শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার, ১৯৯১ সালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার কালাইয়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি এক সহজ-সরল ও পরিশ্রমী তরুণ, সংসারের অভাব সত্ত্বেও টিউশনি করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ন্যায়, ঈমান ও নীতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাকে সমাজে করে তুলেছিল সবার আস্থাভাজন। ২০১৩ সালে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির প্রতিবাদে তিনি চার কিলোমিটার হেঁটে শান্তিপূর্ণ মিছিলে যোগ দেন। মধ্যরাতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়ে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও সাহসের অমর প্রতীক হয়ে ওঠেন। তাঁর শাহাদাত আজও পরিবার-স্বজন ও স্থানীয় মানুষদের হৃদয়ে আলো জ্বালিয়ে রাখে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
পিরোজপুর-১
শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার ১৯৯১ সালে জিয়ানগর থানার কালাইয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ৬ সন্তানে মধ্যে তিনি ৪র্থ। দরিদ্র পিতা-মাতার স্বপ্ন ছিল সন্তানদের পড়ালেখা করিয়ে মানুষের মত মানুষ করবেন। সংসারে অভাবের কারণে তিনি টিউশনি করে পিতার হাতে টাকা তুলে দিতেন ছোট ভাই বোনদের পড়াশুনার খরচের জন্য।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসীর রায় কার্যকরের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করে জামায়াত। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়ানগর থানার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। শহীদ শুক্কর আলী ৪ কিমি পায়ে হেটে মিছিলে যোগ দেন। রাত ১২ টায় শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলের উপর পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে, ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ শুকুর আলী হাওলার সহজ সরল জীবনযাপন করতেন। শাহাদাতের আগে বলতেন শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। ঘটনার দিন রাতে এশার নামাজ পড়ে ৪ কিমি পায়ে হেটে তিনি ঘটনাস্থানে পৌঁছে যান।
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ
ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী সরকার দেশের তৌহিদী জনতার উপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতে থাকে। ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সাক্ষী জালিয়াতীর মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী জামায়াতের কেন্দ্রীয় এ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসীর রায় দেয় এবং ১২.১২.২০১৩ তারিখ রাত ১০ টা ১ মিনিটে অবৈধভাবে ফাঁসী কার্যকর করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। বিক্ষুদ্ধ জনতা রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করে জামায়াত। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়ানগর থানার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। রাত ১২ টায় শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলের উপর পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার। শাহাদাতের পর তার লাশ নিজ বাড়ী কালাইয়া গ্রামে আনা হয়। ১৩.১২.২০১৩ তারিখ বেলা ১১ টায়ায় নামাজে যানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আরো ৬ জন।
শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের পিতা-মাতা: আমার সন্তান দীনের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছে, আল্লাহ তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন, আমীন।
শহীদের স্ত্রী: শহীদের স্ত্রী হিসেবে আমি গর্বিত। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ভাই- বোনের বিবরণ
⇒ মিনু বেগম, ২৮ বছর, গৃহিণী
⇒ রিনা বেগম, ২৬ বছর, গৃহিণী
⇒ রাখি বেগম, ২৩ বছর, গৃহিণী
⇒ মোঃ শুকুর আলী, ২২ বছর, শহীদ
⇒ মোঃ সুমন, ২০ বছর, সাবেক ছাত্র
⇒ মোসাঃ পাখি আক্তার, ১৭ বছর, ছাত্রী
এক নজরে শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
শহীদের নাম: মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
পিতার নাম: মোঃ ছিদ্দিক হাওলাদার
মাতার নাম: রোকেয়া বেগম
স্ত্রীর নাম: রেশমা আকতার, ১৮ বছর, গৃহিণী
জন্য তারিখ: ১০.০৬.১৯৯১
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কালাইয়া, ডাকঘর: ইন্দুরকানী
আহত হওয়ার তারিখ :১৩.১২.২০১৩
থানা- জিয়ানগর, জেলা- পিরোজপুর
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থ্য:: গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৩.১২.২০১৩, রাত ১২ টা
পিরোজপুর-১
শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার ১৯৯১ সালে জিয়ানগর থানার কালাইয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ৬ সন্তানে মধ্যে তিনি ৪র্থ। দরিদ্র পিতা-মাতার স্বপ্ন ছিল সন্তানদের পড়ালেখা করিয়ে মানুষের মত মানুষ করবেন। সংসারে অভাবের কারণে তিনি টিউশনি করে পিতার হাতে টাকা তুলে দিতেন ছোট ভাই বোনদের পড়াশুনার খরচের জন্য।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসীর রায় কার্যকরের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করে জামায়াত। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়ানগর থানার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। শহীদ শুক্কর আলী ৪ কিমি পায়ে হেটে মিছিলে যোগ দেন। রাত ১২ টায় শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলের উপর পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে, ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ শুকুর আলী হাওলার সহজ সরল জীবনযাপন করতেন। শাহাদাতের আগে বলতেন শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। ঘটনার দিন রাতে এশার নামাজ পড়ে ৪ কিমি পায়ে হেটে তিনি ঘটনাস্থানে পৌঁছে যান।
সামগ্রীক ঘটনার বিবরণ
ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী সরকার দেশের তৌহিদী জনতার উপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাতে থাকে। ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে। সাক্ষী জালিয়াতীর মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী জামায়াতের কেন্দ্রীয় এ্যাসিস্টান্ট সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসীর রায় দেয় এবং ১২.১২.২০১৩ তারিখ রাত ১০ টা ১ মিনিটে অবৈধভাবে ফাঁসী কার্যকর করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। বিক্ষুদ্ধ জনতা রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানাতে থাকে। দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করে জামায়াত। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়ানগর থানার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। রাত ১২ টায় শান্তিপূর্ণ এই প্রতিবাদ মিছিলের উপর পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। ফলে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলদার। শাহাদাতের পর তার লাশ নিজ বাড়ী কালাইয়া গ্রামে আনা হয়। ১৩.১২.২০১৩ তারিখ বেলা ১১ টায়ায় নামাজে যানাযা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আরো ৬ জন।
শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের পিতা-মাতা: আমার সন্তান দীনের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছে, আল্লাহ তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন, আমীন।
শহীদের স্ত্রী: শহীদের স্ত্রী হিসেবে আমি গর্বিত। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ভাই- বোনের বিবরণ
⇒ মিনু বেগম, ২৮ বছর, গৃহিণী
⇒ রিনা বেগম, ২৬ বছর, গৃহিণী
⇒ রাখি বেগম, ২৩ বছর, গৃহিণী
⇒ মোঃ শুকুর আলী, ২২ বছর, শহীদ
⇒ মোঃ সুমন, ২০ বছর, সাবেক ছাত্র
⇒ মোসাঃ পাখি আক্তার, ১৭ বছর, ছাত্রী
এক নজরে শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
শহীদের নাম: মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার
পিতার নাম: মোঃ ছিদ্দিক হাওলাদার
মাতার নাম: রোকেয়া বেগম
স্ত্রীর নাম: রেশমা আকতার, ১৮ বছর, গৃহিণী
জন্য তারিখ: ১০.০৬.১৯৯১
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কালাইয়া, ডাকঘর: ইন্দুরকানী
আহত হওয়ার তারিখ :১৩.১২.২০১৩
থানা- জিয়ানগর, জেলা- পিরোজপুর
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থ্য:: গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৩.১২.২০১৩, রাত ১২ টা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍