শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
চট্টগ্রামের মধ্যঘাগড়ায় জন্ম নেওয়া শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ ছিলেন একজন মেধাবী আলেম। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুরআনিক সাইন্সে উচ্চশিক্ষিত এবং পেশাগত জীবনে ডেসটিনির চট্টগ্রাম রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত এক সদালাপী সমাজসেবক। আদর্শিক নিষ্ঠায় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ২৩ অক্টোবর ২০১৩-এ মারাত্মকভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই কিডনি বিকল হয়ে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। জীবনের প্রতিটি পর্বেই হাসিমুখে সবাইকে সাহায্য করা, ভালোর দিকে আহ্বান করা ও সততার উপর অটল থাকা ছিল তার স্বভাব। মৃত্যুর পর তার স্ত্রী, ২২ মাস বয়সী একমাত্র কন্যা ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর হৃদয়ে গভীর শূন্যতা তৈরি হয়। ত্যাগ, নৈতিকতা ও নরম হৃদয়ের এই মানুষটি আজ স্মৃতিতে এক আলো যিনি নীরবে বাঁচতেন, কিন্তু আদর্শের জন্য উজ্জ্বলভাবে শহীদ হলেন।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ
চট্টগ্রাম
১৬
শহীদের পরিচিতি
মোঃ আবু ইউছুফ। পিতার ৫ সন্তানের মধ্যে সে ৪র্থ। দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই মোঃ মজিবুর রহমান ২০০২ সালে এবং পিতা ২০০৭ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি আল আমিন হামিদিয়া ফজিল মাদরাসায় ১ম থেকে দাখিল পর্যন্ত এবং আলিম ও ফাজিল গহিরা এফকে জামিউল উলুম মাদরাসা থেকে পাশ করেন। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম থেকে কুরআনিক সাইন্স এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ২০০৩-এ অনার্স এবং ২০০৪ সালে মাস্টার্স পাশ করেন। তিনি ডেসটিনি পত্রিকার চট্টগ্রামের রিপোর্টার ছিলেন। শাহাদাতের আগের বছর তিনি পবিত্র হজ্জ পালন করেন। ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী ও ২২ মাসের একটি মেয়ে সন্তান রেখে যান।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন আবস্থায় ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার সময় ইন্তেকাল করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ভাল ছিলেন। হাস্যজ্জল মানুষটি সব সময় মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। তিনি দৈনিক ডেসটিনি এবং পরবর্তীতে এমেরিকান একটি পত্রিকার অফিস চালু করেন চট্টগ্রাম চকবাজার চক সুপার মার্কেটে।
ঘটনার সামগ্রীক বিবরণ:
২৩.১০.২০১৩ তারিখে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকালে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়, চিকিৎসাধীন আবস্থায় ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার সময় তিনি ইন্তেকাল করেন। পরদিন ১১.৩০ মিনিটে লাশ বাড়িতে পৌঁছে, বাদ জুমা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। বাড়ির পার্শ্বে মসজিদের গোরস্থানে দাফন করা হয়।
শহীদের আপনজনদের কথা
মা বলেন- আমার ছেলে অত্যন্ত ভাল হাস্যজ্জ্বল ছিল। সবাইকে সে ভাল কাজের আদেশ দিতো, অসৎ কাজ হতে নিষেধ করতো এবং সবার আদরের মণি ছিল।
স্ত্রী বলেন- কোন দোষ-ত্রুটি আমার চোখে পড়েনি। সবার কাছে তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন, ছোট বড় সবাই তাঁকে অত্যান্ত ভাল জানতো।
এক নজরে শহী আবু ইউসুফ
শহীদের নাম: আবু ইউছুফ
পিতার নাম ও পেশা: মৃত মাষ্টার ইউনুস মিয়া, প্রা: বি: প্রধান শিক্ষক ছিলেন
মাতার নাম ও পেশা: রওশানারা বেগম। বয়স প্রায় ৭৫ বছর। গৃহিণী।
স্ত্রীর নাম ও পড়ালেখা: সানজিদা নাসরিন (স্ত্রী) (৩২) মাস্টার্স ইসলামিক ইতিহাস
(চট্টগ্রাম সরকারী মহিলা কলেজ)
প্রভাষক: ইসলামের ইতিহাস, আল আমীন হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসা, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মধ্যঘাগড়া, ডাকঘর- ঠান্ডা ছড়ি, থানা- বাঙ্গুনিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম
আহত হওয়ার তারিখ: ২৩.১০.২০১৩
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ২৫.১০.২০১৩ বিকেল ৫টা
সন্তান: ১ মেয়ে- নুযাইফা নাও'ওয়ার ২২ মাস
চট্টগ্রাম
১৬
শহীদের পরিচিতি
মোঃ আবু ইউছুফ। পিতার ৫ সন্তানের মধ্যে সে ৪র্থ। দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই মোঃ মজিবুর রহমান ২০০২ সালে এবং পিতা ২০০৭ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি আল আমিন হামিদিয়া ফজিল মাদরাসায় ১ম থেকে দাখিল পর্যন্ত এবং আলিম ও ফাজিল গহিরা এফকে জামিউল উলুম মাদরাসা থেকে পাশ করেন। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম থেকে কুরআনিক সাইন্স এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ২০০৩-এ অনার্স এবং ২০০৪ সালে মাস্টার্স পাশ করেন। তিনি ডেসটিনি পত্রিকার চট্টগ্রামের রিপোর্টার ছিলেন। শাহাদাতের আগের বছর তিনি পবিত্র হজ্জ পালন করেন। ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী ও ২২ মাসের একটি মেয়ে সন্তান রেখে যান।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন আবস্থায় ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার সময় ইন্তেকাল করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
তিনি ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত ভাল ছিলেন। হাস্যজ্জল মানুষটি সব সময় মানুষকে সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। তিনি দৈনিক ডেসটিনি এবং পরবর্তীতে এমেরিকান একটি পত্রিকার অফিস চালু করেন চট্টগ্রাম চকবাজার চক সুপার মার্কেটে।
ঘটনার সামগ্রীক বিবরণ:
২৩.১০.২০১৩ তারিখে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনকালে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়, চিকিৎসাধীন আবস্থায় ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টার সময় তিনি ইন্তেকাল করেন। পরদিন ১১.৩০ মিনিটে লাশ বাড়িতে পৌঁছে, বাদ জুমা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। বাড়ির পার্শ্বে মসজিদের গোরস্থানে দাফন করা হয়।
শহীদের আপনজনদের কথা
মা বলেন- আমার ছেলে অত্যন্ত ভাল হাস্যজ্জ্বল ছিল। সবাইকে সে ভাল কাজের আদেশ দিতো, অসৎ কাজ হতে নিষেধ করতো এবং সবার আদরের মণি ছিল।
স্ত্রী বলেন- কোন দোষ-ত্রুটি আমার চোখে পড়েনি। সবার কাছে তিনি অত্যন্ত ভাল মানুষ ছিলেন, ছোট বড় সবাই তাঁকে অত্যান্ত ভাল জানতো।
এক নজরে শহী আবু ইউসুফ
শহীদের নাম: আবু ইউছুফ
পিতার নাম ও পেশা: মৃত মাষ্টার ইউনুস মিয়া, প্রা: বি: প্রধান শিক্ষক ছিলেন
মাতার নাম ও পেশা: রওশানারা বেগম। বয়স প্রায় ৭৫ বছর। গৃহিণী।
স্ত্রীর নাম ও পড়ালেখা: সানজিদা নাসরিন (স্ত্রী) (৩২) মাস্টার্স ইসলামিক ইতিহাস
(চট্টগ্রাম সরকারী মহিলা কলেজ)
প্রভাষক: ইসলামের ইতিহাস, আল আমীন হামিদিয়া ফাজিল মাদরাসা, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মধ্যঘাগড়া, ডাকঘর- ঠান্ডা ছড়ি, থানা- বাঙ্গুনিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম
আহত হওয়ার তারিখ: ২৩.১০.২০১৩
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ২৫.১০.২০১৩ বিকেল ৫টা
সন্তান: ১ মেয়ে- নুযাইফা নাও'ওয়ার ২২ মাস
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍