হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ জাহাঙ্গীর আলম
শহীদ জাহাঙ্গীর আলম

শহীদ জাহাঙ্গীর আলম

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ জাহাঙ্গীর আলম
পিতার নাম: মৃত ইছাম উদ্দীন
মাতার নাম: জাহানারা বেওয়া, বয়স: ৬০ বছর, পেশা গৃহিণী
স্ত্রীর নাম: বিলকিছ বেগম, বয়স: ২৫ বছর, গৃহিণী
জন্ম তারিখ: ১০ মার্চ ১৯৮২
যোগাযোগের ঠিকানা: গ্রাম- খালিশা চাপানী, ডাকঘর- ডালিয়া
থানা- ডিমলা, জেলা- নীলফামারী।
শাহাদাতের তারিখ: ০৫ জানুয়ারী ২০১৪
আঘাতের ধরণ: বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

শহীদ জাহাঙ্গীর আলম ১৯৮২ সালের ১লা মার্চ নীলফামারীর ডিমলা থানার খালিশা চাপানী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি চতুর্থ। মা সহ তার পরিবারে বর্তমানে সদস্য সংখ্যা চার। একমাত্র সন্তান বায়েজিদ বোরহানের বয়স চার বছর। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ছাত্র জীবনে বাবাকে হারিয়ে অনেক কষ্টে তিনি লেখাপড়া করেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
আওয়ামী সরকারের আজ্ঞাবাহী নির্বাচন কমিশন পাঁচ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলে সরকারের একগুঁয়ে আচরণের বিরুদ্ধে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এই অবৈধ ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শহীদ জাহাঙ্গীর আলম সাধারণ জনতার সাথে একত্রিত হয়ে ভোট কেন্দ্র ঘেরাও করেন। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সাধারণ জনতার উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ জাহাঙ্গীর আলম।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
সকল কর্মসূচীতে শহীদ জাহাঙ্গীর আলম অগ্রণী ভূমিকা পালন করতেন। তার মনে শাহাদাতের তামান্না ছিল সদা জাগ্রত। শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার গায়েবানা জানাজায় গিয়ে তিনি তার এক বন্ধুকে বলেন- আজ সুন্দর করে গোসল করে এসেছিলাম যেন আমি শহীদ হতে পারি।" তার সাথে থাকা এক সাথী বলেন গুলিবিদ্ধ হবার পর কালিমা পড়তে পড়তে মাটিতে ঢলে পড়েন শহীদ জাহাঙ্গীর আলম।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় এসেই এদেশ থেকে ইসলামকে নির্মূলের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে পরিকল্পিতভাবে কারারুদ্ধ করে তথাকথিত ট্রাইবুনালে প্রহসনের বিচার করে ফাঁসীর রায় দেয়। জালিম সরকারের পদত্যাগ, নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও নির্দলীয় সরকারের দাবিতে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে সরকারের আজ্ঞাবাহী নির্বাচন কমিশন ০৫ জানুয়ারি ২০১৪ইং নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। ফলে সরকারের একঘুয়ে আচরণের বিরুদ্ধে সারা দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এই অবৈধ ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শহীদ জাহাঙ্গীর আলম সাধারণ জনতার সাথে একত্রিত হয়ে ভোট কেন্দ্র ঘেরাও কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সাধারণ জনতার উপর হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ করে জামায়াত কর্মী শহীদ জাহাঙ্গীর আলম।
আপনজনদের কথা
শহীদের মা: হে আল্লাহ! আমার ছেলেকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন।
স্ত্রী: আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি হাশরের মাঠে আমি যেন নিজেকে শহীদের স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতে পারি এবং আমার সন্তানও যেন তার বাবার মতো হতে পারে।
শহীদের বড় ভাই: জানাজা পূর্ব সমাবেশে বলেন- সবাই দোয়া করবেন আমার ভাইকে আল্লাহ যেন শহীদের কাতারে শামিল করে নেন।
এক নজরে শহীদ জাহাঙ্গীর আলম
নাম: জাহাঙ্গীর আলম
পিতার নাম: মৃত ইছাম উদ্দীন
মাতার নাম: জাহানারা বেওয়া, বয়স: ৬০ বছর, পেশা গৃহিণী
স্ত্রীর নাম: বিলকিছ বেগম, বয়স: ২৫ বছর, গৃহিণী
জন্ম তারিখ: ১০ মার্চ ১৯৮২
যোগাযোগের ঠিকানা: গ্রাম- খালিশা চাপানী, ডাকঘর- ডালিয়া
থানা- ডিমলা, জেলা- নীলফামারী।
শাহাদাতের তারিখ: ০৫ জানুয়ারী ২০১৪
আঘাতের ধরণ: বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍