: মর্জিনা বেগম, বয়স- ৫৫ বছর
স্ত্রীর নাম: নাসিমা খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা, ডাকঘর- আগরদাড়ী থানা- সদর, জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সন্তান: দুই ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আহত হওয়ার তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
শাহাদাতের তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একত্রিত হয়ে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন মোঃ শহিদুল্লাহ।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা:
শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ সবসময় বলতেন ইসলামের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করাই জীবনের উদ্দেশ্য।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ শফিকুল ইসলাম শিকারী, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে।
আওয়ামী সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই এদেশের ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপর বর্বর নির্যাতন চালাতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ।
আপনজনদের কথা
পিতা-মাতা: আল্লাহ আমার ছেলেকে শহীদী মর্যাদা দান করুন।
স্ত্রী: আমার স্বামীর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন, আমীন।
সন্তানদের বিবরণঃ
১. রুবেল, বয়স- ১৫ বছর, পেশা- কৃষিকাজ
২. সাথী, বয়স- ১৩ বছর, বিবাহিতা
৩. রাজীব, বয়স- ৪ বছর
ভাই-বোনের বিবরণ:
১. জিয়াউর রহমান, ব্যবসা
২. তোফায়েল আহমেদ কৃষি
৩. দেলোয়ার হোসাইন, প্রবাসী
৪. জমির উদ্দীন, কৃষি,
৫. হুমায়ন আহমদ, ব্যবসা
৬. সেলিনা বেগম, গৃহিণী
৭. রোকসানা খাতুন, গৃহিণী
৮. আরপিনা খাতুন, গৃহিণী
৯. বেনেজলা বেগম, গৃহিণী
এক নজরে শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ
নাম: মোঃ শহিদুল্লাহ
পিতার নাম: মরহুম ইলিয়াস সরদার
মাতার নাম: মর্জিনা বেগম, বয়স- ৫৫ বছর
স্ত্রীর নাম: নাসিমা খাতুন
ঠিকানা: গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা, ডাকঘর- আগরদাড়ী থানা- সদর, জেলা- সাতক্ষীরা
ভাই বোন: ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সন্তান: দুই ছেলে এক মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আহত হওয়ার তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
শাহাদাতের তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍