শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক ১ মার্চ ১৯৯০ সালে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুতিজানা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। এক শান্ত-স্বভাবের, মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ তরুণ। ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি সক্রিয়ভাবে দ্বীনি ও নৈতিক আদর্শের পক্ষে কাজ করতেন। ৩ মার্চ ২০১৩ হরতালের সমর্থনে পিকেটিং চলাকালে বেপরোয়া গতির ট্রাকের ধাক্কায় তিনি শহীদের মর্যাদা লাভ করেন। জীবদ্দশায় নীরব চরিত্র, দায়িত্বশীলতা ও ইসলামী আন্দোলনে একনিষ্ঠ অংশগ্রহণের জন্য তিনি সকলের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর ত্যাগ আজও তার পরিবার, সহযোদ্ধা ও সমাজকে ন্যায় ও আদর্শের পথে দৃঢ় থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক
গাজীপুর-1
১. শহীদের পরিচিতি
পিতা-মাতার সাত সন্তানের মধ্যে শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক-এর অবস্থান ৬ষ্ঠ। তিনি ১৯৯০ সালের ১ মার্চ ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার পুতিজানা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছমির উদ্দিন সরকার এবং মাতার নাম আছিয়া খাতুন। তিনি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুরে বাংলা বিভাগের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও কষ্টসহিষ্ণু। সর্বদাই তিনি অনাড়ম্বর জীবন যাপন পছন্দ করতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত ২ ও ৩ মার্চ সারা দেশে হরতাল পালন করা হয়। এই হরতালের সমর্থনে ৩রা মার্চ ভোর ৫.৪৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তার নয়নপুর বাজারে পিকেটিং কালে বেপরোয়া গতিতে চলন্ত ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। শাহাদাতের পর তাকে গ্রামের নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং নিজ বাড়ি সংলগ্ন আল-হেরা মাদরাসা মাঠে প্রায় ১২০০ লোকের উপস্থিতিতে বেলা ২টায় জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন তারই আপন বড় ভাই মুতালিব হোসেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত ২ ও ৩ মার্চ সারা দেশে হরতাল পালন করা হয়। এই হরতালের সমর্থনে ৩রা মার্চ ভোর ৫.৪৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তার নয়নপুর বাজারে পিকেটিং কালে বেপরোয়া গতিতে চলন্ত ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
৪. আপনজনদের কথা
পিতা-মাতার কথা: শহীদের বৃদ্ধ পিতা-মাতা তাদের ছেলের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা আল্লাহর কাছে। কামনা করেছেন এবং জানাযায় উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন আল্লাহ তাকে ইসলামী আন্দোলনের জন্য উত্তম জাযাহ দান করেন এবং শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন। ভাই-বোনের কথা: শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাকের মত সকলেই যেন আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন সকলকে এ আহবান জানান। প্রতিবেশীদের কথা: তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন। কখনো কারো সাথে খারাপ আচরণ করেননি। সর্বদাই হাসি মুখে কথা বলতেন।
দ্বীনি ভাইদের কথা: ইসলামী আন্দোলনের কাজে তিনি সর্বদাই ছিলেন একনিষ্ঠ। তার কাজে আমরা সবাই অনুপ্রেরণা খুঁজে পাই। আল্লাহ তা'য়ালা তাকে জান্নাতে সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক (০৪৭)।
জন্ম তারিখ: ১ মার্চ, ১৯৯০ ইং।
পিতা: ছমির উদ্দিন সরকার। বয়স ১০০ বছর।
মাতা: আছিয়া খাতুন, বয়স ৭৫ বছর, গৃহিণী।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: গৌরীপুর, ডাকঘর: ফুলবাড়িয়া, থানা। ফুলবাড়িয়া, জেলা: ময়মনসিংহ।
ঘটনাকালীন বসবাসের ঠিকানা: শ্রীপুর, গাজীপুর।
আহত হওয়ার তারিখ: ৩রা মার্চ, ভোর ৫.৪৫ টা। ট্রাক চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ভাই-বোনের বিবরণ: আবদুল কাদের- ৪৩, চাকুরিজীবী, মুতালিব হোসেন-৩৯, শিক্ষক, মুস্তাফিজুর রহমান সুরুজ-৩৬, ড্রাইভার, নুর জাহান-৫০, বিবাহিতা, আনোয়ারা বেগম-৪৫, বিবাহিতা, আবদুল বারী-২১, ছাত্র।
শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাজীপুর জেলা শাখার একজন সদস্য ছিলেন। তিনি গাজীপুরের বিভিন্ন থানা শাখায় সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ শাহাদাতের পূর্ব পর্যন্ত তিনি শ্রীপুর সাথী শাখার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
গাজীপুর-1
১. শহীদের পরিচিতি
পিতা-মাতার সাত সন্তানের মধ্যে শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক-এর অবস্থান ৬ষ্ঠ। তিনি ১৯৯০ সালের ১ মার্চ ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার পুতিজানা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছমির উদ্দিন সরকার এবং মাতার নাম আছিয়া খাতুন। তিনি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ, গাজীপুরে বাংলা বিভাগের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও কষ্টসহিষ্ণু। সর্বদাই তিনি অনাড়ম্বর জীবন যাপন পছন্দ করতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত ২ ও ৩ মার্চ সারা দেশে হরতাল পালন করা হয়। এই হরতালের সমর্থনে ৩রা মার্চ ভোর ৫.৪৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তার নয়নপুর বাজারে পিকেটিং কালে বেপরোয়া গতিতে চলন্ত ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। শাহাদাতের পর তাকে গ্রামের নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং নিজ বাড়ি সংলগ্ন আল-হেরা মাদরাসা মাঠে প্রায় ১২০০ লোকের উপস্থিতিতে বেলা ২টায় জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন তারই আপন বড় ভাই মুতালিব হোসেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে ঘোষিত ২ ও ৩ মার্চ সারা দেশে হরতাল পালন করা হয়। এই হরতালের সমর্থনে ৩রা মার্চ ভোর ৫.৪৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুর মাওনা চৌরাস্তার নয়নপুর বাজারে পিকেটিং কালে বেপরোয়া গতিতে চলন্ত ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
৪. আপনজনদের কথা
পিতা-মাতার কথা: শহীদের বৃদ্ধ পিতা-মাতা তাদের ছেলের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা আল্লাহর কাছে। কামনা করেছেন এবং জানাযায় উপস্থিত সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন আল্লাহ তাকে ইসলামী আন্দোলনের জন্য উত্তম জাযাহ দান করেন এবং শহীদ হিসেবে কবুল করে নেন। ভাই-বোনের কথা: শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাকের মত সকলেই যেন আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন সকলকে এ আহবান জানান। প্রতিবেশীদের কথা: তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন। কখনো কারো সাথে খারাপ আচরণ করেননি। সর্বদাই হাসি মুখে কথা বলতেন।
দ্বীনি ভাইদের কথা: ইসলামী আন্দোলনের কাজে তিনি সর্বদাই ছিলেন একনিষ্ঠ। তার কাজে আমরা সবাই অনুপ্রেরণা খুঁজে পাই। আল্লাহ তা'য়ালা তাকে জান্নাতে সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক (০৪৭)।
জন্ম তারিখ: ১ মার্চ, ১৯৯০ ইং।
পিতা: ছমির উদ্দিন সরকার। বয়স ১০০ বছর।
মাতা: আছিয়া খাতুন, বয়স ৭৫ বছর, গৃহিণী।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: গৌরীপুর, ডাকঘর: ফুলবাড়িয়া, থানা। ফুলবাড়িয়া, জেলা: ময়মনসিংহ।
ঘটনাকালীন বসবাসের ঠিকানা: শ্রীপুর, গাজীপুর।
আহত হওয়ার তারিখ: ৩রা মার্চ, ভোর ৫.৪৫ টা। ট্রাক চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
ভাই-বোনের বিবরণ: আবদুল কাদের- ৪৩, চাকুরিজীবী, মুতালিব হোসেন-৩৯, শিক্ষক, মুস্তাফিজুর রহমান সুরুজ-৩৬, ড্রাইভার, নুর জাহান-৫০, বিবাহিতা, আনোয়ারা বেগম-৪৫, বিবাহিতা, আবদুল বারী-২১, ছাত্র।
শহীদ মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির গাজীপুর জেলা শাখার একজন সদস্য ছিলেন। তিনি গাজীপুরের বিভিন্ন থানা শাখায় সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ শাহাদাতের পূর্ব পর্যন্ত তিনি শ্রীপুর সাথী শাখার সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍