হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম
শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম

শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ হাফেজ মোঃ আমিরুল ইসলাম (০৪৮)। সাংগঠনিক মান। সাবেক সাথী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
পেশা: 'আল-কুরআন রিসার্চ সেন্টার এন্ড হিফজুল কুরআন একাডেমি'। উদ্দেশ্য আধুনিক প্রযুক্তির যুগে আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝার ব্যবস্থা করা। তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৩০ ডিসেম্বর ১৯৮৫, ২৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩। শাহাদাতের তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩, বিকাল ৫.৩০টা, স্থান: মেডিক্যালে নেয়ার পথেই হাফেজ আমিরুল ইসলাম শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। শুক্রবার ১ মার্চ সকালে নিজ গ্রাম আহম্মদ পুরে তার জানাযা জুনষ্ঠিত হয়। দাফন। শনিবার ২ মার্চ ২০১৩, 'বাঘায় দাফন সম্পন্ন।
স্থায়ী
ঠিকানা। বাড়ির নাম: গ্রাম। আহম্মদপুর, ডাকঘর: বাঘা, উপজেলা: বাঘা, জেলা: রাজশাহী।
পিতা: মোঃ ওমর আলী, বয়স প্রায় ৬৮ বছর, কৃষি কাজ করে কোন রকম সংসার পরিচালনা করেন।
মাতা: রিজিয়া বেগম, বয়স প্রায় ৬২ বছর, গৃহিণী।
সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। মোছাঃ নাজমা খাতুন।
ভাই-বোনের বিবরণ: মাওলানা আব্দুর রশিদ, শিক্ষক, রামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লালপুর, নাটোর। মোঃ জহুরুল ইসলাম, চাকরিজীবী। মোঃ হাবিবুর রহমান, মার্কেটিং অফিসার (বগুড়া), ইবনে সিনা। শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আবু আব্বাস, মাস্টার্স অধ্যয়নরত, রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়, বোন-৬ জন, সবাই বিবাহিতা।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

"মাত্র ১৫ মাস আগে ২২ বছরের নাজমা খাতুনের বিয়ে হয়েছে ২৮ বছরের টগবগে তরুণ হাফেজ আমিরুলের সাথে।... তাদের নতুন জীবনের স্বপ্নের বাগান ফুলে-ফলে উদ্ভাসিত হওয়ার আগেই এক প্রচণ্ড সাইক্লোনে সব তছনছ হয়ে গেল। এত অল্প বয়সে বৈধব্যের এই উপাধি নিয়েই তাকে জীবনের কঠিন পথে চলতে হবে।"
১. শহীদের পরিচিতি
রাজশাহী বাঘা উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামে ৩০ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে শহীদ আমিরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ওমর আলী ও মাতা রিজিয়া বেগমের ৫ ছেলে, ৬ মেয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ৯ম। দাদার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে তিনি কুরআনের হাফেজ হয়েছিলেন। পাশাপাশি মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জনকারী এক অদম্য মেধাবী যুবক ছিলেন তিনি। প্রাথমিক ও জুনিয়র পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিসহ শিক্ষাজীবনের সকল পরীক্ষাতেও প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। সর্বশেষ তিনি কামিল তাফসির ও পাশাপাশি আরবিতে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী, বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই-বোন নিয়ে ছিল তার সুখের সংসার। বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে ভালো চাকরি নিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মার কষ্ট দূর করার ইচ্ছা ছিল তার। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাথী এবং কর্মজীবনে জামায়াতের কর্মী। আল-কুরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে সৃজনশীল মানসিকতা নিয়ে তিনি ও কয়েক বন্ধু মিলে প্রতিষ্ঠা করেন 'আল-কুরআন রিসার্চ সেন্টার এন্ড হিফজুল কুরআন একাডেমি'। উদ্দেশ্য আধুনিক প্রযুক্তির যুগে আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝার ব্যবস্থা করা। তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল। কিন্তু মানবরূপী হায়েনারা আল-কুরআনের এ মেধাবী খাদেমকে বাঁচতে দিল না। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে বিকেলে বাঘা পৌর এলাকাতে সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা ভাঙা বোতল দিয়ে মুখে আঘাত করে, রামদা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে শহীদ করেছে হাফেজ আমিরুলকে। জীবনের সর্বশেষ পরীক্ষায়ও তিনি সর্বোচ্চ কুরবানীর পরিচয় দিয়ে শাহাদাতের শ্রেষ্ঠতম পুরস্কার নেওয়ায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ, বুধবার দিন হাফেজ আমিরুল ইসলাম কর্মস্থল থেকে বাড়ি এসেছিলেন বাবা-মা-স্ত্রী ও ভাই-বোনদের সাথে দেখা করতে। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার রায় ঘোষণার দিন। তথাকথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাতিল এবং মামলার রায় ঘোষণার প্রতিবাদে সেদিন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করে। বাঘাতেও শান্তিপূর্ণ হরতাল পালিত হয়। আসরের নামাজের পর বিকেল-৫টার দিকে জামায়াত-শিবিরের স্থানীয় নেতাকর্মীরা বাঘা পৌর এলাকায় সমাবেশে মিলিত হন। এ খবর শুনে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জমায়েত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ চালায়। এ সময় হাফেজ আমিরুল ইসলাম স্থানীয় খাইরুল খলিফার বাসায় আশ্রয় নেন। কিন্তু মানবরূপী হায়েনার দল তাকে রেহাই দেয়নি। তারা তাকে বাসা থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে নিয়ে আসে এবং পুলিশের উপস্থিতিতেই ঠান্ডা পানীয় পেপসির বোতল ভেঙে তা দিয়ে তার চোখ-মুখে আঘাত করে। এরপর রামদা-চাপাতি ও লাঠিসোটা দিয়ে উপর্যুপরি আক্রমণ করতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থা গুরুতর দেখে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তাররা তাকে রাজশাহী মেডিক্যালে প্রেরণ করেন। কিন্তু মেডিক্যালে নেয়ার পথেই হাফেজ আমিরুল ইসলাম শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
পরের দিন শুক্রবার ১ মার্চ সকালে নিজ গ্রাম আহম্মদপুরে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। চাচা মাওলানা জিন্নাত আলী তার জানাযার ইমামতি করেন। এতে প্রায় পাঁচ হাজার লোক উপস্থিত ছিলেন। ১৪৪ ধারা জারি করার কারণে জানাযা পূর্ব-পরবর্তী কোন মিছিল-বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে ঘরোয়া পরিবেশে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান করা হয়।
দৈনিক আমার দেশ, ঢাকা, শনিবার ২ মার্চ ২০১৩, 'বাঘায় দাফন সম্পন্ন ও ১৪৪ ধারা' শিরোনামে নিউজ করে। রাজশাহীর বাঘায় আ'লীগ-জামায়াত-পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। রাজশাহী ইন্টারন্যাশনাল হিফজুল কোরআন ও ক্যাডেট মাদরাসার অধ্যক্ষ আমিরুল ইসলামকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে আ'লীগ। ওই ঘটনার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ সাত জামায়াত নেতাকে গ্রেফতার করে। বাঘা থানার আমিরুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে নিজ বাড়ি উপজেলার বাজুবাঘার আহম্মদপুর গ্রামে যান। নিহতের বাবার নাম উমর আলী। বাঘা বাজারে আ'লীগ কর্মীরা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত ১০টার দিকে মৃত্যু হয়। তিনি এক বছর আগে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী নাজমা বেগম স্বামীর মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে আছেন। মা রিজিয়া বেগম বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন। কোনো কথা বলতে পারছেন না।
বাধা থানার ওসি হামিদুর রশীদ জানান, জামায়াতের সাত নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল লতিফ, রোকন সেকেন্দার আলী, শিবিরকর্মী রেজাউল করিম, রাশেদুল ইসলাম, মামুন হোসেন, শহিদুল ইসলাম ও শামিম রেজা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুস সোবহান বলেন, নাশকতা ঠেকাতে ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
৩. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের বাবা: শহীদের বাবার তথ্য অনুযায়ী ঘটনার দিন সকালে হাফেজ আমিরুল ইসলাম নাস্তা করে বের হন এবং দুপুরে ফলফলাদি নিয়ে বাড়ি ফেরেন। বিকেলে আসরের নামাজ ও অন্যান্য কাজের জন্য বাঘা বাজারে যান। আর সন্ধ্যায় খবর আসে তার ছেলেকে আওয়ামী লীগের লোকেরা মারধর করেছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু রাজশাহী মেডিক্যাল থেকে রাতে জানানো হয় ছেলের মৃত্যু হয়েছে। 'আমি অনেক কষ্ট করে ছেলেকে পড়ালেখা করিয়েছি। ছেলে আমার খুবই ভালো ছাত্র ছিল। ফার্স্ট ছাড়া ক্লাসে কখনও সে সেকেন্ড হয়নি। দাখিল থেকে কামিল সব পরীক্ষায় তার ফার্স্ট ক্লাস। ওর ইচ্ছা ছিল বিসিএস করে সরকারি চাকরি করবে। পরিবারের অভাব দূর করবে এবং আমার কষ্ট দূর করবে। কিন্তু আমার কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়ে আমাকে ফাঁকি দিয়ে চলে গেছে'। ছেলের মৃত্যুতে আমি অবশ্যই কষ্ট পেয়েছি। তবে বিশ্ববিখ্যাত আলেম মাওলানা সাঈদীর যদি মুক্তি হয় তাহলে আমার কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে। তাই আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন সাঈদীকে মুক্তি দেন। আর এই জালেম সরকারের অত্যাচার থেকে মানুষজন যেন রক্ষা পায়'।
চাচার কথা: পারিবারিকভাবেই আমরা প্রাকটিক্যাল মুসলিম এবং ইসলামের পূর্ণ আদর্শে বিশ্বাসী। আমাদের পরিবার রাজনৈতিক সচেতন এবং জামায়াতে ইসলামীর সাথে জড়িত। আমরা এই ঐতিহ্যবাহী বাঘা এলাকায় ৫০ বছর যাবৎ আছি। আমার ভাতিজা শহীদ আমিরুল ইসলাম একজন আলেমে দ্বীন হিসেবে গড়ে উঠেছিল। সে একজন অত্যন্ত মেধাবী ও আদর্শবান ছিল। তার কোন ব্যক্তিগত শত্রু নেই। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমার ভাতিজাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই হত্যা করেছে। আমরা শহীদ আমিরুল হত্যাকারীদের বিচার চাই।
শহীদের গর্বিত মা। শহীদের মা তার কলিজার টুকরোকে হারিয়ে মর্মাহত। ঘটনার দিন মা হিসেবে তিনি বলেছিলেন প্রোগ্রামে না যেতে কিন্তু আমিরুল তাকে বললো, 'মা, সাঈদী সাহেবের মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আদেমের ব্যাপারে এমন জুলুম করছে আমি একজন আলেম হিসেবে কিভাবে বসে থাকবো। মা আর বাধা দিতে পারেননি। সেই স্মৃতি স্মরণ করে তিনি মূর্ছা যান এবং ছেলের জান্নাত লাভের জন্য তিনি সর্বদা আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
শহীদের স্ত্রী। মাত্র ১৫ মাস আগে ২২ বছরের নাজমা খাতুনের বিয়ে হয়েছে ২৮ বছরের টগবগে তরুণ হাফেজ আমিরুদের সাথে। তিনি ছাত্রীসংস্থার সাথে সম্পর্কিত পাশাপাশি রাজশাহী কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগের মেধাবী ছাত্রী, মাস্টার্স পরীক্ষার্থী। তাদের নতুন জীবনের স্বপ্নের বাগান স্কুলে ফলে উদ্ভাসিত হওয়ার আগেই এক প্রচণ্ড সাইক্লোনে সব তছনছ হয়ে গেল। এত অল্পবয়সে বৈধব্যের এই উপাধি নিয়েই তাকে জীবনের কঠিন পথে চলতে হবে।
শহীদের ভাই। শহীদের একভাই মাওলানা আঃ রশিদ বলেছেন, আমি গর্বিত এজন্য যে আমি এখন শহীদের ভাই। মহান আল্লাহর রাস্তায় ভাই শহীদ হওয়ায় আমাদের কষ্ট হয় তবে আফসোস নেই। আমার ভাই শহীদ হওয়ায় মানুষের কাছে বিচার চেয়ে লাভ নেই। বরং আল্লাহর কাছে ভাই হত্যার বিচার চাই। আর ছোট ভাই মোঃ আবু আব্বাস স্বপ্নে শহীদ আমিরুলকে দেখেছেন যে তাকে হাত মোসাফাহ করে বলছে ভাই তোমার আমল-কার্যক্রম আগের মতো আছেতো? এলাকার শিক্ষকও স্বপ্নে তাকে দেখে বলছে, ক্যারে বা তুমি না মারা গেছ? উত্তরে আমিরুল বলছে, আমি মারা যাইনি।
এ যেন আল্লাহর সেই সুমহান ঘোষণা, 'যারা আল্লাহর রাস্তায় জীবন দেয় তাদেরকে তোমরা মৃত বল না।
তারা জীবিত কিন্তু তোমরা তা বুঝতে পার না'। আল-কুরআন।
৪. বর্তমান বাড়ি-ঘরের অবস্থা
প্রায় ১০ শতকের ওপর একটি বসতবাড়ি। মাটির তৈরি ২টি ঘর এবং একটি ইটের তৈরি। কৃষি জমি হতে
কিছু ফসল এবং চাকরি করে সংসার নির্বাহ করতেন।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ হাফেজ মোঃ আমিরুল ইসলাম (০৪৮)। সাংগঠনিক মান। সাবেক সাথী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
পেশা: 'আল-কুরআন রিসার্চ সেন্টার এন্ড হিফজুল কুরআন একাডেমি'। উদ্দেশ্য আধুনিক প্রযুক্তির যুগে আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝার ব্যবস্থা করা। তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৩০ ডিসেম্বর ১৯৮৫, ২৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩। শাহাদাতের তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩, বিকাল ৫.৩০টা, স্থান: মেডিক্যালে নেয়ার পথেই হাফেজ আমিরুল ইসলাম শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। শুক্রবার ১ মার্চ সকালে নিজ গ্রাম আহম্মদ পুরে তার জানাযা জুনষ্ঠিত হয়। দাফন। শনিবার ২ মার্চ ২০১৩, 'বাঘায় দাফন সম্পন্ন।
স্থায়ী
ঠিকানা। বাড়ির নাম: গ্রাম। আহম্মদপুর, ডাকঘর: বাঘা, উপজেলা: বাঘা, জেলা: রাজশাহী।
পিতা: মোঃ ওমর আলী, বয়স প্রায় ৬৮ বছর, কৃষি কাজ করে কোন রকম সংসার পরিচালনা করেন।
মাতা: রিজিয়া বেগম, বয়স প্রায় ৬২ বছর, গৃহিণী।
সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। মোছাঃ নাজমা খাতুন।
ভাই-বোনের বিবরণ: মাওলানা আব্দুর রশিদ, শিক্ষক, রামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লালপুর, নাটোর। মোঃ জহুরুল ইসলাম, চাকরিজীবী। মোঃ হাবিবুর রহমান, মার্কেটিং অফিসার (বগুড়া), ইবনে সিনা। শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আবু আব্বাস, মাস্টার্স অধ্যয়নরত, রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়, বোন-৬ জন, সবাই বিবাহিতা।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍