← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
মো: ইয়ামিন চৌধুরী
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

❞
💬

শহীদের শেষ বার্তা / অবিস্মরণীয় উক্তি

"আমরা আর মাথা নত করব না। ইনসাফের জন্য আমরা জীবন দিতে প্রস্তুত।"

📌 সাভার পক্ষাঘাত পুনর্বাসন কেন্দ্র সংলগ্ন আন্দোলনের শেষ উচ্চারণ

নাম

মো: ইয়ামিন চৌধুরী

📅 জন্ম তারিখ

১৩ আগস্ট, ২০০৭

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

২৭ জুলাই, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

ঢাকা_সিটি

📍 জেলা

কিশোরগঞ্জ

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা : শ্রমিক (পোশাক কারখানা)
শাহাদাতের স্থান : বাড্ডা, সুবাস্তু টাওয়ার সংলগ্ন, ঢাকা

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

"গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে ভেবেছিল
তাঁকে বোধহয় গুলি করবে না"
শহীদ পরিচিতি
কিশোরগঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান শহীদ মো: ইয়ামিন চৌধুরী। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার কাঞ্চনপুর গ্রামে দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শহীদ ইয়ামিন ২০০৭ সালের ১৩ আগস্ট নিজ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ইয়ামিন রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। সেই সুবাদে তিনি কারখানার পাশে উত্তর বাড্ডা হাসান উদ্দিন সড়কে থাকতেন। শহীদ ইয়ামিনের পিতা জনাব রতন চৌধুরী ও তার মাতা জনাব জেসমিন পেশায় পোশাক কারখানার শ্রমিক। তার পরিবার একরুমের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। বাবা-মা ও ভাইয়ের সাথে সেখানেই তিনি বেড়ে উঠেছেন।
ঘটনার বর্ণনা-শহীদ ইয়ামিন একজন গার্মেন্টস কর্মী
২০২৪ এর ১৯ জুলাই বিকাল ৪ টার দিকে বাসায় ফিরছিলেন। ঐ সময় রাজপথ ছিল উতপ্ত। স্বৈরাচার ও মানবতা বিরোধী সরকারের পুলিশ বাহিনী ও যুবলীগের সন্ত্রাসী তাণ্ডবের কারণে ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। তিনি ভেবেছিলেন শ্রমিক হিসেবে তাকে আক্রমণ করা হবে না কিংবা তার সাথে অন্যায় কোনো আচরণও করা হবে না। তবে ঘটনাটা ছিল ভিন্ন খুবই নিষ্ঠুর বর্বরতার শিকার হন তিনি। তার পিতা বলেন, “ইয়ামিন বাসায় ফেরার পথে উত্তর বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এলে সন্ত্রাসী হায়নাদের একটি গুলি তার নাভির নিচে বামদিকে বিদ্ধ হয়, আর অন্য গুলিটি ডান হাতে লাগে। পথচারীরা তাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (উগঈ) ভর্তি করান। সেখানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৭ জুলাই ভোর ৫ টায় মারা যান।
শহীদ পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা:
শহীদের পিতা বেকার। সহোদর ও তার জননী পেশায় শ্রমজীবী। সংসারের হাল ধরতে ইয়ামিনের মা একটি কারখানায় কাজ করেন। পরিবারের কোনো বসতি বা জমি নেই। দেশমাতার মহাবীর শহীদ ইয়ামিনের উপার্জিত ১৫ হাজার টাকাই ছিলো পরিবারের ভরনপোষনের অন্যতম অবলম্বন। তার মৃত্যুতে শহীদ পরিবারটি দীনতায় নিমজ্জিত হচ্ছে। পরিবারটি জানে না কিভাবে এই কষ্ট তাদের লাঘব হবে।
স্বজনদের কর্তৃক সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা
প্রস্তাবনা-১ পরিবারকে মাসিক বা এককালিন সহযোগিতা করা যেতে পারে।
প্রস্তাবনা-২: বাবার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়া যেতে পারে।
শহীদের পরিবার :
* শহীদের পিতা: জনাব রতন চৌধুরী, পেশা: বেকার; বয়স: ৫৪। পিতা শহীদের সাথেই থাকতেন।
* শহীদের মাতা: জেসমিন, মায়ের পেশা: পোশাক কারখানার শ্রমিক। তিনি অন্যত্র থাকেন।
* শহীদের ভাই: ইয়াসিন চৌধুরী (২১)। চাকরিজীবী।
এক নজরে শহীদের ব্যক্তিগত তথ্য
শহীদের পূর্ণ নাম : মো: ইয়ামিন চৌধুরী
জন্ম তারিখ : ১৩/৮/২০০৭
জন্মস্থান : কিশোরগঞ্জ
পেশা/ পদবী : কারখানার শ্রমিক
নিজ জেলা : কিশোরগঞ্জ
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কাঞ্চনপুর, ইউনিয়ন: কাঞ্চনপুর: থানা: মিঠামইন, জেলা: কিশোরগঞ্জ
বর্তমান ঠিকানা : বাসা/মহল্লা: ১৯,এলাকা: হাসান উদ্দিন রোড,থানা: বাড্ডা, জেলা: ঢাকা
পিতার নাম : রতন চৌধুরী
পিতার পেশা ও বয়স : বেকার, ৫৪ বছর
মায়ের নাম : জেসমিন
মায়ের পেশা ও বয়স : গার্মেন্টস কর্মী, ৪৮ বছর, মাসিক আয়: আনুমানিক ১৫ হাজার
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৩
ঘটনার স্থান : উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে
আক্রমণকারী : স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ
আহত হওয়ার সময়কাল : বিকাল ৪টা, ১৯ জুলাই ২০২৪
মৃত্যুর তারিখ, সময় ও স্থান : ২৭ জুলাই ২০২৪, ভোর ৫ টা
শহীদের কবরের বর্তমান অবস্থান : নিজ গ্রাম কাঞ্চনপুর
জানাজা ও কবরস্থান : পোস্টমর্টেম শেষে, নিজ গ্রামেই জানাযা শেষে কাঞ্চনপুরে কবর দেওয়া হয়
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত বলো না; বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা উপলব্ধি করতে পার না। (সুরা আল-বাকারা ২:১৫৪)

🕌

হাদীস শরীফ

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে শাহাদাত কামনা করে, আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদায় পৌঁছে দেন।” (সহীহ মুসলিম ১৮৮৮)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন