শহীদ আব্দুর রহিম
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ আব্দুর রহিম
পিতার নাম: আব্দুল করিম, বয়স- ৫২ বছর, পেশা: দিনমজুর
মাতার নাম: রহিমা বেগম, বয়স- ৪২, পেশা- অন্যের বাড়িতে কাজ করেন
জন্ম তারিখ: ২ মার্চ ১৯৬১ ইং
ভাই বোন: এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বড়
স্থায়ী ঠিকানা: সারেয় বাজার (কাফির বাজার), পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫ ডিসেম্বর, সকাল ৮.৫০ টা, পাটগ্রামে পিকেটিং এর সময়
পিতার নাম: আব্দুল করিম, বয়স- ৫২ বছর, পেশা: দিনমজুর
মাতার নাম: রহিমা বেগম, বয়স- ৪২, পেশা- অন্যের বাড়িতে কাজ করেন
জন্ম তারিখ: ২ মার্চ ১৯৬১ ইং
ভাই বোন: এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বড়
স্থায়ী ঠিকানা: সারেয় বাজার (কাফির বাজার), পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫ ডিসেম্বর, সকাল ৮.৫০ টা, পাটগ্রামে পিকেটিং এর সময়
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ আব্দুর রহিম ১৯৯১ সালে ০২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এক ভাই ও এক বোনের সংসারে প্রথম সন্তান, দিনমজুর পিতা-মাতা কোন রকম সন্তানের মুখে দুটো খাবার তুলে দিতে ব্যস্ত থাকতেন। শহীদ আব্দুর রহিম পিতা মাতার কাছে থেকেই অনেক কষ্টে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। বাবা সামান্য দিন মজুর এবং গুরুতর অসুস্থ। আব্দুর রহিমকে কাজ করে পিতার চিকিৎসা, বোনের বিবাহ, বাবা-মা ও নিজের নিয়মিত পরিবারের খরচ বহন করতে হতো। সংসারের খরচ চালানোর জন্য তিনি বগুড়ায় ধান কাটার কাজ এবং ঢাকা ও নিজ এলাকায় রিক্সা চালানোর কাজ করতেন। কোন দিন যদি রিক্সা না চালাতে পারতেন তবে বাড়ির সকলকে না খেয়ে থাকতে হতো। এত কষ্টের মাঝেও বোনের বিয়ের পর বোনজামাইকে সহযোগিতা করতে না পারায় বোনকেও মাঝে মাঝে তার শশুড় বাড়ি থেকে বকা খেয়ে শহীদ আব্দুর রহিমের বাড়িতে থাকতে হয়।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান।
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূর। শহীদ আব্দুর রহিম জামায়াতের কর্মী ছিলেন এবং তার বাড়ির পার্শ্বে মেইন সড়কে নিয়মিত কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচি পালন করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় গত ১২.১২.১৩ তারিখে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার তথাকথিত অবৈধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক ফাঁসী কার্যকরের প্রতিবাদে ১৫.১২.১৩ তারিখে দেশব্যাপী হরতালের আহবান করে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি পালনের জন্য ১৫ ডিসেম্বর সকাল ৭ টায় খানা সভাপতি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাড়ির পার্শ্বে পাটগ্রাম পৌরসভার সরেয় বাজার রেল লাইনের পার্শ্বে হরতালের সমর্থনে মিছিল করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হওয়া মাত্রই পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীরা অপর দিক থেকে এসে নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে। একপর্যায়ে সকাল ৮.৩০ টায় থানা সভাপতি মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মনিরুল ইসলামকে পুলিশের হাত থেকে উদ্ধার করতে গেলে আব্দুর রহিমও গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আহত আব্দুর রহিমকে পুলিশ রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে জখম করে এবং লাথি দিয়ে বুক থেকে গলা পর্যন্ত খেতলে দেয়। এ অবস্থায় সকাল ৯ টায় তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। পুলিশ লাশ নিয়ে যায় এবং পাটগ্রাম উপজেলা হাসপাতালে পোস্টমর্টেমের পরে রাত ৮.৩০ টায় পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে। ১৬.১২.১৩ তারিখ সকাল ১১ টায় নামাজের জানাজার শেষে পাটগ্রাম পৌরসভার মোমিনপুর বাড়ির পাশে কবর স্থানে দাফন করা হয়। শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
আব্দুর রহিম শহীদ হওয়ার ৪ দিন আগে স্বপ্নে দেখেন পুলিশ তাকে গুলি করছে। শহীদ আব্দুর রহিম বাড়ির পাশে নিয়মিত আন্দোলন কর্মসূচী হওয়ায় নিয়মিত দায়িত্বশীলদের মেহমানদারী করতেন। বাড়ির পাশে নদী থাকায় সেখান থেকে মাছ ধরতেন আর তিনি সেই মাছ দিয়ে সংগঠনের ভাইদেরকে আপ্যায়ন করতেন। থানা সভাপতি শহীদ মনিরুল ইসলাম তাদের বাড়িতে গিয়ে শহীদ আব্দুর রহিমের মাকে মা বলেই ডাকতেন, এজন্য তিনি তাকে খুব ভালবাসতেন শহীদ মনিরুল গুলিবিদ্ধ হওয়ার সাথে সাথে সর্ব প্রথম শহীদ আব্দুর রহিম ছুটে যান এবং তিনিও শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
১২.১২.১৩ তারিখ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অবৈধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক দেয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রতিবাদে ১৫.১২.১৩ তারিখ দেশব্যাপী হরতালের আহবান করে জামায়াতে ইসলামী। শহীদ আব্দুর রহিম সকালে পান্তা ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে হরতালের কর্মসূচি পালন করতে যান। সকাল ৭ টায় খানা সভাপতি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাটগ্রাম পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সরেয় বাজারে রেল লাইনের পার্শ্বে হরতাল সমর্থনে মিছিল বের করেন। মিছিলের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সহ পুলিশ ও বিজিবি নির্বিচারে গুলি চালায়। এলাকাবাসী সমবেত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৮.৩০ টায় শহীদ মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলি তার বুকের বাম দিকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায় আর রক্ত ঝরতে থাকে। গুলিবিদ্ধ মনিরুল ইসলামকে তুলতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আব্দুর রহিম। এছাড়াও ১০/১৫ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গুরুতর আহত হন। অবশেষে জনগণের তীব্র প্রতিরোধের মুখে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত উপজেলা নিবাহী কর্মকতা রফিকুল ইসলাম ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং প্রশাসন ও আওয়ামীলীগকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। আপনজনদের কথা
পিতা। অভাবের সংসারে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবা আব্দুল করিম কিডনী ও হারনিয়ার অপারেশনের রুগী ও কানে কম শুনার কারণে কোন কিছু বলতে পারেন না এমনকি সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেন না, তিনি শুধু কান্নাকাটি করেন এবং ছেলের জন্য দোয়া চান।
মা: আমার ছেলে এলাকার মধ্যে সবচেয়ে ভাল ছেলে ছিল আর কয়েকদিন আগে সে তার ব্যবহৃত মোবাইল। বিক্রি করে আমাদের চিকিৎসা করিয়েছে।
যোন। আমি একমাত্র ভাইকে হারিয়েছি। আল্লাহ যেন আমার প্রিয় ভাইকে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।
এলাকাবাসি। এলাকার সকলের নিকট শহীদ আব্দুর রহিম সকলের খুব প্রিয় ছিল। সে সব সময় ভাল কথা বলত এবং সবার সাথে সুন্দর হাস্য উজ্জ্বল চেহারায় কথা বলত।
তিনি শহীদ হওয়ার পর এলাকাবাসী বাড়িতে এসে তার বাবা-মাকে ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেন। আব্দুর
রহিমের জন্য এলাকার সকলে শহীদি মর্যাদা এবং জান্নাত কামনায় দোয়া করেন।
শহীদের দায়িত্বশীল। আমরা আব্দুর রহিমকে হারিয়ে এই এলাকায় একজন ইসলামী আন্দোলনের অভিভাবককে হারালাম মহান আল্লাহ তাকে শহীদের উত্তম মর্যাদা দান করুন। তার শাহাদাতের মাধ্যমে ইসলামী আন্দালন আগামীতে লালমনিরহাটে আরো বেশী মজবুত হবে। আমরা এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের বিবরনঃ
শহীদ আব্দুর রহিম ভাই ছাত্র জীবনে পাটগ্রাম থানার শিবিরের কর্মী ছিলেন। বর্তমানে জামায়াতের কর্মী ছিলেন। সর্বশেষ তার বাড়ি থেকেই এঐ এলাকার আন্দোলন পরিচালিত হত এবং তাঁর মা সকলকে রান্না করে খাওয়াতেন
এক নজরে শহীদ আব্দুর রহিম
পুরো নাম: শহীদ আব্দুর রহিম
পিতার নাম: আব্দুল করিম, বয়স- ৫২ বছর, পেশা: দিনমজুর
মাতার নাম: রহিমা বেগম, বয়স- ৪২, পেশা- অন্যের বাড়িতে কাজ করেন
জন্ম তারিখ: ২ মার্চ ১৯৬১ ইং
ভাই বোন: এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বড়
স্থায়ী ঠিকানা: সারেয় বাজার (কাফির বাজার), পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫ ডিসেম্বর, সকাল ৮.৫০ টা, পাটগ্রামে পিকেটিং এর সময়
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান।
ঘটনা স্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূর। শহীদ আব্দুর রহিম জামায়াতের কর্মী ছিলেন এবং তার বাড়ির পার্শ্বে মেইন সড়কে নিয়মিত কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচি পালন করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় গত ১২.১২.১৩ তারিখে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার তথাকথিত অবৈধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক ফাঁসী কার্যকরের প্রতিবাদে ১৫.১২.১৩ তারিখে দেশব্যাপী হরতালের আহবান করে জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচি পালনের জন্য ১৫ ডিসেম্বর সকাল ৭ টায় খানা সভাপতি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বাড়ির পার্শ্বে পাটগ্রাম পৌরসভার সরেয় বাজার রেল লাইনের পার্শ্বে হরতালের সমর্থনে মিছিল করার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হওয়া মাত্রই পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসীরা অপর দিক থেকে এসে নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করে। একপর্যায়ে সকাল ৮.৩০ টায় থানা সভাপতি মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মনিরুল ইসলামকে পুলিশের হাত থেকে উদ্ধার করতে গেলে আব্দুর রহিমও গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আহত আব্দুর রহিমকে পুলিশ রাইফেল দিয়ে পিটিয়ে জখম করে এবং লাথি দিয়ে বুক থেকে গলা পর্যন্ত খেতলে দেয়। এ অবস্থায় সকাল ৯ টায় তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। পুলিশ লাশ নিয়ে যায় এবং পাটগ্রাম উপজেলা হাসপাতালে পোস্টমর্টেমের পরে রাত ৮.৩০ টায় পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে। ১৬.১২.১৩ তারিখ সকাল ১১ টায় নামাজের জানাজার শেষে পাটগ্রাম পৌরসভার মোমিনপুর বাড়ির পাশে কবর স্থানে দাফন করা হয়। শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
আব্দুর রহিম শহীদ হওয়ার ৪ দিন আগে স্বপ্নে দেখেন পুলিশ তাকে গুলি করছে। শহীদ আব্দুর রহিম বাড়ির পাশে নিয়মিত আন্দোলন কর্মসূচী হওয়ায় নিয়মিত দায়িত্বশীলদের মেহমানদারী করতেন। বাড়ির পাশে নদী থাকায় সেখান থেকে মাছ ধরতেন আর তিনি সেই মাছ দিয়ে সংগঠনের ভাইদেরকে আপ্যায়ন করতেন। থানা সভাপতি শহীদ মনিরুল ইসলাম তাদের বাড়িতে গিয়ে শহীদ আব্দুর রহিমের মাকে মা বলেই ডাকতেন, এজন্য তিনি তাকে খুব ভালবাসতেন শহীদ মনিরুল গুলিবিদ্ধ হওয়ার সাথে সাথে সর্ব প্রথম শহীদ আব্দুর রহিম ছুটে যান এবং তিনিও শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
১২.১২.১৩ তারিখ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে অবৈধ ট্রাইবুনাল কর্তৃক দেয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রতিবাদে ১৫.১২.১৩ তারিখ দেশব্যাপী হরতালের আহবান করে জামায়াতে ইসলামী। শহীদ আব্দুর রহিম সকালে পান্তা ভাত খেয়ে বাড়ি থেকে হরতালের কর্মসূচি পালন করতে যান। সকাল ৭ টায় খানা সভাপতি মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাটগ্রাম পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের সরেয় বাজারে রেল লাইনের পার্শ্বে হরতাল সমর্থনে মিছিল বের করেন। মিছিলের উপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সহ পুলিশ ও বিজিবি নির্বিচারে গুলি চালায়। এলাকাবাসী সমবেত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ৮.৩০ টায় শহীদ মনিরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলি তার বুকের বাম দিকে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায় আর রক্ত ঝরতে থাকে। গুলিবিদ্ধ মনিরুল ইসলামকে তুলতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন আব্দুর রহিম। এছাড়াও ১০/১৫ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গুরুতর আহত হন। অবশেষে জনগণের তীব্র প্রতিরোধের মুখে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত উপজেলা নিবাহী কর্মকতা রফিকুল ইসলাম ১৪৪ ধারা জারি করেন এবং প্রশাসন ও আওয়ামীলীগকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। আপনজনদের কথা
পিতা। অভাবের সংসারে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাবা আব্দুল করিম কিডনী ও হারনিয়ার অপারেশনের রুগী ও কানে কম শুনার কারণে কোন কিছু বলতে পারেন না এমনকি সোজা হয়ে দাঁড়াতেও পারেন না, তিনি শুধু কান্নাকাটি করেন এবং ছেলের জন্য দোয়া চান।
মা: আমার ছেলে এলাকার মধ্যে সবচেয়ে ভাল ছেলে ছিল আর কয়েকদিন আগে সে তার ব্যবহৃত মোবাইল। বিক্রি করে আমাদের চিকিৎসা করিয়েছে।
যোন। আমি একমাত্র ভাইকে হারিয়েছি। আল্লাহ যেন আমার প্রিয় ভাইকে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।
এলাকাবাসি। এলাকার সকলের নিকট শহীদ আব্দুর রহিম সকলের খুব প্রিয় ছিল। সে সব সময় ভাল কথা বলত এবং সবার সাথে সুন্দর হাস্য উজ্জ্বল চেহারায় কথা বলত।
তিনি শহীদ হওয়ার পর এলাকাবাসী বাড়িতে এসে তার বাবা-মাকে ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেন। আব্দুর
রহিমের জন্য এলাকার সকলে শহীদি মর্যাদা এবং জান্নাত কামনায় দোয়া করেন।
শহীদের দায়িত্বশীল। আমরা আব্দুর রহিমকে হারিয়ে এই এলাকায় একজন ইসলামী আন্দোলনের অভিভাবককে হারালাম মহান আল্লাহ তাকে শহীদের উত্তম মর্যাদা দান করুন। তার শাহাদাতের মাধ্যমে ইসলামী আন্দালন আগামীতে লালমনিরহাটে আরো বেশী মজবুত হবে। আমরা এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের বিবরনঃ
শহীদ আব্দুর রহিম ভাই ছাত্র জীবনে পাটগ্রাম থানার শিবিরের কর্মী ছিলেন। বর্তমানে জামায়াতের কর্মী ছিলেন। সর্বশেষ তার বাড়ি থেকেই এঐ এলাকার আন্দোলন পরিচালিত হত এবং তাঁর মা সকলকে রান্না করে খাওয়াতেন
এক নজরে শহীদ আব্দুর রহিম
পুরো নাম: শহীদ আব্দুর রহিম
পিতার নাম: আব্দুল করিম, বয়স- ৫২ বছর, পেশা: দিনমজুর
মাতার নাম: রহিমা বেগম, বয়স- ৪২, পেশা- অন্যের বাড়িতে কাজ করেন
জন্ম তারিখ: ২ মার্চ ১৯৬১ ইং
ভাই বোন: এক ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি বড়
স্থায়ী ঠিকানা: সারেয় বাজার (কাফির বাজার), পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫ ডিসেম্বর, সকাল ৮.৫০ টা, পাটগ্রামে পিকেটিং এর সময়