হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ এবাদত আলী
শহীদ এবাদত আলী

শহীদ এবাদত আলী

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ মো: এবাদত আলী (১৩১)।
পেশা: পিঁয়াজু দোকানদার। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৫.১০.১৯৭৮, ৩৫ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১২.০৫.২০১৩, সন্ধ্যা ৭টা।
শাহাদাতের তারিখ: ১২.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মি.।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: বেঙ্গাই চর আদর্শ পাড়া, থানা: সদর থানা,জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
পিতা: মো: মহসিন আলী, কাঠমিস্ত্রি।
মাতা:মোসা: আঙ্গরী বেগম, বয়স ৬৫ বছর, গৃহণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বসবাসের জন্য খুব জীর্ণ ১টি টিন শেড ঘর রয়েছে, যা ছেলেদের নিয়ে বসবাস খুব দুর্বিষহ। বর্তমানে আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোসা:চামেলী খাতুন (স্ত্রী),মো: আল এমরান, ১ম শ্রেণী।মোঃ ইব্রাহীম খলিল, ১ বছর।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: বাদশা, বিদেশে অবস্থানরত। মো:শাহাদাত, বিদেশে অবস্থানরত। শহীদ এবাদত,পিয়াজু দোকানদার। মোসা: রুনা বেগম, গৃহিণী। মোসা: সদরেকা, গৃহিণী।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

"শহীদের স্ত্রী বলেন: শহীদ এবাদত আলী খুবই ভদ্র ও বিনয়ী ছিলেন, আল্লামা সাঈদীর খুব ভক্ত ছিলেন। ক্যাসেটে সব সময় তিনি সাঈদী সাহেবের ওয়াজ শুনতেন এবং ইসলামের কাজে যখনই ডাক আসতো তিনি ছুটে যেতেন।' শাহাদাতের এক সপ্তাহ পূর্বে তিনি স্ত্রীকে বলেন; আমি যদি শহীদ হই তাহলে তুমি আমার ছেলে দুটিকে ইসলামের পথে ভালভাবে মানুষ করবে।"
১. শহীদের পরিচিতি শহীদ এবাদত আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের বেঙ্গাই চর আদর্শ পাড়া গ্রামে ১৯৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কাঠমিস্ত্রি পিতা মো: মহসিন আলী ও মাতা: মোসা: আঙ্গরী বেগম-এর পাঁচ ছেলেমেয়ের অন্যতম। তিনি ছিলেন একজন দরিদ্র ছোট মুদি দোকানদার। তিনি পিয়াজু, বড়া তৈরি করতেন এবং তা বিক্রি করে সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতেন। শাহাদাতকালে তিনিস্ত্রী: মোসা: চামেলী খাতুন ও দুই ছেলে মো: আল এমরান, ১ম শ্রেণী, মো: ইব্রাহীম খলিলকে৩ বছর রেখে যান।
২. যেভাবেতিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় জামায়াতের সহ:সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফাঁসীর রায়ের প্রতিবাদে ১২ মে ১৩ তারিখ দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয় জামায়াত। ঐ দিন সন্ধ্যার পর জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে মিছিল করলে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে শান্তিপূর্ণ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বুলেটবিদ্ধ হয় শত শত নারী-পুরুষ। হঠাৎ একটি বুলেট এসে বিদ্ধ হল এবাদত আলীর বুকে। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে নেওয়ার পথে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন তিনি।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশব্যাপী হত্যা, সন্ত্রাস, ইসলামপ্রিয় জনতার উপর জুলুমনির্যাতন, আলেম-উলামাদেরকে জেলে ভরে নির্যাতনসহ ইসলাম ও দেশবিরোধী চক্রান্ত অব্যাহত থাকে। তথাকথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় জামায়াতের সহ: সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে ১২ মে ১৩ তারিখ দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয় জামায়াত। ঐদিন সন্ধ্যার পর জামায়াতে ইসলামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে মিছিল করলে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে শান্তিপুর্ণ মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বুলেট বিদ্ধ হয় শত শত নারী- পুরুষ। এখানেই বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন এবাদত আলী। দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৯ টায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৪.শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের স্ত্রীর কথা: 'শহীদ এবাদত আলী খুবই ভদ্র ও বিনয়ীছিলেন। আল্লামা সাঈদীর খুব ভক্ত ছিলেন। ক্যাসেটে সব সময় তিনি সাঈদী সাহেবের ওয়াজ শুনতেন এবং ইসলামের কাজে যখনই ডাক আসতো তিনি ছুটে যেতেন।' শাহাদাতের এক সপ্তাহ পূর্বে তিনি স্ত্রীকে বলেন" আমি যদি শহীদ হই তাহলে তুমি আমার ছেলে দুটিকে ইসলামের পথে ভালভাবে মানুষ করবে।"
৫. বর্তমান বাড়ি-ঘরের অবস্থা বসবাসের জন্য খুব জীর্ণ ১টি টিন শেড ঘর রয়েছে,যাতে ছেলেদের নিয়ে বসবাস খুব দুর্বিষহ। বর্তমানে আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই।
৬. ব্যক্তিগত প্রোফাইল নাম:
শহীদ মো: এবাদত আলী (১৩১)।
পেশা: পিঁয়াজু দোকানদার। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৫.১০.১৯৭৮, ৩৫ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১২.০৫.২০১৩, সন্ধ্যা ৭টা।
শাহাদাতের তারিখ: ১২.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মি.।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: বেঙ্গাই চর আদর্শ পাড়া, থানা: সদর থানা,জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
পিতা: মো: মহসিন আলী, কাঠমিস্ত্রি।
মাতা:মোসা: আঙ্গরী বেগম, বয়স ৬৫ বছর, গৃহণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বসবাসের জন্য খুব জীর্ণ ১টি টিন শেড ঘর রয়েছে, যা ছেলেদের নিয়ে বসবাস খুব দুর্বিষহ। বর্তমানে আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোসা:চামেলী খাতুন (স্ত্রী),মো: আল এমরান, ১ম শ্রেণী।মোঃ ইব্রাহীম খলিল, ১ বছর।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: বাদশা, বিদেশে অবস্থানরত। মো:শাহাদাত, বিদেশে অবস্থানরত। শহীদ এবাদত,পিয়াজু দোকানদার। মোসা: রুনা বেগম, গৃহিণী। মোসা: সদরেকা, গৃহিণী।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍