শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নানু (১৫৩)। পেশা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (দর্জি)।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩-১০-১৯৬২ ইং, ৫১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫-০৫-২০১৩,
বিকাল ৫ টা, ঢাকা, বুকে গুলি বিদ্ধ।
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৩, দুপুর ১২টা। স্থান। ঢাকা। দাফন করা হয়। যশোর পৌরসভার খড়কি কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। খড়কি, ইউনিয়ন: খড়কি, থানা। কোতয়ানি, জেলা: যশোর।
পিতা। শহিদুল ইসলাম, মৃত।
মাতা: হামিদা খানম, বয়স্ক ও অসুস্থ।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। দুই শতক জমির উপর পুরাতন জীর্ণ-শীর্ণ ইটের বাড়ি, চাষাবাদের কোন জমি নেই। দর্জির ব্যবসা দিয়ে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী। শাহানাজ পারভীন। সন্তান- উম্মে হাবীবা, বিবাহিতা। উম্মে সুমাইয়া, এম এম কলেজে ডিগ্রি অধ্যয়নরত। উম্মে সাদিয়া, ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। আবু হুজাইফা, হাফেজি অধ্যয়নরত। আবু হানজালা, নার্সারি।
ভাই-বোনের বিবরণ। মোঃ সিরাজুল হক, স্কুল শিক্ষক। হাফিজুল হক, মুদি ব্যবসায়ী। শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্ত্র, শহীদ। হোসনে আরা, বিবাহিতা। শাহিনা আক্তার, বিবাহিতা। শামিমা খাতুন, বিবাহিতা। রেহেনা খাতুন, বিবাহিতা। জেসমিন নাহার, বিবাহিতা।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩-১০-১৯৬২ ইং, ৫১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫-০৫-২০১৩,
বিকাল ৫ টা, ঢাকা, বুকে গুলি বিদ্ধ।
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৩, দুপুর ১২টা। স্থান। ঢাকা। দাফন করা হয়। যশোর পৌরসভার খড়কি কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। খড়কি, ইউনিয়ন: খড়কি, থানা। কোতয়ানি, জেলা: যশোর।
পিতা। শহিদুল ইসলাম, মৃত।
মাতা: হামিদা খানম, বয়স্ক ও অসুস্থ।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। দুই শতক জমির উপর পুরাতন জীর্ণ-শীর্ণ ইটের বাড়ি, চাষাবাদের কোন জমি নেই। দর্জির ব্যবসা দিয়ে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী। শাহানাজ পারভীন। সন্তান- উম্মে হাবীবা, বিবাহিতা। উম্মে সুমাইয়া, এম এম কলেজে ডিগ্রি অধ্যয়নরত। উম্মে সাদিয়া, ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। আবু হুজাইফা, হাফেজি অধ্যয়নরত। আবু হানজালা, নার্সারি।
ভাই-বোনের বিবরণ। মোঃ সিরাজুল হক, স্কুল শিক্ষক। হাফিজুল হক, মুদি ব্যবসায়ী। শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্ত্র, শহীদ। হোসনে আরা, বিবাহিতা। শাহিনা আক্তার, বিবাহিতা। শামিমা খাতুন, বিবাহিতা। রেহেনা খাতুন, বিবাহিতা। জেসমিন নাহার, বিবাহিতা।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"শহীদের স্ত্রী তার ব্যাপারে বলেন: ৪ মে ঢাকায় যাবার টাকা ছিল না তার কাছে। আমি তাকে যেতে মানা করি। তখন তিনি বলেছিলেন, টাকা আল্লাহ ব্যবস্থা করে দেবেন। তিনি আহত হবার পর আমাকে বলেন। আমার জন্য দোয়া করো আমি যেনো শহীদ হতে পারি। মেজ মেয়ে উম্মে সুমাইয়া বলে "শাহদাতের দুই মাস আগে এক রাতে আব্বা নামাজ পড়ে কাঁদছে আর বলছে হে আল্লাহ তুমি আমাকে শহীদি মৃত্যু নিয়ো।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক (নায়ু) যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র উপশহর ইউনিয়নের ই-ব্লকে ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম শহিদুল ইসলাম ও মাতা খাদিজা বেগমের তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ের ভেতর তৃতীয় ছিলেন তিনি। পিতা মাতার স্বপ্ন ছিল তাকে আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন। তাই তাকে আদর্শ আলেম তৈরির জন্য ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসাতে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে এসে নানা কারণে তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। বাসায় তিনি সামান্য দর্জির কাজ করে কোন-রকম সংসার চালাতেন। দ্বীনের কাজে পাগল মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
বাংলাদেশের রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহাবাগ চত্বরে নাস্তিক্যবাদীরা আল্লাহ ও তার প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে মিথ্য প্রচারণা চালাচ্ছিল। আল্লাহ ও তার নবীর সম্মান রক্ষার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু ৪ মে ২০১৩ তারিখে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ৫ মে ২০১৩ হেফাজত ইসলামের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে শরিক হন। নাস্তিক ফ্যাসিবাদীদের দোসর সরকার, লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের দাবি না মেনে আল্লাহ-রাসুল (সাঃ) ও ইসলামের আদর্শকে মুছে ফেলার জন্য দিনভর আওয়ামী ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সন্ত্রাসীরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। রাত ৮টার সময় দৈনিক বাংলার মোড়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন মোয়াজ্জেমুল হক নান্ন ভাই। ৫-৬ দিন ঢাকায় চিকিৎসারত অবস্থায় ১১ মে ২০১৩ তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় তিনি শাহদাত বরণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বাংলাদেশের রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহাবাগ চত্বরে নাস্তিক্যবাদীরা আল্লাহ ও তার প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করছিল। আল্লাহ ও তার নবীর সম্মান রক্ষার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। ছেলে এবং বকুল টেইলার্সের মালিক।
নিহত মোজাম্মেল হকের লাশ শনিবার রাতে যশোর এসে পৌঁছে। হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে রোববার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং প্রচারণাও চালানো হয়। কিন্তু পুলিশ নির্ধারিত স্থানে জানাজা হতে দেয়নি।
হেফাজতের যশোর জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাসিরউল্লাহ জানান, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজা হলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে লাশ নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতি করতে পারে জামায়াত। সে কারণে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজার নামাজ পড়তে দেয়া হবে না। পরে এমএম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে খড়কি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
৪. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের স্ত্রীর কথা। ৪ মে ঢাকায় যাবার টাকা ছিল না তার কাছে। আমি তাকে যেতে মানা করি। তখন তিনি বলেছিলেন, টাকা আল্লাহ বাবস্থা করে দেবেন। তিনি আহত হবার পর আমাকে বলেন, আমার জন্য দোয়া করো আমি জেনো শহীদ হতে পারি।
মেজ মেয়ে উম্মে সুমাইয়ার কথা, "শাহদাতের দুই মাস আগে এক রাতে আব্বা নামাজ পড়ে কাঁদছে আর বলছে হে আল্লাহ তুমি আমাকে শহীদি মৃত্যু দিয়ো।"
এলাকাবাসীর মন্তব্য: সবার কাছে তিনি ছিলেন প্রিয় ও পরিচিত মুখ। সারাদিন কর্মব্যস্ততার মাঝে তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করতেন। তার ব্যবহার ছিল অমায়িক। তিনি কাউকে ধোঁকা বা কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন না।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নানু (১৫৩)। পেশা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (দর্জি)।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩-১০-১৯৬২ ইং, ৫১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫-০৫-২০১৩,
বিকাল ৫ টা, ঢাকা, বুকে গুলি বিদ্ধ।
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৩, দুপুর ১২টা। স্থান। ঢাকা। দাফন করা হয়। যশোর পৌরসভার খড়কি কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। খড়কি, ইউনিয়ন: খড়কি, থানা। কোতয়ানি, জেলা: যশোর।
পিতা। শহিদুল ইসলাম, মৃত।
মাতা: হামিদা খানম, বয়স্ক ও অসুস্থ।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। দুই শতক জমির উপর পুরাতন জীর্ণ-শীর্ণ ইটের বাড়ি, চাষাবাদের কোন জমি নেই। দর্জির ব্যবসা দিয়ে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী। শাহানাজ পারভীন। সন্তান- উম্মে হাবীবা, বিবাহিতা। উম্মে সুমাইয়া, এম এম কলেজে ডিগ্রি অধ্যয়নরত। উম্মে সাদিয়া, ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। আবু হুজাইফা, হাফেজি অধ্যয়নরত। আবু হানজালা, নার্সারি।
ভাই-বোনের বিবরণ। মোঃ সিরাজুল হক, স্কুল শিক্ষক। হাফিজুল হক, মুদি ব্যবসায়ী। শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্ত্র, শহীদ। হোসনে আরা, বিবাহিতা। শাহিনা আক্তার, বিবাহিতা। শামিমা খাতুন, বিবাহিতা। রেহেনা খাতুন, বিবাহিতা। জেসমিন নাহার, বিবাহিতা।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক (নায়ু) যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র উপশহর ইউনিয়নের ই-ব্লকে ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম শহিদুল ইসলাম ও মাতা খাদিজা বেগমের তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ের ভেতর তৃতীয় ছিলেন তিনি। পিতা মাতার স্বপ্ন ছিল তাকে আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন। তাই তাকে আদর্শ আলেম তৈরির জন্য ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসাতে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে এসে নানা কারণে তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। বাসায় তিনি সামান্য দর্জির কাজ করে কোন-রকম সংসার চালাতেন। দ্বীনের কাজে পাগল মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
বাংলাদেশের রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহাবাগ চত্বরে নাস্তিক্যবাদীরা আল্লাহ ও তার প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে মিথ্য প্রচারণা চালাচ্ছিল। আল্লাহ ও তার নবীর সম্মান রক্ষার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু ৪ মে ২০১৩ তারিখে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ৫ মে ২০১৩ হেফাজত ইসলামের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে শরিক হন। নাস্তিক ফ্যাসিবাদীদের দোসর সরকার, লক্ষ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের দাবি না মেনে আল্লাহ-রাসুল (সাঃ) ও ইসলামের আদর্শকে মুছে ফেলার জন্য দিনভর আওয়ামী ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সন্ত্রাসীরা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। রাত ৮টার সময় দৈনিক বাংলার মোড়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন মোয়াজ্জেমুল হক নান্ন ভাই। ৫-৬ দিন ঢাকায় চিকিৎসারত অবস্থায় ১১ মে ২০১৩ তারিখে দুপুর আনুমানিক ১২টার সময় তিনি শাহদাত বরণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
বাংলাদেশের রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহাবাগ চত্বরে নাস্তিক্যবাদীরা আল্লাহ ও তার প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করছিল। আল্লাহ ও তার নবীর সম্মান রক্ষার জন্য আন্দোলনের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। ছেলে এবং বকুল টেইলার্সের মালিক।
নিহত মোজাম্মেল হকের লাশ শনিবার রাতে যশোর এসে পৌঁছে। হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে রোববার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং প্রচারণাও চালানো হয়। কিন্তু পুলিশ নির্ধারিত স্থানে জানাজা হতে দেয়নি।
হেফাজতের যশোর জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নাসিরউল্লাহ জানান, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজা হলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে লাশ নিয়ে ঘৃণ্য রাজনীতি করতে পারে জামায়াত। সে কারণে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজার নামাজ পড়তে দেয়া হবে না। পরে এমএম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে খড়কি কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
৪. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের স্ত্রীর কথা। ৪ মে ঢাকায় যাবার টাকা ছিল না তার কাছে। আমি তাকে যেতে মানা করি। তখন তিনি বলেছিলেন, টাকা আল্লাহ বাবস্থা করে দেবেন। তিনি আহত হবার পর আমাকে বলেন, আমার জন্য দোয়া করো আমি জেনো শহীদ হতে পারি।
মেজ মেয়ে উম্মে সুমাইয়ার কথা, "শাহদাতের দুই মাস আগে এক রাতে আব্বা নামাজ পড়ে কাঁদছে আর বলছে হে আল্লাহ তুমি আমাকে শহীদি মৃত্যু দিয়ো।"
এলাকাবাসীর মন্তব্য: সবার কাছে তিনি ছিলেন প্রিয় ও পরিচিত মুখ। সারাদিন কর্মব্যস্ততার মাঝে তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করতেন। তার ব্যবহার ছিল অমায়িক। তিনি কাউকে ধোঁকা বা কষ্ট দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন না।
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নানু (১৫৩)। পেশা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (দর্জি)।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩-১০-১৯৬২ ইং, ৫১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫-০৫-২০১৩,
বিকাল ৫ টা, ঢাকা, বুকে গুলি বিদ্ধ।
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৩, দুপুর ১২টা। স্থান। ঢাকা। দাফন করা হয়। যশোর পৌরসভার খড়কি কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। খড়কি, ইউনিয়ন: খড়কি, থানা। কোতয়ানি, জেলা: যশোর।
পিতা। শহিদুল ইসলাম, মৃত।
মাতা: হামিদা খানম, বয়স্ক ও অসুস্থ।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। দুই শতক জমির উপর পুরাতন জীর্ণ-শীর্ণ ইটের বাড়ি, চাষাবাদের কোন জমি নেই। দর্জির ব্যবসা দিয়ে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী। শাহানাজ পারভীন। সন্তান- উম্মে হাবীবা, বিবাহিতা। উম্মে সুমাইয়া, এম এম কলেজে ডিগ্রি অধ্যয়নরত। উম্মে সাদিয়া, ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। আবু হুজাইফা, হাফেজি অধ্যয়নরত। আবু হানজালা, নার্সারি।
ভাই-বোনের বিবরণ। মোঃ সিরাজুল হক, স্কুল শিক্ষক। হাফিজুল হক, মুদি ব্যবসায়ী। শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্ত্র, শহীদ। হোসনে আরা, বিবাহিতা। শাহিনা আক্তার, বিবাহিতা। শামিমা খাতুন, বিবাহিতা। রেহেনা খাতুন, বিবাহিতা। জেসমিন নাহার, বিবাহিতা।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍