হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা)
শহীদ মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা)

শহীদ মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা)

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ মো: শামছুল আলম (১০৯)
পেশা: চাকরিজীবী
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৬৮ সালে, বয়স ৪৬ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ইং
শাহাদাতের তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মিনিট।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- তেলিয়াকান্দা, ডাকঘর- তেলিয়াকান্দা, থানা- দৌলতপুর, জেলা- কুষ্টিয়া।
পিতা: মৃত- মো: সোলেমান মন্ডল
মাতা: খুরজান নেছা, মৃত
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশের ছালার বেড়া এবং উপরের টিনের ছাউনি। উপার্জনের কোন ব্যবস্থা নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: ফেরদৌসী। মেয়ে: আলেয়া খাতুন (বিবাহিত), ছাবিনা খাতুন (বিবাহিত), রাবেয়া খাতুন (বিবাহিত), আসমা খাতুন (বিবাহিত)। ছেলে: আবু সাইদ (৩য় শ্রেণীতে অধ্যয়ন করতো, এখন হাফেজি পড়ে)।
ভাই-বোনের বিবরণ: হায়দার মন্ডল (ব্যবসা), জসিম উদ্দিন (কৃষি), বেল্লুহা খাতুন (বিবাহিত, গৃহিণী), ছামেদা (বিবাহিত, গৃহিণী), হাওয়া (বিবাহিত, গৃহিণী)।
দাফন: বাড়ির মসজিদের পাশের কবরস্থানে।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা) কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার তেলিয়াকান্দা গ্রামে ১৯৬৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। দরিদ্র পিতা মরহুম মো: সোলেমান মন্ডল ও মাতা খুরজান নেছার পাঁচ সন্তানের একজন। পরিবারে তেমন পড়া-লেখা করতে পারেননি। কোন রকম এসএসসি পাস করেন। পিতা-মাতা অনেক আগেই মৃত্যুবরণ করেন। কর্মজীবনে তেমন কিছু করতে পারেননি। প্রায় ৯ বছর আগে ঢাকায় অ্যাপেক্স কোম্পানির ফ্যাক্টরিতে হিসাবরক্ষকের চাকরি পান এবং শাহাদাতের সময় পর্যন্ত তিনি এখানে কর্মরত ছিলেন। তাঁর চাকরির বেতনের উপর সংসার নির্ভরশীল ছিল। পরিবারের বড় কোন সদস্য নেই সহযোগিতা করার। শাহাদাতকালে তিনি স্ত্রী ও পাঁচ সন্তান রেখে যান।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
ইসলাম রক্ষার জন্য এ দেশের আলেম-ওলামাদের আহ্বানে ঢাকা সমাবেশে যোগদান করলে আওয়ামী পুলিশ বাহিনীর গুলির আঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর শাহাদাত বরণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
দেশে নাস্তিক ব্লগারদের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে সারা দেশের মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ৫ মে ’১৩ তারিখ ঢাকার অবরোধ কর্মসূচিতে শামছুল আলমও অংশগ্রহণ করেন এবং ব্লগারদের শাস্তির দাবিতে ঢাকার সমাবেশে যোগদান করেন। ঘটনাস্থলে সরকারি পুলিশ বাহিনীর সম্মুখ গুলির শিকার হন এবং বুকে তিন-তিনটি গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। ৬ মে ’১৩ লাশ কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে পৌঁছে। সন্ধ্যার কাছাকাছি সময়ে তাঁকে বাড়ির মসজিদের পাশের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
৪. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদ শামছুল আলম খুবই ভাল মানুষ ছিলেন। আল্লাহর পথে শহীদ হওয়াতে আমরা গর্বিত। তবে তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি থাকায়, তাঁর শাহাদাতের কারণে পরিবার অর্থনৈতিকভাবে কষ্টে আছে।

৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: শামছুল আলম (১০৯)
পেশা: চাকরিজীবী
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৬৮ সালে, বয়স ৪৬ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ইং
শাহাদাতের তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মিনিট।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- তেলিয়াকান্দা, ডাকঘর- তেলিয়াকান্দা, থানা- দৌলতপুর, জেলা- কুষ্টিয়া।
পিতা: মৃত- মো: সোলেমান মন্ডল
মাতা: খুরজান নেছা, মৃত
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশের ছালার বেড়া এবং উপরের টিনের ছাউনি। উপার্জনের কোন ব্যবস্থা নেই।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: ফেরদৌসী। মেয়ে: আলেয়া খাতুন (বিবাহিত), ছাবিনা খাতুন (বিবাহিত), রাবেয়া খাতুন (বিবাহিত), আসমা খাতুন (বিবাহিত)। ছেলে: আবু সাইদ (৩য় শ্রেণীতে অধ্যয়ন করতো, এখন হাফেজি পড়ে)।
ভাই-বোনের বিবরণ: হায়দার মন্ডল (ব্যবসা), জসিম উদ্দিন (কৃষি), বেল্লুহা খাতুন (বিবাহিত, গৃহিণী), ছামেদা (বিবাহিত, গৃহিণী), হাওয়া (বিবাহিত, গৃহিণী)।
দাফন: বাড়ির মসজিদের পাশের কবরস্থানে।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍