শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
পিতা: নূর আলম
মাতা: নাজমা বেগম
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬
ঠিকানা: আলী হোসেন মোল্লাবাড়ি, গ্রাম- উত্তর কাদির হানিফ, ইউনিয়ন- কাদির হানিফ, উপজেলা- সদর, জেলা- নোয়াখালী
সর্বশেষ পড়ালেখা: একাদশ, মাইজদি পাবলিক কলেজ
ভাই-বোনের সংখ্যা: তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: সাথী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
কিভাবে শহীদ হলেন: শহীদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজানো রায়ের প্রতিবাদে মাইজদীতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
পিতা: নূর আলম
মাতা: নাজমা বেগম
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬
ঠিকানা: আলী হোসেন মোল্লাবাড়ি, গ্রাম- উত্তর কাদির হানিফ, ইউনিয়ন- কাদির হানিফ, উপজেলা- সদর, জেলা- নোয়াখালী
সর্বশেষ পড়ালেখা: একাদশ, মাইজদি পাবলিক কলেজ
ভাই-বোনের সংখ্যা: তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: সাথী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
কিভাবে শহীদ হলেন: শহীদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজানো রায়ের প্রতিবাদে মাইজদীতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি থেকে পাড়ার মসজিদে যাওয়ার পথে রাস্তার দু’পাশে শুধুই ঘরবাড়ি। প্রতিদিন ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে তিনি সবাইকে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিতেন। তিনি কুরআন শরীফ পড়া শেখার জন্য একাধিক শিক্ষকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন, কেননা কুরআন পড়তে না জানার কারণে তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারেও শিবিরের সাথী শপথ গ্রহণ করতে পারেননি। শাহাদাতের আগে তিনি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিখে সাথী শপথ গ্রহণ করেছিলেন।
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬, শাহাদাতবরণ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
শহীদের পরিচিতি
শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের উত্তর কাদির হানিফ আলী হোসেন মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম: নূর আলম, মায়ের নাম: নাজমা বেগম। তিন ভাই দুই বোনের পরিবারে তিনি ছিলেন তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট। শহীদের দরিদ্র পিতা দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত মাইজদি শহরে ইট-বালুর ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। দরিদ্র পিতা সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করছিলেন। শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী স্থানীয় আল মদিনা একাডেমি থেকে এসএসসি পাস করে মাইজদি পাবলিক কলেজে ভর্তি হন। শাহাদাতবরণকালে তিনি এই কলেজেরই একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
৬ এপ্রিল ২০১৫। শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সাজানো রায়ের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র শিবিরের উদ্যোগে মাইজদি মফিজ প্লাজার সামনে থেকে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। বেলা ১১ টায় মিছিল শুরু হয়। মিছিল থেকে ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গুলিবর্ষণ শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী।
কেমন ছিলেন শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
ছোটবেলা থেকেই ওমর ফারুক চৌধুরী ছিলেন খুব সহজ-সরল। সে রকম মেধাবী না হলেও সংগঠনে যোগদান করার পর সব বিষয়ে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল অসাধারণ। সংগঠনের কর্মী হওয়ার পর তিনি সাথী শপথ গ্রহণের চেষ্টা চালাতে থাকেন। দু’বার তাকে সাক্ষাৎকারে পাঠানো হয়, দু’বারই তিনি শপথ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হন। এর কারণ ছিল তিনি কোরআন শরীফ পড়তে পারতেন না। এ ঘটনা তিনি দায়িত্বশীল শরীফ উল্লাহকে জানান এবং কোরআন শেখার একটা ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। শরীফ উল্লাহ একজন মুয়াজ্জিনকে ঠিক করে দেন ওমর ফারুক চৌধুরীকে কোরআন শেখানোর জন্য। বেশ কয়েকদিন ওই মুয়াজ্জিনের কাছে তিনি কোরআন শিখতে যান। একদিন একটু দেরী করে যাওয়ায় মুয়াজ্জিন এমনভাবে বকা দিয়েছেন যে, ওমর ফারুক চৌধুরী পরদিন থেকে ওখানে যাওয়া বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি তিনি দায়িত্বশীল শরীফ উল্লাহকে জানান এবং একজন বিকল্প ওস্তাদ ঠিক করে দিতে বলেন। শরীফ উল্লাহ একজন বিকল্প ওস্তাদ ঠিক করে দেন। ওই ওস্তাদের নিকট তিনি কুরআন শরীফ পড়তে শেখেন এবং পরে সাথী শপথ গ্রহণ করেন। তাঁর অদম্য প্রচেষ্টায় তিনি এগিয়ে চলছিলেন সামনের দিকে।
শহীদের বাড়ি থেকে পাড়ার মসজিদটি বেশ খানিকটা রাস্তা দূরে। এইটুকু রাস্তা অতিক্রম করার সময় পথের দু’পাশে শুধুই বাড়িঘর। শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় এই সব ঘর বাড়িতে নারী পুরুষদের জাগিয়ে দিয়ে যেতেন নামাজ আদায় করার জন্য। জানাযা শেষে তাকে যখন বাড়ি থেকে একটু দূরের কবরস্থানে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তখন পথের দু’পাশে দাঁড়িয়ে নারীরা আহাজারি করে বলছিল, ‘আমাদেরকে এখন কে জাগিয়ে দিবে ঘুম থেকে।’
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
প্রহসনের বিচারের মধ্য দিয়ে জননেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় দেয়া হলে দেশব্যাপী জনগণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। এরই অংশ হিসেবে সেদিন মাইজদি শহরে ছাত্রদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। পুলিশ মিছিলে সরাসরি গুলিবর্ষণ করলে শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরীসহ প্রায় দশজন গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে ওমর ফারুক শাহাদাতবরণ করেন।
আপনজনদের কথা
শহীদের সহজ সরল পিতা বলেন, ‘আমি আমার সবরকম প্রচেষ্টা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের মানুষ করার চেষ্টা করেছি। ওমর ফারুক আমার কলিজার টুকরা ছেলে। সে আমাদের ফজরের সময় ডেকে তুলতো, গোটা পাড়াটাকে সে জাগিয়ে দিতো। সবার কাছে সে প্রিয় ছিল। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই তাকে ভালবাসতো, মান্য করতো। আমি গর্বিত যে আমার ছেলে সত্যের জন্য, আল্লাহর জন্য নিজের জান কোরবান করেছে।
ভাই-বোনদের বিবরণ
১। নুরুলহুদা ফরহাদ- চিকিৎসক। ২। নুরুজ্জামান ফাহাদ- চাকরি। ৩। নুরুল নাহার মিতু- এস এস সি পরীক্ষার্থী। ৪। কামরুন নাহার শ্রাবণী- নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।
এক নজরে শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
নাম: শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
পিতা: নূর আলম
মাতা: নাজমা বেগম
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬
ঠিকানা: আলী হোসেন মোল্লাবাড়ি, গ্রাম- উত্তর কাদির হানিফ, ইউনিয়ন- কাদির হানিফ, উপজেলা- সদর, জেলা- নোয়াখালী
সর্বশেষ পড়ালেখা: একাদশ, মাইজদি পাবলিক কলেজ
ভাই-বোনের সংখ্যা: তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: সাথী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
কিভাবে শহীদ হলেন: শহীদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজানো রায়ের প্রতিবাদে মাইজদীতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬, শাহাদাতবরণ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
শহীদের পরিচিতি
শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের উত্তর কাদির হানিফ আলী হোসেন মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম: নূর আলম, মায়ের নাম: নাজমা বেগম। তিন ভাই দুই বোনের পরিবারে তিনি ছিলেন তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট। শহীদের দরিদ্র পিতা দীর্ঘ ৩০ বছর যাবত মাইজদি শহরে ইট-বালুর ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। দরিদ্র পিতা সন্তানদের লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ বানানোর চেষ্টা করছিলেন। শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী স্থানীয় আল মদিনা একাডেমি থেকে এসএসসি পাস করে মাইজদি পাবলিক কলেজে ভর্তি হন। শাহাদাতবরণকালে তিনি এই কলেজেরই একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
৬ এপ্রিল ২০১৫। শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের সাজানো রায়ের বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র শিবিরের উদ্যোগে মাইজদি মফিজ প্লাজার সামনে থেকে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। বেলা ১১ টায় মিছিল শুরু হয়। মিছিল থেকে ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ গুলিবর্ষণ শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী।
কেমন ছিলেন শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
ছোটবেলা থেকেই ওমর ফারুক চৌধুরী ছিলেন খুব সহজ-সরল। সে রকম মেধাবী না হলেও সংগঠনে যোগদান করার পর সব বিষয়ে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল অসাধারণ। সংগঠনের কর্মী হওয়ার পর তিনি সাথী শপথ গ্রহণের চেষ্টা চালাতে থাকেন। দু’বার তাকে সাক্ষাৎকারে পাঠানো হয়, দু’বারই তিনি শপথ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হন। এর কারণ ছিল তিনি কোরআন শরীফ পড়তে পারতেন না। এ ঘটনা তিনি দায়িত্বশীল শরীফ উল্লাহকে জানান এবং কোরআন শেখার একটা ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। শরীফ উল্লাহ একজন মুয়াজ্জিনকে ঠিক করে দেন ওমর ফারুক চৌধুরীকে কোরআন শেখানোর জন্য। বেশ কয়েকদিন ওই মুয়াজ্জিনের কাছে তিনি কোরআন শিখতে যান। একদিন একটু দেরী করে যাওয়ায় মুয়াজ্জিন এমনভাবে বকা দিয়েছেন যে, ওমর ফারুক চৌধুরী পরদিন থেকে ওখানে যাওয়া বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি তিনি দায়িত্বশীল শরীফ উল্লাহকে জানান এবং একজন বিকল্প ওস্তাদ ঠিক করে দিতে বলেন। শরীফ উল্লাহ একজন বিকল্প ওস্তাদ ঠিক করে দেন। ওই ওস্তাদের নিকট তিনি কুরআন শরীফ পড়তে শেখেন এবং পরে সাথী শপথ গ্রহণ করেন। তাঁর অদম্য প্রচেষ্টায় তিনি এগিয়ে চলছিলেন সামনের দিকে।
শহীদের বাড়ি থেকে পাড়ার মসজিদটি বেশ খানিকটা রাস্তা দূরে। এইটুকু রাস্তা অতিক্রম করার সময় পথের দু’পাশে শুধুই বাড়িঘর। শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় এই সব ঘর বাড়িতে নারী পুরুষদের জাগিয়ে দিয়ে যেতেন নামাজ আদায় করার জন্য। জানাযা শেষে তাকে যখন বাড়ি থেকে একটু দূরের কবরস্থানে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তখন পথের দু’পাশে দাঁড়িয়ে নারীরা আহাজারি করে বলছিল, ‘আমাদেরকে এখন কে জাগিয়ে দিবে ঘুম থেকে।’
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
প্রহসনের বিচারের মধ্য দিয়ে জননেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় দেয়া হলে দেশব্যাপী জনগণ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। এরই অংশ হিসেবে সেদিন মাইজদি শহরে ছাত্রদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। পুলিশ মিছিলে সরাসরি গুলিবর্ষণ করলে শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরীসহ প্রায় দশজন গুলিবিদ্ধ হয়। এদের মধ্যে ওমর ফারুক শাহাদাতবরণ করেন।
আপনজনদের কথা
শহীদের সহজ সরল পিতা বলেন, ‘আমি আমার সবরকম প্রচেষ্টা দিয়ে ছেলে-মেয়েদের মানুষ করার চেষ্টা করেছি। ওমর ফারুক আমার কলিজার টুকরা ছেলে। সে আমাদের ফজরের সময় ডেকে তুলতো, গোটা পাড়াটাকে সে জাগিয়ে দিতো। সবার কাছে সে প্রিয় ছিল। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই তাকে ভালবাসতো, মান্য করতো। আমি গর্বিত যে আমার ছেলে সত্যের জন্য, আল্লাহর জন্য নিজের জান কোরবান করেছে।
ভাই-বোনদের বিবরণ
১। নুরুলহুদা ফরহাদ- চিকিৎসক। ২। নুরুজ্জামান ফাহাদ- চাকরি। ৩। নুরুল নাহার মিতু- এস এস সি পরীক্ষার্থী। ৪। কামরুন নাহার শ্রাবণী- নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত।
এক নজরে শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
নাম: শহীদ ওমর ফারুক চৌধুরী
পিতা: নূর আলম
মাতা: নাজমা বেগম
জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৯৬
ঠিকানা: আলী হোসেন মোল্লাবাড়ি, গ্রাম- উত্তর কাদির হানিফ, ইউনিয়ন- কাদির হানিফ, উপজেলা- সদর, জেলা- নোয়াখালী
সর্বশেষ পড়ালেখা: একাদশ, মাইজদি পাবলিক কলেজ
ভাই-বোনের সংখ্যা: তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়, ভাইদের মধ্যে সবার ছোট
সাংগঠনিক মান: সাথী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
কিভাবে শহীদ হলেন: শহীদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে সাজানো রায়ের প্রতিবাদে মাইজদীতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০১৫
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍