হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম
শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম

শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম (০২৭)। পেশা: গৃহিণী।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৬০ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ'১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, স্থান: জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। দাফন করা হয়: এলাকার বড় কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: নতুন মন্ডল পাড়া, ডোমনপুকুর, ডাকঘর: মাঝিড়া, থানা: শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া।স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের চাল বিশিষ্ট মাটির ঘর। ছেলেরা রিকশা চালিয়ে সংসার চালায়
স্বামী ও সন্তানদের বিবরণ: স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী। ১ম ছেলে: মো: নজরুল ইসলাম, রিক্সাচালক, ২য় ছেলে: আব্দুল হামিদ রিক্সাচালক, ৩য় ছেলে: রফিকুল রিক্সাচালক, ৪র্থ ছেলে: মো: হাফিজ লন্ড্রি এবং বাঁশের ব্যবসা, ১ম মেয়ে: বানু, বিবাহিতা, ২য় মেয়ে: মোর্শেদা, ৩য় মেয়ে: আশেদা, বিবাহিতা।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

"শহীদার আকলিমার সন্তানরা আজ কান্নায় ভেঙে পড়েন, ২২ বছর আগে এই পিচঢালা রাস্তায় তারা পিতাকে হারিয়ে শৈশবেই একবার এতিম হয়ে ছিলেন। আজ সেই রাস্তায় আবার মাকে হারিয়েছেন। সেবার বাবাকে পিষ্ট করেছিল ঘাতক বাস কিন্তু এবার কোন ঘাতককে দায়ী করবেন এই পূর্ণাঙ্গ এতিম হওয়া ৭ সন্তান?"
১. শহীদার পরিচিতি
বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর নতুন মন্ডলপাড়ার ৭ সন্তানের জননী ৬০ বছর বয়সী শহীদা আকলিমা বেগম। ২২-২৩ বছর আগে ১লা রমজান বাঁশ ব্যবসায়ী স্বামী মোনছের আলী তার ভাইসহ বাঁশ নিয়ে যাওয়ার সময় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেন। সে সময় তার বয়েস ছিল মাত্র ৩৭-৩৮ বছর এবং ৭ সন্তানের বয়স ছিল ৫ থেকে ২০ বছর। স্বামীর ইন্তেকালের পর এই ৭ সন্তানকে নিয়ে অভাবের সংসারে কোনমতে দিন অতিবাহিত করে আসছিলেন সংগ্রামী এই বিধবা মহিলা। বুকে অনেক স্বপ্ন থাকলেও সন্তানদের তেমন শিক্ষিত করতে পারেননি। সন্তানদের মধ্যে তিনজন রিক্সাচালক ও একজন বাবার লন্ড্রির দোকান দেখাশোনা করেন। ৩ মেয়েকে বিয়ে দিয়ে এবং ছেলেদের আলাদা আলাদা সংসার করে দিয়ে বাকি দিনগুলি আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থেকে কাটিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা রায় দেয়ার পর আর ঘরে বসে থাকতে পারেননি। রাস্তায় এসে প্রতিবাদ জানান এবং পুলিশের গুলিতে শাহাদাৎ বরণ করেন। শাহদাতের সময় তিনি চার ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে যান।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
দিনটি ছিল রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৩। বিশ্ববরেণ্য নন্দিত আলেমে দ্বীন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডের অবৈধ রায় কোনমতেই মেনে নিতে পারেননি ৬০ বছর বয়সী এই মহীয়সী মা। তার বুকফাটা কষ্ট-বেদনা জানাবার ভাষাও যেন আজ হারিয়ে ফেলেছেন। তাই যখন শুনতে পেলেন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হচ্ছে এবং তারই এলাকার অসংখ্য আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সবাই প্রতিবাদ জানাতে বেরিয়ে পড়েছে। আর দেরি না করে সেই সকালে ফজর নামাজের পরই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান মা আকলিমা। তখন সকাল ৬.৩০ টা। চারিদিকে প্রতিবাদী হাজার হাজার নারী পুরুষ, সবার এক দাবি মুক্তি দাও ফিরিয়ে দাও আমাদের প্রাণের সাঈদীকে। অবৈধ ট্রাইব্যুনাল মানি না, বাতিল কর। বৃদ্ধার চোখের জলে বার বার মিনতি স্বরে শ্লোগান সা- ঈ- দী-র মুক্তি চাই। পর্দানশিন এমন বয়স্ক নারীকে কুরআনের এক খাদেমের জন্য জীবনে এই প্রথম ময়দানে নেমে আসতে দেখেছে এলাকার মানুষেরা। এরা কোন রাজনীতি বুঝে না, অন্যকোন নীতিও বুঝে না। মহান আল্লাহর কুরআনকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসতে হয়.. শুধু এটাই জানে। আর এটাই সহ্য হয়নি বিরোধীদের, বাতিলেরা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিল গুলি চালাতে। আর সেই নির্দেশ হুবহু পালন করে সরকারি পুলিশ বাহিনী। ফলে রাস্তার মধ্যে থাকা হাজার হাজার মানুষকে লক্ষ্য করে শুরু হয় বৃষ্টির মত গুলি বর্ষণ। গুলি বৃষ্টির মধ্যে একটি বুলেট মা আকলিমার উরুতে লাগে। গুলি খেয়ে মাটিতে পড়ে ছটফট করতে থাকেন মা আছিয়া। প্রচুর রক্তক্ষরণের এক পর্যায়ে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
২.৩০ টায় পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়। পরে বিকেল ৫ টার দিকে পুলিশ লাশ হস্তান্তর করে। ডোমন পুকুর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে শহীদার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আনিসুর রহমান। জানাযায় ৪ হাজারের অধিক লোক উপস্থিত ছিলেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বিশ্ববরেণ্য মুফাসসিরে কুরআন ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে বগুড়ার সর্বস্তরের জনতা। অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজপথে নেমে আসে লাখ লাখ মানুষ।
ঘোরতর সরকার সমর্থক হিসেবে পরিচিত স্থানীয় প্রভাবশালী দৈনিক সাতমাথা রিপোর্ট করে কিভাবে চাঁদে সাঈদী সাহেবকে দেখার বিষয়টি প্রচারিত হয় এবং এতে কোন সংগঠনের ইন্ধন ছিল না। এটি ছিল সাধারণ মানুষের ভালবাসা ও আবেগের অভিব্যক্তি। ৪ মার্চ ২০১৩, "বগুড়ায় গুলিতে নিহত ১২" শিরোনামে দৈনিক সাতমাথার রিপোর্ট; "গত শুক্রবার শেষ রাতে 'আকাশে চাঁদের গায়ে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছবি দেখা গেছে' এমন একটি গুজব রটে যায় শনিবার সকালে। বাতাসের বেগে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। শনিবার দিবাগত রাতে আবারও দৃশ্যটি দেখার আগ্রহ জাগে অনেকেরই। ফলে গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকেন অসংখ্য মানুষ। অবশেষে রাত দুইটার দিকে অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়। চাঁদের গায়ে থাকা ছায়া দেখে সেটি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বলে অনেকে বিশ্বাস করতে থাকেন। ওই ছায়ার মানুষটিই আল্লামা সাঈদীর এই বিশ্বাস গেঁথে যায় অনেকের মনে। মুহূর্তের মধ্যে মোবাইল ফোন, ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। পাড়া মহল্লায় শুরু হয় মিছিল। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে ফজরের নামাজের পূর্বেই হাজার হাজার মানুষ মহাসড়কের ওপর অবস্থান নেয়। তারা গাছের গুড়ি এবং বিদ্যুতের খুঁটি ফেলে বগুড়া-ঢাকা, বগুড়া-নাটোর, বগুড়া-জয়পুরহাট, বগুড়া-রংপুর এবং বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করে। ফজরের নামাজ শেষে লোকজন স্রোতের মত রাজপথে নামতে থাকে। মুহূর্তের মধ্যে জেলার প্রতিটি সড়ক, মহাসড়ক লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। জাময়াত-শিবির নেতা কর্মীরা আসা জনতা হাতের কাছে যা পেয়েছে তাই নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।"
শুধু শাহজাহানপুর থানার ঘটনাস্থলেই মহিলাসহ ৩ জন এবং বগুড়া সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো এক মহিলাসহ ২ জন নিহত হন। আহত হয় ৩ পুলিশসহ প্রায় ২০ জন। আহতদের মধ্যে অনেকে বগুড়া সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নিহতরা হলেন উপজেলার সাজাপুর পশ্চিমপাড়ার মেহরাজের স্ত্রী আরজিনা বেগম (৪৫), ডোমনপুকুর গ্রামের তোতা মিয়ার স্ত্রী মুনজিলা বেগম (৩৮), ডোমনপুকুর নতুনপাড়ার মৃত মনছের আলীর স্ত্রী আকলিমা বেগম (৫০), আমরচল গ্রামের জাফর আলীর ছেলে আব্দুল কাছির (৪০) এবং ডোমনপুকুর নয়াপাড়ার রকিবের ছেলে আব্দুর রহমান (৬০)। এ ঘটনার পর সকাল সোয়া ৮টার দিকে দুই প্লাটুন সেনাসদস্য ঘটনাস্থলে এসে পুলিশকে রক্ষা ও পরিবেশ শান্ত রাখতে থানার দু'পাশে মহাসড়কে অবস্থান নেয়। এদিকে, দুপুর দেড়টা থেকে উপজেলা সদর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এই আদেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বলবত থাকবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এইচ এম নুরুল ইসলাম জানান, সেনা মোতায়েন নয়, থানা পুলিশকে রক্ষা করতেই সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। মহিলাদের যাওয়াটা কারো ধারণার মধ্যে ছিল না। এমনকি মহিলাদের কোলে তাদের অবুঝ শিশুরাও ছিল। যাদের পায়ে একটি ছোট্ট কাঁটা ফুটুক এটা বাবা-মা কখনও চান না। তাদেরও কেন নিয়ে গেল? রাজধানীর শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে অলস সময়ে বসে এর অনেক সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করা যাবে। যুক্তির বন্যা ভাসিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু সেই সব হতদরিদ্র-নিঃস্ব মানুষদের অবেগকে বিশ্লেষণ করা যাবে না। আর তাদের ওপর হামলার বিষয়টি কারো কল্পনার মধ্যেও ছিল না। স্থানীয় একটি পত্রিকা ৩ জন মহিলার জানাজার ছবিসহ নিউজ করে "দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন একজন মা: আর একজন মা হয়ে তিনি কিভাবে পারলেন শত শত মা কে গুলির নির্দেশ দিয়ে তাদের সন্তানদের মা হারা করতে।"
৪. সন্তানদের বাঁধভাঙা কান্না
কম বয়সে এক মর্মান্তিক এক্সিডেন্টে স্বামীকে হারিয়ে অথৈ সাগরে পড়ে গিয়ে ছিলেন আকলিমা বেগম। নিজেদের বসতবাটি সবই নতুন সেনানিবাসের ভেতর পড়ায় তা ছেড়ে দিয়ে এখন তারা খাস জমিতে থাকেন। তবুও অল্প বয়সী ৭টি সন্তান নিয়ে কোথাও যেতে পারেননি। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেন। ৩ মেয়েকে বিয়ে দেওয়া ও ৪ ছেলের বিয়ে কর্মসংস্থান হলে কিছুটা স্বস্তি পান তিনি। সন্তানদের মানুষ করার জন্য যেন তিনি প্রদীপের মতো তিল তিল করে নিজেকে পুড়িয়েছেন। তার মাটির ঘরে কোন ফ্যান নেই, একটি পুরনো খাট ও একটি ছোট টেবিল এই আয়োজনেই প্রতি শুক্রবার মহিলাদের তালিমের আয়োজন করতেন এই মহীয়সী। প্রতি সপ্তাহে সে তালিমে ৩০ থেকে ৬০ জন গ্রামের মহিলা আসতো।
ঘটনার দিন ভোরে হাজার হাজার মানুষ যখন শাহজাহানপুরের দিকে যাচ্ছে। তিনি ছেলেদের ডাকতে থাকেন। 'বহুত লোক যাইচ্ছে চল যাই, সন্তানরা সে পরিবেশে মায়ের ডাকে বেরিয়ে পড়ে। মেজ ছেলে রফিক পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছিল, এত ডাকাডাকিতে সে উঠে যায়। তখনও পূর্ণ ভোর হয়নি। তাই সে মাকে বলেছে, না যাওয়া হবি না। আবার মা বলেন, 'বহুত পুরুষ লোক যাচ্ছে, ওঠি যাওয়া হবি না? যাওয়া ঘুমাও যে।" রফিকের ধারণা ছিল একটু ফর্সা হলেও তিনিও যাবেন কিন্তু কখনও ভাবেননি তার মা, ৬০ বছরের এই মহিলা সেই দূরে শাহাজাহানপুর চলে যাবেন। তাই সবাই কাঁদেন মায়ের ডাকে তারা চলে গেলেন তাদের কারো গুলি লাগেনি। মা কোথা দিয়ে কিভাবে গেল। আর তার গুলি লাগলো। খবর পেয়ে সন্তানরা প্রচণ্ড গোলাগুলির সেই পরিবেশেও মায়ের চিকিৎসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কাঁধে করে হারুন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছেন সেখানে চিকিৎসা হয়নি; অতঃপর মেডিক্যাল কলেজে হসপিটালে নেওয়ার পথেই মহীয়সী মা শহাহাদাত বরণ করেন।
শহীদা আকলিমার সন্তানরা আজ কান্নায় ভেঙে পড়েন, ২২ বছর আগে এই পিচঢালা রাস্তায় তারা পিতাকে হারিয়ে শৈশবেই একবার এতিম হয়েছিলেন। আজ সেই রাস্তায় আবার মাকে হারিয়েছেন। সেবার বাবাকে পিষ্ট করেছিল ঘাতক বাস কিন্তু এবার কোন ঘাতককে দায়ী করবেন এই পূর্ণাঙ্গ এতিম হওয়া ৭ সন্তান?
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম (০২৭)। পেশা: গৃহিণী।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৬০ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ'১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, স্থান: জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। দাফন করা হয়: এলাকার বড় কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: নতুন মন্ডল পাড়া, ডোমনপুকুর, ডাকঘর: মাঝিড়া, থানা: শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া।স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের চাল বিশিষ্ট মাটির ঘর। ছেলেরা রিকশা চালিয়ে সংসার চালায়
স্বামী ও সন্তানদের বিবরণ: স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী। ১ম ছেলে: মো: নজরুল ইসলাম, রিক্সাচালক, ২য় ছেলে: আব্দুল হামিদ রিক্সাচালক, ৩য় ছেলে: রফিকুল রিক্সাচালক, ৪র্থ ছেলে: মো: হাফিজ লন্ড্রি এবং বাঁশের ব্যবসা, ১ম মেয়ে: বানু, বিবাহিতা, ২য় মেয়ে: মোর্শেদা, ৩য় মেয়ে: আশেদা, বিবাহিতা।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍