শহীদ মুনসুর আলী গাজী
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো: মুনসুর আলী গাজী
পেশা: ভ্যানচালক, দিনমজুরি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ সাল; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ৪৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: পশ্চিমপাড়া গাজীবাড়ি, গ্রাম: কাটেংগা, ডাকঘর: কাটেংগা, ইউনিয়ন: ধামালিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা।
পিতা: মৃত: খান জাহান আলী গাজী (ইন্তেকাল: ১৯৮৫ সাল)
মাতা: মৃত: সখিনা বেগম (ইন্তেকাল: ১৯৯১ সাল)
পরিবারের অবস্থা: জীর্ণ শীর্ণ ১টি মাটির ঘর, তেমন কোনো আবাদি জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তান: স্ত্রী: রেহেনা বেগম (৪০), গৃহিণী। মেয়ে: ডলি খাতুন (বিবাহিত), দুলি খাতুন (৮ম শ্রেণী), ও মীম।
ভাই-বোন: বোন: সাবিনা বেগম (৬০), ছায়রা বেগম (৫৫), জরিনা বেগম (৩৫), সুফিয়া বেগম (৩০)। (মুনসুর আলী গাজী ছিলেন একমাত্র ভাই)।
শাহাদাতের তারিখ: ১১ই এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৭টায়।
স্থান: চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ডুমুরিয়া।
দাফন: এলাকার বড় কবরস্থানে।
পেশা: ভ্যানচালক, দিনমজুরি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ সাল; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ৪৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: পশ্চিমপাড়া গাজীবাড়ি, গ্রাম: কাটেংগা, ডাকঘর: কাটেংগা, ইউনিয়ন: ধামালিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা।
পিতা: মৃত: খান জাহান আলী গাজী (ইন্তেকাল: ১৯৮৫ সাল)
মাতা: মৃত: সখিনা বেগম (ইন্তেকাল: ১৯৯১ সাল)
পরিবারের অবস্থা: জীর্ণ শীর্ণ ১টি মাটির ঘর, তেমন কোনো আবাদি জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তান: স্ত্রী: রেহেনা বেগম (৪০), গৃহিণী। মেয়ে: ডলি খাতুন (বিবাহিত), দুলি খাতুন (৮ম শ্রেণী), ও মীম।
ভাই-বোন: বোন: সাবিনা বেগম (৬০), ছায়রা বেগম (৫৫), জরিনা বেগম (৩৫), সুফিয়া বেগম (৩০)। (মুনসুর আলী গাজী ছিলেন একমাত্র ভাই)।
শাহাদাতের তারিখ: ১১ই এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৭টায়।
স্থান: চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ডুমুরিয়া।
দাফন: এলাকার বড় কবরস্থানে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মুনসুর আলী গাজী খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার কাটেংগা গ্রামে ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম খান জাহান আলী গাজী ও মাতা মরহুমা মোছা: সখিনা বেগমের ৫ ছেলে-মেয়ের মধ্যে একমাত্র আদরের ছেলে ছিলেন মুনসুর আলী গাজী। আর্থিক অনটনের কারণে বেশি লেখা-পড়া করতে পারেননি। তিনি নিয়মিত জামায়াতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করতেন। কাউকে কষ্ট দিতেন না বরং সবার কাছে পরোপকারী বন্ধু হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
১১ই এপ্রিল ২০১৩, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিকে অন্যায়ভাবে রিমান্ড ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। হরতালের সমর্থনে শিবিরের মিছিল ও পকেটিংয়ে যোগ দেন মুনসুর আলী গাজী। সকাল ৭টায় ডুমুরিয়া থানার চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। শহীদ হওয়ার তামান্না নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণকারী মুনসুর আলী গাজী এ সময় বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
ঘটনার দিন সকালে হরতালের সমর্থনে মিছিল করার সময় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় এবং পুলিশ নির্মমভাবে গুলি চালায়। মুনসুর আলী গাজী বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন। পরে পুলিশ লাশ নিয়ে যশোরের সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম করে। স্থানীয় জনসাধারণকে পুলিশ জানাজায় অংশগ্রহণে বাধা দেয়। দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় এই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এমনকি পুলিশ নিহত মুনসুর আলী গাজীকে প্রধান আসামি করে এক হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
আপনজনদের কথা
বড় বোন: "আমার ভাই খুব ভাল ছিল। আমাদের সব সময় ভাল উপদেশ দিতো।"
স্ত্রী: "আমার স্বামী কখনো কোন খারাপ কাজে জড়িত হতো না। আমাকে ও মেয়েদের সব সময় নামাজ পড়া ও ভাল পথে চলার উপদেশ দিতো।"
প্রতিবেশীরা: "মুনসুর সব সময় মানুষের বিপদে-আপদে ছুটে যেত। সবার সাথে ভাল ব্যবহার করতো। খুব পরোপকারী ছিল।"
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: মুনসুর আলী গাজী
পেশা: ভ্যানচালক, দিনমজুরি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ সাল; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ৪৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: পশ্চিমপাড়া গাজীবাড়ি, গ্রাম: কাটেংগা, ডাকঘর: কাটেংগা, ইউনিয়ন: ধামালিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা।
পিতা: মৃত: খান জাহান আলী গাজী (ইন্তেকাল: ১৯৮৫ সাল)
মাতা: মৃত: সখিনা বেগম (ইন্তেকাল: ১৯৯১ সাল)
পরিবারের অবস্থা: জীর্ণ শীর্ণ ১টি মাটির ঘর, তেমন কোনো আবাদি জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তান: স্ত্রী: রেহেনা বেগম (৪০), গৃহিণী। মেয়ে: ডলি খাতুন (বিবাহিত), দুলি খাতুন (৮ম শ্রেণী), ও মীম।
ভাই-বোন: বোন: সাবিনা বেগম (৬০), ছায়রা বেগম (৫৫), জরিনা বেগম (৩৫), সুফিয়া বেগম (৩০)। (মুনসুর আলী গাজী ছিলেন একমাত্র ভাই)।
শাহাদাতের তারিখ: ১১ই এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৭টায়।
স্থান: চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ডুমুরিয়া।
দাফন: এলাকার বড় কবরস্থানে।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
১১ই এপ্রিল ২০১৩, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতিকে অন্যায়ভাবে রিমান্ড ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সারাদেশে হরতাল পালিত হয়। হরতালের সমর্থনে শিবিরের মিছিল ও পকেটিংয়ে যোগ দেন মুনসুর আলী গাজী। সকাল ৭টায় ডুমুরিয়া থানার চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। শহীদ হওয়ার তামান্না নিয়ে মিছিলে অংশগ্রহণকারী মুনসুর আলী গাজী এ সময় বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
ঘটনার দিন সকালে হরতালের সমর্থনে মিছিল করার সময় পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় এবং পুলিশ নির্মমভাবে গুলি চালায়। মুনসুর আলী গাজী বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন। পরে পুলিশ লাশ নিয়ে যশোরের সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম করে। স্থানীয় জনসাধারণকে পুলিশ জানাজায় অংশগ্রহণে বাধা দেয়। দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় এই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এমনকি পুলিশ নিহত মুনসুর আলী গাজীকে প্রধান আসামি করে এক হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
আপনজনদের কথা
বড় বোন: "আমার ভাই খুব ভাল ছিল। আমাদের সব সময় ভাল উপদেশ দিতো।"
স্ত্রী: "আমার স্বামী কখনো কোন খারাপ কাজে জড়িত হতো না। আমাকে ও মেয়েদের সব সময় নামাজ পড়া ও ভাল পথে চলার উপদেশ দিতো।"
প্রতিবেশীরা: "মুনসুর সব সময় মানুষের বিপদে-আপদে ছুটে যেত। সবার সাথে ভাল ব্যবহার করতো। খুব পরোপকারী ছিল।"
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: মুনসুর আলী গাজী
পেশা: ভ্যানচালক, দিনমজুরি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ সাল; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ৪৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: পশ্চিমপাড়া গাজীবাড়ি, গ্রাম: কাটেংগা, ডাকঘর: কাটেংগা, ইউনিয়ন: ধামালিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা।
পিতা: মৃত: খান জাহান আলী গাজী (ইন্তেকাল: ১৯৮৫ সাল)
মাতা: মৃত: সখিনা বেগম (ইন্তেকাল: ১৯৯১ সাল)
পরিবারের অবস্থা: জীর্ণ শীর্ণ ১টি মাটির ঘর, তেমন কোনো আবাদি জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন।
স্ত্রী ও সন্তান: স্ত্রী: রেহেনা বেগম (৪০), গৃহিণী। মেয়ে: ডলি খাতুন (বিবাহিত), দুলি খাতুন (৮ম শ্রেণী), ও মীম।
ভাই-বোন: বোন: সাবিনা বেগম (৬০), ছায়রা বেগম (৫৫), জরিনা বেগম (৩৫), সুফিয়া বেগম (৩০)। (মুনসুর আলী গাজী ছিলেন একমাত্র ভাই)।
শাহাদাতের তারিখ: ১১ই এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৭টায়।
স্থান: চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ডুমুরিয়া।
দাফন: এলাকার বড় কবরস্থানে।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍