হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল
শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল

শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল
পিতার নাম: মরহুম আলহাজ্ব ডা: ওয়াজেদ আলী
মাতার নাম: রাজিয়া সুলতানা
জন্ম তারিখ: ১৫ই আগস্ট ১৯৮৪
ভাই-বোন ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সাংগঠনিক মান: শিবিরের সদস্য ছিলেন এবং সর্বশেষ জামায়াতের রুকন।
সর্বশেষ দায়িত্ব: উপশহর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী
শিক্ষা জীবন: মেরিন ইঞ্জিনিয়ার
পারিবারিক জীবন: অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা: যশোর সদর নিউমার্কেট, উপশহর ইউনিয়ন ৭নং সেক্টর
যাদের আঘাতে শহীদ: আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ
আঘাতের ধরণ: মাথায় গুলি
শাহাদাতের তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০১৩, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল ১৯৮৪ সালের ১৫ই আগস্ট যশোর নিউমার্কেটে জন্মগ্রহণ করেন। শিতা মরহুম আলহাজ্জ ডা. ওয়াজেদ আলী ও মাতা মোছাঃ রাজিয়া সুলতানার তিন সন্তানের মধ্যে বুলবুল দ্বিতীয়। যশোর উপশহর ইউনিয়নের জামায়াত সেক্রেটারী শহীদ বুলবুল ছাত্র জীবনের বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সদস্য ছিলেন এবং কর্মজীবনে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান।
২০১৩ সালের ২৭ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মুখোশধারীদের গুলিতে নিজ বাড়ির সামনের অংশে নিজের স্থাপিত কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
ছোট বেলাতেই বাবাকে হারিয়ে এতিম অবস্থায় মায়ের কোলে লালিত পালিত হয়ে ধীরে ধীরে বড় হয়েছেন তিনি। তিন ভাই-বোনের মধ্যে বুলবুল ছিলেন দ্বিতীয়। লেখাপড়ায় ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। মা অনেক কষ্টে টাকা জোগাড় করে আদরের ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুলকে নিয়ে মায়ের চোখে-মুখে ছিলো একরাশ সোনালি স্বপ্ন। মায়ের সেই স্বপ্নসাধ বুকে নিয়েই পাঠশালায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। লেখাপড়া শিখবে, চাকরি করবে, বড় হয়ে দুঃখিনী মায়ের মুখে হাসি ফুটাবে এমন একটি আশার ভেলায় চড়ে সামনের পানে ধীরে-ধীরে অগ্রসর হতে থাকেন শহীদ বুলবুল। এতিম দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও সে আশায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি তাঁর। সীমাহীন প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্নের তরী বেয়ে যশোর আমিনিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল, এরপর যশোর বি এফ শাহিন কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। এরপর ঢাকার নারায়ণগঞ্জের বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি থেকে শেষ করেন মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ পড়াশোনা।
আব্দুল্লাহ আল মামুন লিখেছেন- শিশুকাল থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের। মন-মননে ছিলো সৃজনশীলতা। ছোট থেকেই তিনি সকলের কাছে অত্যন্ত আদরের ছিলেন। কারো সাথে কখনও তার মনোমালিন্য ছিলো না।
বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, নারায়ণগঞ্জ-এ পড়াকালীন শহীদ বুলবুলের সভাপতি ছিলেন এমদাদুল হক চৌধুরী। যার হাতে তিনি শিবিরের সাথী ও সদস্য হয়েছিলেন। এমদাদুল হক চৌধুরী বলেন-আমি শহীদ বুলবুলের সভাপতি ছিলাম। আমি দেখেছি তাঁর চরিত্র। দেখেছি তাঁর ব্যবহার, তাঁর আমানতদারীতা, তাঁর পর্দা মেনে চলা। তিনি কখনো কারো সাথে গাল-মন্দ করতেন না। সকলের সাথে হাসিমুখে কথা বলতেন।
শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল শিশুকাল থেকেই সংগঠনের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। তিনি ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াকালীন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সমর্থক হন। এর কিছুদিন পরেই কর্মী হন। মেরিন কলেজে পড়াকালীন সাথী ও সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। এবং পড়াশুনা শেষে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর রুকন শপথ গ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষ করে তিনি চট্টগ্রাম শিপইয়ার্ডে চাকুরীতে যোগদান করেন। কিন্তু তিনমাস চাকুরী করার পর
তিনি স্বেচ্ছায় চাকুরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে মায়ের কাছে ফিরে আসেন এবং সংসারের হাল ধরেন। এরপর তিনি তাঁর বাড়িতেই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও সাইবার ক্যাফে ব্যবসা শুরু করেন। চাকুরী ছাড়ার ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য ছিলো- যে চাকুরী আমি পেয়েছি তাতে আমি শুধু টাকাই পাবো। কিন্তু ইসলামী আন্দোলনে আমি সময় দিতে পারবো না। পারবো না অসহায় মা ও বোনের পাশে থেকে সময় দিতে। আর এগুলো যদি আমি করতে না পারি তাহলে এ শিক্ষা আমার কী প্রয়োজন ছিলো? কাল কিয়ামতের কঠিন ময়দানে আল্লাহর কাছে নিশ্চয়ই এর কোন সদুত্তর দিতে পারবো না। সুতরাং এসব কথা ভেবেই আমি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
সমাজ সেবার উদ্দেশ্যে শহিদ বুলবুল প্রতিষ্ঠা করেন- প্রগতিশীল বহুমুখী সমবায় সমিতি, গড়ে তোলেন উপশহর ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদ, প্রগতিশীল বিপণী স্টোর, প্রগতি ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। প্রকাশ করেন মাসিক পত্রিকা 'কপোতাক্ষ'।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
তাঁর শাহাদাতের ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী শহীদের ভগ্নিপতি জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন শহীদ বুলবুলকে নিয়ে রচিত 'অনুপ্রেরণা' বইয়ে সেদিনের যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা সরাসরি নিম্নে তুলে ধরা হলো-"স্বৈরাচারী খুনী শেখ হাসিনার গুম-খুন-নির্যাতনের প্রতিবাদে ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুণঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে ২০১৩ সালের ২ শে নভেম্বর ১৮ দলীয় জোট কর্তৃক ৪৮ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচীর ডাক দেয়া হয়। ২৬ শে নভেম্বর ভোর থেকেই আমরা যশোর চাচড়া মোড়ে অবস্থান গ্রহণ করি। বুলবুল ভাই আমাদের আগেই উপস্থিত হয়েছেন। কিছুক্ষণ পরে আমরা মিছিল সহকারে পুলের হাট বাজারে অবস্থান করি। মাইকের ব্যবস্থা করা হলো, এরপর একে একে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেওয়া শুরু করেন।
শিবিরের শহর সেক্রেটারী আজহারুল ইসলাম ভাই আমাকে বক্তব্য দিতে বললে আমি বুলবুল ভাইকে ডেকে নিয়ে যাই। তাঁর নাম ঘোষণা করা হলো। এরপর বুলবুল ভাই বক্তব্য দেওয়া শুরু করলেন। মুহূর্তের মধ্যেই গগণবিদারী প্রতিবাদী বক্তব্যে প্রকম্পিত হতে লাগলো যশোরের আকাশ-বাতাস।
সেদিন তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতায় উপস্থিত জনগণ শ্লোগানে-শ্লোগানে মুখরিত করে তুলেছে, সকলের মুখে একটাই আওয়াজ, একটাই প্রতিধ্বনি উচ্চারিত হতে লাগলো- অবিলম্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করুন, করতে হবে। জাতীয় নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে মুক্তি দাও, দিতে হবে। সেদিনের অবরোধ কর্মসূচীতে যত জন বক্তব্য দিয়েছিলো, বুলবুল ভাইয়ের বক্তব্য তাদের সকলের বক্তব্যকে হার মানিয়ে দিয়েছিলো। অবরোধের প্রথম দিন সকাল থেকেই সারা দিন কাটিয়েছিলাম বুলবুল ভাইয়ের সাথে। ফিরে আসার সময় আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হলো- আগামী কালকের অবরোধ আপনাদেরকে নিউ মার্কেটে পালন করতে হবে।
পরের দিন ২৭ শে নভেম্বর ভোর ৭টা থেকেই আমরা আমাদের জনশক্তিদের নিয়ে বুলবুল ভাইয়ের নেতৃত্বে অবরোধ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করি। সারাদিনের অবরোধ শেষে ফেরার সময় জানতে পারি যে, অবরোধ কর্মসূচী আরো ২৪ ঘন্টা বাড়ানো হয়েছে। বুলবুল ভাই আমাকে বললেন- আপনি মেসে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসেন, আপনার সাথে কথা আছে। তার কথা মতো এসে মাগরিবের নামাজ আদায় করি একসাথে।
নামাজ শেষে তাঁর অফিস রুমে ফিরে আসি, কিছুক্ষণ পরে একজন মহিলা তার মেয়েকে নিয়ে আসেন কম্পিউটার শেখানোর জন্য। বুলবুল ভাই তাঁকে কম্পিউটার শিখাচ্ছিলেন আর আমি টেলিভিশনে সংবাদ দেখছিলাম। তার কিছুক্ষণ পরে এসে উপস্থিত হলেন মাসুদ ভাই। এশার আজান হলো, বুলবুল ভাই আমাকে বললেন, মামুন ভাই থাকেন এশার নামাজ আমরা এখানেই জামাত করবো। তাঁর কথা মতো আমরা বসে আছি আর সারা দেশের অবরোধের চিত্র দেখছি। আপামর জনসাধারণ খুনী শেখ হাসিনার সকল অন্যায় কর্মকাণ্ড ও জুলুম নির্যাতনের প্রতিবাদে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে অবরোধ কর্মসূচী পালন করছে। সময় তখন ৭টা ৩০ মিনিট। সারা দেশে ১৫ জন নিহতের সংবাদ শুনে বুলবুল ভাই আমাকে বললেন, মামুন
ভাই, আর কতো রক্ত দিলে এই জালেম সরকার ক্ষমতা থেকে নামবে, আর কতো জীবন দিতে হবে। আমি
বললাম- আল্লাহই ভালো জানেন।
এ কথা বলতে না বলতে, জানালা দিয়ে দেখতে গেলাম দুজন লোক আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। দুজনেরই টুপি দিয়ে মাথা ও মুখ ঢাকা ছিলো। চেনা যাচ্ছিল না। তাদের একজন দাঁড়িয়ে গেল আর একজন জানালার পাশ দিয়ে চলে গেল। এরপর আমরা দুইজনই মুখ ফিরিয়ে নিই। আর তখনই হলো এক বিকট আওয়াজ। বিকট আওয়াজে লাফিয়ে উঠি আমি। সাথে সাথে চিৎকার করতে করতে বেরিয়ে গেলাম। দেখলাম বুলবুল ভাই বসা অবস্থা থেকে আস্তে আস্তে হেলে পড়ছেন। আমি ধারনা করেছিলাম তারা হয়তো জানালার পাশে বোমা নিক্ষেপ করেছে যার ফলে তাঁর কানে তালা লেগে গেছে।
আমি বেরিয়েই দেখি সন্ত্রাসীরা মটর সাইকেলে উঠে চলে যাচ্ছে। আমি আবার ফিরে এলাম বুলবুল ভাইয়ের কাছে। এসে দেখি মাসুদ ভাই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। বুলবুল ভাইয়ের মাথা থেকে ফিনকি দিয়ে রক্তের ঝর্ণাধারা বয়ে চলেছে। দ্রুত দু'জনে হাত হাতে ধরে বের করে নিয়ে এলাম, আমাদের চিৎকার শুনে বাড়ির ভেতর থেকে তার মা-বোনসহ আশপাশের সকলে বাসা-বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসলেন। সকলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তার অফিসের ভেতর আর সামনের পীচঢালা কালোপথ শহীদ বুলবুলের রক্তে লাল হয়ে গেল।"
আপনজনদের কথা
শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুলের মা বলেন- আমি আমার কলিজার টুকরা সন্তান আবদুল হাই সিদ্দিকী বুলবুলের শাহাদাতের খবর শুনে প্রথমে মানবিক দুর্বলতার কারণে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি। কিন্তু পরক্ষণেই চোখের পানি মুহে আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করি এই ভেবে যে, আমার ছেলেতো শহীদ হয়েছে। আমি তো শহীদের জননী। শহীদের মর্যাদা আল্লাহর নিকট অনেক বেশি। তাছাড়া আমি তো তাকে ইসলামী আন্দোলনের এ পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করেছি। যে আন্দোলনের সর্বোচ্চ ত্যাগ হচ্ছে শহীদ। আর তাই শহীদের মা হয়ে আমি গর্ববোধ করছি। পরিবারের ভাই-বোনদের মধ্যে সে ছিলো সবার পছন্দের। তার ছিলো কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করার অপূর্ব ক্ষমতা। যার কারণে পরিবারে ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবার নিকটে সে প্রিয় ছিল। সে সারাক্ষণ আমার খোঁজ-খবর রাখতো। আমি অসুস্থ হলে কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, কখন ঔষধ খেতে হবে, কখন কী প্রয়োজন সমস্ত বিষয়ে সে খোঁজ-খবর রাখতো। সে কখনও বিলাসিতা পছন্দ করতো না। ৫/৬ বছর বয়স থেকেই রোজা রাখতো এবং ৭ বছর বয়স থেকে নিয়মিত জামায়াতে নামাজ আদায় করতো।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুলের শাহাদাতের বিষয়ে গণমাধ্যমে নিম্মোক্ত খবর প্রচারিত হয়-যশোর সংবাদদাতা: যশোর উপশহর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হাই সিদ্দিকী বুলবুলকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করেছে। বুধবার দিনব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন শেষে ৭নং সেক্টরের বাসায় অবস্থান করছিলেন বুলবুল। সন্ধ্যা ৭টার দিকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তিনটি মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে পালিয়ে যায়। দ্রুত সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে জনপ্রিয় নেতাকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন যশোর জেলা জামায়াতের আমীয় অধ্যাপক আবদুর রশীদ, সেক্রেটারি মাস্টার নূরুন্নবী, শহর জামায়াত আমীর অধ্যাপক গোলাম রসুল ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ শামসুজ্জামান।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার যশোর জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে ১৮ দলীয় জোট।
এক নজরে শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল
নাম: আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল
পিতার নাম: মরহুম আলহাজ্ব ডা: ওয়াজেদ আলী
মাতার নাম: রাজিয়া সুলতানা
জন্ম তারিখ: ১৫ই আগস্ট ১৯৮৪
ভাই-বোন ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
সাংগঠনিক মান: শিবিরের সদস্য ছিলেন এবং সর্বশেষ জামায়াতের রুকন।
সর্বশেষ দায়িত্ব: উপশহর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী
শিক্ষা জীবন: মেরিন ইঞ্জিনিয়ার
পারিবারিক জীবন: অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা: যশোর সদর নিউমার্কেট, উপশহর ইউনিয়ন ৭নং সেক্টর
যাদের আঘাতে শহীদ: আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ
আঘাতের ধরণ: মাথায় গুলি
শাহাদাতের তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০১৩, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍