শহীদ মো: খালেদুর রহমান টিটু
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটু (০২৩)। পেশা: স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন পল্লি মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ নভেম্বর ১৯৯৯ইং, বয়স ১৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকালে। দাফন করা হয়। নিজ এলাকায়।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পুরানদোরপুর, ডাকঘর: ঝিকরগাছা, থানা: ঝিকরগাছা, যশোর। বর্তমানে
যোগাযোগের ঠিকানা: গাজি পালসা , ১৫ নং ওয়ার্ড, বগুড়া।
পিতা: মোঃ আলম। বয়স ৪০ বছর, রংমিস্ত্রি।
মাতা: সাকিলা বেগম, গৃহিণী, ৩৫ বছর।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন, ঘর ভাড়া মাসে ৬০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। বাবা রংমিস্ত্রি, এ আয় দিয়েই সংসার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: খালেদুর রহমান টিটু (শহীদ), ২. মেহেদী হাসান সেতু, ৭ম শ্রেণী, পল্লি মঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ নভেম্বর ১৯৯৯ইং, বয়স ১৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকালে। দাফন করা হয়। নিজ এলাকায়।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পুরানদোরপুর, ডাকঘর: ঝিকরগাছা, থানা: ঝিকরগাছা, যশোর। বর্তমানে
যোগাযোগের ঠিকানা: গাজি পালসা , ১৫ নং ওয়ার্ড, বগুড়া।
পিতা: মোঃ আলম। বয়স ৪০ বছর, রংমিস্ত্রি।
মাতা: সাকিলা বেগম, গৃহিণী, ৩৫ বছর।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন, ঘর ভাড়া মাসে ৬০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। বাবা রংমিস্ত্রি, এ আয় দিয়েই সংসার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: খালেদুর রহমান টিটু (শহীদ), ২. মেহেদী হাসান সেতু, ৭ম শ্রেণী, পল্লি মঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"ছোট্ট ছেলের মতো টিটু সর্বদা মা- মা বলে মাতিয়ে রাখতো। তার সেই মধুর ডাকে ঘরদোর থেকে সব অভাব-কষ্ট যেন হাওয়া হয়ে যেত। কিন্তু তার মাকে আজ কে সান্তনা দেবে? গোষ্ঠীর সবাই বেঁচে আছে এই অল্প বয়সে ও চলে গেল।"
১. শহীদের পরিচিতি
মাত্র ষোল বছর বয়সের এক দুরন্ত কিশোর। মা-বাবার দুই সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান শহীদ মো: খালেদুর রহমান টিটু ১৯৯৯ সালে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার পুরানদোরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও পারিবারিক কারণে তারা থাকতেন বগুড়া শহরতলির গাজি পালসা এলাকায়। দুই ভাইয়ের মাঝে তিনি ছিলেন বড়, পল্লিমঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়তেন। ছোট ভাই মেহেদী হাসান সেতু ৭ম শ্রেণির ছাত্র। মা-বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল দুই ছেলেকে নিয়ে। ছেলেরা সুশিক্ষিত হবে, বড় হবে, দরিদ্র মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। দিনমজুর বাবার কষ্ট লাঘব করবে। শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটুর বাবা মো: আলম একজন রংমিস্ত্রি। মাসে হাড়ভাঙা কষ্ট করে প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা আয় করেন। এ দিয়ে তার অভাবের সংসার কোন রকমে চলে। নিত্য অভাবের এ সংসারে শহীদ টিটু পড়ালেখার পাশাপাশি একটি দোকানে পার্টটাইম কাজ করতেন এবং সপ্তাহে ৩৫০ টাকা আয় করে সাংসারিক কাজে বাবা-মাকে সহযোগিতা করনে।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
বিশ্ববিখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল ২৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তৌহিদি জনতা এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করে ৩ ও ৪ মার্চ হরতাল ও প্রতিবাদের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। শহীদ খালেদুর রহমান ভাই ৩ মার্চ ভোর আনুমানিক ৫:৩০ মিনিটে কোরআনের ডাকে সাড়া দিয়ে জালেমদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেন। চারমাথা ভবের বাজার এলাকায় রাস্তার ওপর এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী ক্যাডাররা অতর্কিতে শত শত রাউন্ড টিয়ারশেল ও গুলি বর্ষণ করতে থাকে। এতে শহীদ খালেদুর রহমান টিটু কপালের ডানপার্শ্বের ভ্রূর উপরে গুলি লাগলে সাথে সাথে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার চেহারা কেউ চিনতে পারেনি। প্রায় ১ ঘণ্টা মাটিতে পড়ে থাকার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে চেহারা ওয়াশ করা হলে শহীদের বাবা তার ছেলেকে শনাক্ত করেন এবং বাঁধভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আব্দুল হালিম, স্থানীয় জামে মসজিদের খতিব। সেখানে প্রায় ৬-৭ হাজার লোক উপস্থিত ছিল।৩. মায়ের বুকফাটা কান্না
খুব ভোরে টিটু যখন বের হওয়ার আয়োজন করছে। মা বললেন, 'এখনও আজান দেয়নি যাওয়ার দরকার নেই।' এদিকে 'আল-কুরআনের আলো ঘরে ঘরে জ্বালো।' মোটরসাইকেলে যেতে যেতে লোকজন শ্লোগান দিচ্ছে। মা আর ওকে বেঁধে রাখতে পারলেন না। মাও আর তেমন আটকালেন না কারণ আগের দিন শনিবার দুপুরে পাঁচ তলা বিল্ডিং-এর পার্শ্বেও সে প্রোগ্রাম করেছে। ১০-১২ দিন আগ থেকেই সারাদেশের অবস্থা, ইসলামপন্থীদের অবস্থা নিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলতো। সেখানে মা, চাচীরা তাদের আশঙ্কার কথা বললে সে তাদের কাছে বিদায়ও চাইতো। সেই চাচী স্বপ্নে ওকে দেখতে পায়, টিটু বলে, 'আমি ভাল আছি। চাচী বলে, তোমার মাতো খুব কাব্দে। চাচীকে বলে, 'মাকে বলবেন তাহলে আমার কষ্ট হবে'। "ছোট্ট ছেলের মতো টিটু সর্বদ্য মা- মা বলে মাতিয়ে রাখতো। তার সেই মধুর ডাকে ঘরদোর থেকে সব অভাব-কষ্ট যেন হাওয়া হয়ে যেত। কিন্তু তার মাকে আজ কে সান্ত্বনা দিবে? গোষ্ঠীর সবাই বেঁচে আছে এই অল্প বয়সে ও চলে গেল।"
৪. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটু (০২৩)। পেশা: স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন পল্লি মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ নভেম্বর ১৯৯৯ইং, বয়স ১৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকালে। দাফন করা হয়। নিজ এলাকায়।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পুরানদোরপুর, ডাকঘর: ঝিকরগাছা, থানা: ঝিকরগাছা, যশোর। বর্তমানে
যোগাযোগের ঠিকানা: গাজি পালসা , ১৫ নং ওয়ার্ড, বগুড়া।
পিতা: মোঃ আলম। বয়স ৪০ বছর, রংমিস্ত্রি।
মাতা: সাকিলা বেগম, গৃহিণী, ৩৫ বছর।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন, ঘর ভাড়া মাসে ৬০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। বাবা রংমিস্ত্রি, এ আয় দিয়েই সংসার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: খালেদুর রহমান টিটু (শহীদ), ২. মেহেদী হাসান সেতু, ৭ম শ্রেণী, পল্লি মঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়।
১. শহীদের পরিচিতি
মাত্র ষোল বছর বয়সের এক দুরন্ত কিশোর। মা-বাবার দুই সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান শহীদ মো: খালেদুর রহমান টিটু ১৯৯৯ সালে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার পুরানদোরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও পারিবারিক কারণে তারা থাকতেন বগুড়া শহরতলির গাজি পালসা এলাকায়। দুই ভাইয়ের মাঝে তিনি ছিলেন বড়, পল্লিমঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়তেন। ছোট ভাই মেহেদী হাসান সেতু ৭ম শ্রেণির ছাত্র। মা-বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল দুই ছেলেকে নিয়ে। ছেলেরা সুশিক্ষিত হবে, বড় হবে, দরিদ্র মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। দিনমজুর বাবার কষ্ট লাঘব করবে। শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটুর বাবা মো: আলম একজন রংমিস্ত্রি। মাসে হাড়ভাঙা কষ্ট করে প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা আয় করেন। এ দিয়ে তার অভাবের সংসার কোন রকমে চলে। নিত্য অভাবের এ সংসারে শহীদ টিটু পড়ালেখার পাশাপাশি একটি দোকানে পার্টটাইম কাজ করতেন এবং সপ্তাহে ৩৫০ টাকা আয় করে সাংসারিক কাজে বাবা-মাকে সহযোগিতা করনে।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
বিশ্ববিখ্যাত মুফাস্সির আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল ২৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তৌহিদি জনতা এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করে ৩ ও ৪ মার্চ হরতাল ও প্রতিবাদের মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। শহীদ খালেদুর রহমান ভাই ৩ মার্চ ভোর আনুমানিক ৫:৩০ মিনিটে কোরআনের ডাকে সাড়া দিয়ে জালেমদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেন। চারমাথা ভবের বাজার এলাকায় রাস্তার ওপর এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী ক্যাডাররা অতর্কিতে শত শত রাউন্ড টিয়ারশেল ও গুলি বর্ষণ করতে থাকে। এতে শহীদ খালেদুর রহমান টিটু কপালের ডানপার্শ্বের ভ্রূর উপরে গুলি লাগলে সাথে সাথে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার চেহারা কেউ চিনতে পারেনি। প্রায় ১ ঘণ্টা মাটিতে পড়ে থাকার পর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে চেহারা ওয়াশ করা হলে শহীদের বাবা তার ছেলেকে শনাক্ত করেন এবং বাঁধভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আব্দুল হালিম, স্থানীয় জামে মসজিদের খতিব। সেখানে প্রায় ৬-৭ হাজার লোক উপস্থিত ছিল।৩. মায়ের বুকফাটা কান্না
খুব ভোরে টিটু যখন বের হওয়ার আয়োজন করছে। মা বললেন, 'এখনও আজান দেয়নি যাওয়ার দরকার নেই।' এদিকে 'আল-কুরআনের আলো ঘরে ঘরে জ্বালো।' মোটরসাইকেলে যেতে যেতে লোকজন শ্লোগান দিচ্ছে। মা আর ওকে বেঁধে রাখতে পারলেন না। মাও আর তেমন আটকালেন না কারণ আগের দিন শনিবার দুপুরে পাঁচ তলা বিল্ডিং-এর পার্শ্বেও সে প্রোগ্রাম করেছে। ১০-১২ দিন আগ থেকেই সারাদেশের অবস্থা, ইসলামপন্থীদের অবস্থা নিয়ে পরিবারের সাথে কথা বলতো। সেখানে মা, চাচীরা তাদের আশঙ্কার কথা বললে সে তাদের কাছে বিদায়ও চাইতো। সেই চাচী স্বপ্নে ওকে দেখতে পায়, টিটু বলে, 'আমি ভাল আছি। চাচী বলে, তোমার মাতো খুব কাব্দে। চাচীকে বলে, 'মাকে বলবেন তাহলে আমার কষ্ট হবে'। "ছোট্ট ছেলের মতো টিটু সর্বদ্য মা- মা বলে মাতিয়ে রাখতো। তার সেই মধুর ডাকে ঘরদোর থেকে সব অভাব-কষ্ট যেন হাওয়া হয়ে যেত। কিন্তু তার মাকে আজ কে সান্ত্বনা দিবে? গোষ্ঠীর সবাই বেঁচে আছে এই অল্প বয়সে ও চলে গেল।"
৪. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটু (০২৩)। পেশা: স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন পল্লি মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ নভেম্বর ১৯৯৯ইং, বয়স ১৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকালে। দাফন করা হয়। নিজ এলাকায়।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পুরানদোরপুর, ডাকঘর: ঝিকরগাছা, থানা: ঝিকরগাছা, যশোর। বর্তমানে
যোগাযোগের ঠিকানা: গাজি পালসা , ১৫ নং ওয়ার্ড, বগুড়া।
পিতা: মোঃ আলম। বয়স ৪০ বছর, রংমিস্ত্রি।
মাতা: সাকিলা বেগম, গৃহিণী, ৩৫ বছর।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন, ঘর ভাড়া মাসে ৬০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। বাবা রংমিস্ত্রি, এ আয় দিয়েই সংসার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: খালেদুর রহমান টিটু (শহীদ), ২. মেহেদী হাসান সেতু, ৭ম শ্রেণী, পল্লি মঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍