শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার পিলজংগ গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স ছিল প্রায় ৪৮ বছর। পিতা মরহুম মসিউদ্দিন মোড়ল ও মাতা ফুলছরাত বেগমের ৬ ছেলে ৩ মেয়ের ভেতর অন্যতম। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। আর সাধারণ মানুষদের ইসলামের দাওয়াত দিতেন। শাহাদাতের সময় তিনি তার সত্তরোর্ধ্ব বয়স্কা মাতা এবং স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম ও দুই ছেলে যথাক্রমে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মোঃ মাসুদ হাসানকে রেখে যান।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"বড় ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, পারিবারিকভাবে আমার আব্বা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আমাদের নিয়ে জীবন যাপন করতেন। তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ইয়াতিম করে এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। আল্লাহ আমার আব্বাকে জান্নাত দান করুন।"
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার পিলজংগ গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স ছিল প্রায় ৪৮ বছর। পিতা মরহুম মসিউদ্দিন মোড়ল ও মাতা ফুলছরাত বেগমের ৬ ছেলে ৩ মেয়ের ভেতর অন্যতম। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। আর সাধারণ মানুষদের ইসলামের দাওয়াত দিতেন। শাহাদাতের সময় তিনি তার সত্তরোর্ধ্ব বয়স্কা মাতা এবং স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম ও দুই ছেলে যথাক্রমে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মোঃ মাসুদ হাসানকে রেখে যান।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
৬ মে ২০১৩ ইং বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাঁঠালতলায় হেফাজতে ইসলামের অবরোধে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মো: সাঈদ মোড়ল। আল্লাহ তার শাহাদাৎ কবুল করুন আমীন।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি ওয়াক্ত মত আদায় করতেন। তিনি ছিলেন একজন প্রতিবাদী মানুষ এবং বাতিলের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বর্তমান সরকারের ইসলাম, কোরআন-হাদীস ও আলেম ওলামাদের উপর নির্যাতন দেখে এবং উক্ত অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয় সে আন্দোলনে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য তিনি রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৬ মে ২০১৩ ইং বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাঁঠালতলায় হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার মানুষ রাজপথ অবরোধ করে এবং মিছিলসহকারে সামনে অগ্রসর হয়। মিছিলটি কিছুদূর যাওয়ার পর সম্মুখ থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা সম্মিলিতভাবে মিছিলের উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি বর্ষণ শুরু করে। তখন পুলিশের গুলি ও আওয়ামী লীগের হামলার একপর্যায়ে একটি বুলেট শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়লের কপালে বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
বড় ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, পারিবারিকভাবে আমার আব্বা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আমাদের নিয়ে জীবন যাপন করতেন। তিনি আমার আম্মা একসাথে এবং আমার দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-চচীসহ আত্মীয়স্বজন এমনকি এলাকার সবার সাথে অত্যন্ত ভাল ব্যবহার ও নম্র-ভদ্রভাবে চলাফেরা করতেন। বর্তমান সরকারের ইসলাম, কোরআন, হাদীস ও আলেম ওলামাদের উপর নির্যাতন দেখে এবং উক্ত অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিবাদে আমার আব্বা সে আন্দোলনে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার এ ভূমিকায় ইসলামবিদ্বেষী মহল এবং পুলিশ বাহিনীর গুলির মুখে রাজপথে জীবন দেন। এভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ইয়াতিম করে এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। আল্লাহ আমার আব্বাকে জান্নাত দান করুন।
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল (১১০)। পেশা: কৃষিকাজ।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৪.০৩.১৯৬৫ইং বয়স প্রায় ৪৮ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৬.০৫.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ০৬.০৫.২০১৩ দুপুর ১২.৩০ টা, স্থান: ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থানে।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- পিলজংগ, ডাকঘর- পিলজংগ, থানা- ফকিরহাট, জেলা- বাগেরহাট।
পিতা: মৃত মসিউদ্দিন মোড়ল, কৃষক ছিলেন। মৃত্যু বরণ করেন ১৯৯৩ সালে।
মাতা: ফুলছরাত, বয়স প্রায় ৭০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশে হোগলা পাতার বেড়া ও উপরে টিন শেড। চাষাবাদের কোন জমিন নেই। উপার্জন করার কেউ নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ; স্ত্রী: মঞ্জুয়ারা বেগম। ছেলে: মোঃ মেহেদী হাসান-দশম শ্রেণী। মোঃ মাসুদ হাসান- দ্বিতীয় শ্রেণী।
ভাই-বোনের বিবরণঃ মোঃ আঃ হাই মোড়ল-কৃষক। মোঃ আঃ হালিম মোড়ল-কৃষক। মোঃ আঃ বারিক মোড়ল- কৃষক। মোঃ আঃ আলিম মোড়ল-কৃষক। মোঃ আবু হানিফ মোড়ল-চাকুরী। শহর বানু-গৃহিণী। হাসেন বানু-গৃহিণী। ফিরোজা-গৃহিণী।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার পিলজংগ গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স ছিল প্রায় ৪৮ বছর। পিতা মরহুম মসিউদ্দিন মোড়ল ও মাতা ফুলছরাত বেগমের ৬ ছেলে ৩ মেয়ের ভেতর অন্যতম। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। আর সাধারণ মানুষদের ইসলামের দাওয়াত দিতেন। শাহাদাতের সময় তিনি তার সত্তরোর্ধ্ব বয়স্কা মাতা এবং স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম ও দুই ছেলে যথাক্রমে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মোঃ মাসুদ হাসানকে রেখে যান।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
৬ মে ২০১৩ ইং বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাঁঠালতলায় হেফাজতে ইসলামের অবরোধে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মো: সাঈদ মোড়ল। আল্লাহ তার শাহাদাৎ কবুল করুন আমীন।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তিনি ওয়াক্ত মত আদায় করতেন। তিনি ছিলেন একজন প্রতিবাদী মানুষ এবং বাতিলের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বর্তমান সরকারের ইসলাম, কোরআন-হাদীস ও আলেম ওলামাদের উপর নির্যাতন দেখে এবং উক্ত অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিবাদে যে আন্দোলন শুরু হয় সে আন্দোলনে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য তিনি রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ৬ মে ২০১৩ ইং বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার কাঁঠালতলায় হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার মানুষ রাজপথ অবরোধ করে এবং মিছিলসহকারে সামনে অগ্রসর হয়। মিছিলটি কিছুদূর যাওয়ার পর সম্মুখ থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা সম্মিলিতভাবে মিছিলের উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি বর্ষণ শুরু করে। তখন পুলিশের গুলি ও আওয়ামী লীগের হামলার একপর্যায়ে একটি বুলেট শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়লের কপালে বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
বড় ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, পারিবারিকভাবে আমার আব্বা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে আমাদের নিয়ে জীবন যাপন করতেন। তিনি আমার আম্মা একসাথে এবং আমার দাদা-দাদী, নানা-নানী, চাচা-চচীসহ আত্মীয়স্বজন এমনকি এলাকার সবার সাথে অত্যন্ত ভাল ব্যবহার ও নম্র-ভদ্রভাবে চলাফেরা করতেন। বর্তমান সরকারের ইসলাম, কোরআন, হাদীস ও আলেম ওলামাদের উপর নির্যাতন দেখে এবং উক্ত অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিবাদে আমার আব্বা সে আন্দোলনে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার এ ভূমিকায় ইসলামবিদ্বেষী মহল এবং পুলিশ বাহিনীর গুলির মুখে রাজপথে জীবন দেন। এভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ইয়াতিম করে এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। আল্লাহ আমার আব্বাকে জান্নাত দান করুন।
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল (১১০)। পেশা: কৃষিকাজ।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৪.০৩.১৯৬৫ইং বয়স প্রায় ৪৮ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৬.০৫.২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ০৬.০৫.২০১৩ দুপুর ১২.৩০ টা, স্থান: ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থানে।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- পিলজংগ, ডাকঘর- পিলজংগ, থানা- ফকিরহাট, জেলা- বাগেরহাট।
পিতা: মৃত মসিউদ্দিন মোড়ল, কৃষক ছিলেন। মৃত্যু বরণ করেন ১৯৯৩ সালে।
মাতা: ফুলছরাত, বয়স প্রায় ৭০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশে হোগলা পাতার বেড়া ও উপরে টিন শেড। চাষাবাদের কোন জমিন নেই। উপার্জন করার কেউ নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ; স্ত্রী: মঞ্জুয়ারা বেগম। ছেলে: মোঃ মেহেদী হাসান-দশম শ্রেণী। মোঃ মাসুদ হাসান- দ্বিতীয় শ্রেণী।
ভাই-বোনের বিবরণঃ মোঃ আঃ হাই মোড়ল-কৃষক। মোঃ আঃ হালিম মোড়ল-কৃষক। মোঃ আঃ বারিক মোড়ল- কৃষক। মোঃ আঃ আলিম মোড়ল-কৃষক। মোঃ আবু হানিফ মোড়ল-চাকুরী। শহর বানু-গৃহিণী। হাসেন বানু-গৃহিণী। ফিরোজা-গৃহিণী।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍