শহীদ মুঃ আনোয়ার হোসাইন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বুকে গুলিবিদ্ধ, ৩০ মিনিট পর ইন্তেকাল করেন
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মুঃ আনোয়ার হোসাইন
শহীদের পরিচিতি
মুঃ আনোয়ার হোসাইন কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার ধোপামুড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতামাতার আকাঙ্খা ছিল ছেলেকে বড় আলেম হিসেবে গড়ে তুলবেন। কিন্তু ঘাতকের বুলেট তাকে অকালে কেড়ে নিল। তিনি নাথের পেটুয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে মানবিক বিভাগে আলিম পাশ করে ফাজিল ১ম বর্ষে ভর্তি হন। সংগঠনের সাথী প্রার্থী এবং উপশাখার সভাপতি ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
১২.১২.১৩ সন্ধ্যা ৬.০০ বিজিবির গুলিতে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৬.৪০ মিনিটে বিপুলসার নামক স্থানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শাহাদাতের দিন দুপুরে তিনি কান্নাকাটি করছিলেন। তিনি মাকে বলেন যদি আমার আব্বুকে ফাঁসি দিতো তাহলে আপনার কেমন লাগতো। জালিম সরকার আজকে আমার দায়িত্বশীল আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিবে। এ কথা বলে তিনি কান্নাকাটি করছিলেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে কুমিল্লা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের নাথের পেটুয়া পুরানো বাজারে ইসলামী ছাত্রশিবির সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ ও বিজিবি-১০ ওই অবরোধ কর্মসূচীতে সশস্ত্র হামলা চালায়। বিজিবি টার্গেট করে গুলি করলে শহীদ আনোয়ার হোসেনকে সরাসরি গুলি করে। তিনি বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মনোহরগঞ্জ হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন।
ভাই-বোনদের বিবরণ
মো: কামাল হোসেন: ৩২, প্রবাসী।
তাহমিনা আক্তার: ২০, বিবাহিত, গৃহিণী।
এক নজরে শহীদ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন
শহীদের নাম: মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।
পেশা ও বয়স: প্রবাসী - সৌদি আরব, বয়স - ৬২ বছর (দ্রষ্টব্য: মূল ফাইলে তথ্যের অসংগতি থাকতে পারে, পরিচিতি অংশে ছাত্র বলা হয়েছে)।
পিতার নাম: মো: ইব্রাহিম।
পেশা: চাকরি, রেলওয়ে ওয়ার্কশপ।
মাতার নাম: জাহানারা বেগম, গৃহিণী, বয়স ৫৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: ভূঁইয়া বাড়ি, গ্রাম- গৃহিণী, বয়স ৫৭ বছর (দ্রষ্টব্য: মূল ফাইলে তথ্যের ভুল বা অস্পষ্টতা আছে), ডাকঘর- নাথেরপেটুয়া, থানা- মনোহরগঞ্জ, জেলা- কুমিল্লা।
আহত হওয়ার তারিখ: ১২.১২.২০১৩।
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: বুকে গুলিবিদ্ধ, ৩০ মিনিট পর ইন্তেকাল করেন।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১২.১২.২০১৩ সন্ধ্যা ৭ টা।
শহীদের পরিচিতি
মুঃ আনোয়ার হোসাইন কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ থানার ধোপামুড়ী গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতামাতার আকাঙ্খা ছিল ছেলেকে বড় আলেম হিসেবে গড়ে তুলবেন। কিন্তু ঘাতকের বুলেট তাকে অকালে কেড়ে নিল। তিনি নাথের পেটুয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে মানবিক বিভাগে আলিম পাশ করে ফাজিল ১ম বর্ষে ভর্তি হন। সংগঠনের সাথী প্রার্থী এবং উপশাখার সভাপতি ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
১২.১২.১৩ সন্ধ্যা ৬.০০ বিজিবির গুলিতে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৬.৪০ মিনিটে বিপুলসার নামক স্থানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শাহাদাতের দিন দুপুরে তিনি কান্নাকাটি করছিলেন। তিনি মাকে বলেন যদি আমার আব্বুকে ফাঁসি দিতো তাহলে আপনার কেমন লাগতো। জালিম সরকার আজকে আমার দায়িত্বশীল আব্দুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দিবে। এ কথা বলে তিনি কান্নাকাটি করছিলেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে কুমিল্লা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের নাথের পেটুয়া পুরানো বাজারে ইসলামী ছাত্রশিবির সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ ও বিজিবি-১০ ওই অবরোধ কর্মসূচীতে সশস্ত্র হামলা চালায়। বিজিবি টার্গেট করে গুলি করলে শহীদ আনোয়ার হোসেনকে সরাসরি গুলি করে। তিনি বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মনোহরগঞ্জ হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন।
ভাই-বোনদের বিবরণ
মো: কামাল হোসেন: ৩২, প্রবাসী।
তাহমিনা আক্তার: ২০, বিবাহিত, গৃহিণী।
এক নজরে শহীদ মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন
শহীদের নাম: মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।
পেশা ও বয়স: প্রবাসী - সৌদি আরব, বয়স - ৬২ বছর (দ্রষ্টব্য: মূল ফাইলে তথ্যের অসংগতি থাকতে পারে, পরিচিতি অংশে ছাত্র বলা হয়েছে)।
পিতার নাম: মো: ইব্রাহিম।
পেশা: চাকরি, রেলওয়ে ওয়ার্কশপ।
মাতার নাম: জাহানারা বেগম, গৃহিণী, বয়স ৫৭ বছর।
স্থায়ী ঠিকানা: ভূঁইয়া বাড়ি, গ্রাম- গৃহিণী, বয়স ৫৭ বছর (দ্রষ্টব্য: মূল ফাইলে তথ্যের ভুল বা অস্পষ্টতা আছে), ডাকঘর- নাথেরপেটুয়া, থানা- মনোহরগঞ্জ, জেলা- কুমিল্লা।
আহত হওয়ার তারিখ: ১২.১২.২০১৩।
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: বুকে গুলিবিদ্ধ, ৩০ মিনিট পর ইন্তেকাল করেন।
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১২.১২.২০১৩ সন্ধ্যা ৭ টা।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍