শহীদ মো. সাদ্দাম হোসাইন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো. সাদ্দাম হোসাইন, ১৯৯১ সালে ফরিদপুরের মধুখালীতে জন্ম নেওয়া এক শান্তস্বভাবী কিন্তু দৃঢ়চেতা ক্বারী ও আলিম শ্রেণির ছাত্র। ধর্মীয় শিক্ষায় অগ্রসর হওয়ার পাশাপাশি তিনি ইসলামী আন্দোলনের ডাককে দেখতেন ন্যায় ও আদর্শের পথে হাঁটার দায়িত্ব হিসেবে। ২০১৩ সালের ৫ মে, শাপলা চত্বরে সাথীদের বিদায় জানিয়ে তিনি একাই এগিয়েছিলেন নিজের বিশ্বাসের সীমানা পর্যন্ত যেখানেই তাঁর শাহাদাতের পরিসমাপ্তি। পরিবারের কাছে তিনি শুধু একজন সন্তান নন, ছিলেন ঈমানি সাহসের অনন্য প্রতীক; আর তাঁর নাম আজো উচ্চারিত হয় সংগ্রামী তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মো: সাদ্দাম হোসাইন
ফরিদপুর-1
"শহীদের বাবা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন: আমার আরো যে সন্তান আল্লাহ দান করেছেন সেও যদি আল্লাহর পথে কুরবানী হয় তাতেও আমি রাজি, এর পরও যেন আল্লাহর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়। শহীদের ভাই তারিকুল ইসলাম বলেন: আমিও ইসলামের পথে আজীবন কাজ করবো।"
১. শহীদের পরিচিতি
ক্বারী মো: সাদ্দাম হোসাইন ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার মহিশাপুর গ্রামে ১৯৯১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো: রফিকুল ইসলাম ও মাতা শহীদা বেগমের ৩ সন্তানের ভিতর তিনি অন্যতম। শহীদ সাদ্দাম হোসাইন মাত্র ২২ বছরের এক তরুণ ছাত্র। মাদ্রাসা থেকে ক্বারীয়ানা শেষ করে আলিম ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের যে কোন ডাকে প্রবল আগ্রহের সাথে সাড়া দিতেন। শহীদ হওয়ার পূর্বে মা প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মাকে বুঝিয়ে হেফাজতের প্রোগ্রামে যোগদান করে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামী আন্দোলনের তিনি এভাবেই সাড়া দিতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
শহীদ সাদ্দাম হোসেন ০৫ মে ১৩ ইং সন্ধ্যায় সমাবেশ থেকে ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য গুলিস্থান যাবার পথে পুলিশের হামলার শিকার হন। এতে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় দৌড়াতে থাকেন। পথেই আবার ছাত্রলীগ-যুবলীগের চাপাতির আঘাতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ সাদ্দাম হোসাইন মাদ্রাসা থেকে ক্বারীয়ানা শেষ করে আলিম ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের যে কোন ডাকে প্রবল আগ্রহের সাথে সাড়া দিতেন। সর্বশেষ তার মা হেফাজত ইসলামের প্রোগ্রামে যেতে বাধা দিলে তিনি তার মাকে বুঝান, আমি যদি আল্লাহর পথে কুরবানি হই তবে তুমি মা সৌভাগ্যবান হিসেবে শহীদের মা হবে।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ সাদ্দাম হোসাইন ০৩ মে ২০১৩ ইং শুক্রবারে সন্ধ্যায় হেফাজতের প্রোগ্রামে যাবার উদ্দেশে ঢাকায় রওয়ানা করেন। ৫ তারিখে পল্টনে তার সাথীদের সাথে সকাল থেকেই পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে পৌঁছান। সন্ধ্যায় তার সাথীরা বাড়ি ফিরে যাবার কথা বললে তিনি তাতে অস্বীকার করেন। তার সাথীরা তার সাথে কথা শেষ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলে এর পর তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ০৫ মে ২০১৩ ইং রাত থেকেই তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। এভাবেই তিনি নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ০৯ মে ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার ইসলামী ব্যাংকের সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করা হয়। জনৈক ভ্যান চালক সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশটি রেখে আসে।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের বাবা: আমার আরো যে সন্তান আল্লাহ দান করেছেন তাও যদি আল্লাহর পথে কুরবানী হয় তাতেও আমি রাজি, এর পরও যেন আল্লাহর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
শহীদের ভাই: আমিও ইসলামের পথে আজীবন কাজ করবো।।।
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: সাদ্দাম হোসাইন (১১২)।
পেশা: ছাত্র।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৫.০৫.১৯৯১ বয়স ২২ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০৫.১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ ইং। আনুমানিক সন্ধ্যা-৭টার সময় মৃত্যুবরণ করেন।
স্থান: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে শাহাদাত বরণ করেন। দাফন করা হয়: মহিশাপুর গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-মহিশাপুর, ইউনিয়ন-গাজনা, ডাকঘর-যদুপর, থানা-মধুখালী, জেলা-ফরিদপুর।
পিতা: মোঃ রফিকুল ইসলাম, মৌসুমী চালক সুপার মিল।
মাতা: শহীদা বেগম, বয়স প্রায় ৫০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির টিনের ছাপরার ঘর। উপার্জন করার কোন উপায় নেই।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: তারিকুল ইসলাম-গাড়ি চালক। রুবিনা বেগম-বিবাহিত, গৃহিণী।
ফরিদপুর-1
"শহীদের বাবা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন: আমার আরো যে সন্তান আল্লাহ দান করেছেন সেও যদি আল্লাহর পথে কুরবানী হয় তাতেও আমি রাজি, এর পরও যেন আল্লাহর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়। শহীদের ভাই তারিকুল ইসলাম বলেন: আমিও ইসলামের পথে আজীবন কাজ করবো।"
১. শহীদের পরিচিতি
ক্বারী মো: সাদ্দাম হোসাইন ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার মহিশাপুর গ্রামে ১৯৯১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো: রফিকুল ইসলাম ও মাতা শহীদা বেগমের ৩ সন্তানের ভিতর তিনি অন্যতম। শহীদ সাদ্দাম হোসাইন মাত্র ২২ বছরের এক তরুণ ছাত্র। মাদ্রাসা থেকে ক্বারীয়ানা শেষ করে আলিম ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের যে কোন ডাকে প্রবল আগ্রহের সাথে সাড়া দিতেন। শহীদ হওয়ার পূর্বে মা প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি মাকে বুঝিয়ে হেফাজতের প্রোগ্রামে যোগদান করে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামী আন্দোলনের তিনি এভাবেই সাড়া দিতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
শহীদ সাদ্দাম হোসেন ০৫ মে ১৩ ইং সন্ধ্যায় সমাবেশ থেকে ভাইয়ের সাথে দেখা করার জন্য গুলিস্থান যাবার পথে পুলিশের হামলার শিকার হন। এতে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় দৌড়াতে থাকেন। পথেই আবার ছাত্রলীগ-যুবলীগের চাপাতির আঘাতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে শাহাদাত বরণ করেন। ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করা হয়।
৩. শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ সাদ্দাম হোসাইন মাদ্রাসা থেকে ক্বারীয়ানা শেষ করে আলিম ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের যে কোন ডাকে প্রবল আগ্রহের সাথে সাড়া দিতেন। সর্বশেষ তার মা হেফাজত ইসলামের প্রোগ্রামে যেতে বাধা দিলে তিনি তার মাকে বুঝান, আমি যদি আল্লাহর পথে কুরবানি হই তবে তুমি মা সৌভাগ্যবান হিসেবে শহীদের মা হবে।
৪. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ সাদ্দাম হোসাইন ০৩ মে ২০১৩ ইং শুক্রবারে সন্ধ্যায় হেফাজতের প্রোগ্রামে যাবার উদ্দেশে ঢাকায় রওয়ানা করেন। ৫ তারিখে পল্টনে তার সাথীদের সাথে সকাল থেকেই পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শাপলা চত্বরে পৌঁছান। সন্ধ্যায় তার সাথীরা বাড়ি ফিরে যাবার কথা বললে তিনি তাতে অস্বীকার করেন। তার সাথীরা তার সাথে কথা শেষ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলে এর পর তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ০৫ মে ২০১৩ ইং রাত থেকেই তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। এভাবেই তিনি নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে ০৯ মে ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার ইসলামী ব্যাংকের সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশ শনাক্ত করা হয়। জনৈক ভ্যান চালক সেন্ট্রাল হাসপাতালে তার লাশটি রেখে আসে।
৫. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের বাবা: আমার আরো যে সন্তান আল্লাহ দান করেছেন তাও যদি আল্লাহর পথে কুরবানী হয় তাতেও আমি রাজি, এর পরও যেন আল্লাহর জমিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়।
শহীদের ভাই: আমিও ইসলামের পথে আজীবন কাজ করবো।।।
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: সাদ্দাম হোসাইন (১১২)।
পেশা: ছাত্র।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৫.০৫.১৯৯১ বয়স ২২ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০৫.১৩
শাহাদাতের তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ ইং। আনুমানিক সন্ধ্যা-৭টার সময় মৃত্যুবরণ করেন।
স্থান: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে শাহাদাত বরণ করেন। দাফন করা হয়: মহিশাপুর গোরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-মহিশাপুর, ইউনিয়ন-গাজনা, ডাকঘর-যদুপর, থানা-মধুখালী, জেলা-ফরিদপুর।
পিতা: মোঃ রফিকুল ইসলাম, মৌসুমী চালক সুপার মিল।
মাতা: শহীদা বেগম, বয়স প্রায় ৫০ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির টিনের ছাপরার ঘর। উপার্জন করার কোন উপায় নেই।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: তারিকুল ইসলাম-গাড়ি চালক। রুবিনা বেগম-বিবাহিত, গৃহিণী।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍