শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ অধ্যক্ষ মোঃ বজলুল হক সরকার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও অধ্যক্ষ। যিনি শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, ধর্মীয় নৈতিকতায়ও ছিলেন দৃঢ় বিশ্বাসী। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন তিনি কলেজ মিলনায়তনে মাওলানা সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে রায় দেখছিলেন। রায় শোনার পরই সেই মুহূর্তে হার্টঅ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পড়ুয়া-ছাত্র থেকে শুরু করে সহকর্মী, সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেছিলেন, তাঁর মৃত্যু ছিল সেই মুহূর্তের ন্যায়বোধ ও মানবিকতার বিস্ময়কর প্রতিফলন। তিনি এক নীরব ন্যায্যবিরোধী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি তার বিশ্বাস ও ধর্মীয় আন্দোলনে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বাস রাখতেন। তার মৃত্যুই হয়ে উঠল এক শিক্ষা ন্যায়ের দাবিতে দাঁড়ানোও কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ত্যাগ।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার
গাইবান্ধা-8
১. শহীদের পরিচিতি
সুন্দরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো: বজলুল হক সরকার গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার নিজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবকে খুবই ভাল বাসতেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে তিনি কলেজে ছিলেন এবং সাঈদী সাহেবের মামলার রায় শোনার জন্য শিক্ষক মিলনায়তনে বসে টিভিতে সংবাদ দেখছিলেন। দুপুরের পরে মাওলানা সাঈদী সাহেবের রায় ঘোষণা হলে তিনি সাথে সাথে হার্টঅ্যাটাক হয়ে কলেজ মিলনায়তনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি পারিবারিক জীবনে বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক ছেলে স্টামফোর্ট ইউনিভার্সিটিতে সম্মান শ্রেণীতে পড়ে ও একমাত্র মেয়ে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পড়ে।
পরের দিন ১মার্চ ২০১৩ দৈনিক সংগ্রাম নিউজ করে।
সাঈদীর ফাঁসির রায় শোনামাত্র হার্টএ্যাটাকে প্রবীণ কলেজ অধ্যক্ষের মৃত্যু
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় টেলিভিশনে শোনামাত্রই হার্টএ্যাটাকে মারা গেলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এক কলেজ শিক্ষক। এ ঘটনায় সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সকাল থেকেই সুন্দরগঞ্জ ডি ডব্লিউ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার টেলিভিশনে সকাল থেকেই সাঈদীর রায় দেখছিলেন। শেষ মুহূর্তে এসে ফাঁসির আদেশ দেয়া মাত্রই তিনি সেখানে হার্টএ্যাটাক করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর প্রবীণ এ শিক্ষাবিদকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। প্রফেসর বজলুল হক মাওলানা সাঈদীর একজন অনুরক্ত ও ভক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা। হার্টএ্যাটাকে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
২. পারিবারিক অবস্থা
পারিবারিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। আবাদি জমি রয়েছে যা দিয়ে তার সাংসারিক খরচ চালানো যায়।
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার
৩. যোগাযোগের বিবরণ
গ্রাম: নিজপাড়া, ডাকঘর: বাজারপাড়া, থানা: সুন্দরগঞ্জ, জেলা: গাইবান্ধা।
গাইবান্ধা-8
১. শহীদের পরিচিতি
সুন্দরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো: বজলুল হক সরকার গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার নিজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবকে খুবই ভাল বাসতেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে তিনি কলেজে ছিলেন এবং সাঈদী সাহেবের মামলার রায় শোনার জন্য শিক্ষক মিলনায়তনে বসে টিভিতে সংবাদ দেখছিলেন। দুপুরের পরে মাওলানা সাঈদী সাহেবের রায় ঘোষণা হলে তিনি সাথে সাথে হার্টঅ্যাটাক হয়ে কলেজ মিলনায়তনে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি পারিবারিক জীবনে বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক ছেলে স্টামফোর্ট ইউনিভার্সিটিতে সম্মান শ্রেণীতে পড়ে ও একমাত্র মেয়ে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে এইচএসসি পড়ে।
পরের দিন ১মার্চ ২০১৩ দৈনিক সংগ্রাম নিউজ করে।
সাঈদীর ফাঁসির রায় শোনামাত্র হার্টএ্যাটাকে প্রবীণ কলেজ অধ্যক্ষের মৃত্যু
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় টেলিভিশনে শোনামাত্রই হার্টএ্যাটাকে মারা গেলেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এক কলেজ শিক্ষক। এ ঘটনায় সেখানে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সকাল থেকেই সুন্দরগঞ্জ ডি ডব্লিউ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার টেলিভিশনে সকাল থেকেই সাঈদীর রায় দেখছিলেন। শেষ মুহূর্তে এসে ফাঁসির আদেশ দেয়া মাত্রই তিনি সেখানে হার্টএ্যাটাক করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর প্রবীণ এ শিক্ষাবিদকে দেখতে হাসপাতালে ভিড় জমান হাজার হাজার মানুষ। প্রফেসর বজলুল হক মাওলানা সাঈদীর একজন অনুরক্ত ও ভক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার ও স্বজনরা। হার্টএ্যাটাকে মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
২. পারিবারিক অবস্থা
পারিবারিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। আবাদি জমি রয়েছে যা দিয়ে তার সাংসারিক খরচ চালানো যায়।
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার
৩. যোগাযোগের বিবরণ
গ্রাম: নিজপাড়া, ডাকঘর: বাজারপাড়া, থানা: সুন্দরগঞ্জ, জেলা: গাইবান্ধা।