শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
তিনি প্রতিদিনের ন্যায় ১০ মার্চ, ২০১৩ এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারালো অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নাম: শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান (১০৯)।
পেশা: মসজিদের ইমাম।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১০.১৯৬৫
বয়স ৪৭ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১০.০৩.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৩.২০১৩ বাদ মাগরিব।
স্থান: হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান।
দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মান্দ্রা, ইউনিয়ন-বিষ্ণুপুর, ডাকঘর- এস, বাখেরগঞ্জ, থানা- বাগেরহাট, জেলা-বাগেরহাট।
পিতা: আ: হাকীম শেখ, মসজিদের ইমাম ছিলেন, ২০১৩ সালে মৃত্যু।
মাতা: মতিয়ারা, বয়স প্রায় ৮০ বছর, গৃহিণী।
নাম: শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান (১০৯)।
পেশা: মসজিদের ইমাম।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১০.১৯৬৫
বয়স ৪৭ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১০.০৩.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৩.২০১৩ বাদ মাগরিব।
স্থান: হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান।
দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মান্দ্রা, ইউনিয়ন-বিষ্ণুপুর, ডাকঘর- এস, বাখেরগঞ্জ, থানা- বাগেরহাট, জেলা-বাগেরহাট।
পিতা: আ: হাকীম শেখ, মসজিদের ইমাম ছিলেন, ২০১৩ সালে মৃত্যু।
মাতা: মতিয়ারা, বয়স প্রায় ৮০ বছর, গৃহিণী।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"গত ১০ মার্চ এশার নামায শেষে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে সন্ত্রাসীরা ওই ইমামের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ক্বারী মকছুদকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মকছুদ ইন্তেকাল করেন বলে মকছুদের ছেলে নাজমুর রহমান জানান। উল্লেখ্য, হাত-পায়ের রগ কর্তনের পরের দিন ওই ইমামের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে বাগেরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।"
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান বাগেরহাট সদরের মান্দ্রা গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ হাকীম শেখ ও মাতা মতিয়ারা বেগমের কৃষক পরিবারের সাত ছেলের ভেতর তিনি ছিলেন শিক্ষিত এবং পরিবারের গর্বের ধন। তিনি এলাকার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
তিনি প্রতিদিনের ন্যায় ১০ মার্চ, ২০১৩ এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারালো অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি ছোটবেলা থেকেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। তার চোখের সামনে কোন অন্যায় হতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ জানাতেন। এতে তিনি কখনও ভীত সন্ত্রস্ত হতেন না। তিনি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় ইসলামিক প্রচারণা চালাতেন। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন ইসলামের কথা বলে গিয়েছেন এবং তিনি সব সময় বলতেন আমি যেন ইসলমের পথে শহীদ হতে পারি।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
তিনি প্রতিদিনের ন্যায় নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারাল অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিস্তারিত রিপোর্ট পরের দিনের জাতীয় দৈনিক সমূহে আসে। দৈনিক সংগ্রাম ১৬ মার্চ, ২০১৩ তারিখে লিখে;
বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলায় মসজিদের ইমাম নিহত
বাগেরহাট সংবাদদাতা: বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মকছুদুর রহমান (৪০) সন্ত্রাসী হামলায় মারা গেছেন। সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত ১০ মার্চ এশার নামায শেষে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে সন্ত্রাসীরা ওই ইমামের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ক্বারী মকছুদকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার সময় মকছুদ ইন্তেকাল করেন বলে মকছুদের ছেলে নাজমুর রহমান জানান। উল্লেখ্য, হাত-পায়ের রগ কর্তনের পরের দিন ওই ইমামের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে বাগেরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে জামায়াত কর্মী দাবি করে ক্বারী মকছুদুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ মো: আজমুল হোসেন প্রমুখ।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের বড় ছেলে বলেন, 'আমার বাবা ইসলামের জন্য জীবন দিয়েছেন। কিন্তু কখনও বাতিলের কাছে মাথা নত করেননি। আমি আমার বাবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আমার বাবাকে শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন এবং আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করে নেন আমিন।'
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান (১০৯)। পেশা: মসজিদের ইমাম।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১০.১৯৬৫ বয়স ৪৭ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১০.০৩.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৩.২০১৩ বাদ মাগরিব। স্থান: হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মান্দ্রা, ইউনিয়ন-বিষ্ণুপুর, ডাকঘর- এস, বাখেরগঞ্জ, থানা- বাগেরহাট, জেলা-বাগেরহাট।
পিতা: আ: হাকীম শেখ, মসজিদের ইমাম ছিলেন, ২০১৩ সালে মৃত্যু।
মাতা: মতিয়ারা, বয়স প্রায় ৮০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশে দেয়াল ও উপরে টিন শেড। চাষাবাদের কোন জমিন নেই। উপার্জন করার কেউ নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ; স্ত্রী: নাছিমা বেগম, ছেলে: মো: নাজমুল ইসলাম- খুলনা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসায় (ফাযিল তৃতীয় বর্ষ)। মোঃ নাহিদুল ইসলাম- মাধবকাঠি ফাজিল মাদ্রাসা (আলিম প্রথম বর্ষ)। মোসা: সুলতানা আক্তার- বাদোখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ শ্রেণী)।
ভাই-বোনের বিবরণ; মো: শাহাজান শেখ-কৃষক, মো: মহর আলি-কৃষক, মো: নওশের শেখ-সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার, মোঃ সৈয়দ শেখ-কৃষক, মো: মোবাশশের শেখ-কৃষক, ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান-শহীদ, মো: সিরাজ শেখ-কৃষক।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান বাগেরহাট সদরের মান্দ্রা গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ হাকীম শেখ ও মাতা মতিয়ারা বেগমের কৃষক পরিবারের সাত ছেলের ভেতর তিনি ছিলেন শিক্ষিত এবং পরিবারের গর্বের ধন। তিনি এলাকার একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
তিনি প্রতিদিনের ন্যায় ১০ মার্চ, ২০১৩ এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারালো অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি ছোটবেলা থেকেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন। তার চোখের সামনে কোন অন্যায় হতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ জানাতেন। এতে তিনি কখনও ভীত সন্ত্রস্ত হতেন না। তিনি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময় ইসলামিক প্রচারণা চালাতেন। তিনি যতদিন বেঁচে ছিলেন ইসলামের কথা বলে গিয়েছেন এবং তিনি সব সময় বলতেন আমি যেন ইসলমের পথে শহীদ হতে পারি।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
তিনি প্রতিদিনের ন্যায় নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারাল অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিস্তারিত রিপোর্ট পরের দিনের জাতীয় দৈনিক সমূহে আসে। দৈনিক সংগ্রাম ১৬ মার্চ, ২০১৩ তারিখে লিখে;
বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলায় মসজিদের ইমাম নিহত
বাগেরহাট সংবাদদাতা: বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মান্দ্রা জামে মসজিদের ইমাম ক্বারী মকছুদুর রহমান (৪০) সন্ত্রাসী হামলায় মারা গেছেন। সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত ১০ মার্চ এশার নামায শেষে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে সন্ত্রাসীরা ওই ইমামের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ও পুলিশ ক্বারী মকছুদকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার সময় মকছুদ ইন্তেকাল করেন বলে মকছুদের ছেলে নাজমুর রহমান জানান। উল্লেখ্য, হাত-পায়ের রগ কর্তনের পরের দিন ওই ইমামের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগে বাগেরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে জামায়াত কর্মী দাবি করে ক্বারী মকছুদুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ মো: আজমুল হোসেন প্রমুখ।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের বড় ছেলে বলেন, 'আমার বাবা ইসলামের জন্য জীবন দিয়েছেন। কিন্তু কখনও বাতিলের কাছে মাথা নত করেননি। আমি আমার বাবার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আমার বাবাকে শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন এবং আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করে নেন আমিন।'
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান (১০৯)। পেশা: মসজিদের ইমাম।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১০.১৯৬৫ বয়স ৪৭ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১০.০৩.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৩.২০১৩ বাদ মাগরিব। স্থান: হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মান্দ্রা, ইউনিয়ন-বিষ্ণুপুর, ডাকঘর- এস, বাখেরগঞ্জ, থানা- বাগেরহাট, জেলা-বাগেরহাট।
পিতা: আ: হাকীম শেখ, মসজিদের ইমাম ছিলেন, ২০১৩ সালে মৃত্যু।
মাতা: মতিয়ারা, বয়স প্রায় ৮০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশে দেয়াল ও উপরে টিন শেড। চাষাবাদের কোন জমিন নেই। উপার্জন করার কেউ নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ; স্ত্রী: নাছিমা বেগম, ছেলে: মো: নাজমুল ইসলাম- খুলনা সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসায় (ফাযিল তৃতীয় বর্ষ)। মোঃ নাহিদুল ইসলাম- মাধবকাঠি ফাজিল মাদ্রাসা (আলিম প্রথম বর্ষ)। মোসা: সুলতানা আক্তার- বাদোখালি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ষষ্ঠ শ্রেণী)।
ভাই-বোনের বিবরণ; মো: শাহাজান শেখ-কৃষক, মো: মহর আলি-কৃষক, মো: নওশের শেখ-সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার, মোঃ সৈয়দ শেখ-কৃষক, মো: মোবাশশের শেখ-কৃষক, ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান-শহীদ, মো: সিরাজ শেখ-কৃষক।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍