শহীদ মোঃ মাসুদ রানা
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মাসুদ রানা
নাম: মোঃ মাসুদ রানা
পিতার নাম: মোঃ গোলাম রসূল
পিতার বয়স ও পেশা: ৫৫ বছর, চাকুরী
মাতার নাম: মর্জিনা খাতুন
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৪বছর
জন্ম তারিখ: ১১.০৫.১৯৯২ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- হয়বৎপুর, ডাকঘর- মনমথপুর, বাড়ী: হয়বৎপুর, থানা- পার্বতীপুর, জেলা দিনাজপুর
ভাই-বোন: তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ পড়ালেখা: এলএলবি (২য় বর্ষ)
শহীদের শখ: ফুটবল খেলা
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ: বুকে গুলি
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ ইং সময় দুপুর ১২টা
নাম: মোঃ মাসুদ রানা
পিতার নাম: মোঃ গোলাম রসূল
পিতার বয়স ও পেশা: ৫৫ বছর, চাকুরী
মাতার নাম: মর্জিনা খাতুন
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৪বছর
জন্ম তারিখ: ১১.০৫.১৯৯২ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- হয়বৎপুর, ডাকঘর- মনমথপুর, বাড়ী: হয়বৎপুর, থানা- পার্বতীপুর, জেলা দিনাজপুর
ভাই-বোন: তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ পড়ালেখা: এলএলবি (২য় বর্ষ)
শহীদের শখ: ফুটবল খেলা
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ: বুকে গুলি
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ ইং সময় দুপুর ১২টা
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
পিতা- মাতার ৩ (তিন) সন্তানের মধ্যে সবার ছোট শহীদ মোঃ মাসুদ রানা ১৯৯২ইং সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতা কোন রকমে সন্তানদের বড় করার স্বপ্ন দেখছিলেন। শহীদ মাসুদ রানা পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এভাবে পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজের মাধ্যমে এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। শাহাদাতের কিছুদিন আগে তিনি এইচএসসি পাশ করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ী থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ মাসুদ রানা। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। ৫ জানুয়ারী সকাল ১১:৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে স্থানীয় ল্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুপুর ১২টার সময় তিনি শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন বাদ আছর ৪টায় তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ মাসুদ রানা সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে সবাইকে বলতেন ইসলামের জন্য আমি শহীদ হবো। শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশী।
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ:
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিল হয়। সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার ৬নং মোমিনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মিছিল শরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ মাসুদ রানা। মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন গুরুতর আহত হয় এবং মাছুদ রানা শহীদ হন। পরদিন ০৬.০১.১৪ বাদ আছর ৪টায় তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মাসুদ রানা
নাম: মোঃ মাসুদ রানা
পিতার নাম: মোঃ গোলাম রসূল
পিতার বয়স ও পেশা: ৫৫ বছর, চাকুরী
মাতার নাম: মর্জিনা খাতুন
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৪বছর
জন্ম তারিখ: ১১.০৫.১৯৯২ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- হয়বৎপুর, ডাকঘর- মনমথপুর, বাড়ী: হয়বৎপুর, থানা- পার্বতীপুর, জেলা দিনাজপুর
ভাই-বোন: তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ পড়ালেখা: এলএলবি (২য় বর্ষ)
শহীদের শখ: ফুটবল খেলা
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ: বুকে গুলি
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ ইং সময় দুপুর ১২টা
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ী থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ মাসুদ রানা। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন। ৫ জানুয়ারী সকাল ১১:৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে স্থানীয় ল্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুপুর ১২টার সময় তিনি শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন বাদ আছর ৪টায় তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ মাসুদ রানা সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে সবাইকে বলতেন ইসলামের জন্য আমি শহীদ হবো। শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশী।
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ:
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিল হয়। সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার ৬নং মোমিনপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে মিছিল শরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ মাসুদ রানা। মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন গুরুতর আহত হয় এবং মাছুদ রানা শহীদ হন। পরদিন ০৬.০১.১৪ বাদ আছর ৪টায় তার জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মাসুদ রানা
নাম: মোঃ মাসুদ রানা
পিতার নাম: মোঃ গোলাম রসূল
পিতার বয়স ও পেশা: ৫৫ বছর, চাকুরী
মাতার নাম: মর্জিনা খাতুন
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৪বছর
জন্ম তারিখ: ১১.০৫.১৯৯২ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- হয়বৎপুর, ডাকঘর- মনমথপুর, বাড়ী: হয়বৎপুর, থানা- পার্বতীপুর, জেলা দিনাজপুর
ভাই-বোন: তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ পড়ালেখা: এলএলবি (২য় বর্ষ)
শহীদের শখ: ফুটবল খেলা
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ: বুকে গুলি
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ ইং সময় দুপুর ১২টা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍