শহীদ তজের আলী প্রমাণিক
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ তজের আলী প্রমাণিক
পিতার নাম: মৃত মজের প্রামাণিক
মাতার নাম: মৃত জরিমন
জন্ম তারিখ: ১৫ মে ১৯৩৭
স্ত্রীর নাম: রুয়াজান
ঠিকানা: গ্রাম- বাসুপাড়া, উপজেলা ও জেলা- নাটোর
সন্তান:চার ছেলে চার মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: ওয়ার্ড সেক্রেটারী
শাহাদাতের কারণ: আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ খারিজ হবার খবর শুনে হার্ট এ্যাটাক করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৫, রাত দশটায়, সদর হাসপাতাল, নাটোর
পিতার নাম: মৃত মজের প্রামাণিক
মাতার নাম: মৃত জরিমন
জন্ম তারিখ: ১৫ মে ১৯৩৭
স্ত্রীর নাম: রুয়াজান
ঠিকানা: গ্রাম- বাসুপাড়া, উপজেলা ও জেলা- নাটোর
সন্তান:চার ছেলে চার মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: ওয়ার্ড সেক্রেটারী
শাহাদাতের কারণ: আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ খারিজ হবার খবর শুনে হার্ট এ্যাটাক করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৫, রাত দশটায়, সদর হাসপাতাল, নাটোর
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ তজের আলী প্রমাণিক ১৫ মে ১৯৩৭ নাটোর জেলার সদর উপজেলার বাসুপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মৃত মজের প্রামাণিক, মাতার নাম জরিমন। তাঁর স্ত্রী রুয়াজানের বর্তমান বয়স সত্তর বছর। তজের আলী প্রমাণিক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী এবং ওয়ার্ড সেক্রেটারী ছিলেন। পেশায় তিনি দরাপপুর বাজার মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রায়ের রিভিউ শুনানি শেষে আদালত রায় বাস্তবায়ন করলে শহীদ তজের আলী স্ট্রোক করে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদতের পূর্বের ঘটনা
শহীদ তজের আলী বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে খুবই সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন সময় সাংগঠনিক কাজের ডাক পেলেই তিনি তাৎক্ষণিক সাড়া দিতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রায় স্থগিতের রাত বারোটায় স্থানীয় সংগঠনের তাৎক্ষণিক অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা দিলে তিনি তখন তাৎক্ষণিক ভ্যান নিয়ে কর্মসূচীতে শামিল হওয়ার জন্য বেরিয়ে যান। এ রকম ভাবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি উপস্থিত থেকেছেন। বয়সের ওজর আপত্তি কখনো তাকে আন্দোলন থেকে দূরে সরাতে পারেনি। এলাকায় মানুষ-জনের কাছে পরোপকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। শহীদের ছেলে আবদুল খালেক বলেন- ১৮ নভেম্বর দরাপপুর মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিনের জানাজায় যান তজের আলী। জানাজা শেষে বাজারে সন্ধা সাড়ে সাতটায় টেলিভিশনের খবরে শহীদ আলী আহসান মুজাহিদের রিভিউয়ের খবর শুনেন। খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে যান।
শহীদ তজের আলী প্রমাণিকের স্ত্রী রুয়াজান বলেন- ১৮ নভেম্বর রাতে যখন তিনি জানলেন জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে তখন তিনি শুধুই কাঁদতে থাকেন। আমি তাকে ধৈর্য ধরতে বলি এবং শুইয়ে পড়তে অনুরোধ করি। তিনি বলেন- ভালো মানুষটাকে ফাঁসি দিল, আমাকেও ওরা মেরে ফেলুক। কিছুক্ষণ কাঁদতে কাঁদতে বাথরুমে গেলেন। অনেকক্ষণ যখন ফিরলেন না তখন ঘর থেকে বের হয়েই দেখি বারান্দার খুটি ধরে পড়ে আছেন তিনি। তারপর সবাই ধরাধরি করে ঘরে আনা হয়। পরদিন সকালেই নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ নভেম্বর রাত ১০টায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
শহীদের জানাজা ২০ নভেম্বর সকাল দশটায় বাসুপাড়া ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান স্থানীয় ইমান ডা. ইয়াসিন হুজুর। জানাজা শেষে তাকে বাসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবর
শহীদ তাজের উদ্দীনের স্ত্রী রুয়াজান বেগমের বয়স সত্তর বছর। বয়সের ভারে ন্যুজ্ব। তার উপর স্বামী হারানোর শোকে কাতর। সম্পূর্ণভাবে কাজ কর্মে অক্ষম তিনি। চার ছেলে ও চার মেয়ে নিয়ে শহীদ তাজের উদ্দীনের সংসার। শহীদের বড় ছেলে আবু বকর পেশায় কৃষক। পাঁচ ছেলে নিয়ে তাঁর সংসার। শহীদের দ্বিতীয় সন্তান আবুল হাশেম পেশায় রাজমিস্ত্রী। এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে তাঁর সংসারে। তৃতীয় সন্তান আবদুল বারেক পেশায় কৃষক। এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। শহীদের চতুর্থ সন্তান আব্দুল খালেক পেশায় রাজমিস্ত্রী। এক মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহীদের চার মেয়ের তিনজন বিবাহিত। একজন শৈশবেই মারা যান।
জানাজা
শহীদের জানাজা ২০ নভেম্বর সকাল দশটায় বাসুপাড়া ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান ড. ইয়াসিন হুজুর। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ তজের আলী প্রমাণিক
নাম: তজের আলী প্রমাণিক
পিতার নাম: মৃত মজের প্রামাণিক
মাতার নাম: মৃত জরিমন
জন্ম তারিখ: ১৫ মে ১৯৩৭
স্ত্রীর নাম: রুয়াজান
ঠিকানা: গ্রাম- বাসুপাড়া, উপজেলা ও জেলা- নাটোর
সন্তান:চার ছেলে চার মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: ওয়ার্ড সেক্রেটারী
শাহাদাতের কারণ: আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ খারিজ হবার খবর শুনে হার্ট এ্যাটাক করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৫, রাত দশটায়, সদর হাসপাতাল, নাটোর
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের রায়ের রিভিউ শুনানি শেষে আদালত রায় বাস্তবায়ন করলে শহীদ তজের আলী স্ট্রোক করে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদতের পূর্বের ঘটনা
শহীদ তজের আলী বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে খুবই সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন সময় সাংগঠনিক কাজের ডাক পেলেই তিনি তাৎক্ষণিক সাড়া দিতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রায় স্থগিতের রাত বারোটায় স্থানীয় সংগঠনের তাৎক্ষণিক অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা দিলে তিনি তখন তাৎক্ষণিক ভ্যান নিয়ে কর্মসূচীতে শামিল হওয়ার জন্য বেরিয়ে যান। এ রকম ভাবে সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি উপস্থিত থেকেছেন। বয়সের ওজর আপত্তি কখনো তাকে আন্দোলন থেকে দূরে সরাতে পারেনি। এলাকায় মানুষ-জনের কাছে পরোপকারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। শহীদের ছেলে আবদুল খালেক বলেন- ১৮ নভেম্বর দরাপপুর মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিনের জানাজায় যান তজের আলী। জানাজা শেষে বাজারে সন্ধা সাড়ে সাতটায় টেলিভিশনের খবরে শহীদ আলী আহসান মুজাহিদের রিভিউয়ের খবর শুনেন। খবর শুনে তিনি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে যান।
শহীদ তজের আলী প্রমাণিকের স্ত্রী রুয়াজান বলেন- ১৮ নভেম্বর রাতে যখন তিনি জানলেন জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে তখন তিনি শুধুই কাঁদতে থাকেন। আমি তাকে ধৈর্য ধরতে বলি এবং শুইয়ে পড়তে অনুরোধ করি। তিনি বলেন- ভালো মানুষটাকে ফাঁসি দিল, আমাকেও ওরা মেরে ফেলুক। কিছুক্ষণ কাঁদতে কাঁদতে বাথরুমে গেলেন। অনেকক্ষণ যখন ফিরলেন না তখন ঘর থেকে বের হয়েই দেখি বারান্দার খুটি ধরে পড়ে আছেন তিনি। তারপর সবাই ধরাধরি করে ঘরে আনা হয়। পরদিন সকালেই নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ নভেম্বর রাত ১০টায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
শহীদের জানাজা ২০ নভেম্বর সকাল দশটায় বাসুপাড়া ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান স্থানীয় ইমান ডা. ইয়াসিন হুজুর। জানাজা শেষে তাকে বাসুপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।
পরিবর
শহীদ তাজের উদ্দীনের স্ত্রী রুয়াজান বেগমের বয়স সত্তর বছর। বয়সের ভারে ন্যুজ্ব। তার উপর স্বামী হারানোর শোকে কাতর। সম্পূর্ণভাবে কাজ কর্মে অক্ষম তিনি। চার ছেলে ও চার মেয়ে নিয়ে শহীদ তাজের উদ্দীনের সংসার। শহীদের বড় ছেলে আবু বকর পেশায় কৃষক। পাঁচ ছেলে নিয়ে তাঁর সংসার। শহীদের দ্বিতীয় সন্তান আবুল হাশেম পেশায় রাজমিস্ত্রী। এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে তাঁর সংসারে। তৃতীয় সন্তান আবদুল বারেক পেশায় কৃষক। এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। শহীদের চতুর্থ সন্তান আব্দুল খালেক পেশায় রাজমিস্ত্রী। এক মেয়ে ও দুই ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহীদের চার মেয়ের তিনজন বিবাহিত। একজন শৈশবেই মারা যান।
জানাজা
শহীদের জানাজা ২০ নভেম্বর সকাল দশটায় বাসুপাড়া ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান ড. ইয়াসিন হুজুর। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ তজের আলী প্রমাণিক
নাম: তজের আলী প্রমাণিক
পিতার নাম: মৃত মজের প্রামাণিক
মাতার নাম: মৃত জরিমন
জন্ম তারিখ: ১৫ মে ১৯৩৭
স্ত্রীর নাম: রুয়াজান
ঠিকানা: গ্রাম- বাসুপাড়া, উপজেলা ও জেলা- নাটোর
সন্তান:চার ছেলে চার মেয়ে
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: ওয়ার্ড সেক্রেটারী
শাহাদাতের কারণ: আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের রিভিউ খারিজ হবার খবর শুনে হার্ট এ্যাটাক করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ নভেম্বর ২০১৫, রাত দশটায়, সদর হাসপাতাল, নাটোর
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍