শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার (১০৪)। পেশা: ইলেক্ট্রিক দোকান
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১২.১৯৮৮। আহত হওয়ার তারিখ: ১৯,০৪,২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৯.০৪.২০১৩, রাত ১১.৩০টা, স্থান: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল। দাফন করা হয়: দক্ষিণ নাটাইপাড়া পারিবারিক গোরস্থান।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-দক্ষিণ নাটাইপাড়া, ইউনিয়ন-বগুড়া পৌরসভা, ডাকঘর-বগুড়া, থানা- সদর, জেলা-বগুড়া।
পিতা
: আজিজুর রহমান সরকার, বয়স ৫০ বছর। ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী।
মাতা: লাইলী বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব জমিতে বাড়ি রয়েছে। সামান্য আবাদিজমিও নেই। বাবার ছোট চাকুরী ও বড় ভাইয়ের টেকনিশিয়ানের কাজের আয়ে পরিবার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোহাম্মদ আলী, টেকনিশিয়ান।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১২.১৯৮৮। আহত হওয়ার তারিখ: ১৯,০৪,২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৯.০৪.২০১৩, রাত ১১.৩০টা, স্থান: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল। দাফন করা হয়: দক্ষিণ নাটাইপাড়া পারিবারিক গোরস্থান।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-দক্ষিণ নাটাইপাড়া, ইউনিয়ন-বগুড়া পৌরসভা, ডাকঘর-বগুড়া, থানা- সদর, জেলা-বগুড়া।
পিতা
: আজিজুর রহমান সরকার, বয়স ৫০ বছর। ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী।
মাতা: লাইলী বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব জমিতে বাড়ি রয়েছে। সামান্য আবাদিজমিও নেই। বাবার ছোট চাকুরী ও বড় ভাইয়ের টেকনিশিয়ানের কাজের আয়ে পরিবার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোহাম্মদ আলী, টেকনিশিয়ান।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"শহীদের পিতা ইসলামী আন্দোলনকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, 'আমি ঘটনা শুনে মর্মাহত হইনি। আমি আল্লাহর ফয়সালাকে মেনে নিয়েছি এবং আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেছি। এছাড়া শহীদের পিতা হিসেবে নিজে গর্ববোধ করি।' গত ৩১ জানুয়ারির পর থেকে এ পর্যন্ত বগুড়ায় সরকারি দলের সন্ত্রাসী ও র্যাব-পুলিশের গুলিতে জামায়াত-শিবিরের ১৮ জন নেতাকর্মী শহীদ হলেন।"
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার বগুড়া জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ নাটাইপাড়া গ্রামে ১৯৮৮ইং সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আজিজুর রহমান সরকার ও মাতা লাইলী বেগম-এর ২ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। পিতা স্বল্প বেতনে ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী করে কোন রকমে সন্তানদের বড় করে তুলছিলেন। পিতা চেষ্টা করছিলেন তাকে বিবাহ দেয়ার জন্য। কিন্তু তিনি বাবাকে বোঝাচ্ছিলেন পরিস্থিতি ভালো হলে তিনি বিবাহ করবেন। কিন্তু আল্লাহর ফয়সালা তার ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন আল্লাহর দরবারে।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
শহীদ ইব্রাহিম সবসময় শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করতেন। যে কোন কর্মসূচিতে আগে উপস্থিত হতেন। ৩১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকে হরতাল চলছিল। হরতালে পিকেটিং করতে গিয়ে সাবগ্রাম ও ফুলবাড়িতে যথাক্রমে মিজানুর রহমান ও আবু রুহানী আওয়ামী ছাত্রলীগের হামলায় শাহাদাৎ বরণ করেন। এই দুইজন এর শাহাদাতের প্রতিবাদে জামিলনগরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ বাধা প্রদান করে এবং সরাসরি গুলি চালায়। ইব্রাহিম সরকার সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়। তার কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসকরা তার একটি কিডনি কেটে ফেলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ১৩ তারিখে রাত ১১.৩০ টায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
৩১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকে হরতাল চলছিল। হরতালে পিকেটিং করতে গিয়ে সাবগ্রাম ও ফুলবাড়িতে যথাক্রমে মিজানুর রহমান ও আবু রুহানী আওয়ামী ছালীগের হামলায় শাহাদাৎ বরণ করেন। এই দুইজন এর শাহাদাতের প্রতিবাদে জামিলনগরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ বাধা প্রদান করে এবং সরাসরি গুলি চালায়। ইব্রাহিম সরকার সেখানেগুলিবিদ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ১৩ তারিখে রাত ১১.৩০ টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। পরের দিনের জাতীয় দৈনিক সমূহ এ সংক্রান্ত নিউজ করে। ২১ এপ্রিল, ২০১৩ দৈনিক সংগ্রাম লিখে;
দুই মাসে পুলিশের গুলিতে ১৮ জন নিহত
বগুড়ায় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত আরও এক জামায়াতকর্মীর মৃত্যু
বগুড়া অফিস: বগুড়ায় হরতাল চলাকালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ছুরিকাঘাতে জামায়াত-শিবিরের দুই নেতাকর্মী নিহতের প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে র্যাব-পুলিশের নির্বিচার গুলিতে গুরুতর আহত জামায়াত কর্মী ইবরাহিম হোসেন (২৬) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি বগুড়া শহরের দক্ষিণ নাটাইপাড়ার আব্দুল আজিজ সরকারের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশের গুলিতে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের আরও এক শিবিরকর্মীর মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি '২০১৩ জামায়াতের ডাকা হরতাল চলাকালে বগুড়া শহরের সাবগ্রামে যুবলীগের ক্যাডারদের রাম দা'র আঘাতে জামায়াত কর্মী মিজানুর এবং ফুলবাড়ি মহিলা কলেজের সামনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে সরকারি আযিযুল হক কলেজ পুরাতন ভবন জোনের সভাপতি আবু রুহানী নিহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের জিরোপয়েন্ট সাতমাথায় যেতে চাইলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়।
শিবির কর্মীরা মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার সময় জামিলনগরে মিছিলের পিছন থেকে র্যাব ও পুলিশ অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক শিবিরকর্মী মারা যান। গুলিবিদ্ধ হন শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য হেদাইতুল ইসলামসহ কমপক্ষে ১৫ জন।
এদের মধ্যে গুরুতর আহত জামায়াত কর্মী ইবরাহিমকে প্রথমে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার একটি কিডনী কেটে ফেলতে হয়।
এরপর তাকে পুনরায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তিনি মারা যান। গতকাল যোহর নামাযের পর দক্ষিণ নাটাইপাড়া জামে মসজিদে জানাযা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়। বগুড়া জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ্যাড, রিয়াজ উদ্দিন, শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
৪. আপনজনদের কথা
পিতা ইসলামী আন্দোলনকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, আমি ঘটনা শুনে কোন মর্মাহত হইনি। আমি আল্লাহর ফয়সালাকে মেনে নিয়েছি এবং আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেছি। এছাড়া শহীদের পিতা হিসেবে নিজে গর্ববোধ করি।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার (১০৪)। পেশা: ইলেক্ট্রিক দোকান
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১২.১৯৮৮। আহত হওয়ার তারিখ: ১৯,০৪,২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৯.০৪.২০১৩, রাত ১১.৩০টা, স্থান: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল। দাফন করা হয়: দক্ষিণ নাটাইপাড়া পারিবারিক গোরস্থান।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-দক্ষিণ নাটাইপাড়া, ইউনিয়ন-বগুড়া পৌরসভা, ডাকঘর-বগুড়া, থানা- সদর, জেলা-বগুড়া।
পিতা
: আজিজুর রহমান সরকার, বয়স ৫০ বছর। ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী।
মাতা: লাইলী বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব জমিতে বাড়ি রয়েছে। সামান্য আবাদিজমিও নেই। বাবার ছোট চাকুরী ও বড় ভাইয়ের টেকনিশিয়ানের কাজের আয়ে পরিবার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোহাম্মদ আলী, টেকনিশিয়ান।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার বগুড়া জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ নাটাইপাড়া গ্রামে ১৯৮৮ইং সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আজিজুর রহমান সরকার ও মাতা লাইলী বেগম-এর ২ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। পিতা স্বল্প বেতনে ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী করে কোন রকমে সন্তানদের বড় করে তুলছিলেন। পিতা চেষ্টা করছিলেন তাকে বিবাহ দেয়ার জন্য। কিন্তু তিনি বাবাকে বোঝাচ্ছিলেন পরিস্থিতি ভালো হলে তিনি বিবাহ করবেন। কিন্তু আল্লাহর ফয়সালা তার ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন আল্লাহর দরবারে।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
শহীদ ইব্রাহিম সবসময় শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করতেন। যে কোন কর্মসূচিতে আগে উপস্থিত হতেন। ৩১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকে হরতাল চলছিল। হরতালে পিকেটিং করতে গিয়ে সাবগ্রাম ও ফুলবাড়িতে যথাক্রমে মিজানুর রহমান ও আবু রুহানী আওয়ামী ছাত্রলীগের হামলায় শাহাদাৎ বরণ করেন। এই দুইজন এর শাহাদাতের প্রতিবাদে জামিলনগরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ বাধা প্রদান করে এবং সরাসরি গুলি চালায়। ইব্রাহিম সরকার সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়। তার কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসকরা তার একটি কিডনি কেটে ফেলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ১৩ তারিখে রাত ১১.৩০ টায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
৩১ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ডাকে হরতাল চলছিল। হরতালে পিকেটিং করতে গিয়ে সাবগ্রাম ও ফুলবাড়িতে যথাক্রমে মিজানুর রহমান ও আবু রুহানী আওয়ামী ছালীগের হামলায় শাহাদাৎ বরণ করেন। এই দুইজন এর শাহাদাতের প্রতিবাদে জামিলনগরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশ বাধা প্রদান করে এবং সরাসরি গুলি চালায়। ইব্রাহিম সরকার সেখানেগুলিবিদ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ এপ্রিল ১৩ তারিখে রাত ১১.৩০ টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। পরের দিনের জাতীয় দৈনিক সমূহ এ সংক্রান্ত নিউজ করে। ২১ এপ্রিল, ২০১৩ দৈনিক সংগ্রাম লিখে;
দুই মাসে পুলিশের গুলিতে ১৮ জন নিহত
বগুড়ায় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত আরও এক জামায়াতকর্মীর মৃত্যু
বগুড়া অফিস: বগুড়ায় হরতাল চলাকালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ছুরিকাঘাতে জামায়াত-শিবিরের দুই নেতাকর্মী নিহতের প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ মিছিলে র্যাব-পুলিশের নির্বিচার গুলিতে গুরুতর আহত জামায়াত কর্মী ইবরাহিম হোসেন (২৬) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি বগুড়া শহরের দক্ষিণ নাটাইপাড়ার আব্দুল আজিজ সরকারের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশের গুলিতে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের আরও এক শিবিরকর্মীর মৃত্যু হয়।
জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি '২০১৩ জামায়াতের ডাকা হরতাল চলাকালে বগুড়া শহরের সাবগ্রামে যুবলীগের ক্যাডারদের রাম দা'র আঘাতে জামায়াত কর্মী মিজানুর এবং ফুলবাড়ি মহিলা কলেজের সামনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে সরকারি আযিযুল হক কলেজ পুরাতন ভবন জোনের সভাপতি আবু রুহানী নিহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের জিরোপয়েন্ট সাতমাথায় যেতে চাইলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়।
শিবির কর্মীরা মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার সময় জামিলনগরে মিছিলের পিছন থেকে র্যাব ও পুলিশ অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক শিবিরকর্মী মারা যান। গুলিবিদ্ধ হন শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য হেদাইতুল ইসলামসহ কমপক্ষে ১৫ জন।
এদের মধ্যে গুরুতর আহত জামায়াত কর্মী ইবরাহিমকে প্রথমে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার একটি কিডনী কেটে ফেলতে হয়।
এরপর তাকে পুনরায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে তিনি মারা যান। গতকাল যোহর নামাযের পর দক্ষিণ নাটাইপাড়া জামে মসজিদে জানাযা শেষে তার লাশ দাফন করা হয়। বগুড়া জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এ্যাড, রিয়াজ উদ্দিন, শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাকসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ জানাযায় অংশগ্রহণ করেন।
৪. আপনজনদের কথা
পিতা ইসলামী আন্দোলনকে ভালোবাসেন। তিনি বলেন, আমি ঘটনা শুনে কোন মর্মাহত হইনি। আমি আল্লাহর ফয়সালাকে মেনে নিয়েছি এবং আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেছি। এছাড়া শহীদের পিতা হিসেবে নিজে গর্ববোধ করি।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার (১০৪)। পেশা: ইলেক্ট্রিক দোকান
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১২.১৯৮৮। আহত হওয়ার তারিখ: ১৯,০৪,২০১৩।
শাহাদাতের তারিখ: ১৯.০৪.২০১৩, রাত ১১.৩০টা, স্থান: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল। দাফন করা হয়: দক্ষিণ নাটাইপাড়া পারিবারিক গোরস্থান।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-দক্ষিণ নাটাইপাড়া, ইউনিয়ন-বগুড়া পৌরসভা, ডাকঘর-বগুড়া, থানা- সদর, জেলা-বগুড়া।
পিতা
: আজিজুর রহমান সরকার, বয়স ৫০ বছর। ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী।
মাতা: লাইলী বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব জমিতে বাড়ি রয়েছে। সামান্য আবাদিজমিও নেই। বাবার ছোট চাকুরী ও বড় ভাইয়ের টেকনিশিয়ানের কাজের আয়ে পরিবার চলে।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোহাম্মদ আলী, টেকনিশিয়ান।