শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান
এক নজরে শহীদ মতিয়ার রহমান
পূর্ণ নাম: মোঃ মতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মোঃ আব্দুর রহমান
পিতার বয়স ও পেশা: ৭৫ বছর, কৃষি
মাতার নাম: মোছাঃ মরজিনা বেগম
মাতার বয়স ও পেশা: ৬৫ বছর, গৃহিণী
শহীদের জন্ম তারিখ: ২ এপ্রিল ১৯৯৫
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- দক্ষিণ নশরতপুর, ডাকঘর- বলাইবাজার থানা- চিরিরবন্দর, জেলা- দিনাজপুর
ভাই-বোন: পাঁচ ভাই তিন বোনের সংসারে সবার ছোট
বশেষ পড়ালেখা: অনার্স তৃতীয় বর্ষ, দর্শন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: রানীরবন্দর সাংগঠনিক থানার সভাপতি
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০২.২০১৫ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: যৌথ বাহীনির নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আহত হন
শাহাদাতের কারণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে গুলি করে হত্যা
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫.০২.২০১৫ ইং
এক নজরে শহীদ মতিয়ার রহমান
পূর্ণ নাম: মোঃ মতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মোঃ আব্দুর রহমান
পিতার বয়স ও পেশা: ৭৫ বছর, কৃষি
মাতার নাম: মোছাঃ মরজিনা বেগম
মাতার বয়স ও পেশা: ৬৫ বছর, গৃহিণী
শহীদের জন্ম তারিখ: ২ এপ্রিল ১৯৯৫
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- দক্ষিণ নশরতপুর, ডাকঘর- বলাইবাজার থানা- চিরিরবন্দর, জেলা- দিনাজপুর
ভাই-বোন: পাঁচ ভাই তিন বোনের সংসারে সবার ছোট
বশেষ পড়ালেখা: অনার্স তৃতীয় বর্ষ, দর্শন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: রানীরবন্দর সাংগঠনিক থানার সভাপতি
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০২.২০১৫ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: যৌথ বাহীনির নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আহত হন
শাহাদাতের কারণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে গুলি করে হত্যা
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫.০২.২০১৫ ইং
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান পিতা-মাতার ৮তম সন্তানের মধ্যে সর্ব কনিষ্ঠ সন্তান। পিতা মোঃ আব্দুর রহমান ও মাতা মোছাঃ মরজিনা বেগম, এবং ৫ ভাই ও ৩ বোনের অতি আদরের ছোট ভাই ছিলেন তিনি। দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার দক্ষিণ নশরতপুর গ্রামের শান্তশিষ্ট ও সবার প্রিয় ব্যক্তি এবং দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচিত মুখ। সব ব্যস্ততার মাঝেও মা-বাবা, ভাই বোনকেও সহযোগিতা করতেন। এভাবে পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজের মাধ্যমে এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। শাহাদাতকালে তিনি সম্মান ৩য় বর্ষ দর্শন বিভাগের পরীক্ষার্থী ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে যৌথ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ হয়। এ সময় যৌথ বাহিনী তাদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করায় রাণীরবন্দর সাংগঠনিক থানা সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে কিছুটা সুস্থ হয় এবং উন্নত চিকিৎসার নামে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপতালে স্থানান্তরকালে পুলিশ রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
দায়িত্বশীল হিসেবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনে সদা তৎপর থাকতেন সবসময়। প্রতিটি মিছিল ও সমাবেশে অগ্রণী ভূমিকা থাকতো।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে মিছিলের ব্যবস্থা করেন তিনি। একপর্যায়ে যৌথ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ হয়, এ সময় যৌথ বাহিনী তাদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করায় রাণীরবন্দর সাংগঠনিক থানা সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে কিছুটা সুস্থ হয় এবং উন্নত চিকিৎসার নামে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপতালে নেয়ার সময় পুলিশ রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে।
শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমানের পিতা শহীদের পিতা হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করেন এবং বলেন- আমার সন্তান শহীদ হয়েছে কোনো আপত্তি নাই কিন্তু বর্তমান আওয়ামী সরকারের পতন দাবি করছি। তার মা সন্তানকে রি রহমান মতির দাফন সম্পন্ন' শিফরিয়ে চান জানিয়ে আহাজারি করেন।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
'চিরিরবন্দরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতির দাফন সম্পন্ন' শিরোনামে দৈনিক আমার দেশ নিম্মোক্ত খবর প্রচার করে-
চিরিরবন্দরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় রানীর বন্দরে পারিবারিক কবরস্থানে জানাযা শেষে লাশ দাফন করা হয়। জানাযায় সাবেক এমপি আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান মিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফতাব উদ্দীন মোল্লাসহ ৫ সহস্রাধিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য রাণীরবন্দরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত আনুমানিক ৮টায় নশরতপুর ইউনিয়নের ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মতিয়ার রহমান ওরফে মতির বড়ভাই আনসার ভিডিপির ইউনিয়ন কমান্ডার ও পল্লী চিকিৎসক মোঃ খোদা বখসকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জামায়াতের সংঘর্ষে রাণীরবন্দর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় পুলিশ জামায়াত-শিবির কর্মীদের লক্ষ্য করে গোঘাটা নামক স্থানে ১শ ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলিবর্ষণ করে।
এ সময় গুলিবিদ্ধ হন মতিয়ার রহমান মতি।
ভাই- বোনের বিবরণ
খোদা বকস, ফার্মেসি
মোঃ ইব্রাহিম, অসুস্থ পেশা নাই
মোছাঃ আয়েশা আক্তার, গৃহিণী
মোছাঃ বিলকিস, গৃহিণী
মোঃ মোজাম্মেল হক, রাজমিস্ত্রী
মোছাঃ আক্তার বানু, গৃহিণী
মোঃ আব্দুস সালাম, কৃষি
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান
এক নজরে শহীদ মতিয়ার রহমান
পূর্ণ নাম: মোঃ মতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মোঃ আব্দুর রহমান
পিতার বয়স ও পেশা: ৭৫ বছর, কৃষি
মাতার নাম: মোছাঃ মরজিনা বেগম
মাতার বয়স ও পেশা: ৬৫ বছর, গৃহিণী
শহীদের জন্ম তারিখ: ২ এপ্রিল ১৯৯৫
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- দক্ষিণ নশরতপুর, ডাকঘর- বলাইবাজার থানা- চিরিরবন্দর, জেলা- দিনাজপুর
ভাই-বোন: পাঁচ ভাই তিন বোনের সংসারে সবার ছোট
বশেষ পড়ালেখা: অনার্স তৃতীয় বর্ষ, দর্শন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: রানীরবন্দর সাংগঠনিক থানার সভাপতি
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০২.২০১৫ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: যৌথ বাহীনির নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আহত হন
শাহাদাতের কারণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে গুলি করে হত্যা
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫.০২.২০১৫ ইং
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে যৌথ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ হয়। এ সময় যৌথ বাহিনী তাদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করায় রাণীরবন্দর সাংগঠনিক থানা সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে কিছুটা সুস্থ হয় এবং উন্নত চিকিৎসার নামে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপতালে স্থানান্তরকালে পুলিশ রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
দায়িত্বশীল হিসেবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনে সদা তৎপর থাকতেন সবসময়। প্রতিটি মিছিল ও সমাবেশে অগ্রণী ভূমিকা থাকতো।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে মিছিলের ব্যবস্থা করেন তিনি। একপর্যায়ে যৌথ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ হয়, এ সময় যৌথ বাহিনী তাদের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করায় রাণীরবন্দর সাংগঠনিক থানা সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমান গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় পুলিশ গ্রেফতার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে কিছুটা সুস্থ হয় এবং উন্নত চিকিৎসার নামে ঢাকা বক্ষব্যাধি হাসপতালে নেয়ার সময় পুলিশ রাস্তায় গুলি করে হত্যা করে।
শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমানের পিতা শহীদের পিতা হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করেন এবং বলেন- আমার সন্তান শহীদ হয়েছে কোনো আপত্তি নাই কিন্তু বর্তমান আওয়ামী সরকারের পতন দাবি করছি। তার মা সন্তানকে রি রহমান মতির দাফন সম্পন্ন' শিফরিয়ে চান জানিয়ে আহাজারি করেন।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
'চিরিরবন্দরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতির দাফন সম্পন্ন' শিরোনামে দৈনিক আমার দেশ নিম্মোক্ত খবর প্রচার করে-
চিরিরবন্দরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় রানীর বন্দরে পারিবারিক কবরস্থানে জানাযা শেষে লাশ দাফন করা হয়। জানাযায় সাবেক এমপি আলহাজ্ব আখতারুজ্জামান মিয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আফতাব উদ্দীন মোল্লাসহ ৫ সহস্রাধিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলেই তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য রাণীরবন্দরে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত আনুমানিক ৮টায় নশরতপুর ইউনিয়নের ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মতিয়ার রহমান ওরফে মতির বড়ভাই আনসার ভিডিপির ইউনিয়ন কমান্ডার ও পল্লী চিকিৎসক মোঃ খোদা বখসকে আটক করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জামায়াতের সংঘর্ষে রাণীরবন্দর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় পুলিশ জামায়াত-শিবির কর্মীদের লক্ষ্য করে গোঘাটা নামক স্থানে ১শ ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলিবর্ষণ করে।
এ সময় গুলিবিদ্ধ হন মতিয়ার রহমান মতি।
ভাই- বোনের বিবরণ
খোদা বকস, ফার্মেসি
মোঃ ইব্রাহিম, অসুস্থ পেশা নাই
মোছাঃ আয়েশা আক্তার, গৃহিণী
মোছাঃ বিলকিস, গৃহিণী
মোঃ মোজাম্মেল হক, রাজমিস্ত্রী
মোছাঃ আক্তার বানু, গৃহিণী
মোঃ আব্দুস সালাম, কৃষি
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান
এক নজরে শহীদ মতিয়ার রহমান
পূর্ণ নাম: মোঃ মতিয়ার রহমান
পিতার নাম: মোঃ আব্দুর রহমান
পিতার বয়স ও পেশা: ৭৫ বছর, কৃষি
মাতার নাম: মোছাঃ মরজিনা বেগম
মাতার বয়স ও পেশা: ৬৫ বছর, গৃহিণী
শহীদের জন্ম তারিখ: ২ এপ্রিল ১৯৯৫
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- দক্ষিণ নশরতপুর, ডাকঘর- বলাইবাজার থানা- চিরিরবন্দর, জেলা- দিনাজপুর
ভাই-বোন: পাঁচ ভাই তিন বোনের সংসারে সবার ছোট
বশেষ পড়ালেখা: অনার্স তৃতীয় বর্ষ, দর্শন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: রানীরবন্দর সাংগঠনিক থানার সভাপতি
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০২.২০১৫ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: যৌথ বাহীনির নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আহত হন
শাহাদাতের কারণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে গুলি করে হত্যা
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫.০২.২০১৫ ইং
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍