হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান
শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান

শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান (১৩২)। জেলা, বগুড়া।
জন্ম তারিখ ১২ মার্চ, ১৯৮৯।
আহত হওয়ার তারিখ ১৭ জুলাই, ২০১৩-রাত ৯টা।
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: মাথা ও বুকে প্রচণ্ড আঘাত, কান ও নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৮ জুলাই রাত ২.৩০ মিনিটে।
জানাজার ইমামের নাম ও উপস্থিতি ডঃ ফজলুর রহমান সাঈদ, উপস্থিাতি-তিন হাজার জন।
পিতার নাম মোঃ আঃ রহমান।
পেশা: কৃষি।
মাতার নাম: মোছা জুলেখা বেগম।
বয়স ও পেশা: ৪৮, গৃহিণী।
পরিবারের আয়ের উৎস ও পরিমাণ: কৃষি, বছরে ৫০ হাজার টাকা।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোঃ মিজানুর রহমান ছাত্র। মোছাঃ রওশন আরা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: রিনা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: শিল্পী খাতুন, গৃহিণী।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

"পিতা-মাতা বলেন: আমার ছেলেকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন।
সংগঠনের সাথীরা বলেন: জাহিদুর রহমান ইসলামী আন্দোলনে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। আল্লাহর কাছে একান্ত প্রার্থনা তিনি যেন জাহিদুর রহমানকে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।"
১. শহীদের পরিচিতি
মোঃ জাহিদুর রহমান জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার আবারপাড়া গ্রামে ১৯৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিতা মোঃ আঃ রহমান ও মাতা মোছা জুলেখা বেগম-এর পাঁচ ছেলেমেয়ের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। তিনি বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সম্মান ৪র্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদস্য এবং শহর শাখার ১৩ নং ওয়ার্ডে সভাপতির দায়িত্বশীল ছিলেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
১৭ জুলাই, ২০১৩ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেেেক্রটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রায়ের দিনে সারাদিন হরতাল পালনে সক্রিয় ছিলেন। সারাদিন হরতাল পালন শেষে তার এলাকায় রাতে গাড়ি অবরোধ করার জন্য দায়িত্বশীল তাকে তার জোন সভাপতিকে অবহিত করলে তিনি সহ ৯ জন তিনটি মোটর বাইকে হরতালের সমর্থনে রাস্তা অবরোধে যান। অবরোধ থেকে ফেরার পথে অবরোধকৃত ট্রাক মোটরবাইকের পিছন থেকে ধাক্কা দিলে তিনি মোটরবাইক থেকে পড়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় মারাত্মক আহত হন। দ্রুত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিলে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি শাহাদত বরণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংস করার জন্য বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের ওপর মিথ্যা অভিযোগ এনে ট্রাইবুন্যাল গঠন করে ধারাবাহিকভাবে ফাঁসির রায় দিয়ে চলেছে। ১৭ জুলাই, ২০১৩ ছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রায়ের দিন। দেশব্যাপী হরতাল পালিত হয়। বগুড়ায়ও হরতাল ও পিকেটিং হয়। রাস্তা অবরোধের জন্য তিনিসহ ৯ জন তিনটি মোটর বাইকে হরতালের সমর্থনে রাস্তা অবরোধ করেন। অবরোধ শেষে ফেরার পথে একটি ট্রাক মোটর বাইকের পিছনে ধাক্কা দিলে তিনি মোটর বাইক থেকে পড়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় মারাত্মক আহত হন। দ্রুত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিলে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি শাহাদত বরণ করেন।৪. শহীদের আপনজনদের কথা
পিতা-মাতা: "আমার ছেলেকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন"।
সংগঠনের সাথীরা: জাহিদুর রহমান ইসলামী আন্দোলনে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। আল্লাহর কাছে একান্ত প্রার্থনা তিনি যেন জাহিদুর রহমানকে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।
৫. বর্তমান বাড়ি-ঘরের অবস্থা ও আয়ের উৎস
একটি মাটির ঘর, কাঁচাবাড়ি।
সামান্য জমি আছে।
কৃষি কাজ করে।
৮. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান (১৩২)। জেলা, বগুড়া।
জন্ম তারিখ ১২ মার্চ, ১৯৮৯।
আহত হওয়ার তারিখ ১৭ জুলাই, ২০১৩-রাত ৯টা।
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: মাথা ও বুকে প্রচণ্ড আঘাত, কান ও নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৮ জুলাই রাত ২.৩০ মিনিটে।
জানাজার ইমামের নাম ও উপস্থিতি ডঃ ফজলুর রহমান সাঈদ, উপস্থিাতি-তিন হাজার জন।
পিতার নাম মোঃ আঃ রহমান।
পেশা: কৃষি।
মাতার নাম: মোছা জুলেখা বেগম।
বয়স ও পেশা: ৪৮, গৃহিণী।
পরিবারের আয়ের উৎস ও পরিমাণ: কৃষি, বছরে ৫০ হাজার টাকা।
ভাই-বোনের বিবরণ: মোঃ মিজানুর রহমান ছাত্র। মোছাঃ রওশন আরা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: রিনা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: শিল্পী খাতুন, গৃহিণী।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍