শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান
নাম: মোঃ আসাদুজ্জামান
পিতার নাম: মোঃ আলিম উদ্দীন
পিতার পেশা ও বয়স: দিনমজুর, ৫৯ বছর
মাতার নাম: রহিমা বেগম
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৬ বছর
জন্ম তারিখ: ৯ জুন ১৯৯৯
ভাই-বোন:দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট
ঠিকানা: গ্রাম- সাহাডুবি, ডাকঘর- দেওতি, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর
সর্বশেষ পড়ালেখা: অষ্টম শ্রেণী, মুরারিপুর দাখিল মাদরাসা
সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৬.০১.২০১৪ইং, সময়ঃ সকাল ৭.১৫ মিনিট
নাম: মোঃ আসাদুজ্জামান
পিতার নাম: মোঃ আলিম উদ্দীন
পিতার পেশা ও বয়স: দিনমজুর, ৫৯ বছর
মাতার নাম: রহিমা বেগম
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৬ বছর
জন্ম তারিখ: ৯ জুন ১৯৯৯
ভাই-বোন:দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট
ঠিকানা: গ্রাম- সাহাডুবি, ডাকঘর- দেওতি, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর
সর্বশেষ পড়ালেখা: অষ্টম শ্রেণী, মুরারিপুর দাখিল মাদরাসা
সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৬.০১.২০১৪ইং, সময়ঃ সকাল ৭.১৫ মিনিট
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
পিতা-মাতার ৩ (তিন) সন্তানের মধ্যে সবার ছোট শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান ১৯৯৯ইং সালে জন্মগ্রহণ করেন। ২ ভাইয়ের সংসারে দরিদ্র পিতা-মাতা কোন রকমে সন্তানদের বড় করার স্বপ্ন দেখছিলেন। শহীদ আসাদুজ্জামান পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজেও ব্যস্ত ছিলেন। এভাবে পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজের মাধ্যমে এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। শাহাদাতকালে তিনি অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ আসাদুজ্জামান। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
জানুয়ারী' ১৪ বাদ ফজর ভোর ৫.৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, পুলিশ তাকে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতারে নিয়ে যায়। এবং ০৬.০১.২০১৪ইং তারিখ সকাল ৭.১৫ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন সরকারি জটিলতায় এশার নামাজের পর রাত ০৯.৩০ মিনিটে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ আসাদুজ্জামান সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে সবাইকে বলতেন ইসলামের জন্য আমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের এই পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে সারাদেশে মিছিল-সমাবেশ হয়। সারাদেশের মতো সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার ১০নং ইউনিয়নে মিছিল শুরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ আসাদুজ্জামান। মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন ভাইকে গুরুতর আহত করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ তাদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এবং ০৬.০১.২০১৪ইং তারিখ সকাল ৭.১৫ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। ঐ দিন সরকারি জটিলতায় এশার নামাজের পর ৯.৩০ মিনিটে তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান
নাম: মোঃ আসাদুজ্জামান
পিতার নাম: মোঃ আলিম উদ্দীন
পিতার পেশা ও বয়স: দিনমজুর, ৫৯ বছর
মাতার নাম: রহিমা বেগম
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৬ বছর
জন্ম তারিখ: ৯ জুন ১৯৯৯
ভাই-বোন:দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট
ঠিকানা: গ্রাম- সাহাডুবি, ডাকঘর- দেওতি, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর
সর্বশেষ পড়ালেখা: অষ্টম শ্রেণী, মুরারিপুর দাখিল মাদরাসা
সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৬.০১.২০১৪ইং, সময়ঃ সকাল ৭.১৫ মিনিট
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ আসাদুজ্জামান। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
জানুয়ারী' ১৪ বাদ ফজর ভোর ৫.৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, পুলিশ তাকে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতারে নিয়ে যায়। এবং ০৬.০১.২০১৪ইং তারিখ সকাল ৭.১৫ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন সরকারি জটিলতায় এশার নামাজের পর রাত ০৯.৩০ মিনিটে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ আসাদুজ্জামান সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে সবাইকে বলতেন ইসলামের জন্য আমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের এই পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে সারাদেশে মিছিল-সমাবেশ হয়। সারাদেশের মতো সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার ১০নং ইউনিয়নে মিছিল শুরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ আসাদুজ্জামান। মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন ভাইকে গুরুতর আহত করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ তাদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এবং ০৬.০১.২০১৪ইং তারিখ সকাল ৭.১৫ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। ঐ দিন সরকারি জটিলতায় এশার নামাজের পর ৯.৩০ মিনিটে তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান
নাম: মোঃ আসাদুজ্জামান
পিতার নাম: মোঃ আলিম উদ্দীন
পিতার পেশা ও বয়স: দিনমজুর, ৫৯ বছর
মাতার নাম: রহিমা বেগম
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৬ বছর
জন্ম তারিখ: ৯ জুন ১৯৯৯
ভাই-বোন:দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট
ঠিকানা: গ্রাম- সাহাডুবি, ডাকঘর- দেওতি, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর
সর্বশেষ পড়ালেখা: অষ্টম শ্রেণী, মুরারিপুর দাখিল মাদরাসা
সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৬.০১.২০১৪ইং, সময়ঃ সকাল ৭.১৫ মিনিট
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍