হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ মো: সবুজ আহামেদ
শহীদ মো: সবুজ আহামেদ

শহীদ মো: সবুজ আহামেদ

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শহীদ মো: সবুজ আহামেদ (১২৭)
পেশা: দিনমজুর (পাশাপাশি দশম শ্রেণীর ছাত্র)
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৩.০৬.১৯৯৭; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ১৫ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, সকাল ৭টা।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩ সকাল ৭টা।
স্থান: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার হালসাতে।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: হালসা, ডাকঘর: হালসা বাজার, থানা: মিরপুর, জেলা: কুষ্টিয়া।
পিতা: মো: খবিরউদ্দিন আহামেদ, দিনমজুর।
মাতা: হাসিলা খাতুন, ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: ১টি মাত্র টিনের ছাউনির ঘরে বসবাস। বাড়িতে কোনো রান্না ঘর নেই, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল নেই, এমনকি পয়-নিষ্কাশনের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই। একমাত্র আয়ের উৎস দিনমজুরি ও কৃষিকাজ।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: হাসান আহামেদ (দিনমজুর), মো: সেলিম আহামেদ (বেকার)।
দাফন: পারিবারিক কবরস্থান।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

শহীদ মো: সবুজ আহামেদ কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানার হালসা গ্রামে ১৯৯৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো: খবিরউদ্দিন আহামেদ ও মাতা হাসিলা খাতুনের তিন ছেলের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। পরিবারের স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শিখে তিনি অনেক বড় হবেন এবং মা-বাবার সম্মান বৃদ্ধি করবেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র সবুজ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক কাজে তিনি সব সময় অগ্রগামী ছিলেন এবং স্থানীয় জনসাধারণ ও বন্ধুদের মাঝে দাওয়াতের কাজ করতেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ঘোষিত রায়কে কেন্দ্র করে ১৫ জুলাই ২০১৩ দেশব্যাপী হরতাল ছিল। কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার হালসাতে হরতালের সমর্থনে সড়ক অবরোধ ও পিকেটিং করায় স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতিতে হরতাল সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত অবস্থায় সবুজ আহামেদকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সকাল ৭টায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
১৫ জুলাই ২০১৩ ইং তারিখ সকালে কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা সড়কে গাছ কেটে অবরোধ ও পিকেটিং করার সময় পুলিশের উপস্থিতিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় সবুজ আহামেদ ও আল মুক্তি তরুণ (২২) নামে আরও একজন শিবিরকর্মী নিহত হন। সন্ত্রাসীদের নির্মম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এবং লাঠির পিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তারা মারাত্মক আহত হন। কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। পরের দিন জাতীয় দৈনিক সমূহে (যেমন: দৈনিক সংগ্রাম) এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশিত হয়।
৪. শহীদের আপনজনদের কথা
শহীদের পিতা: "সবুজ খুব বিনয়ী ছিল। দরিদ্র হওয়ায় অনেক সময় তরকারির অভাবে কাঁচা মরিচ-পেঁয়াজ দিয়ে ভাত খেয়েছে তবুও কোন অভিযোগ করেনি। সে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতো। আল্লাহ যেন তাকে শহীদ হিসাবে কবুল করেন।"
বন্ধুরা: "সে বিভিন্ন কাজে শিক্ষক ও সহপাঠীদের সহযোগিতা করতো। সে খুব ভাল ছিল।"

৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: সবুজ আহামেদ (১২৭)
পেশা: দিনমজুর (পাশাপাশি দশম শ্রেণীর ছাত্র)
জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৩.০৬.১৯৯৭; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ১৫ বছর।
আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, সকাল ৭টা।
শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩ সকাল ৭টা।
স্থান: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার হালসাতে।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: হালসা, ডাকঘর: হালসা বাজার, থানা: মিরপুর, জেলা: কুষ্টিয়া।
পিতা: মো: খবিরউদ্দিন আহামেদ, দিনমজুর।
মাতা: হাসিলা খাতুন, ৪৫ বছর, গৃহিণী।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: ১টি মাত্র টিনের ছাউনির ঘরে বসবাস। বাড়িতে কোনো রান্না ঘর নেই, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল নেই, এমনকি পয়-নিষ্কাশনের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই। একমাত্র আয়ের উৎস দিনমজুরি ও কৃষিকাজ।
ভাই-বোনের বিবরণ: মো: হাসান আহামেদ (দিনমজুর), মো: সেলিম আহামেদ (বেকার)।
দাফন: পারিবারিক কবরস্থান।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍