শহীদ রুহুল আমিন দুলাল
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
চাইনিজ কুড়ালের কোপ মাথা, দুই হাত, পাসহ সমস্ত শরীরে প্রায় ৩২টি কোপ
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ রুহুল আমিন দুলাল
শহীদ মো: রুহুল আমিন দুলাল, পিতা মৃত মো: আলী আকবর, মাতা: আংকুরের নেছা। গ্রাম: শাহাপুর বড় বাড়ি, পো: দরবেশপুর, থানা: চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লা। তিনি প্রবাসী ছিলেন; ৬ মাসের ছুটিতে বাড়িতে আসেন, ৪ মাস ছুটি শেষ হয়, দুই মাস পর চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আওয়ামী হায়েনারা তার প্রাণটি কেড়ে নেয়। তিনি শাহাদাতের সময় মা, স্ত্রী ও ১৮ মাসের একটি মেয়ে সন্তান রেখে যান।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২২ অক্টোবর ২০১৩ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪.০০টা পর্যন্ত রানীর বাজার হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সমর্থকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। শহীদ রুহুল আমিন দুলাল তখন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাজারে যাচ্ছিলেন। মুন্সিবাড়ি রাস্তার মাথায় পৌঁছলে আব্দুর রশিদ ও আমান মেম্বারের নেতৃত্বে একদল আওয়ামী সন্ত্রাসী দুলালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে মাটিতে ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়, পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ নেয়ার পথে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ রুহুল আমিন দুলাল ব্যক্তিগতজীবনে খুব সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। ইসলামী আন্দোলনের জন্য কাজ করতেন। শাহাদাতের সময় শহীদ দুলাল আব্দুর রশিদ এবং আমান আতিক ও আরমানকে বলে ‘ভাই আমাকে আর কুপাইস না, আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে সে কাকে আব্বু বলে ডাকবে’।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
দীর্ঘদিন যাবৎ শহীদ রুহুল আমিন দুলাল বিদেশে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়িতে এসে দেখেন রানীর বাজার হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন। তিনি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেন। জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী সমর্থিতরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। তিনি বাজারে যাওয়ার সময় তাকে একা পেয়ে মুন্সিবাড়ি রাস্তার মাথায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ৩২টি কোপ দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মাটিতে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।
শহীদের আপনজনদের কথা
মা: আমার নির্দোষ ছেলেকে তারা মেরে ফেলছে কোন বিচার তো পাই নাই। আল্লাহ তুমি এই জালেমদের বিচার কর। আমার ছেলে অত্যন্ত ভাল ছিল।
বড় ভাই আ: রশিদ: আমাদের ভাই অত্যন্ত ভাল ছিল। ইসলামের কাজ করায় আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হত্যার বিচার চাই।
স্ত্রী: আমার স্বামীর মতো মানুষ হয় না। ঘটনার ২০ মিনিট পূর্বে আমাকে ফোন করে বলল ‘আমি বাজার থেকে আসছি তুমি নামাজ পড়ে নাও’।
এক নজরে শহীদ রুহুল আমিন দুলাল
শহীদের নাম: রুহুল আমিন দুলাল
পিতার নাম: মৃত মো: আলী আকবর
মাতার নাম: আংকুরের নেছা (৭০), গৃহিণী
জন্ম তারিখ: ২৫.০৯.১৯৭৯
স্ত্রীর নাম: কহিনুর আক্তার (ফ্রী) (২৩), গৃহিণী
একমাত্র সন্তানের নাম: উম্মেহানী সুলতানা (মিথী), বয়স- ১ বছর ৬ মাস
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- শাহপুর, ডাকঘর- দরবেশপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা
আহত হওয়ার তারিখ: ২২.১০.২০১৩
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: চাইনিজ কুড়ালের কোপ (মাথা, দুই হাত, পাসহ সমস্ত শরীরে প্রায় ৩২টি কোপ)
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ২২.১০.২০১৩ সন্ধ্যা ৬.৩০মি কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতাল।
শহীদ মো: রুহুল আমিন দুলাল, পিতা মৃত মো: আলী আকবর, মাতা: আংকুরের নেছা। গ্রাম: শাহাপুর বড় বাড়ি, পো: দরবেশপুর, থানা: চৌদ্দগ্রাম, জেলা: কুমিল্লা। তিনি প্রবাসী ছিলেন; ৬ মাসের ছুটিতে বাড়িতে আসেন, ৪ মাস ছুটি শেষ হয়, দুই মাস পর চলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আওয়ামী হায়েনারা তার প্রাণটি কেড়ে নেয়। তিনি শাহাদাতের সময় মা, স্ত্রী ও ১৮ মাসের একটি মেয়ে সন্তান রেখে যান।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
২২ অক্টোবর ২০১৩ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪.০০টা পর্যন্ত রানীর বাজার হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সমর্থকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। শহীদ রুহুল আমিন দুলাল তখন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাজারে যাচ্ছিলেন। মুন্সিবাড়ি রাস্তার মাথায় পৌঁছলে আব্দুর রশিদ ও আমান মেম্বারের নেতৃত্বে একদল আওয়ামী সন্ত্রাসী দুলালকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে মাটিতে ফেলে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়, পরে অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ নেয়ার পথে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ রুহুল আমিন দুলাল ব্যক্তিগতজীবনে খুব সাদাসিধে মানুষ ছিলেন। ইসলামী আন্দোলনের জন্য কাজ করতেন। শাহাদাতের সময় শহীদ দুলাল আব্দুর রশিদ এবং আমান আতিক ও আরমানকে বলে ‘ভাই আমাকে আর কুপাইস না, আমার একটা ছোট বাচ্চা আছে সে কাকে আব্বু বলে ডাকবে’।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
দীর্ঘদিন যাবৎ শহীদ রুহুল আমিন দুলাল বিদেশে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে বাড়িতে এসে দেখেন রানীর বাজার হাইস্কুল ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন। তিনি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেন। জামায়াত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় আওয়ামী সমর্থিতরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়। তিনি বাজারে যাওয়ার সময় তাকে একা পেয়ে মুন্সিবাড়ি রাস্তার মাথায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ৩২টি কোপ দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মাটিতে পড়ে যান। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।
শহীদের আপনজনদের কথা
মা: আমার নির্দোষ ছেলেকে তারা মেরে ফেলছে কোন বিচার তো পাই নাই। আল্লাহ তুমি এই জালেমদের বিচার কর। আমার ছেলে অত্যন্ত ভাল ছিল।
বড় ভাই আ: রশিদ: আমাদের ভাই অত্যন্ত ভাল ছিল। ইসলামের কাজ করায় আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হত্যার বিচার চাই।
স্ত্রী: আমার স্বামীর মতো মানুষ হয় না। ঘটনার ২০ মিনিট পূর্বে আমাকে ফোন করে বলল ‘আমি বাজার থেকে আসছি তুমি নামাজ পড়ে নাও’।
এক নজরে শহীদ রুহুল আমিন দুলাল
শহীদের নাম: রুহুল আমিন দুলাল
পিতার নাম: মৃত মো: আলী আকবর
মাতার নাম: আংকুরের নেছা (৭০), গৃহিণী
জন্ম তারিখ: ২৫.০৯.১৯৭৯
স্ত্রীর নাম: কহিনুর আক্তার (ফ্রী) (২৩), গৃহিণী
একমাত্র সন্তানের নাম: উম্মেহানী সুলতানা (মিথী), বয়স- ১ বছর ৬ মাস
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- শাহপুর, ডাকঘর- দরবেশপুর, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা
আহত হওয়ার তারিখ: ২২.১০.২০১৩
আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: চাইনিজ কুড়ালের কোপ (মাথা, দুই হাত, পাসহ সমস্ত শরীরে প্রায় ৩২টি কোপ)
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ২২.১০.২০১৩ সন্ধ্যা ৬.৩০মি কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতাল।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍