শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মেহেরপুরের দরিয়াপুর গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারের বড় সন্তান, যিনি অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরলেও ধর্মনিষ্ঠা ও পরোপকারের চর্চা কখনো ছাড়েননি। শৈশব থেকে গরু-ছাগল চরানো ও মাঠের কাজের ফাঁকেও তিনি সময়মতো নামাজ আদায় করতেন, আর বড় হয়ে সৌদি আরবে দশ বছরের প্রবাসজীবনে পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। দেশে ফিরে তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দারিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ান। ২০১৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে মিছিলে পুলিশের গুলিতে প্রথম সারিতে দাঁড়ানো এই মানুষটি শহীদ হন। পরিবার, প্রতিবেশী ও সহযোদ্ধারা আজও তাকে স্মরণ করেন এক ঈমানদার, পরিশ্রমী ও মানবিক চরিত্রের প্রতিচ্ছবি হিসেবে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
মেহেরপুর- ৩
দরিদ্র পরিবারের সন্তান শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়র হোসেন ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ছিলেন। মাত্র চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েই তিনি পরিবারের সাহায্যে লেগে যান। গরু চরাতেন, ছাগল চরাতেন, মাঠে চাষবাদের কাজ করতেন। সেই সময় থেকেই তিনি কখনো নামাজ কাজা করতেন না। সময় হলে মাঠেই তিনি নামাজ আদায় করে নিতেন।
জন্য: ১৯৭০, শাহাদাতবরণ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩
শহীদের পরিচিতি
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার দরিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দারিয়াপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। তাঁর পিতার নাম শামসুদ্দোহা, মায়ের নাম আমিরুন নেসা। চার ভাই দুই বোনের পরিবারে তিনি ছিলেন সবার বড়। তাঁর পিতা কৃষিকাজ করে কোনো মতে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরিবারে ছোট ছোট ভাই-বোন থাকায় তিনি লেখাপড়া ছেড়ে সংসারের কাজে পিতাকে সহযোগিতা করা শুরু করেন। সেই শৈশবেই তিনি ইসলামী আন্দোলনে যুক্ত হন। যুবক হওয়ার পর পিতামাতা অনেক আশা বুকে নিয়ে তাকে সৌদি আরব পাঠায়। একটানা দশ বছর তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করেন। এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরিবারে পিতামাতা ভাই-বোনদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে তুলে আনার জন্যই তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে যাপন করেন। দেশে ফিরে তিনি বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করেন। টয়লেট, গোসলখানা ইত্যাদি নির্মাণ করেন এবং বিয়ে করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, দেশে ফিরেও তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেতে থাকেন। শাহাদাতবরণকালে তিনি ছিলেন দারিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
সেদিন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি কেদারগঞ্জ থেকে একটু এগিয়ে গৌরী নগর মহিশনগর এসে পৌছালে, পুলিশ গুলিবর্ষণ শুরু করে। মুহুর্তেই অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়। শহীদ দেলোয়ার মিছিলের প্রথম কাতারে থাকায় তাঁর বুকেও এসে বিদ্ধ হয় বেশ কয়েকটি বুলেট। তাঁর সঙ্গীরা তাকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা চালান, কিন্তু ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাতবরণ করেন। ওইদিনই জানাজা শেষে তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কেমন ছিলেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
দরিদ্র পিতার সংসারে তিনি ছিলেন সোনার টুকরা সন্তান। ছোটবেলা থেকেই গরু চরানো, ছাগল চরানো, মাঠে চাষাবাদ করার কাজ করা, ঘাস কাটা, বাড়িতে মাকে সাহায্য করা ছিলো তাঁর নিত্যদিনের কাজ। কথানো কোন মানুষের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়নি। পরিবারে তিনি সব কাজের পাশাপাশি মায়ের সেবা করতেন। মাঠে যদি নামাজের সময় হয়ে যেতো সেখানেই তিনি নামাজ আদায় করে নিতেন। দেশে থাকতে তিনি যেমন পরোপকারী ছিলেন, বিদেশ যাওয়ার পর তাঁর মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। তিনি সব সময় দান খয়রাতের হাত প্রসারিত রাখতেন। দেশে আসার পরও বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়েছেন। বিশেষ করে আর্থিক সহযোগিতা তাঁর নিকট থেকে বহু মানুষই পেয়েছে। সেই ছোটবেলায় কিংবা বিদেশ থেকে আসার পরে সব সময়ই তিনি ঘরে থাকলে মায়ের অযুর পানি এনে দিতেন।
শহীদের আপন জনদের কথা
শহীদের মা আমিরুন নেসা বলেন, "আমার ছেলে ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো ছিলো। ওই সময় থেকেই সে জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করতো। নিয়মিত নামাজ পড়তো। আমাকে নামাজের সময় হলে অযুর পানি এনে দিয়ে বলতো মা, আগে নামাজ পড়ে নাও, কাজ পরে করো। আমার ছেলে জীবনে কোনোদিন কারো কোনো ক্ষতি করেছে বলে আজ পর্যন্ত কেউ বলেনি। আমার ছেলে ছিলো বুদ্ধিমান, খুবই বুদ্ধিমান। ওর মতো বুদ্ধিমান ছেলে আমি দেখিনি। দশ বছর বিদেশে কাটিয়ে ছেলে বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জামায়াতে ইসলামীর কাজ কর্মে জড়িয়ে যায়। ওকে আমি বলতাম, বাবা মিছিলে যাইয়ো না। গেলেও সামনের কাতারে থাইকো না, পেছনে থাইকো পাশে থাইকো। ছেলে বলতো, আমি সামনের কাতারেই থাকবো মা। ঠিকই আমার ছেলে মিছিলের সামনে কাতারে ছিলো।"
শহীদের ছোটভাই মনজুর আলম বলেন, "আমাদের গোষ্ঠীতে আমরা ২২/২৩ টা ভাই আছি সবার থেকে ভালো ছিলেন আমার ভাই দেলোয়ার। তিনি যেমন বুদ্ধিমান ছিলেন, তেমন সুন্দর ছিলো তাঁর আচার-ব্যবহার। পাড়া-প্রতিবেশী সবাইকে তিনি সাহায্য করতেন। সবাইকে ভালোর দিকে ডাকতেন।"
পারিবারিক অবস্থা
দরিদ্র পরিবারটির একটি আর্থিক ভিত্তি তৈরি করে রেখে গেছেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। ভাইয়েরা সবাই কাজ-কর্মের উপযুক্ত হওয়ায় মোটামুটিভাবে সংসার চলে যাচ্ছে। শহীদের পিতা কানে একেবারেই শুনতে পান না। শারীরিকভাবেও অসুস্থ।
ভাই-বোনের বিবরণ
১। দসতার- কৃষিকাজ
২। আখতারুল- কৃষিকাজ
৩। মনজুর আলম- কৃষিকাজ
৪। আবফাতুন- গৃহিণী
৫। আশরাফুন- গৃহিণী
এক নজরে শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
নাম: শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
পিতা: শামসুদ্দোহা
মাতা: আমিরুন নেসা
জন্ম: ১৯৭০
ঠিকানা: গ্রাম- দরিয়াপুর, থানা- মুজিবনগর, জেলা- মেহেরপুর
ভাই-বোনের সংখ্যা: চার ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড়
পেশা: প্রবাসী
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
দায়িত্ব: দরিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কিভাবে শহীদ হলেন: আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে একটি মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩
মেহেরপুর- ৩
দরিদ্র পরিবারের সন্তান শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়র হোসেন ছোটবেলা থেকেই পরিশ্রমী ছিলেন। মাত্র চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়েই তিনি পরিবারের সাহায্যে লেগে যান। গরু চরাতেন, ছাগল চরাতেন, মাঠে চাষবাদের কাজ করতেন। সেই সময় থেকেই তিনি কখনো নামাজ কাজা করতেন না। সময় হলে মাঠেই তিনি নামাজ আদায় করে নিতেন।
জন্য: ১৯৭০, শাহাদাতবরণ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩
শহীদের পরিচিতি
মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার দরিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দারিয়াপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। তাঁর পিতার নাম শামসুদ্দোহা, মায়ের নাম আমিরুন নেসা। চার ভাই দুই বোনের পরিবারে তিনি ছিলেন সবার বড়। তাঁর পিতা কৃষিকাজ করে কোনো মতে জীবিকা নির্বাহ করতেন। পরিবারে ছোট ছোট ভাই-বোন থাকায় তিনি লেখাপড়া ছেড়ে সংসারের কাজে পিতাকে সহযোগিতা করা শুরু করেন। সেই শৈশবেই তিনি ইসলামী আন্দোলনে যুক্ত হন। যুবক হওয়ার পর পিতামাতা অনেক আশা বুকে নিয়ে তাকে সৌদি আরব পাঠায়। একটানা দশ বছর তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করেন। এ সময় তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরিবারে পিতামাতা ভাই-বোনদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে তুলে আনার জন্যই তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে যাপন করেন। দেশে ফিরে তিনি বাড়িতে পাকা ভবন নির্মাণ করেন। টয়লেট, গোসলখানা ইত্যাদি নির্মাণ করেন এবং বিয়ে করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, দেশে ফিরেও তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেতে থাকেন। শাহাদাতবরণকালে তিনি ছিলেন দারিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
সেদিন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি কেদারগঞ্জ থেকে একটু এগিয়ে গৌরী নগর মহিশনগর এসে পৌছালে, পুলিশ গুলিবর্ষণ শুরু করে। মুহুর্তেই অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়। শহীদ দেলোয়ার মিছিলের প্রথম কাতারে থাকায় তাঁর বুকেও এসে বিদ্ধ হয় বেশ কয়েকটি বুলেট। তাঁর সঙ্গীরা তাকে হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা চালান, কিন্তু ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাতবরণ করেন। ওইদিনই জানাজা শেষে তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
কেমন ছিলেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
দরিদ্র পিতার সংসারে তিনি ছিলেন সোনার টুকরা সন্তান। ছোটবেলা থেকেই গরু চরানো, ছাগল চরানো, মাঠে চাষাবাদ করার কাজ করা, ঘাস কাটা, বাড়িতে মাকে সাহায্য করা ছিলো তাঁর নিত্যদিনের কাজ। কথানো কোন মানুষের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়নি। পরিবারে তিনি সব কাজের পাশাপাশি মায়ের সেবা করতেন। মাঠে যদি নামাজের সময় হয়ে যেতো সেখানেই তিনি নামাজ আদায় করে নিতেন। দেশে থাকতে তিনি যেমন পরোপকারী ছিলেন, বিদেশ যাওয়ার পর তাঁর মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। তিনি সব সময় দান খয়রাতের হাত প্রসারিত রাখতেন। দেশে আসার পরও বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা দিয়েছেন। বিশেষ করে আর্থিক সহযোগিতা তাঁর নিকট থেকে বহু মানুষই পেয়েছে। সেই ছোটবেলায় কিংবা বিদেশ থেকে আসার পরে সব সময়ই তিনি ঘরে থাকলে মায়ের অযুর পানি এনে দিতেন।
শহীদের আপন জনদের কথা
শহীদের মা আমিরুন নেসা বলেন, "আমার ছেলে ছোটবেলা থেকেই খুব ভালো ছিলো। ওই সময় থেকেই সে জামায়াতে ইসলামীকে পছন্দ করতো। নিয়মিত নামাজ পড়তো। আমাকে নামাজের সময় হলে অযুর পানি এনে দিয়ে বলতো মা, আগে নামাজ পড়ে নাও, কাজ পরে করো। আমার ছেলে জীবনে কোনোদিন কারো কোনো ক্ষতি করেছে বলে আজ পর্যন্ত কেউ বলেনি। আমার ছেলে ছিলো বুদ্ধিমান, খুবই বুদ্ধিমান। ওর মতো বুদ্ধিমান ছেলে আমি দেখিনি। দশ বছর বিদেশে কাটিয়ে ছেলে বাড়িতে আসে। বাড়িতে এসেই জামায়াতে ইসলামীর কাজ কর্মে জড়িয়ে যায়। ওকে আমি বলতাম, বাবা মিছিলে যাইয়ো না। গেলেও সামনের কাতারে থাইকো না, পেছনে থাইকো পাশে থাইকো। ছেলে বলতো, আমি সামনের কাতারেই থাকবো মা। ঠিকই আমার ছেলে মিছিলের সামনে কাতারে ছিলো।"
শহীদের ছোটভাই মনজুর আলম বলেন, "আমাদের গোষ্ঠীতে আমরা ২২/২৩ টা ভাই আছি সবার থেকে ভালো ছিলেন আমার ভাই দেলোয়ার। তিনি যেমন বুদ্ধিমান ছিলেন, তেমন সুন্দর ছিলো তাঁর আচার-ব্যবহার। পাড়া-প্রতিবেশী সবাইকে তিনি সাহায্য করতেন। সবাইকে ভালোর দিকে ডাকতেন।"
পারিবারিক অবস্থা
দরিদ্র পরিবারটির একটি আর্থিক ভিত্তি তৈরি করে রেখে গেছেন শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। ভাইয়েরা সবাই কাজ-কর্মের উপযুক্ত হওয়ায় মোটামুটিভাবে সংসার চলে যাচ্ছে। শহীদের পিতা কানে একেবারেই শুনতে পান না। শারীরিকভাবেও অসুস্থ।
ভাই-বোনের বিবরণ
১। দসতার- কৃষিকাজ
২। আখতারুল- কৃষিকাজ
৩। মনজুর আলম- কৃষিকাজ
৪। আবফাতুন- গৃহিণী
৫। আশরাফুন- গৃহিণী
এক নজরে শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
নাম: শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন
পিতা: শামসুদ্দোহা
মাতা: আমিরুন নেসা
জন্ম: ১৯৭০
ঠিকানা: গ্রাম- দরিয়াপুর, থানা- মুজিবনগর, জেলা- মেহেরপুর
ভাই-বোনের সংখ্যা: চার ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড়
পেশা: প্রবাসী
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
দায়িত্ব: দরিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কিভাবে শহীদ হলেন: আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে একটি মিছিলে পুলিশের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন
শাহাদাতের তারিখ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍