শহীদ মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
পিতার নাম: মোঃ আবুল কালাম আজাদ
পিতার পেশা ও বয়স: কৃষক। ৪৮ বছর
মাতার নাম: জোহরা বেগম।
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৩৮ বছর
জন্ম তারিখ: ১২.০৭.১৯৯৭ইং
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা:মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ইং সময়ঃ বিকাল ৫.২০ মিনিট
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ভুল্লিরডাংগা, ডাকঘর- ভুল্লিরডাংগা থানা- বীরগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর
পিতার নাম: মোঃ আবুল কালাম আজাদ
পিতার পেশা ও বয়স: কৃষক। ৪৮ বছর
মাতার নাম: জোহরা বেগম।
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৩৮ বছর
জন্ম তারিখ: ১২.০৭.১৯৯৭ইং
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা:মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ইং সময়ঃ বিকাল ৫.২০ মিনিট
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ভুল্লিরডাংগা, ডাকঘর- ভুল্লিরডাংগা থানা- বীরগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
পিতা-মাতার ৩ (তিন) সন্তানের মধ্যে ১ম সন্তান শহীদ মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমেদ ১৯৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ৩ ভাইয়ের সংসারে দরিদ্র পিতা-মাতা কোন রকমে সন্তানদের বড় করার স্বপ্ন দেখছিলেন। দুই সন্তানকে ভর্তি করেছিলেন স্কুলে লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করে তুলবে। শহীদ সালাহ উদ্দীন পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজেও ব্যস্ত ছিলেন। এবং ছোট ভাইকেও পড়াশুনার জন্য উৎসাহ দিতেন। এভাবে পড়াশুনার পাশাপাশি দ্বীনি কাজের মাধ্যমে এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র হয়েছিলেন। শাহাদাতকালে তিনি দাখিল পরীক্ষার্থী ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ সালাহ উদ্দীন। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
০৫ জানুয়ারী' ১৪ বাদ ফজর ভোর ৫.৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, পুলিশ তাকে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিকাল ৫.২০ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন মাগরিবের নামাজের পর তার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ সালাহ উদ্দীন আহমেদ সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে তার মাকে মাঝে-মাঝে বলতেন- "আমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। আরো বলতেন শহীদেরা মৃত্যুবরণ করে না তার জীবিত থাকে কিন্তু মানুষ তা বোঝে না।"
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিল হয়। সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার ১০ নং ইউনিয়নে মিছিল শুরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ সালাহ উদ্দীন । মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন ভাইকে গুরুতর আহত করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ তাদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এবং বিকাল ৫.২০ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন সরকারি জটিলতায় মাগরিবের নামাজের পর তার জানাজা শেষে পরিবারের কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
শহীদের নাম: মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
পিতার নাম: মোঃ আবুল কালাম আজাদ
পিতার পেশা ও বয়স: কৃষক। ৪৮ বছর
মাতার নাম: জোহরা বেগম।
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৩৮ বছর
জন্ম তারিখ: ১২.০৭.১৯৯৭ইং
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা:মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ইং সময়ঃ বিকাল ৫.২০ মিনিট
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ভুল্লিরডাংগা, ডাকঘর- ভুল্লিরডাংগা থানা- বীরগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার। আওয়ামী সরকারের অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শহীদ সালাহ উদ্দীন। সেখানে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাত বরণ করেন।
০৫ জানুয়ারী' ১৪ বাদ ফজর ভোর ৫.৩০ মিনিটে আহত হওয়ার সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তারপর তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, পুলিশ তাকে দিনাজপুর মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বিকাল ৫.২০ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন মাগরিবের নামাজের পর তার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
একজন সাধারণ ছাত্র শহীদ সালাহ উদ্দীন আহমেদ সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে তার মাকে মাঝে-মাঝে বলতেন- "আমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। আরো বলতেন শহীদেরা মৃত্যুবরণ করে না তার জীবিত থাকে কিন্তু মানুষ তা বোঝে না।"
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। এ দিন গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছিল একটি ব্যর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ওই নির্বাচন কোনো বিচারেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় দেড় শতাধিক আসনে বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনটা ছিল অনেকটা আইওয়াশ।
৫ জানুয়ারি নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রহসন- এ কথা উল্লেখ করে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, এতে ৫ ভাগ মানুষও অংশগ্রহণ করেননি। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।
আওয়ামী সরকারের পাতানো অবৈধ নির্বাচন বাতিলের দাবিতে মিছিল হয়। সেদিন সকাল হতে না হতেই দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার ১০ নং ইউনিয়নে মিছিল শুরু হলে অংশগ্রহণ করেন শহীদ সালাহ উদ্দীন । মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রসীরা হামলা চালিয়ে ২ জন ভাইকে গুরুতর আহত করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ তাদের দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এবং বিকাল ৫.২০ মিনিটে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন সরকারি জটিলতায় মাগরিবের নামাজের পর তার জানাজা শেষে পরিবারের কবর স্থানে দাফন করা হয়।
এক নজরে শহীদ মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
শহীদের নাম: মোঃ সালাহ উদ্দীন আহমদ
পিতার নাম: মোঃ আবুল কালাম আজাদ
পিতার পেশা ও বয়স: কৃষক। ৪৮ বছর
মাতার নাম: জোহরা বেগম।
মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৩৮ বছর
জন্ম তারিখ: ১২.০৭.১৯৯৭ইং
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা:মাথায় ও শরীরে আঘাত
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫.০১.২০১৪ইং সময়ঃ বিকাল ৫.২০ মিনিট
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ভুল্লিরডাংগা, ডাকঘর- ভুল্লিরডাংগা থানা- বীরগঞ্জ, জেলা- দিনাজপুর
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍