⚔️ ১৬ বছরের দুঃশাসনের শহীদ স্মৃতি

আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ হয়েছেন যারা

২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের নিষ্ঠুর নির্যাতনে শাহাদাতবরণকারী বীর সন্তানদের ঐতিহাসিক প্রামাণ্য তালিকা

মোট নথিভুক্ত শহীদ

284

মোট জেলা

45

শহীদ
#1
মো: মতিউর রহমান নিজামী

মো: মতিউর রহমান নিজামী

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ছিলেন একজন প্রজ্ঞাবান আলেম, চিন্তাবিদ ও বহুমাত্রিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি শিক্ষা, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সামাজিক নেতৃত্বে রেখেছেন শক্তিশালী ভূমিকা। পাবনার মনমথপুরে জন্ম নেওয়া এই শান্ত স্বভাবের নেতা ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় রাজনীতিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন। কৃষি ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে তিনি সুদূরপ্রসারী উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশগঠনে রেখে গেছেন এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি মুসলিম বিশ্বের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তুলে ধরে সম্মান অর্জন করেন। তাঁর জীবন, কর্ম ও অবদান আজও বহু মানুষের কাছে নেতৃত্ব, নীতি ও ত্যাগের এক অনন্য প্রতীক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#2
শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ

শহীদ আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ

📍 জেলা: ফরিদপুর

আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ছিলেন ইসলামী চিন্তা, সামাজিক সেবা ও সাংগঠনিক দৃঢ়তার এক প্রতীকী নাম; ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্ব ও আদর্শিক সংগ্রামে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন তিনি। সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দেশব্যাপী শিক্ষা, মসজিদ-মাদরাসা ও মানবকল্যাণে রেখে গেছেন সুস্পষ্ট ও স্থায়ী ছাপ। লেখক, সংগঠক ও ভ্রমণপিপাসু এই নেতা সমাজের সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন নিষ্ঠাবান ছিলেন। মৃত্যুর পূর্বে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অটল অবস্থান ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা তাঁকে এক অবিচল বিশ্বাসীর মর্যাদায় অমর করে রেখেছে। তাঁর জীবন ও সংগ্রাম বহু মানুষের কাছে আজও প্রেরণার বাতিঘর।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#3
শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা

📍 জেলা: ফরিদপুর

শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লা ছিলেন এক মেধাবী শিক্ষার্থী, নিবেদিত শিক্ষক ও নির্ভীক সাংবাদিক, যিনি সত্য ও আদর্শকে জীবনের পথনির্দেশক করেছেন। ফরিদপুরে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে দেশের টানেই মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং পরবর্তীতে শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা ও সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর কলমের দৃঢ়তা, যুক্তির শক্তি এবং সহজ-সরল সামাজিক মেলবন্ধন তাঁকে বিভিন্ন পরিমণ্ডলে আপনজন করে তুলেছিল। দেশ-বিদেশের কূটনৈতিক মহল থেকেও তিনি সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন। আদর্শ, দৃঢ়তা ও মানবিক গুণাবলির সমন্বয়ে গঠিত তাঁর জীবন আজও এক আলোকিত প্রতিচ্ছবি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#4
শহীদ মীর কাসেম আলী

শহীদ মীর কাসেম আলী

📍 জেলা: মানিকগঞ্জ

শহীদ মীর কাসেম আলী ছিলেন বহুমাত্রিক কর্মযজ্ঞে সক্রিয় এক উদ্যোক্তা ও সংগঠক, যিনি শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, ব্যবসা ও গণমাধ্যমে রেখে গেছেন উল্লেখযোগ্য ছাপ। মানিকগঞ্জে জন্ম নিয়ে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই সংগঠন, মানবিক উদ্যোগ ও নেতৃত্বের জগতে যুক্ত হন। দেশের শিল্প-বাণিজ্য ও পর্যটন অঙ্গনে তাঁর উদ্যোগ বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। জীবনের বিভিন্ন ধাপে তিনি নানামুখী অভিযোগ ও বিতর্কের মুখোমুখি হলেও, তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও মানবিক কর্মকাণ্ড আজও অনেকের স্মৃতিতে বিশেষভাবে স্থান করে রেখেছে। দেশ ও সমাজের জন্য দায়িত্ববোধই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান চালিকা শক্তি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#5
শহীদ মুহাম্মাদ কামারুজ্জামান

শহীদ মুহাম্মাদ কামারুজ্জামান

📍 জেলা: শেরপুর

শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছিলেন এমন এক ব্যক্তিত্ব, যার সাহস ও আদর্শ তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে ছাপ রেখে গেছে। ন্যায্যতার প্রতি অবিচল বিশ্বাস তাঁকে শিক্ষা, সাংবাদিকতা ও সংগঠনের নানা ক্ষেত্রে সক্রিয় ও অনুসন্ধানী ভূমিকায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের সমাজ–রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ইসলামী চিন্তাধারায় তিনি গবেষণা, লেখনী ও নেতৃত্বের মাধ্যমে ধারাবাহিক অবদান রেখেছেন। জীবনের প্রতিকূল অধ্যায়গুলোতেও তাঁর সংগ্রামী মনোভাব তাঁকে অনুসারী ও পাঠকের নিকট এক দৃঢ়চরিত্র মানুষ হিসেবে পরিচিত করে। সমৃদ্ধ সমাজগঠনের স্বপ্নে অনুপ্রাণিত এই নেতা জ্ঞান, শুদ্ধতা ও দায়িত্ববোধকে জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ধারণ করেছেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#6
শহীদ মো: ফজলুর রহমান

শহীদ মো: ফজলুর রহমান

📍 জেলা: মুন্সিগঞ্জ

মুন্সীগঞ্জের বাটেরচরের ধর্মনিষ্ঠ পরিবারে জন্ম নেওয়া ফজলুর রহমান ছিলেন সত্য, ন্যায্যতা ও জ্ঞান-সাধনায় গড়ে ওঠা এক উদীয়মান আলেম। শিক্ষা ও চরিত্রে তাঁর মেধা, নিষ্ঠা এবং নেতৃত্বের গুণ তাঁকে ছাত্রসংগঠন, মাদ্রাসা শিক্ষা ও লেখনীর ক্ষেত্রে এক সংযত ও দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছিল। সমাজের কল্যাণে কাজ করা এবং মানুষের হৃদয়ে আলোর দিশা ছড়ানোই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান অঙ্গীকার। এক অস্থির দুপুরে সত্যের পক্ষে উচ্চারিত কণ্ঠ তাঁর জীবনের শেষ সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে, যেখানে সাহসিকতা ছিল তাঁর একমাত্র পরিচয়। সবাইকে ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রতি গভীর আনুগত্য তাঁকে আজও স্মরণীয় করে রেখেছে এক অনমনীয় চরিত্রের মানুষ হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#7
 শহীদ আবুল আলা মো: ইকবাল

শহীদ আবুল আলা মো: ইকবাল

📍 জেলা: নোয়াখালী

নোয়াখালীর খালিশাটোলা গ্রামের অধ্যাপক আবুল আলা মো: ইকবাল ছিলেন ন্যায়, নৈতিকতা ও ইসলামী আদর্শে গড়ে ওঠা এক দৃঢ়চরিত্র মানুষ। দশ বছর অধ্যাপনার পাশাপাশি তিনি সমাজসচেতন নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধ দিয়ে চারপাশে আলো ছড়ানোর চেষ্টা করেছেন নিরলসভাবে। সত্যের প্রতি তাঁর অবিচল অবস্থান তাকে সংগ্রামের পথেই এগিয়ে নিয়েছে, যেখানে ভয় নয়—আদর্শই ছিল তাঁর একমাত্র সহচর। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি সাহসিকতার সাথে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, বুকभर বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন ন্যায়বোধের মিছিল। অবশেষে অন্যায়ের মুখোমুখি হওয়া সেই মুহূর্তেই তাঁর নেতৃত্ব, ত্যাগ ও ঈমানী শক্তির পরিপূর্ণ দীপ্তি তাঁর জীবনকে এক অনন্য মর্যাদায় পৌঁছে দেয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#9
শহীদ মাওলানা মোঃ বেলাল হুসাইন

শহীদ মাওলানা মোঃ বেলাল হুসাইন

📍 জেলা: শরীয়তপুর

শরীয়তপুরের মহেশকান্দি গ্রামের নিবেদিতপ্রাণ আলেম বেলাল হুসাইন ছিলেন ন্যায়, দায়িত্ববোধ ও দীনপ্রেমে গড়ে ওঠা এক প্রভাবশালী চরিত্র। ইমামতি, শিক্ষা ও সমাজসেবায় তাঁর নেতৃত্ব ছিল শান্ত-সমাহিত অথচ দৃঢ় যেখানে মানুষের কল্যাণই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। নিজের নীতিকে আঁকড়ে ধরে অন্যায়ের প্রতিবাদে দাঁড়ানোর সাহস তিনি নিজের জীবনাচরণেই প্রমাণ করেছিলেন। হরতালের সকালে ঘটনাস্থলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, সেই অস্থির মুহূর্তেই তাঁর শেষ সংগ্রাম রচিত হয় জীবনের পরিসমাপ্তিতে। তাঁর ত্যাগ, মানবিকতা ও নেতৃত্ব আজো স্মরণ করায় সত্যের পথে অবিচল থাকা মানুষ কখনো বিলীন হয় না, বরং হয়ে ওঠে নীরব প্রেরণার দীপশিখা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#11
শহীদ জসিম উদ্দীন হাওলাদার

শহীদ জসিম উদ্দীন হাওলাদার

📍 জেলা: বরিশাল

শহীদ জসিম উদ্দীন হাওলাদার, বরিশালের কুন্দিয়ালপাড়া গ্রামের এক মেধাবী ও নীতিবান তরুণ। ফাজিল শেষ বর্ষে পড়াকালীন ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করতেন। দায়িত্বশীলতা, আদর্শ ও শান্ত স্বভাবের জন্য তিনি সমবয়সীদের মধ্যে ছিলেন অনুকরণীয়। ২০১৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি শ্যামলী এলাকায় পুলিশ আটক করার পর মৃত্যুবরণ করেন যা পরিবার ও সংগঠনের ভাষ্যে ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাঁর জানাযায় স্বজন, সহকর্মী ও স্থানীয় মানুষের গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত হন। তাঁর জীবন ও মৃত্যু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#12
শহীদ খালেদ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ

শহীদ খালেদ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ

📍 জেলা: ঢাকা

শহীদ খালেদ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ১৯৯৩ সালের ১২ এপ্রিল ঢাকার ডেমরায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন নম্র, পরহেজগার ও দায়িত্বশীল তরুণ। আলী আকবর মডেল হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী অবস্থায়ই তিনি তাওহীদি জনতার পাশে দাঁড়ানোর অদম্য সাহসে পরিচিত ছিলেন। ২০১৩ সালের ৬ মে মাদানীনগর এলাকায় পুলিশের হামলার মুখে প্রতিরোধে এগিয়ে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান। তাঁর নিখাদ ঈমান, পরোপকারিতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার দৃঢ় মানসিকতা আজও আশেপাশের মানুষকে স্মরণ করায় এক অম্লান চরিত্রের কথা। তাঁর স্বপ্ন ও ত্যাগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা হয়ে বেঁচে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#13
শহীদ শাহ জামাল

শহীদ শাহ জামাল

📍 জেলা: ঢাকা

শহীদ শাহ জামাল, ৫ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়ীতে জন্ম নেওয়া এক প্রতিভাবান তরুণ। যিনি লেখাপড়া, ইসলামী সংস্কৃতি ও সংগঠনী চেতনা সব ক্ষেত্রেই নিজের উজ্জ্বল উপস্থিতি রেখে গেছেন। দাখিল–আলিম থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত, তিনি কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ নিয়ে বেড়ে উঠা এক নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রনেতা। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গান, আবৃত্তি ও অভিনয়ে ছিলেন স্বপ্রতিভ; আর সংগঠনের কাজে তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল, সাহসী ও অটল। ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর ফকিরাপুলে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আহত হওয়ার পর কয়েকদিন মৃত্যুপথযাত্রা শেষে ১২ অক্টোবর তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর জীবন এক তরুণের স্বপ্ন, আদর্শ আর সংগ্রামী বিশ্বাসের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আজও স্মরণীয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#14
শহীদ হাফেজ মনসুর আহমেদ প্রধানীয়া

শহীদ হাফেজ মনসুর আহমেদ প্রধানীয়া

📍 জেলা: চাঁদপুর

শহীদ হাফেজ মনসুর আহমেদ প্রধানীয়ার জন্ম ৩১ জানুয়ারি ১৯৮৮ চাঁদপুর জেলায়। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বিনয়ী, পরোপকারী ও ধর্মপ্রাণ এক মেধাবী তরুণ। পবিত্র কোরআনের হাফেজ হিসেবে শিক্ষা জীবনে ধারাবাহিক সফলতা অর্জন করে তিনি পরে ঢাকায় সিটি ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেন। ইসলামী আদর্শের প্রতি গভীর অনুরাগ তাকে সংগঠনী কাজ ও ন্যায়বিচারের পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’-তে অংশ নিয়ে মালিবাগ এলাকায় পুলিশের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ আজও সংগ্রাম, নিষ্ঠা ও ত্যাগের এক অনুপ্রেরণাদায়ী প্রতীক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#15
শহীদ হাফেজ মো: শহিদুল ইসলাম (শাহ আলম)

শহীদ হাফেজ মো: শহিদুল ইসলাম (শাহ আলম)

📍 জেলা: মানিকগঞ্জ

শহীদ হাফেজ মো. শহিদুল ইসলাম (শাহ আলম) মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের জৈল্ল্যা গ্রামের অতি সাধারণ এক ঘর থেকে উঠে আসা অসাধারণ এক তরুণ। যিনি অল্প বয়সেই কোরআনের হাফেজ হয়ে মাতৃহৃদয়ের ভরসার বাতিঘর হয়ে উঠেছিলেন। শৈশবেই পিতৃহারা এই মেধাবী ছাত্র দাওরা হাদিস ও ইমামতির মাধ্যমে যেমন নিজের পবিত্র চরিত্র নির্মাণ করছিলেন, তেমনি দায়িত্ববোধে পরিবারের একমাত্র আশ্রয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ইসলাম ও রাসূল (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে আহুত কর্মসূচিতে যোগ দিতে পথে বের হয়ে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদের অমিয় সুধা পান করেন। মায়ের কাছে থাকা খড়ের মতোই একমাত্র সম্বল তাকে ছেড়ে গেলেও রেখে গেল অটল ঈমান, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক দীপ্ত প্রতিচ্ছবি, যা আজও হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#16
শহীদ মোঃ আলমগীর হোসেন

শহীদ মোঃ আলমগীর হোসেন

📍 জেলা: মানিকগঞ্জ

শহীদ মোঃ আলমগীর হোসেন, ১৯৭৩ সালে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের গোবিন্দল গ্রামে জন্ম নেওয়া এক অক্লান্ত পরিশ্রমী কৃষক। যিনি জীবনভর পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছেন নীরবে। অভাব–অনটনের মাঝেও ভাইবোনদের শিক্ষায় আগলে রাখা আর নিজের সন্তানের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্নই ছিল তাঁর প্রেরণা। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ নবী (সা.) কে অবমাননার প্রতিবাদে ডাকা কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে তিনি শহীদের মর্যাদা লাভ করেন। সত্য ও ন্যায়ের প্রতি অবিচল অবস্থান তাঁকে সাধারণ এক দিনমজুর থেকে পরিণত করেছে সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর অকালপ্রয়াণ আজও পরিবার ও স্থানীয় মানুষের হৃদয়ে এক গভীর শূন্যতার মতো থেকে গেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#17
শহীদ মাওলানা মো: নাসির উদ্দীন

শহীদ মাওলানা মো: নাসির উদ্দীন

📍 জেলা: মানিকগঞ্জ

শহীদ মাওলানা মো: নাসির উদ্দীন, ১৯৮৩ সালে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের গোবিন্দল গ্রামে জন্ম নেওয়া এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের প্রতিভাবান সন্তান। যিনি সব প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে আলেম হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন। ভাই-বোনের বড় পরিবারে তিনি ছিলেন সবার ভরসা, এক অদম্য পরিশ্রমী ও মানবসেবায় নিবেদিত তরুণ আলেম। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষার শান্তিপূর্ণ অবস্থানে আহত ভগ্নিপতির পাশে দাঁড়াতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর বিদায় দুঃখে স্তব্ধ করে দেয় মা, স্ত্রী ও তিন বছরের শিশুসহ পুরো গ্রামকে। আত্মত্যাগের গল্পে তিনি আজও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে আছেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#18
শহীদ মোঃ নাজিম উদ্দীন মোল্লা

শহীদ মোঃ নাজিম উদ্দীন মোল্লা

📍 জেলা: মানিকগঞ্জ

শহীদ মোঃ নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ১৯৮৫ সালে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরের গোবিন্দল গ্রামে জন্ম নেওয়া এক নম্র, পরিশ্রমী ও দায়বদ্ধ তরুণ। অভাবের সংসারে বড় হয়ে হলেও তিনি ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। তারুণ্যেই পরিবারের প্রয়োজনে চার বছর তিনি দুবাই ছিলেন অতঃপর দেশে ফিরে মাত্র দেড় বছর আগে বিয়ে করেছেন। নাজিমের স্ত্রী শারমিন এখন বাবার বাড়িতে। ২৮ ফেব্রুয়ারি’১৩ নাজিম সৌদি আরব যাওয়ার নির্ধারিত ফ্লাইট ছিল। নবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং সেদিনই শাহাদাত বরণ করেন। পরিবারের একমাত্র ছেলে নাজিম ছিলেন তাদের ভরসা, স্বপ্ন ও আগামীর প্রতিশ্রুতি যার অবর্তমানে ভেঙে যায় একটি দরিদ্র পরিবারের জীবনসমগ্র। তবু তার সাহস, প্রতিবাদী মনোভাব ও নিষ্ঠা আজও স্মরণীয় হয়ে আছে আপনজনদের হৃদয়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#19
শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক

শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক

📍 জেলা: ময়মনসিংহ

শহীদ মো: আবদুর রাজ্জাক ১ মার্চ ১৯৯০ সালে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুতিজানা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। এক শান্ত-স্বভাবের, মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ তরুণ। ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি সক্রিয়ভাবে দ্বীনি ও নৈতিক আদর্শের পক্ষে কাজ করতেন। ৩ মার্চ ২০১৩ হরতালের সমর্থনে পিকেটিং চলাকালে বেপরোয়া গতির ট্রাকের ধাক্কায় তিনি শহীদের মর্যাদা লাভ করেন। জীবদ্দশায় নীরব চরিত্র, দায়িত্বশীলতা ও ইসলামী আন্দোলনে একনিষ্ঠ অংশগ্রহণের জন্য তিনি সকলের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন। তাঁর ত্যাগ আজও তার পরিবার, সহযোদ্ধা ও সমাজকে ন্যায় ও আদর্শের পথে দৃঢ় থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#20
শহীদ ফরিদ আহমদ মণ্ডল

শহীদ ফরিদ আহমদ মণ্ডল

📍 জেলা: গাজীপুর

শহীদ ফরিদ আহমদ মণ্ডল, ১ জানুয়ারি ১৯৮৮ সালে গাজীপুরের যোগীতলা গ্রামে জন্ম নেওয়া এক স্বপ্নবান তরুণ, যিনি ছাত্রজীবনেই আদর্শ ও সাহসিকতার জন্য পরিচিতি পান। আজিম উদ্দিন কলেজের মেধাবী এই ছাত্র সংগঠনের সাথী হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবসময় সামনে থেকেছেন। ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজপথে গুলিবিদ্ধ হয়ে এবং ১১ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। আন্দোলনের ঝড়ো দিনে তার অদম্য সাহস, নেতৃত্ব ও প্রতিবাদী কণ্ঠ আজও গাজীপুরের তরুণ প্রজন্মকে আলোড়িত করে। তার রক্তে লেখা এই ত্যাগের ইতিহাস সংগঠনকে দিয়েছে শক্তি—আর রেখে গেছে এক অনন্ত প্রেরণার মশাল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#21
শহীদ মো. সাদ্দাম হোসাইন

শহীদ মো. সাদ্দাম হোসাইন

📍 জেলা: ফরিদপুর

শহীদ মো. সাদ্দাম হোসাইন, ১৯৯১ সালে ফরিদপুরের মধুখালীতে জন্ম নেওয়া এক শান্তস্বভাবী কিন্তু দৃঢ়চেতা ক্বারী ও আলিম শ্রেণির ছাত্র। ধর্মীয় শিক্ষায় অগ্রসর হওয়ার পাশাপাশি তিনি ইসলামী আন্দোলনের ডাককে দেখতেন ন্যায় ও আদর্শের পথে হাঁটার দায়িত্ব হিসেবে। ২০১৩ সালের ৫ মে, শাপলা চত্বরে সাথীদের বিদায় জানিয়ে তিনি একাই এগিয়েছিলেন নিজের বিশ্বাসের সীমানা পর্যন্ত যেখানেই তাঁর শাহাদাতের পরিসমাপ্তি। পরিবারের কাছে তিনি শুধু একজন সন্তান নন, ছিলেন ঈমানি সাহসের অনন্য প্রতীক; আর তাঁর নাম আজো উচ্চারিত হয় সংগ্রামী তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#22
শহীদ মাওলানা মো: আব্দুস ছালাম

শহীদ মাওলানা মো: আব্দুস ছালাম

📍 জেলা: রাজবাড়ী

শহীদ মাওলানা মো. আব্দুস ছালাম, ১৯৮১ সালে রাজবাড়ীর বারলাহুরিয়ায় জন্ম নেওয়া এক নিবেদিতপ্রাণ আলেম ও সমাজসেবক। ঝিনাইদহের আরাফপুর জামে মসজিদের খতিব এবং কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক হিসেবে ছিলেন মানুষের আস্থার ঠিকানা। ভোরের আলো ফোটার আগেই দান-সদকা করা, মানুষের দোয়া চাওয়া ও ইসলামের দাওয়াতে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ছিল তাঁর দৈনন্দিন সাধনা। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, জুমার নামাজের পর আল্লাহ ও রাসুল ﷺ–কে অবমাননার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন তিনি কিন্তু ফেরার পথে অতর্কিত হামলায় প্রাণ দেন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষের এই সাহসী কণ্ঠ। তাঁর মৃত্যু শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজকে শোকাহত করে। তার রেখে যাওয়া আদর্শ আজও মানুষের মাঝে জাগিয়ে রাখে প্রতিবাদের শক্তি ও ঈমানের অটল প্রেরণা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#23
শহীদ আলী আসগর খান রাহাত

শহীদ আলী আসগর খান রাহাত

📍 জেলা: সিলেট

শহীদ আলী আসগর খান রাহাত, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার কায়েস্থরাইল গ্রামে জন্ম নেওয়া এক মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের তরুণ। যিনি ছাত্রজীবনে সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। মদন মোহন কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স শিক্ষার্থী রাহাত ধর্মীয় মূল্যবোধ, ন্যায়বোধ ও দায়িত্ববোধকে জীবনপথের মূল শক্তি মনে করতেন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় আকস্মিক গুলিবর্ষণে গুরুতর আহত হয়ে তিনি দীর্ঘ নয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আদর্শিক বিশ্বাসে অটল থাকা এই তরুণের অকালপ্রয়াণ তার পরিবার, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর হৃদয়ে গভীর শোকের দাগ রেখে গেছে। তাঁর জীবন তরুণ প্রজন্মকে ন্যায়, দায়িত্ব ও মানবিকতার প্রতি দৃঢ় থাকার অনুপ্রেরণা দেয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#24
শহীদ গোলাম রব্বানী

শহীদ গোলাম রব্বানী

📍 জেলা: সিলেট

শহীদ গোলাম রব্বানী ৩০ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে সিলেটের বিশ্বনাথের পাখিছিরি গ্রামে জন্ম নেওয়া এক নিরহংকারী, শান্ত ও নীতিবান তরুণ। কৃষিশ্রমে পরিবারের হাল ধরলেও তাঁর হৃদয়ে ছিল দাওয়াতি কাজের প্রতি গভীর নিবেদন এবং দেশের বুকে ইসলামের বিজয়ের অকৃত্রিম স্বপ্ন। জান্নাতের প্রত্যাশা বুকে ধারণ করা এই তরুণের ২০ মার্চ ২০১৩ সালে নিরপরাধ নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেন। বিশ্বনাথে ইসলামী আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে সেই দিন পুলিশের নির্বিচার গুলিতে কপালে গুলি লেগে তিনি শহীদ হন। জানাযায় হাজারো মানুষের অশ্রু ও ভালোবাসা তাঁর সংগ্রামী জীবনের মূল্যায়নকে আরও গভীর করে তোলে। তাঁর শাহাদাত আজও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের এক অনন্ত প্রতীক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#25
শহীদ লোকমান হোসেন

শহীদ লোকমান হোসেন

📍 জেলা: মৌলভীবাজার

শহীদ লোকমান হোসেন, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় জন্ম নেওয়া এক বিশ্বাসী, শান্ত স্বভাবের ও পরিশ্রমী তরুণ। যিনি দারিদ্র্যের মাঝে থেকেও পরিবারের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন বুকে লালন করতেন। অল্প বয়সেই পড়াশোনা ছেড়ে কৃষিকাজে নেমে পরিবারকে টানতে থাকেন। কিন্তু অন্তরে ছিল ঈমান, ন্যায় ও ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি গভীর ভালোবাসা। আল্লামা সাঈদীর রায় ঘোষণার প্রতিবাদে তিনি জনতার কাতারে দাঁড়ান এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান। তার জানাজায় এলাকায় জনসমাবেশের রূপ নেয়। এলাকার মানুষ তাকে সত্যের পথে অবিচল এক সাহসী শহীদ হিসেবে স্মরণ করে। স্বল্প বয়সের জীবন দিয়ে হলেও লোকমান হোসেন রেখে গেছেন সংগ্রাম, আদর্শ ও ত্যাগের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#27
শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার

শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার

📍 জেলা: পিরোজপুর

শহীদ মোঃ শুকুর আলী হাওলাদার, ১৯৯১ সালে পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলার কালাইয়া গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি এক সহজ-সরল ও পরিশ্রমী তরুণ, সংসারের অভাব সত্ত্বেও টিউশনি করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ন্যায়, ঈমান ও নীতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাকে সমাজে করে তুলেছিল সবার আস্থাভাজন। ২০১৩ সালে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির প্রতিবাদে তিনি চার কিলোমিটার হেঁটে শান্তিপূর্ণ মিছিলে যোগ দেন। মধ্যরাতে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়ে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও সাহসের অমর প্রতীক হয়ে ওঠেন। তাঁর শাহাদাত আজও পরিবার-স্বজন ও স্থানীয় মানুষদের হৃদয়ে আলো জ্বালিয়ে রাখে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#28
শহীদ মোঃ ইব্রাহিম খলিল

শহীদ মোঃ ইব্রাহিম খলিল

📍 জেলা: পটুয়াখালী

শহীদ ইব্রাহিম খলিল, জন্ম ১৯৮৫ সালে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া গ্রামে, ছিলেন বরিশাল বিএম কলেজের গণিত বিভাগের মেধাবী মাস্টার্স পরীক্ষার্থী। শৈশব থেকেই নম্র স্বভাব, ধর্মনিষ্ঠ জীবনযাপন ও দায়িত্বশীলতায় তিনি ছিলেন পরিবারের ভরসা। ৫ মে ২০১৩, বায়তুল মোকাররমের উত্তাল মুহূর্তে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান। তাঁর মৃত্যু পরিবার, সহপাঠী ও গ্রামের মানুষের হৃদয়ে গভীর বেদনার পাশাপাশি ন্যায়ের দাবিকে আরও দৃঢ় করে তোলে। তরুণ এই ছাত্রের জীবন ও শাহাদাত আজও স্মরণ করিয়ে দেয় আদর্শের পথে অটল থাকার শক্তি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#29
শহীদ মাওলানা সেকান্দার আলী

শহীদ মাওলানা সেকান্দার আলী

📍 জেলা: পটুয়াখালী

শহীদ মাওলানা সেকান্দার আলীর জীবন ছিল নীরব সংগ্রাম আর মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার এক দীপ্ত প্রতিচ্ছবি। দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়েও তিনি জ্ঞান ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোকে নিজের জীবনের ব্রত বানিয়েছিলেন। নন-এমপিও শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছেন টিয়ার গ্যাস, পিপার স্প্রে, লাঠির আঘাত কিন্তু তার মন ভাঙেনি কখনো। শেষ পর্যন্ত শিক্ষকদের ন্যায়বিচারের সেই পথেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। শোকাহত রেখে গেলেন স্ত্রী, চার কন্যাসন্তান ও বৃদ্ধা মা। তার আত্মত্যাগ আজও মনে করিয়ে দেয় মানুষের অধিকারের জন্য দাঁড়ানো এক মহৎ ইবাদত, আর সত্যের পথে হাঁটলে সাধারণ জীবনও হয়ে ওঠে শহীদির নক্ষত্রখচিত আলোয় আলোকিত।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#30
শহীদ মো: সিরাজুল ইসলাম

শহীদ মো: সিরাজুল ইসলাম

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ মো: সিরাজুল ইসলামের জীবন ছিল সংগ্রাম, সততা আর অদম্য সাহসের এক মর্মস্পর্শী যাত্রা। অভাবের সংসারে বড় হতে না পারলেও তিনি পরিশ্রম ও আমানতের শক্তিকে আঁকড়ে ধরেছিলেন। করিমন চালানো থেকে ধান ভাঙানো, সব কাজেই ছিল তার নিষ্ঠার ছাপ। অন্যায়ের মুখে তিনি কখনো পিছিয়ে যাননি; মানুষের প্রতি তার মমতা ও দায়িত্ববোধই তাকে শেষবারের মতো পিকেটিংয়ের মাঠে দাঁড় করায়। বন্ধুকে উদ্ধারে ছুটে যাওয়া সেই মুহূর্তেই তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেন ন্যায় ও বিশ্বাসের পথে। রেখে যান এক দেড় বছরের কন্যা, শোকাহত পরিবার আর অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে থাকা এক সাহসী, মানবিক মানুষের স্মৃতি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#31
শহীদ মো: আলাউদ্দীন আলাল

শহীদ মো: আলাউদ্দীন আলাল

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ মোঃ আলাউদ্দীন আলাল পাবনার দরিদ্র কৃষকঘরে জন্ম নেওয়া এক নরম-হৃদয়, পরিশ্রমী তরুণ। যার জীবনের মূল শক্তি ছিল পরিবার ও ন্যায়বোধ। ছোটবেলা থেকেই অভাবকে সঙ্গী করে তিনি বর্গাচাষ ও দিনমজুরির মধ্যেই পরিবারের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের পক্ষে দাঁড়ানো ছিল তাঁর সহজাত সাহস, যা শেষ পর্যন্ত তাকে জীবনের চূড়ান্ত পরীক্ষার মুখোমুখি করে। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩-এর সকালের গুলিবিদ্ধ সেই মুহূর্তে তিনি আল্লাহর নাম উচ্চারণ করতে করতে পৃথিবী ছেড়ে যান ফেলে যান নববিবাহিতা স্ত্রী, শোকাহত মা-বাবা ও এক অপূর্ণ ভবিষ্যৎ। তার মৃত্যু আজও মনে করিয়ে দেয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষের জীবন ছোট হলেও তার রেখে যাওয়া আলো দীর্ঘস্থায়ী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#32
শহীদ মোঃ আবু সাঈদ

শহীদ মোঃ আবু সাঈদ

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ মোঃ আবু সাঈদ পাবনার সাঁথিয়ার তেথুলিয়া গ্রামের এক শ্রমজীবী মানুষ। যার জীবন গড়ে উঠেছিল পরিশ্রম, বিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের নির্মল মাটিতে। মাছ ব্যবসা ও নসিমন চালিয়ে চার কন্যা ও পরিবারকে টিকিয়ে রাখা এই মানুষটি ছিলেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত এক শান্ত-স্বভাব, ন্যায়পরায়ণ কর্মী। ২০১৩ সালে দলীয় হরতালের দিনে ও পরদিন ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন। মাথা, চোখ ও শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিনি হাসপাতালের পথেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু পরিবার ও স্থানীয় সমাজে ন্যায়বোধ, অধিকার এবং মানবিক মর্যাদার প্রশ্নে গভীর আলোড়ন তোলে এক সাধারণ মানুষের গল্পকে পরিণত করে এক অনুচ্চারিত প্রতিরোধের প্রতীকে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#33
শহীদ এস এম শরিফুল ইসলাম

শহীদ এস এম শরিফুল ইসলাম

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ এস এম শরিফুল ইসলাম, জন্ম ১১ আগস্ট ১৯৭৩, পাবনা। তিনি একজন শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সমাজগঠনের নিরলস কর্মী, যিনি ছাত্রজীবন থেকেই নৈতিক উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও সংগঠনী চর্চায় নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। আছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে দুইবার নির্বাচিত ইউপি সদস্য হিসেবে তিনি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, মসজিদ-মাদরাসা-স্কুলসহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। চরবলরামপুরে দাখিল মাদরাসা প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার শিক্ষাবঞ্চিতদের জন্য নিরব কাজ তাকে দ্রুতই মানুষের আস্থা ও জনপ্রিয়তার কেন্দ্রে নিয়ে আসে। ন্যায় ও জনগণের অধিকারের পক্ষে তার সোচ্চার অবস্থান তাকে বহুবার হামলার মুখে ফেলে, যা শেষ পর্যন্ত ১৯ এপ্রিল ২০১৫ এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পরিণত হয়। স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন কন্যাকে রেখে যাওয়া এই নিবেদিতপ্রাণ মানুষটি আজ সমাজে সত্য, দায়িত্ববোধ ও জনসেবার এক অমর প্রতীক হয়ে আছেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#34
শহীদ মুন্নাছ আলী

শহীদ মুন্নাছ আলী

📍 জেলা: পাবনা

শহীদ মুন্নাছ আলী পাবনার ঈশ্বরদীর সরাইকান্দি গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া এক পরিশ্রমী কৃষিশ্রমিক ও রাজমিস্ত্রি, যিনি সামান্য শিক্ষায় বড় হতে না পারলেও সততা, ঈমানদারি ও সমাজচেতনায় নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। কর্মজীবনের ফাঁকে তিনি স্থানীয়ভাবে নানা কর্মসূচিতে অংশ নিতেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার অবস্থান তাকে সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন করে তোলে। ২০১৩ সালের হরতাল উত্তেজনার দিন মুলাডুলি শেখপাড়া এলাকায় পিকেটিং চলাকালে সশস্ত্র সংঘর্ষের মুখে পড়েই তিনি প্রাণ হারান। মৃত্যুর আগের দিন সহকর্মীদের সঙ্গে আশ্রয়ে বসে শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলেছিলেন, যা তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আদর্শের প্রতি অটল মানসিকতার ইঙ্গিত বহন করে। স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে যাওয়া এই সাধারণ শ্রমজীবী মানুষটি আজও স্মরণীয় তৃণমূলের সংগ্রামী মানুষের জীবনের এক বাস্তব, মানবিক প্রতিচ্ছবি হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#35
শহীদ মোঃ ছলেমান শেখ

শহীদ মোঃ ছলেমান শেখ

📍 জেলা: মেহেরপুর

শহীদ মোঃ ছলেমান শেখ মেহেরপুর সদরের রঘুনাথপুর গ্রামের এক নীরব পরিশ্রমী দিনমজুর। যিনি দরিদ্রতার মাঝেও পরিবার, সমাজ ও ধর্মীয় দায়িত্বে ছিলেন অটল। কর্মজীবনের অবসরে তিনি গ্রামবাসীকে কোরআন শিক্ষা দিতেন এবং সংগঠনের যে কোনো ডাকেই ছুটে যেতেন অকুণ্ঠ নিষ্ঠায়। ২০১৩ সালের আগস্টে সংগঠনের নিবন্ধন-বাতিলের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত মিছিল ও সড়ক অবরোধে অংশ নিয়ে ফিরে যাওয়ার পথে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন এবং দুইদিন পরে রাজশাহী মেডিক্যালে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু গ্রামের মানুষকে গভীর শোকে আচ্ছন্ন করে; এমনকি প্রিয় ভাইপোর লাশ দেখে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ফুফু আমেনা বেগমও। দায়িত্ববান পুত্র, মায়াবী স্বভাবের ভাই, এবং দুই সন্তানের স্নেহময় পিতা ছলেমান আজ মানুষের স্মৃতিতে বেঁচে আছেন সততা, নৈতিকতা ও তৃণমূল সংগ্রামের প্রতীক হয়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#36
শহীদ আবদুল জাব্বার

শহীদ আবদুল জাব্বার

📍 জেলা: মেহেরপুর

শহীদ আবদুল জাব্বার মেহেরপুরের হিজলি গ্রামের জনমানসে যিনি পরিচিত ছিলেন ন্যায়পরায়ণ জনপ্রতিনিধি, সমৃদ্ধ ব্যবসায়ী এবং ধর্মপরায়ণ এক নিবেদিত মানুষ হিসেবে। মাত্র সপ্তম শ্রেণির শিক্ষায় বেড়ে ওঠা এই ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নিজ প্রচেষ্টায় জ্ঞান অর্জন করে এলাকায় মসজিদের ইমামতি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজের সম্পদ ও প্রভাব অকাতরে ব্যয় করেছেন। ২০১৩ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার ভেতর মাত্র জামায়াতে ইসলামী করার কারণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে, এবং সেদিন রাতেই গ্রামের পানের বরোজে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে ‘ক্রসফায়ার’-এর গল্প সাজিয়ে। সততা, দানশীলতা ও নৈতিক দৃঢ়তার জন্য স্থানীয়রা আজও তাকে স্মরণ করেন যিনি সরকারি চাল বিতরণ থেকে জমির বিরোধ সব ক্ষেত্রেই সত্যের পক্ষে অটল ছিলেন। স্ত্রী, পাঁচ কন্যা এবং দুই পুত্রকে রেখে যাওয়া এই মানুষটি তৃণমূল সমাজে ন্যায়, মানবিকতা ও ঈমানি অবদানের এক উজ্জ্বল দলিল হয়ে আছেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#37
শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন

শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন

📍 জেলা: মেহেরপুর

শহীদ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মেহেরপুরের দরিয়াপুর গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারের বড় সন্তান, যিনি অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরলেও ধর্মনিষ্ঠা ও পরোপকারের চর্চা কখনো ছাড়েননি। শৈশব থেকে গরু-ছাগল চরানো ও মাঠের কাজের ফাঁকেও তিনি সময়মতো নামাজ আদায় করতেন, আর বড় হয়ে সৌদি আরবে দশ বছরের প্রবাসজীবনে পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন। দেশে ফিরে তিনি ইসলামী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে দারিয়াপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ান। ২০১৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে মিছিলে পুলিশের গুলিতে প্রথম সারিতে দাঁড়ানো এই মানুষটি শহীদ হন। পরিবার, প্রতিবেশী ও সহযোদ্ধারা আজও তাকে স্মরণ করেন এক ঈমানদার, পরিশ্রমী ও মানবিক চরিত্রের প্রতিচ্ছবি হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#38
শহীদ তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

শহীদ তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

📍 জেলা: মেহেরপুর

শহীদ তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মেহেরপুরের বোসপাড়ায় জন্ম নেওয়া এক শিক্ষিত, মানবিক ও জনপ্রিয় জননেতা। যিনি ছাত্রজীবন থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র ও সংগঠক হিসেবে সমাজগঠনের পথ বেছে নেন। ব্যবসা ও জনসেবাকে সমান্তরালে এগিয়ে নিয়ে তিনি দরিদ্র, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিরল জনপ্রিয়তার অধিকারী হয়ে ওঠেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের দিনগুলোতে বছরের পর বছর আত্মগোপনে থেকেও তিনি সংগঠন পরিচালনা ও সাধারণ মানুষের সেবায় ছিলেন অটল। ঠিক এই জনপ্রিয়তাই তাঁকে টার্গেটে পরিণত করে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে ডিবি পুলিশের তুলে নেওয়ার পরদিন ক্রসফায়ারের নামে তাঁর জীবন brutally শেষ করে দেওয়া হয়। তবুও তিনি রয়ে যান ত্যাগ, সাহস, মানবিকতা ও জনকল্যাণের এক অবিনশ্বর প্রতীক হয়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#39
শহীদ মো: মজনু মিয়া

শহীদ মো: মজনু মিয়া

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ মোঃ মজনু মিয়া গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর এক পরিশ্রমী কৃষিশ্রমিক। যিনি দারিদ্র্যের বাস্তবতা বয়ে পরিবারকে টিকিয়ে রেখেও ছিলেন নম্র, সৎ ও নিরীহ চরিত্রের প্রতিচ্ছবি। হাটে দোকান চালানো থেকে ভ্যান চালানো জীবিকার কঠিন পথে হাঁটলেও পরিবারের জন্য স্বপ্ন দেখতেন, বিশেষ করে একমাত্র সন্তানকে মানুষ করার আকাঙ্ক্ষায় বেঁচে ছিলেন। ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাসুল (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদে তৌহিদি জনতার মিছিলে অংশ নিয়ে গুলিবর্ষণ ও নৃশংস আক্রমণের শিকার হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। তাঁর মৃত্যু শুধু স্ত্রী ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নয়, এক দরিদ্র পরিবারের নির্ভরতার স্তম্ভটিকেও ভেঙে দেয়। তবুও মানুষ আজও তাকে স্মরণ করে এক সাধারণ কিন্তু ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো অসাধারণ মানুষের প্রতীক হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#40
শহীদ মো: জুয়েল রানা

শহীদ মো: জুয়েল রানা

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ মোঃ জুয়েল রানা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের মেধাবী কিশোর। যার স্বপ্ন ছিল আলেম হয়ে সমাজকে আলোকিত করা। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তিনি ছাত্রশিবিরের সমর্থক হিসেবে নিয়মিত নামাজ, কুরআন-হাদিস অধ্যয়ন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিয়ে বেড়ে উঠছিলেন। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদী সাহেবের রায়ের প্রতিবাদে জনতার মিছিলে যোগ দিলে পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। পরদিন তার লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়, আর লাশ দাবি করতে গেলে বড় ভাই জিয়ারুলকে উল্টো হত্যা মামলায় পাঁচ মাস জেল খাটতে হয়। এক কিশোরের এই নির্মম পরিণতি শুধু একটি পরিবারের নয় পুরো অঞ্চলের বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়া একটি অবিচারের প্রতীক হয়ে আজও স্মরণীয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#41
শহীদ মো: ফরিদুল ইসলাম

শহীদ মো: ফরিদুল ইসলাম

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ মোঃ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরগঞ্জের হুড়াভায়াখী গ্রামের এক পরিশ্রমী কাঠমিস্ত্রি। যিনি অভাবের জীবন সত্ত্বেও ধর্মীয় অনুশাসন, মাহফিল ও সামাজিক দায়িত্ববোধে ছিলেন গভীরভাবে সম্পৃক্ত। পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে তিনি শুধু রোজগারই করতেন না, ছোট ভাইয়ের পড়ালেখার খরচও তার হাতে তুলে দিতেন নিঃস্বার্থভাবে। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদী সাহেবের রায়ের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে জনতার সাথে এগোতেই পুলিশের গুলিতে তিনি আহত হন এবং পরে থানার ভেতর নির্মম নির্যাতনে প্রাণ হারান। তার লাশও পরিবারকে না দিয়ে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। এটি একটি অবিচার, যা আজও সেই গ্রামের মানুষের স্মৃতিতে ক্ষতের মতো রয়ে গেছে। ফরিদুলের মৃত্যু সাধারণ মানুষের প্রতিবাদী চেতনা এবং রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের ভয়াবহ পরিণতির একটি জ্বলজ্বলে দলিল হয়ে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#42
শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার

শহীদ অধ্যক্ষ বজলুল হক সরকার

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ অধ্যক্ষ মোঃ বজলুল হক সরকার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও অধ্যক্ষ। যিনি শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, ধর্মীয় নৈতিকতায়ও ছিলেন দৃঢ় বিশ্বাসী। ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন তিনি কলেজ মিলনায়তনে মাওলানা সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে রায় দেখছিলেন। রায় শোনার পরই সেই মুহূর্তে হার্টঅ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পড়ুয়া-ছাত্র থেকে শুরু করে সহকর্মী, সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেছিলেন, তাঁর মৃত্যু ছিল সেই মুহূর্তের ন্যায়বোধ ও মানবিকতার বিস্ময়কর প্রতিফলন। তিনি এক নীরব ন্যায্যবিরোধী ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি তার বিশ্বাস ও ধর্মীয় আন্দোলনে শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বাস রাখতেন। তার মৃত্যুই হয়ে উঠল এক শিক্ষা ন্যায়ের দাবিতে দাঁড়ানোও কখনো কখনো সবচেয়ে বড় ত্যাগ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#43
শহীদ মোঃ নাজমুস সাকিব

শহীদ মোঃ নাজমুস সাকিব

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব গাইবান্ধার পলাশবাড়ী জন্ম নেওয়া এক সংগ্রামী তরুণ। যিনি দরিদ্র সংসারে বড় হয়েও বি.এ পাশ করেন এবং ইসলামী আন্দোলনে হয়ে ওঠেন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। ৫ জানুয়ারির পরবর্তী দমন-পীড়নের সময়ে জনতার সাথে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখান থেকেই র‍্যাব তাকে তুলে নিয়ে ১১ জানুয়ারি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার পরে “ক্রসফায়ার” নামে তার লাশ ফেলে যায়। সাহসিকতা, নৈতিকতা এবং জনআন্দোলনের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার তাকে আজও এলাকার মানুষের কাছে ত্যাগ ও আদর্শের প্রতীক করে রেখেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#44
শহীদ এস.এম শাহাবুল ইসলাম

শহীদ এস.এম শাহাবুল ইসলাম

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ এস.এম. শাহাবুল ইসলাম, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এক মেধাবী শিক্ষার্থী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নিবেদিত কর্মী ছিলেন। উদ্ভিদ বিজ্ঞানে মাস্টার্স করার সময় আন্দোলন-সংগ্রামে জড়ান। ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের দিন তিনি স্থানীয় জনতার সঙ্গে ভোটকেন্দ্র অবরোধে অংশ নিলে ছাত্রলীগ-যুবলীগের হামলায় নির্মমভাবে নিহত হন। সব কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকা শাহাবুল ছিলেন সাহস ও ত্যাগের প্রতীক, যিনি আদর্শের প্রতি অটল থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তার মৃত্যু স্থানীয় জনতার কাছে গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে এক বেদনাদায়ক কিন্তু প্রেরণাদায়ী অধ্যায় হয়ে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#47
শহীদ মোস্তফা মনজিলুর রহমান

শহীদ মোস্তফা মনজিলুর রহমান

📍 জেলা: গাইবান্ধা

শহীদ মোস্তফা মনজিলুর রহমান, গাইবান্ধা সদরের মিরপুর গ্রামে জন্মানো এক তরুণ সংগঠক। গাইবান্ধা সদর উপজেলার ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি ও পরে জামায়াতের কর্মী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন। দেশব্যাপী উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ রাতে তিনি গোবিন্দগঞ্জের একটি স্কুল ভবন থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। পরিবারের অভিযোগ গ্রেফতারের পর কাছ থেকে গুলিতে তার মৃত্যু ঘটে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এক কন্যা সন্তানের জনক মোস্তফা মনজিল স্থানীয় ইসলামী সংগঠনে দায়িত্বশীলতা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার জন্য পরিচিত ছিলেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#50
শহীদ মোঃ আবু তাহের

শহীদ মোঃ আবু তাহের

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছোট ঢেমশা গ্রামে ১৯৮৩ সালে জন্ম নেওয়া মোঃ আবু তাহের জীবনের অভাব-সংগ্রাম সঙ্গী করেই ডেকোরেটরের হেল্পারি করে পরিবার চালাতেন। সাধারণ, শান্ত স্বভাবের এই মানুষটি মাওলানা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে গড়ে ওঠা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ২ মার্চ ২০১৩ পুলিশি গুলিতে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর নিষ্পাপ জীবনের বিনিময়ে ভেঙে পড়ে পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ মা, ভবিষ্যৎহারা স্ত্রী, আর বাবাকে ডাকার বয়সেই বাবাকে হারানো দুই বছরের শিশু। সমাজের প্রান্তে বাস করা একজন পরিশ্রমী মানুষের এই অপূর্ণ গল্প আজ অন্যায়ের নির্মম প্রতিচ্ছবি হয়ে রয়ে গেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#51
শহীদ মো: শহিদুল ইসলাম

শহীদ মো: শহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার আজিমপুর গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মো: শহিদুল ইসলাম মাত্র ১৩ বছরেই কর্মজীবনে নেমেছিলেন। চামড়ার গুদাম থেকে শুরু করে নানা দোকানে শ্রম দিয়ে পরিবারের ভরসা হয়ে ওঠেন। মানসিকভাবে অসুস্থ পিতার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে তিনি স্বপ্ন দেখতেন পাঁচ বছরের মধ্যেই পরিবারের দারিদ্র্য দূর করবেন। সাঈদী মুক্তি দাবির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যোগ দিতে গিয়ে ২ মার্চ ২০১৩ পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। ছেলেকে হারিয়ে মা প্রতিদিন অজ্ঞান হয়ে পড়েন, আর পিতা আজও রাস্তায় বসে চকলেট হাতে তার ফেরার অপেক্ষায় থাকেন। শ্রমজীবী এই কিশোরের অসমাপ্ত স্বপ্ন আর তার পরিবারের কান্না আজো অন্যায়ের নির্মমতার নীরব সাক্ষ্য হয়ে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#52
শহীদ মো: ওসমান গনি

শহীদ মো: ওসমান গনি

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার পূর্ব আফজাল নগর থেকে উঠে আসা মো: ওসমান গনি ছিলেন এক দরিদ্র পরিবারের প্রধান ভরসা—পেশায় ড্রাইভার, চরিত্রে সংযমী ও নামাজী। সংসারের হাল ধরে তিনি স্বপ্ন দেখতেন দারিদ্র্য ভাঙার, মা–বাবার মুখে হাসি ফোটানোর। ২ মার্চ ২০১৩—সাঈদীর মুক্তির দাবিতে সাতকানিয়ায় শান্তিপূর্ণ ব্যারিকেডের মুহূর্তে পুলিশের অতর্কিত গুলিতে তিনি প্রাণ হারান, হার্টে আটকে থাকা সেই বুলেটেই শেষ হয় তাঁর পথচলা। সহযোদ্ধারা বলেন, “ইসলামের সম্মান রক্ষায় তিনি জীবন দিয়েছেন”—আর বাবা সেই দিন রাস্তায় পাওয়া সংবাদকে বিশ্বাসই করতে পারেননি। ওসমান গনির মৃত্যু শুধু এক পরিবারের অবলম্বনকে শেষ করেনি, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক সাধারণ মানুষের সাহসকে ইতিহাসের দিকে তুলে দিয়েছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#53
শহীদ রেজাউল হায়াত রোমান

শহীদ রেজাউল হায়াত রোমান

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের দক্ষিণ ঘোড়ামারায় জন্ম নেওয়া রেজাউল হায়াত রোমান ছিলেন ১৬ বছরের এক পরহেযগার ছাত্র। যার চরিত্রের কেন্দ্রে ছিল ইমান, সাহস আর আত্মত্যাগের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। পিতার ভাষায় তাহাজ্জুদের অন্ধকারে তিনি আল্লাহর কাছে শাহাদাতের জন্য কাঁদতেন এবং ঈমানের দাবিকে কর্মেই রূপ দিতে চেয়েছিলেন। ৩১ মার্চ ২০১৩, কেন্দ্রীয় নেতার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বার আউলিয়া মোড়ে শান্তিপূর্ণ অবরোধে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। মুহূর্তেই একটি বেপরোয়া ট্রাক তার জীবন কেড়ে নেয়। তার সহপাঠীদের স্মৃতিতে রোমান রয়ে গেছে ‘প্রথম শহীদ হওয়ার অঙ্গীকার’ পূরণ করা সেই দৃঢ়চেতা কিশোর হিসেবে। তার মৃত্যু শুধু একটি পরিবারকে বিপর্যস্ত করেনি, বরং এলাকার মানুষের চোখে ন্যায় ও বিশ্বাসের পথে দাঁড়ানো এক তরুণের অটুট আদর্শকে চিরস্মরণীয় করে গেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#54
শহীদ মাঈনুদ্দীন হাসান মুন্না

শহীদ মাঈনুদ্দীন হাসান মুন্না

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ছমদর পাড়া থেকে উঠে আসা মাঈনুদ্দীন হাসান মুন্না ছিলেন এক অমায়িক, পরোপকারী তরুণ। চাকরি করে সংসার সামলাতেন, আবার নীরবে ইসলামী আন্দোলনের কাজে সহযোগিতা করতেন। রাজনৈতিক সহিংসতার চাপ বাড়লে তিনি গ্রাম ছেড়ে শহরে মামার বাসায় আশ্রয় নেন কিন্তু সেখানেও রক্ষা পাননি। ১৭ মার্চ ২০১৩, গভীর রাতে এক তল্লাশি অভিযানে পুলিশের হাতে তিনি নির্মম নির্যাতনের শিকার হন এবং চারতলা থেকে ফেলে দেওয়ার পর গুরুতর আহত অবস্থায় গ্রেফতার হন। পাঁচ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে ২৩ মার্চ হাসপাতালে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তার মৃত্যু দক্ষিণ চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, নাগরিক নিরাপত্তাহীনতা ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নকে আরও প্রবলভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#55
শহীদ মাহফুজুর রহমান সিকদার

শহীদ মাহফুজুর রহমান সিকদার

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার তালগাঁও-এ জন্ম নেওয়া মাহফুজুর রহমান সিকদার ছিলেন এক অমায়িক, প্রখর মেধাসম্পন্ন ধর্মপ্রাণ কর্মী। যিনি শিক্ষকতার মতো কোমল ভাষায় মানুষকে ইসলামের পথে আহ্বান করতেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দ্বীনি আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং সমাজে শান্তি, ন্যায় ও শিষ্টাচারের প্রচারেই তার সময় ব্যয় হতো। ১ মার্চ ২০১৩, সাঈদীর রায়ের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে যোগ দিলে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন। সিলেট ওসমানী মেডিক্যালে ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে ২১ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মা আজও কবরের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেন “আমার নিরপরাধ ছেলের অপরাধটা কী ছিল?” আর সেই প্রশ্নই তার জীবনের অবদান ও ত্যাগকে আরও গভীরভাবে স্মরণ করায়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#56
শহীদ মো: ফোরকান চৌধুরী

শহীদ মো: ফোরকান চৌধুরী

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে জন্ম নেওয়া মো: ফোরকান চৌধুরী ছিলেন একজন পরোপকারী ফার্মেসি ব্যবসায়ী, যিনি এলাকার বিচার-সালিস ও মানবসেবায় গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন। রাজনৈতিক অস্থিরতার বছরগুলোতে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে এসে ইসলামী মূল্যবোধে শান্ত জীবনযাপন করতেন। ১৯ মার্চ ২০১৩ ভোরে গ্রেফতার অভিযানের শব্দে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন; তিন ঘণ্টা পর তাকে পুকুরপাড়ে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। আঘাতচিহ্ন না থাকায় স্বজনদের ধারণা তিনি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার মৃত্যু একদিকে পরিবারকে অসহায় করে তোলে, অন্যদিকে এলাকায় ন্যায়, সেবা ও সততার প্রতীক হিসেবে তার স্মৃতিকে আরও দৃঢ় করে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#57
শহীদ মুহাম্মদ শিহাব উদ্দীন নিজামী

শহীদ মুহাম্মদ শিহাব উদ্দীন নিজামী

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পূর্ব ডোমখালী গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম মাওলানা মুহাম্মদ শিহাব উদ্দীন নিজামী। তিনি ছিলেন সীতাকুণ্ড বগাচতর মাদরাসার নিবেদিতপ্রাণ প্রভাষক যিনি শিক্ষাদান, মসজিদ-মাদরাসার খেদমত ও ইসলামী কর্মকাণ্ডে ছিলেন সবার ভরসার মানুষ। ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে তিনি ৫ মে ২০১৩ হেফাজতের সমাবেশে যোগ দেন এবং পুলিশের গুলিতে সেদিনই মৃত্যুবরণ করেন। জীবদ্দশায় তিনি বলেছিলেন ‘দ্বীন কায়েম না করে ফিরব না’; আর সেই অঙ্গীকারের পথেই তার মৃত্যু ঘিরে সৃষ্টি হয় শোকের ঢল। পরিবার-পরিজনের সীমাহীন কষ্টের মাঝেও এলাকাবাসী আজও তাকে স্মরণ করে সত্য, সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে। তার প্রস্থান শুধু একটি পরিবারের ভরসা হারানো নয়, বরং এক নিবেদিত শিক্ষক ও কর্মঠ মানুষের নীরব বিদায়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#58
শহীদ মুজাহিদুল ইসলাম

শহীদ মুজাহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পূর্ব কিসমত জাফরাবাদে জন্ম নেওয়া শহীদ মুজাহিদুল ইসলাম ছিলেন এক মেধাবী, ভদ্র ও পরহেজগার ছাত্র। যিনি দাখিল থেকে এইচএসসি পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে উজ্জ্বল ফলাফল করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা এ তরুণ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের শান্ত স্বভাবের এক নিবেদিত সাথী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২, ক্যাম্পাসে সহিংস রাজনৈতিক হামলায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার মৃত্যু পরিবার, সহপাঠী ও এলাকার মানুষের হৃদয়ে গভীর শোকের স্রোত বয়ে আনে; সবাই হারায় এক সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ, এক আদর্শবান নীরব সংগ্রামীকে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#59
শহীদ মো: আবু বকর সিদ্দিক পারভেজ

শহীদ মো: আবু বকর সিদ্দিক পারভেজ

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

সীতাকুণ্ডের আমিরাবাদের শান্ত পরিমণ্ডলে বড় হয়ে ওঠা মো. আবু বকর সিদ্দিক পারভেজ ছিলেন কর্মে নিবেদিত এক সাধারণ ব্যবসায়ী। কিন্তু ন্যায়বোধে ছিলেন অসাধারণ। শহীদ রাসেলের হত্যার প্রতিবাদে ৭ আগস্ট ২০১৩ মিছিলে যোগ দিতে গিয়ে তিনি পুলিশের গুলিতে লুটিয়ে পড়েন। কালিমার শব্দ উচ্চারণ করতে করতে তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর ঠিক এক সপ্তাহ পর জন্ম নেয় তার তৃতীয় সন্তান, যে বাবার স্নেহ কেমন তা জানবে গল্পে গল্পে। এলাকার মানুষ আজও তাকে মনে রাখে সাহস, ন্যায্যতা ও ত্যাগের উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে। পারভেজের ত্যাগ যেন নীরব কথায় বলে অন্যায়ের সামনে দাঁড়ানো মানুষ কখনোই সাধারণ থাকে না।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#60
শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল রাসেল বাবু

শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল রাসেল বাবু

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের উত্তর ফেদাইনগরে জন্ম নেওয়া শহীদ মো. আব্দুল্লাহ আল রাসেল বাবু ছিলেন স্বভাবতই ন্যায়নিষ্ঠ, সাহসী ও ইসলামী আদর্শে দৃঢ়প্রাণ এক তরুণ কর্মী। যিনি চাকরির পাশাপাশি দাওয়াতি কাজে ছিলেন অগ্রণী মুখ। চার বছর পর এলাকায় ফিরে তিনি যুবকদের নিয়ে ইফতার মাহফিল আয়োজন করেন, যার পর থেকেই তাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় লাগাতার হুমকি ও নজরদারি। ২৮ রমজান বাজারের পথে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা রড, চাপাতি ও কুঠারের আঘাতে তাকে নির্মমভাবে ক্ষতবিক্ষত করে। মৃত্যুপূর্ব শেষ মুহূর্তে তিনি বন্ধুকে বলেন “আমি শহীদ হয়ে যাবো, আমার কানের কাছে কালিমা পড়” এবং অল্প কিছুক্ষণ পরেই চট্টগ্রাম মেডিকেলে শাহাদাত লাভ করেন। তার মৃত্যু এলাকায় ন্যায়বোধ, ঈমানি সাহস ও ত্যাগের প্রতীক হয়ে আজও মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় অসত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো মানুষ কখনোই পরাজিত হয় না।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#61
শহীদ আবদুল হাকিম

শহীদ আবদুল হাকিম

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

১৯৭৪ সালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার তুলাতলীতে জন্ম নেওয়া শহীদ আবদুল হাকিম ছিলেন আলিম-পাস শিক্ষিত। ফকির মাওলা একাডেমির প্রিন্সিপাল ও ইসলামী আদর্শে দৃঢ়প্রাণ জামায়াতের একনিষ্ঠ কর্মী। ন্যায়, আদর্শ ও ত্যাগকে জীবনের মাপকাঠি বানানো এই নিরহংকারী মানুষটি বিয়ে পর্যন্ত না করে আন্দোলনের ঝুঁকিপূর্ণ পথেই নিজেকে সঁপে দেন। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর রাতে বাড়ি ফেরার পথে বশির বাহিনীর হাতে অপহৃত হয়ে তিনি নির্মমভাবে জবাই হয়ে শাহাদাত বরণ করেন। পরদিন স্থানীয়রা গাছের বাগান এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে, যা মুহূর্তেই জনজাগরণে পরিণত হয়। তার মৃত্যু সাতকানিয়ার জনপদে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস, আদর্শনিষ্ঠার মূল্য ও সত্যের পথে অটল থাকার এক অমর প্রতীক হয়ে রয়ে গেছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#62
শহীদ কামাল উদ্দীন

শহীদ কামাল উদ্দীন

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

১৯৭১ সালের ১ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার গারাংগিয়ায় জন্ম নেওয়া শহীদ কামাল উদ্দীন ছিলেন এক অস্বচ্ছল পরিবারে বেড়ে ওঠা পরিশ্রমী যুবক। যার জীবন গড়ে ওঠে সততা, শ্রম ও ইসলামি আদর্শের ওপর। ছোটবেলায় মাতৃহারা এই মানুষটি গ্রীল-ওয়ার্কশপ ব্যবসার পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রমে নিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে রাতে ফেরার পথে অপহরণের পর বশির বাহিনীর হাতে তিনি নির্মমভাবে নিহত হন। পরদিন ডলু নদী থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার হলে এলাকায় শোকের ঢেউ ও ন্যায়বিচারের দাবিতে জনজাগরণ সৃষ্টি হয়। কামাল উদ্দীন আজ সাতকানিয়ার মানুষের কাছে নৈতিক দৃঢ়তা ও আদর্শিক অটলতার প্রতীক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#63
শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ

শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মধ্যঘাগড়ায় জন্ম নেওয়া শহীদ মোঃ আবু ইউছুফ ছিলেন একজন মেধাবী আলেম। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কুরআনিক সাইন্সে উচ্চশিক্ষিত এবং পেশাগত জীবনে ডেসটিনির চট্টগ্রাম রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত এক সদালাপী সমাজসেবক। আদর্শিক নিষ্ঠায় সংগঠনের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ২৩ অক্টোবর ২০১৩-এ মারাত্মকভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই কিডনি বিকল হয়ে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৫টায় তিনি ইন্তেকাল করেন। জীবনের প্রতিটি পর্বেই হাসিমুখে সবাইকে সাহায্য করা, ভালোর দিকে আহ্বান করা ও সততার উপর অটল থাকা ছিল তার স্বভাব। মৃত্যুর পর তার স্ত্রী, ২২ মাস বয়সী একমাত্র কন্যা ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর হৃদয়ে গভীর শূন্যতা তৈরি হয়। ত্যাগ, নৈতিকতা ও নরম হৃদয়ের এই মানুষটি আজ স্মৃতিতে এক আলো যিনি নীরবে বাঁচতেন, কিন্তু আদর্শের জন্য উজ্জ্বলভাবে শহীদ হলেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#64
শহীদ আবুল বশর

শহীদ আবুল বশর

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মধ্যম কাঞ্চনার সন্তান শহীদ আবুল বশর ছিলেন নীরব চরিত্রের এক সাহসী কর্মী, যিনি ন্যায়বিচার ও নেতৃত্বের সংকটে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার জন্য পরিচিত ছিলেন। ২০১২–১৩ সালের আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিকূল সময়েও তিনি নির্ভয়ে আদর্শিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। দীর্ঘদিন মিথ্যা মামলার চাপ সহ্য করে আত্মগোপনে থাকা এই মানুষটিকে ১৫ অক্টোবর ২০১৬ রাতে গ্রেপ্তার করে ভোরের আলো ফুটবার আগেই ছনখোলায় গুলি করে হত্যা করা হয়। তার দুই শিশু পুত্র ও স্ত্রী আজও স্মরণ করেন এক সৎ, নরম-স্বভাব, দায়িত্বশীল পরিবারের অভিভাবককে। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অটল থাকা এই সাধারণ মানুষের ত্যাগ স্থানীয় জনতার হৃদয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#65
শহীদ আহমদ ছাফা

শহীদ আহমদ ছাফা

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

সাতকানিয়ার পশ্চিম ঢেমশার নিবেদিতপ্রাণ কর্মী শহীদ আহমদ ছাফা ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের প্রতি শৈশব থেকেই অটল এক বিশ্বাসী, যিনি পরে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হিসেবে মানুষের আস্থার কেন্দ্র হয়ে ওঠেন। মটর পার্টস ব্যবসার পাশাপাশি তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বে সততা, ধৈর্য ও আদর্শের দৃঢ়তা দিয়ে পরিচিতি অর্জন করেন। ছাত্রশিবিরের দিনগুলো থেকেই শহীদ বন্ধুদের স্মৃতি ও ত্যাগ তাঁকে আন্দোলনের পথে আরও স্থির করে তোলে। ২০১৭ সালের মে মাসে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের মধ্যেই তাঁর অসুস্থতা বাড়তে থাকে, এবং ৩১ মে চট্টগ্রাম মেডিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যু রামপুরের মানুষকে শোকে স্তব্ধ করে, আর তাঁর জীবন থেকে রেখে যায় নিষ্ঠা, ত্যাগ ও নীরব নেতৃত্বের এক গভীর স্মৃতিচিহ্ন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#66
শহীদ আমিনুল ইসলাম আমিন

শহীদ আমিনুল ইসলাম আমিন

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জন্ম নেওয়া শহীদ আমিনুল ইসলাম আমিন ছিলেন একনিষ্ঠ দাওয়াতী কর্মী, ব্যবসায়ী নেতা এবং বাড়োকুণ্ড ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি। ছাত্রজীবন থেকে নেতৃত্বে অভ্যস্ত এই মানুষটি ইসলামী আন্দোলন, সামাজিক প্রভাব ও সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতায় এলাকায় আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। স্থানীয় জনতার ভালোবাসা ও রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা তাঁকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর পরিবারের সামনে সাদা পোশাকধারীদের হাতে অপহৃত হয়ে তিন দিনের নির্যাতন শেষে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া যায় মহাসড়কের পন্থছিলা কসাইখানার পাশে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অটল অবস্থান ও সাহসিকতার জন্য আমিনুল আজও সীতাকুণ্ডের মানুষের স্মৃতিতে অমলিন এক শহীদ-নেতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#67
শহীদ এনামুল হক লালু

শহীদ এনামুল হক লালু

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার একটি ধর্মভীরু পরিবারে জন্ম নেওয়া শহীদ এনামুল হক লালু ছিলেন মেধাবী আলিম পরীক্ষার্থী ও বড়হাতিয়া শিবির শাখার তরুণ সভাপতি। নীরব স্বভাব, ভদ্র আচরণ আর সংগীতপ্রিয় মন তাকে সহপাঠী ও শিক্ষকদের কাছে এক আলোকিত চরিত্রে পরিণত করেছিল। অন্যায়ের সামনে আপোষহীন এই কিশোর আন্দোলনের দিনে বলতেন “জন্মের সিরিয়াল আছে, মৃত্যুর নেই” আর সেই বিশ্বাসেই দাঁড়িয়েছিলেন নির্যাতিত মানুষের পাশে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন প্রতিরোধে গিয়ে পুলিশের গুলি ও সন্ত্রাসীদের হামলায় রক্তাক্ত ভূমিতে তিনি শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেন। তাঁর মৃত্যু লোহাগাড়ার জনপদে শোকের ঢেউ তোলে, আর রেখে যায় আদর্শে অটল এক তরুণ সংগ্রামীর অনন্ত স্মৃতি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#68
শহীদ হাফেজ মোঃ জসীম উদ্দন

শহীদ হাফেজ মোঃ জসীম উদ্দন

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের ডোমখালী গ্রামে জন্ম নেওয়া হাফেজ মোঃ জসীম উদ্দীন ছিলেন একাধারে ধর্মপ্রাণ ছাত্র, শ্রমজীবী তরুণ ও অসুস্থ মায়ের একমাত্র সহায়। সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে রংমিস্ত্রির কষ্টশ্রমে পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখা এই যুবক ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবেদিত কর্মী। ২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর মাগরিবের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে ওৎ পেতে থাকা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নির্মম হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। জীবন-মৃত্যুর দৌড়ে হাসপাতালের পথে রাতেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর মৃত্যু মিরসরাইয়ে শোকের ঢেউ তোলে, আর রেখে যায় আদর্শে দৃঢ় এক নিরহংকার তরুণের স্থায়ী স্মৃতি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#69
শহীদ মুহাম্মদ জসীম উদ্দীন

শহীদ মুহাম্মদ জসীম উদ্দীন

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

শহীদ মুহাম্মদ জসীম উদ্দীন জন্ম: ৫ জুলাই ১৯৮১, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ জামায়াত কর্মী ও স্থানীয় ইউনিট সভাপতি, যিনি সমাজসেবা ও ধর্মীয় চেতনার মাধ্যমে এলাকায় পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। হাসমতের দোকান বাজারে ফার্নিচারের ব্যবসার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত মানুষকে নামাজে ডাকতেন, সামাজিক কাজে যুক্ত থাকতেন এবং ইসলামের পথে নিজের জীবন বিলিয়ে দেওয়ার চেতনা নিয়েই কাজ করে গিয়েছেন । ২০১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি এক নিকটাত্মীয়ার জানাযা শেষে মটর সাইকেলে ফেরার পথে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় পুলিশ তাকে গুলি করলে তিনি আহত হন এবং পরবর্তীতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর স্ত্রী খুরশিদা আক্তার সুমী ও তিন সন্তানের জীবনে নেমে আসে গভীর অর্থনৈতিক দুরবস্থা। গ্রামবাসীর স্মৃতিতে তিনি থেকে গিয়েছেন সাহস, নিষ্ঠা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রতীক হিসেবে। স্থানীয় মানুষের ভাষায় জসিম ছিলেন সত্যিকারের সৎ, নম্র এবং ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এক মানুষ; তাঁর চলে যাওয়া আজও এলাকার প্রতিটি হৃদয়ে বেদনার আলোড়ন তোলে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#71
শহীদ মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন

শহীদ মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড আলিয়া মাদ্রাসার আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ মোশারফ হোসাইন। তিনি সহজ-সরল জীবন, মিষ্টি আচরণ আর নিঃশব্দে কাজ করার মনোভাবেই ছিলেন সবার প্রিয়। দাওয়াতি কাজ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ তাকে খুব অল্প বয়সেই সকলের কাছে পরিচিত করে তুলে। দীন প্রতিষ্ঠার পথে অবিরাম সংগ্রামে তিনি ২০১৩ সালে ছাত্রলীগের হামলায় গুরুতর আহত হন এবং চার মাস কারাবরণ করেন, তবু থামেননি। আর সেই দৃঢ়তাকেই থামিয়ে দেয় ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারির ভোরের নির্মমতা অপহরণ, নির্যাতন, ইটের আঘাতে থেঁতলে দেওয়া মাথা, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ দেহ। ১৯ জানুয়ারি লাশ শনাক্তের পর বাবার ইমামতিতে জানাযা সম্পন্ন হয়। মোশারফ হয়ে ওঠেন এক অমর আত্মত্যাগের প্রতীক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#72
শহীদ রেজাউল করিম রাসেল

শহীদ রেজাউল করিম রাসেল

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের মধ্যম ইয়াকুব নগরে জন্ম নেওয়া রেজাউল করিম রাসেল (২৫) ছিলেন জামায়াতের সহযোগী সদস্য। স্থানীয়ভাবে পরিচিত শান্ত স্বভাবের এই তরুণ কর্মী ৯ ডিসেম্বর ২০১৩ হরতাল কর্মসূচির মিছিলে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় পাহাড়ের দিকে ছুটে ওঠার পর কাছ থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন তিনি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান রাসেল দীর্ঘদিন ধরেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সক্রিয় ছিলেন এবং বন্ধুদের কাছে শহিদি মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষার কথা জানাতেন। তার মৃত্যু স্থানীয়ভাবে তীব্র শোক, ক্ষোভ ও সরকারি বর্বরতার অভিযোগকে আরও জোরদার করে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#73
শহীদ মুহাম্মদ সাকিবুল ইসলাম

শহীদ মুহাম্মদ সাকিবুল ইসলাম

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

শহীদ মুহাম্মদ সাকিবুল ইসলাম পিতৃহারা শৈশব পেরিয়ে স্বপ্ন বুকে নিয়ে বড় হওয়া এক মেধাবী তরুণ। যিনি মাদরাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সবখানেই ছিলেন উজ্জ্বল, শান্ত স্বভাবের ও আদর্শবান। ২০১৫ সালের ২০ জানুয়ারি কদমতলীতে দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় আহত হওয়ার পর পুলিশি নির্যাতন ও প্রশাসনিক গড়িমসির শিকার হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়েছিলেন তিনি। পরিবারের আর্ত অনুরোধ উপেক্ষা করে চিকিৎসায় প্রতিনিয়ত বাধা সৃষ্টি করা হয়। অবশেষে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ২৮ জানুয়ারি রাত ৩টায় তিনি পাড়ি জমান চিরন্তন প্রতিফলের পথে। সাত বোনের শেষ আশ্রয়, শত মানুষের প্রিয়মুখ এই তরুণের বিদায় আজও তার মায়ের হৃদয়ের ক্ষতকে জাগ্রত রেখেছে “আমার ছেলের দোষ কী ছিল?” তবুও মানুষের হৃদয়ে সাকিব বেঁচে আছেন সাহস, নিষ্ঠা ও সত্যের জয়গানের প্রতীক হয়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#74
শহীদ মো: ইমরান খান

শহীদ মো: ইমরান খান

📍 জেলা: পাবনা

চট্টগ্রামের তরুণ ইমরান খান পাবনার এক সাধারণ পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন ভদ্র, মৃদুভাষী ও দায়িত্বে নিবেদিত একটি প্রাণ। টিউশনের টাকা দিয়ে বাবা-মাকে সহযোগিতা করা থেকে শুরু করে ছোট ভাইবোনদের পড়াশোনায় হাত ধরে চলা সবকিছুতেই তিনি ছিলেন পরিবারের ভরসা। ডায়েরির পাতায় তিনি স্বপ্ন লিখতেন: নতুন বছরের সকালটা যেন মসজিদের ফজর নামাজ দিয়ে শুরু হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, অলঙ্কার মোড়ে শান্তিপূর্ণ মিছিলে হঠাৎ পুলিশের গুলিতে সব স্বপ্ন থেমে যায়; বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা ইমরান দুই ঘণ্টা পর নিথর হয়ে ওঠেন। বাবার ভাষায়, “আমার ব্যাংক ব্যালেন্স বলে যদি কিছু থাকে, তা ছিল আমার সন্তানরা” আর সেই ভরসার প্রথম সন্তানটি সেদিন রাষ্ট্রীয় বর্বরতার বলি হয়ে শাহাদাতের গৌরবময় মর্যাদা অর্জন করেন। তার জানাজায় হাজারো মানুষের ভিড় প্রমাণ করে একটি ভালো, সরল, ন্যায়নিষ্ঠ হৃদয়ের চলে যাওয়া পুরো সমাজকেই শূন্য করে দিয়েছিল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#75
শহীদ আবিদ বিন ইসলাম

শহীদ আবিদ বিন ইসলাম

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের নম্র-হৃদয়ের তরুণ আবিদ বিন ইসলাম ছিলেন একাধারে দাওয়াতি কাজে নিবেদিত, স্বপ্নবাজ ও সবার প্রিয় বন্ধু। এলাকার শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কাছে তার সাইকেলের ঘণ্টা আর হাসির উচ্ছ্বাস ছিল চেনা দৃশ্য। নিজের কম্পিউটারও তিনি রেখেছিলেন সবার জন্য উন্মুক্ত। কিন্তু ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ রাতে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথে বের হলে নির্মম নির্যাতন ও গুলিতে তার জীবন শেষ করে দেওয়া হয়, উপড়ে নেওয়া হয় সেই মায়াময় চোখ, যেগুলো দেখে বাবার রাগও গলে যেত। পরদিন ভ্যানে পড়ে থাকা ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখে বাবার পৃথিবী ভেঙে পড়ে; আর জানাজায় ভিড় করে প্রায় পনেরো হাজার মানুষ। প্রমাণ করে আবিদের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, এক পুরো সমাজের বেদনা। ডায়েরিতে লেখা তার শেষ লাইন যেন নিজের নিয়তির পূর্বাভাস: “আমার মনের সকল আশা পূরণ হবে না এমন করে চলে যাবো, কেউতো বুঝবে না।”

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#76
শহীদ মো: আফজাল আহমদ

শহীদ মো: আফজাল আহমদ

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের কাট্টলীর দরিদ্র এক ঘরে জন্ম নেওয়া মো. আফজাল আহমদ ছিলেন ছয় ভাইবোনের ভরসা রাখার একমাত্র উপার্জনকারী। যে ১৪ বছর বয়স থেকেই সংসারের হাল ধরেছিল। বছর দুয়েক আগে গড়া ছোট সংসার স্ত্রী আরিনা ও এক বছরের কন্যা ছিল তার স্বপ্নের কেন্দ্র। কিন্তু ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ অলংকার মোড়ে বিক্ষোভের দিন হঠাৎ পুলিশের গুলিতে ভেঙে যায় সেই স্বপ্ন। দোকানের কাজ থেকে বেরোতেই পরপর কয়েক রাউন্ড গুলিতে লুটিয়ে পড়েন আফজাল। দুইদিন আগেই যে ছেলে প্যারালাইসিস আক্রান্ত বাবাকে নিজ হাতে খাইয়েছিল, সেই হাতই নিথর হয়ে ফেরে চট্টগ্রাম মেডিকেলের মর্গে। বোনের বিয়ের দাওয়াতপত্র ঠিক করেও যেতে না পারা এই তরুণের মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে যায় পরিবার। মা আর মোবাইলে হাতও রাখেন না, আর বাবা শুধু প্রশ্ন করেন “আমার ছেলের অপরাধ কি ছিল? ” শান্ত স্বভাবের, ঝগড়া এড়িয়ে চলা এই শ্রমজীবী যুবকের মৃত্যু আজও পরিবারটির হৃদয়ে এক নীরব, গভীর রক্তক্ষরণ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#77
শহীদ মো: শফিকুল ইসলাম

শহীদ মো: শফিকুল ইসলাম

📍 জেলা: বরগুনা

বরগুনার পাথরঘাটার দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া মো. শফিকুল ইসলাম চট্টগ্রামে গার্মেন্টসে কাজ করে বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটানোর স্বপ্ন লালন করতেন। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ মিছিলে যোগ দিতেই হঠাৎ পুলিশের গুলিতে কপালে বিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই নিথর হয়ে পড়েন কাউকে এগোতেও দেওয়া হয়নি, চিকিৎসা তো দূরের কথা। ছোটবেলা থেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি, নম্র-স্বভাব ও সবার প্রিয় এই যুবকটি পরিবারের কাছে ছিল একমাত্র আশার আলো। শাহাদাতের আগে বাবাকে বলে যাওয়া তার শেষ অনুভূতি ছিল “বাবা, আমাদের একটা ভাই মারা গেছে।” তার মৃত্যু পরদিন হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ও গায়েবানা জানাজায় পরিণত হয়, যেখানে স্থানীয়রা জানান শফিক ছিল অভাবকে উপেক্ষা করে আদর্শ বাঁচিয়ে রাখা এক তরুণ, যার রক্ত আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় অন্যায়ের মূল্য কত নির্মম।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#78
শহীদ হারুন-অর-রশীদ কায়সার

শহীদ হারুন-অর-রশীদ কায়সার

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের রাঘবপুরের মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের তরুণ হারুন-অর-রশিদ কায়সার। শৈশব থেকেই পড়ালেখা, চরিত্র ও ভদ্রতায় সবার প্রিয় ছিলেন; স্কুল-কলেজে সবসময় প্রথম হওয়া এই ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগেও দ্বিতীয় হয়ে সুনাম কুড়িয়েছিলেন। নিয়মিত নামাজ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবন আর মানুষের প্রতি অগাধ মায়ার জন্য সহপাঠী-শিক্ষক-প্রতিবেশী সবাই তাকে “অন্যরকম ভালো ছেলে” হিসেবে চিনত। কিন্তু ২৮ মার্চ ২০১০ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর রাতের শাটল ট্রেনে ফেরার পথে কায়সারকে বগিতেই তুলে নির্মমভাবে প্রহার করা হয়; পরে তাকে জবাই করে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া হয়। পরদিন চৌধুরীহাট রেললাইনের পাশে মিলল তার নিথর দেহ। খবরটি শুনে হতবাক হয়ে যায় পরিবার, গ্রাম আর বিশ্ববিদ্যালয়। শত শত মানুষের ঢলে অনুষ্ঠিত জানাজায় বাবা বলেছিলেন, “এই ছেলের নামে কোনোদিন অভিযোগ শুনিনি” আর মা বারবার ভেঙে পড়েছিলেন এই বলে যে, “ফুলের মতো ছেলেটাকে কেন মারল, সে তো কাউকে কোনোদিন কষ্ট দেয়নি।” শিক্ষক, সহপাঠী ও প্রতিবেশীদের হৃদয়ে কায়সার আজো এক অপূরণীয় শূন্যতা। মেধা, সৌম্য চরিত্র আর স্বপ্নে ভরা এক তরুণের অকালবিলীন হয়ে যাওয়ার নীরব স্মারক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#79
শহীদ মামুন হোসাইন

শহীদ মামুন হোসাইন

📍 জেলা: নোয়াখালী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ও শাহ আমানত হলের সেক্রেটারি মামুন হোসাইন ছিলেন নোয়াখালীর রামপুর গ্রামের শান্ত, মেধাবী ও স্বপ্নবাজ এক তরুণ। ছোটবেলা থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত এই ছাত্রের লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ ক্যাম্পাসে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান তিনি। আক্রমণকারীরা সেদিন হলে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিক্ষার্থীদের নির্বিচারে কোপাতে থাকে, গুরুতর আহত সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে সিঁড়িতে আটকা পড়েন মামুন। মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শ্বাস নিতে থাকা সেই মুহূর্তও সহ্য করতে না পেরে হামলাকারীরা শেষ ছুরিকাঘাতে তার জীবন কেড়ে নেয়। চট্টগ্রাম মেডিকেলে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয় একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছেলেকে হারিয়ে শোকে নিস্তব্ধ হয়ে যায় পরিবার। সহপাঠীরা বলেন, মামুন ছিলেন তাহাজ্জুদপাঠী, সৎ ও নীতিবান এক তরুণ যিনি সদস্য হওয়ার দিনই ঘোষণা করেছিলেন, “আজ আমি নিয়েছি দায়িত্বের শপথ আর শহীদের শপথ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#80
শহীদ মাসউদ বিন হাবীব

শহীদ মাসউদ বিন হাবীব

📍 জেলা: হবিগঞ্জ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মেধাবী ছাত্র ও সোহরাওয়ার্দী হলের সেক্রেটারি মাসউদ বিন হাবিব ছিলেন লেখক, চিত্রশিল্পী ও নীরব প্রতিভার এক উজ্জ্বল তরুণ। হবিগঞ্জের আজমেরীগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই দায়িত্বশীল ছেলেটির ডায়েরিতে লেখা ছিল “হঠাৎ মৃত্যু নয়, চাই শহীদী মৃত্যু” আর পিতা বলেছিলেন, “আমিন।” ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে নিরস্ত্র সহপাঠীদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান তিনি। জিরো পয়েন্টের ঢালে হামলাকারীদের রামদার কোপ ও গুলিতে লুটিয়ে পড়েন মাসউদ, সঙ্গী মুজাহিদও সেদিন প্রাণ হারান। বন্ধুরা বলেন, তিনি ছিলেন হাসিমাখা মুখের, ইবাদতে অটল, দায়িত্বে নিবেদিত এক তরুণ। শিল্পী, অভিনয় ও লেখালেখিতে যার প্রতিভা সবাইকে বিস্মিত করত। নিজের চাওয়া মতোই শেষ নিঃশ্বাসে তিনি রেখে গেছেন এক নির্মল, অবিচল শহীদের গল্প। যা আজও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাতাসে ব্যথার মতো ভেসে থাকে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#81
শহীদ মহিউদ্দীন মাসুম

শহীদ মহিউদ্দীন মাসুম

📍 জেলা: কক্সবাজার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র মহিউদ্দীন মাসুম। ছিলেন নীরব, ধর্মপ্রাণ ও দায়িত্বশীল এক তরুণ যার শেষ ইচ্ছা ছিল ন্যায় ও নৈতিকতার পথে অবিচল থাকা। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ রাতে ষোলশহর স্টেশনের ছোট মসজিদে এশার নামাজ শেষ করে বের হতেই ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীদের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। নামাজের সিজদাহই হয়ে ওঠে তার দুনিয়ার শেষ কাজ, আর রক্তে রঙিন হয়ে যায় মসজিদের প্রাঙ্গন। হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তাররা জানিয়ে দেন তার মৃত্যুর সংবাদ যা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসে। বাবা শুধু বলেছিলেন, “আল্লাহর সম্পদ আল্লাহ নিয়ে গেছেন” আর সহপাঠীরা তাকে ডেকেছেন এক নিরীহ ছাত্রসমাজের আর্তচিৎকার হিসেবে। শত সাথীর অশ্রুসিক্ত জানাজা ও প্রতিবাদী মিছিল জানিয়ে দেয় মাসুমের মৃত্যু কোনো একজনের নয়, এক প্রজন্মের বেদনা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#82
শহীদ মো: তোফায়েল আহমেদ

শহীদ মো: তোফায়েল আহমেদ

📍 জেলা: কক্সবাজার

শহীদ মো: তোফায়েল আহমেদ (১৯৮২–২০১৩) কক্সবাজার সদর উপজেলার উত্তর রোমালিয়ার ছড়া গ্রামের সন্তান। দরিদ্র পরিবারের চতুর্থ সন্তান তোফায়েল জীবিকার তাগিদে মুদির দোকানের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন এবং সততা ও মানবিকতায় সবার আস্থা অর্জন করেছিলেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, জুমার নামাজ শেষে হাশেমিয়া মাদ্রাসা মসজিদের সামনে আহত এক মুসল্লিকে উদ্ধার করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। সদ্য বিবাহিত তোফায়েল রেখে গেছেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও অনাগত এক সন্তান যার জন্ম হবে বাবার ছায়া ছাড়া। ত্যাগ, দায়িত্ববোধ ও মানবিক সাহসের প্রতীক হয়ে তিনি কক্সবাজারের মানুষের স্মৃতিতে অম্লান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#83
শহীদ মো: আব্দুর রশিদ

শহীদ মো: আব্দুর রশিদ

📍 জেলা: কক্সবাজার

শহীদ মো: আব্দুর রশিদ (১৯৮৬–২০১৩) কক্সবাজার সদরের সাতজোলাকাঠা গ্রামের সন্তান। দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে আলিম পাশ করা আব্দুর রশিদ জীবিকার তাগিদে প্রবাসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন এবং দেশে ফিরে ব্যবসায় যুক্ত হন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাবঞ্চিত অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। দুই শিশুসন্তান ও পিতামাতার উদ্দেশে লেখা তার শেষ চিঠিগুলো আজও দায়িত্ববোধ, ক্ষমা ও ঈমানি দৃঢ়তার অনন্য দলিল। ত্যাগ ও বিশ্বাসের এই সাহসী মানুষটি কক্সবাজারের ইতিহাসে এক গর্বিত শহীদের নাম হয়ে অমর।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#84
শহীদ মোঃ নুরুল হক

শহীদ মোঃ নুরুল হক

📍 জেলা: কক্সবাজার

শহীদ মোঃ নুরুল হক (১৯৭৮–২০১৩) কক্সবাজার সদরের ধর্মছড়ী গ্রামের একজন পরিশ্রমী সন্তান। জীবিকার প্রয়োজনে ছোট ব্যবসা ছেড়ে তিনি কক্সবাজারে চিংড়ি প্রজেক্টে চাকরি করতেন এবং পরিবারকে আগলে রাখতেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, জুমার নামাজ শেষে হাশেমিয়া মাদ্রাসা মসজিদের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পুলিশের গুলিতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শাহাদাত বরণ করেন। দুই অবুঝ সন্তান ও তরুণ স্ত্রীকে রেখে যাওয়া নুরুল হকের জীবন ছিল সংগ্রাম, দায়িত্ববোধ ও নীরব ত্যাগের প্রতিচ্ছবি। কক্সবাজারের মানুষ আজও তাকে স্মরণ করে এক সাহসী ও ঈমানদার শহীদ হিসেবে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#86
শহীদ মোঃ আহমদ সালেহ

শহীদ মোঃ আহমদ সালেহ

📍 জেলা: চট্টগ্রাম

শহীদ মোঃ আহমদ সালেহ (১৯৭০–২০১৩) কক্সবাজারে কর্মরত এক পরিশ্রমী মুদির দোকানকর্মী ও তিন সন্তানের স্নেহশীল পিতা। দারিদ্র্যের মাঝেও তিনি সততা, নীরব ধার্মিকতা ও মানুষের প্রতি কোমল আচরণে এলাকায় পরিচিত ছিলেন একজন সাধাসিধে মানুষ হিসেবে। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, কক্সবাজারের হাশেমিয়া মাদ্রাসা মসজিদ এলাকায় জুমার নামাজ শেষে পুলিশের গুলিতে বুক বিদীর্ণ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। তার শাহাদাত শুধু একটি জীবনহানিই নয় অবুঝ শিশুদের প্রশ্ন, স্ত্রীর নীরব আর্তি ও বৃদ্ধ পিতার নির্বাক কান্নায় রূপ নেয় এক গভীর সামাজিক বেদনায়। ত্যাগ, বিশ্বাস ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে শহীদ আহমদ সালেহ আজও কক্সবাজারের মানুষের স্মৃতিতে অম্লান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#87
শহীদ হামিদুল হক

শহীদ হামিদুল হক

📍 জেলা: কক্সবাজার

শহীদ হামিদুল হক (১৯৭২–২০১৩) কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া মাস্টারপাড়া এলাকার এক পরিশ্রমী সবজি পাইকার ও ধর্মপরায়ণ মানুষ ছিলেন। স্বল্পশিক্ষিত হলেও নিয়মিত নামাজ, মানবকল্যাণ ও ইসলামী আন্দোলনের প্রতি নিষ্ঠাই ছিল তার জীবনের মূল পরিচয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদে তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। ১৩ আগস্ট ২০১৩, জামায়াতের ডাকা হরতালের সমর্থনে মিছিলে অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে জীপের ধাক্কায় আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। নয় সন্তানের জনক হামিদুল হকের শাহাদাত কক্সবাজারে ত্যাগ, বিশ্বাস ও প্রতিবাদী চেতনার এক নীরব কিন্তু গভীর স্মারক হয়ে আছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#88
শহীদ মোঃ আবদুল আজিজ

শহীদ মোঃ আবদুল আজিজ

📍 জেলা: কক্সবাজার

শহীদ মোঃ আবদুল আজিজ কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরংবাজার এলাকার এক দরিদ্র জেলে পরিবারের সন্তান। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে তিনি লবণ মাঠে দিনমজুরের কাজ করে পরিবারের হাল ধরেন এবং সততা ও শান্ত স্বভাবের জন্য এলাকায় পরিচিত ছিলেন। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী আবদুল আজিজ অন্যায়ের প্রতিবাদে নীরবে সাহসী ছিলেন এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিলেন। ২৯ অক্টোবর ২০১৩, ধুরং বাজারে হরতাল সমর্থনকারী মিছিলে অংশ নিয়ে পুলিশের গুলিতে গলার কণ্ঠনালী বিদীর্ণ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। অভাবী পরিবারের স্বপ্ন আর বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে শহীদ আবদুল আজিজ আজও কুতুবদিয়ার মানুষের স্মৃতিতে ত্যাগ ও নির্ভীকতার এক জীবন্ত নাম।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#107
শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন

শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন

📍 জেলা: নোয়াখালী

নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সন্তান শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন। একটি দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসের রোগী ছিলেন। তাঁর পিতার নাম: আলি আহমদ। মায়ের নাম: বিলকিস বেগম। তিনি বসুরহাট ফাজিল মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার ইতি ঘটান। পেশায় ছিলেন পরিবহন ড্রাইভার। পিতা প্যারালাইসিসের রোগী হওয়ায় শহীদ সুমনকেই অল্প বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়। তাঁর একটি ছোট ভাই, দুটি ছোট বোন রয়েছে। বোনদের বিয়ে দিয়ে তিনিও বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যা সন্তানকে রেখে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে চলে যান মহান আল্লাহর কাছে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#108
শহীদ মাহমুদুল হোসাইন

শহীদ মাহমুদুল হোসাইন

📍 জেলা: নোয়াখালী

নোয়াখালী জেলার, চাটখিল পৌরসভায় ৬নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী জমাদার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন শহীদ মাহমুদুল হোসাইন। তাঁর পিতার নাম খোরশেদ আলম, মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। তিনি প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত চাটখিল তালিমুল কোরআন মাদরাসায় অধ্যয়ন করেন। আরও মানসম্মত শিক্ষা লাভের জন্য পিতা মাতা তাকে ভর্তি করিয়ে দেন নোয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান আল মাদরাসাতুদ দ্বীনিয়ায়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ ৫ পেয়ে দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। শহীদ হবার সময় তিনি ছিলেন একই প্রতিষ্ঠানের আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। দুই ভাই দুই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#117
শহীদ আবদুল্লাহ আল মুনজু

শহীদ আবদুল্লাহ আল মুনজু

📍 জেলা: কুষ্টিয়া

ছোটবেলা থেকেই শহীদ মুনজু কখনো নামাজ কাজা করতেন না। হাই স্কুল জীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন ছাত্র শিবিরের নিবেদিত প্রাণ কর্মী। বাড়িতে অনেক সময় পাড়ার মহিলা তাঁর মায়ের সঙ্গে গল্প করতে আসতো কিন্তু শহীদ মুনজু তাদের অনর্থক গল্প পছন্দ করতেন না। তাঁর দাদা ধূমপান করতেন। একদিন তিনি দাদাকে বলেন, বিড়ি খাওয়া ছেড়ে দেন। আপনি তো নামাজ পড়েন। বিড়ি খেলে অন্য নামাজীদের অসুবিধা হয়। সেদিন থেকে তাঁর দাদা বিড়ি খাওয়া ছেড়ে দেন। তিনি তাঁর নিজের পিতাকে তাগাদা দিয়ে নিয়মিত নামাজীতে পরিণত করেন। তাঁর পিতা বলেন, 'আমি নিয়মিত নামাজ পড়তাম না। ও আমাকে বলল, নিয়মিত নামাজ পড়তে হবে। আমি বললাম নামাজ না পড়লে কি হবে। আমি তো খারাপ কিছু করি না। ভালো কাজ করি। ও বলল, 'নামাজ না পড়লে তোমার ভাল কাজ যে আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।' তখন থেকে আমি নিয়মিত নামাজ আদায়ের চেষ্টা করি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#124
শহীদ হাফেজ মোঃ জসিম উদ্দীন জিহাদ

শহীদ হাফেজ মোঃ জসিম উদ্দীন জিহাদ

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

শহীদের পিতা বলেন- জসিম ছোটবেলা থেকে কখনও নামাজ কাযা করেনি। বিনয়, নম্র ও ভদ্রতায় ওঁর সমকক্ষ অত্র এলাকায় আমরা কাউকে দেখিনি। আবাল, বৃদ্ধ, বণিতা সবাই ওঁকে ভালোবাসত, কতিপয় ইসলামের শত্রু ছাড়া। ওঁকে হাফেজ বানাবো বলে ছোটবেলায় হাফেজি মাদ্রাসায় ভর্তি করাই। সাফল্যের সাথে হাফেজি শেষ করে মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। দাখিল পাশ করে ঝিনাইদহ আলিয়া মাদ্‌রাসায় ভর্তি হয়। তখন থেকেহ সংগঠনেও সময় দেয়া শুরু করে। ঈদের সময় অত্র এলাকার গরীব অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করতো। ভাইঝিকে হাফেজ বানাবে এটা ও সবসময় বলত। ওর শাহাদাতের পর ওর ভাইঝিটিকে আমরা হাফেজী মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিয়েছি। পলাতক থাকার সময় ওর বোন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে মোবাইলে ওকে দাড়ি কেটে পাঞ্জাবি, পায়জামা ছেড়ে লেবাস পাল্টাতে বলে। এই কথা বলাতে জসিম রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে যায়। মোবাইল বন্ধ করে রাখে। অনেকবার চেষ্টা করে মোবাইল রিসিভ করলে জিজ্ঞেস করে আপার কথায় রাগ করেছে কেন? জসিম ওর দুলাভাইকে জানায়, জীবন বাঁচানোর জন্য আমি আমার ইসলামী লেবাস পাল্টাবো না। সর্বশেষ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার চৌদ্দদিন পর ওর মাকে ফোন দেয়। এটাই ছিলো ওর মায়ের সাথে শেষ কথা। গুম হয়ে যাওয়ার আগে আমাকে বলে, "আমি শহীদ হয়ে গেলে, আলহামদুলিল্লাহ বলবে, আর আমার জন্য দোয়া করবে। আমি যেন শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করি।" তোমরা আমার ছেলের মত। তোমরা কেউ আসলে জসিমকে হারানোর বেদনা আমাদের থাকে না। তোমরা চলে গেলে ফের শূন্যতা অনুভব করি। জসিমের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার লক্ষ্যে তোমরা কাজ করে যাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#125
শহীদ ইবনুল ইসলাম পারভেজ

শহীদ ইবনুল ইসলাম পারভেজ

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

শহীদ ইবনুল ইসলাম পারভেজ। একটি প্রেরণার নাম। একটি আন্দোলনের নাম। যাঁর অসাধারণ মেধা, অতুলনীয় অনুপম চরিত্র, কথামালা, অমায়িক ব্যবহার, পরোপকারী মনোভাব আর আল্লাহভীরু মানসিকতা আমাদের প্রেরণার উৎস। কিন্তু প্রভুর প্রেমে পাগল দ্বীনের পথে এ মুজাহিদ দুনিয়ার এ ক্ষুদ্র স্বার্থে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে ছিলেন অনেক দূরে। বাড়ি গেলেই সবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করতেন, খোঁজ-খবর নিতেন, সালাম বিনিময় করে তাদের পারিবারিক কুশলাদি জানতেন। নামাজে ডাকতেন, আর দরদভরা মন নিয়ে মানুষকে ইসলামের কথা বোঝাতেন। শহীদের মিছিলে এক অগ্রসেনানী শহীদ ইবনুল ইসলাম পারভেজ। সতেরো দিন গুম অবস্থায় নিষ্ঠুর নির্যাতন করে পা-ভেঙে দেয়ার পর বর্বর পুলিশ দুই জুলাই রাতে বন্দুকযুদ্ধের নামে গুলি করে হত্যা করে ঝিনাইদহ শহরের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহকারি সাহিত্য সম্পাদক ইবনুল ইসলাম পারভেজকে। ২০১৬ সালের ২ জুলাই তিনি এই মিছিলে যোগ দেন। সেদিন ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাসে রক্ত দিয়ে লিখে গেছেন প্রিয় নামটি শহীদ ইবনুল ইসলাম পারভেজ। চলে গেছেন জান্নাতে তাঁর প্রভুর সন্নিকটে। জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ এবং মৃত্যুর ফয়সালা আসমানে হয়, জমিনে নয়। আল্লাহ এরশাদ করেন, কোনো আত্মার মৃত্যু হয় না আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া যা তার জন্য লিপিবদ্ধ। (সূরা আলে ইমরান: ১৪৫) আর শহীদ হিসেবে যদি আল্লাহ মৃত্যু নির্ধারণ করে থাকেন; তাহলে কারো সাধ্য নেই মৃত্যুকে ঠেকানোর।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#127
শহীদ মোঃ ইসরাইল হোসেন

শহীদ মোঃ ইসরাইল হোসেন

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

শাহাদাতের আগের দিন তিনি পিতার ব্যবসার কাজে সাতক্ষীরা গিয়েছিলেন, সেখান থেকে অবরোধের কর্মসূচির এবং মিছিল ও সমাবেশের সংবাদ পান। এ খবর পেয়ে পিতাকে বলেন আগামীকাল আমার পরীক্ষা আছে, এ পরীক্ষায় আমাকে অংশগ্রহণ করতেই হবে। ভোর রাতেই তিনি সাতক্ষীরা থেকে বাড়িতে আসেন এবং সকাল ৮ টার সময় মিছিলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে বাড়ী থেকে বেরিয়ে যান। পথিমধ্যে ভায়ের ছেলে আরিফ কে বলেন "আমি মিছিলে যাচ্ছি, দোয়া কর আমি যেন শহীদ হতে পারি, তুমি আমার কাজগুলো দেখাশোনা করবে।" যাওয়ার সময় মা চাচীদের কাছ থেকে দোয়া চেয়ে বেরিয়ে যান। ফিরে আসেন শহীদী মৃত্যুর জীবন্ত সাক্ষী হয়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#128
শহীদ মহিউদ্দিন সোহান

শহীদ মহিউদ্দিন সোহান

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

শুম থাকা অবস্থায় গোপনে চিরকুটের মাধ্যমে নিচের চিঠিটি পাঠিয়েছিলো সোহান। "মা আমার সালাম নিবে। আমি চলে গেলাম, যদি কখনো বেঁচে থাকি তাহলে আবার দেখা হবে আর যদি না ফিরে আসি, তাহলে দেখা হবে জান্নাতের সিঁড়িতে মা। তুমি গর্ব করতে পারো কারণ এমন সন্তান খুব কম মায়ের পেটে জন্ম নেয় যে দ্বীনের জন্য নিজের জান কুরবান দেয়। আমি গেলাম, প্রভুর সান্নিধ্য পেতে। তুমি আমার জন্য দোয়া কর। আমি যেখানেই থাকি না কেন তোমাদের জন্য দোয়া করব। পারলে ক্ষমা করো মা। আমি জিহাদে গেছি, একথা কাউকে বলো না। তাহলে পরিবারের সমস্যা হবে। আমার সালাম নেবে, ইতি সোহান।"

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#129
শহীদ সাইফুল ইসলাম মামুন

শহীদ সাইফুল ইসলাম মামুন

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

সাইফুল ইসলাম মামুনকে গত ৩ই জুলাই ঝিনাইদহের মেস থেকে গ্রেফতার করা হয়। যিনি ঝিনাইদহ শহর শাখার সাবেক সাথী ও সাবেক থানা অর্থসম্পাদক ছিলেন। কিন্তু বরাবরের মতই তাঁকে গ্রেফতার কথা অস্বীকার করে পুলিশ। সাইফুল ইসলামসহ গ্রেপ্তার হওয়া আরও চার জনের সন্ধানের দাবীতে সংগঠন ও পরিবারের পক্ষ থেকে বিবৃতি প্রদান করা হয়। পুলিশ এদের মধ্য থেকে দুই জনকে স্বীকারোক্তির নাটক সাজিয়ে গত ১৭ জুলাই আদালতে হাজির করে। পুলিশ তাঁদের দীর্ঘদিন আটক রেখে সংখ্যালঘু হত্যার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী আদায়ের জন্য নির্মম নির্যাতন চালায়। শতনির্যাতনের পরেও মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকার করলে ১৬ দিন গুম রাখার পর পরিকল্পিতভাবে সাইফুল ইসলামকে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে ১৯/০৭/২০১৬ তারিখ রাতের আঁধারে হত্যা করেছে পুলিশ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#132
শহীদ এম.এম জহুরুল ইসলাম

শহীদ এম.এম জহুরুল ইসলাম

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাবেক সেক্রেটারী জনাব আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন- এক জান্নাতি গোলাপ আমার পরম শ্রদ্ধেয় দায়িত্বশীল শহিদ জহুরুল ইসলামকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মূলক লেখা লিখতে হবে তা কখনো কল্পনাও করিনি। একান্ত স্নেহভাজন জেলা সভাপতি ইসমাইল ভাইয়ের অনুরোধে এ প্রচেষ্টা। জহুরুল ভাইয়ের সাথে আমার প্রথম পরিচয় কবে তা আজ আমার স্মরণ নেই। তবে ভাইয়ের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা মূলত আমি যখন জেলা অফিস সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি তখন থেকে। জেলা ও শহর শাখার মেস একই জায়গায় হওয়ায় এবং জহুরুল ভাই শহর শাখার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করার কারণে বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হত। ভাইয়ের সাথে আমার নিবিড় পরিচয় ওমেলামেশার সুযোগ হয় ২০০৯ সেশনের ষান্মাসিকে জেলা শাখার নতুন সেটআপ অনুষ্ঠানে। সেখানে জহুরুল ইসলাম ভাই কে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় ও আমাকে জেলা সেক্রেটারি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। মূলত তখন থেকেই ভাইয়ের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘ ছয়টি মাস একসাথে কাজ করার সুযোগ আমার হয়েছিল। আজ নিজেকে খুব অপরাধী মনে হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#133
শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব

শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব

📍 জেলা: ঝিনাইদহ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির, ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ডা. মঈন উদ্দীন বলেন-তাঁর চারিত্রিক বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ না করলেই নয়। সাহসিকতা: তখন ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় চলছিল। আমাদের দেশের কালচার অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানের হলে থাকতে হলে রাজনৈতিক সাপোর্ট লাগে। আর ছাত্র নেতৃবৃন্দও তার দল ভারি করার জন্য ১ম বর্ষের ছাত্রদের কাছে তাদের আদর্শে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করে। তখনকার সময়ে ক্যাম্পাসে বিদ্যমান ২টি ছাত্র সংগঠন-জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির নতুনদের প্রতি তাদের দাওয়াত দিতে থাকে। এক দিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকের নিষ্কলুষ, নির্লোভ, একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা গঠনের আহ্বান, অন্যদিকে বস্তুবাদী সভ্যতার চাকচিক্যময়, ভোগ বিলাসপূর্ণ জীবনের প্রলোভন। ক্যাম্পাসে নতুন ছাত্ররা আসলেই একদিকে ছাত্রশিবির তার আদর্শ দিয়ে ছাত্রদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে। অন্যদিকে দুনিয়াপ্রীতি ছাত্রসংগঠনগুলি আহ্বান জানায় পেশীশক্তি, নেশা, নারী আর ভয়ভীতি প্রদানের মাধ্যমে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#135
শহীদ মো: সাঈদ রুবেল

শহীদ মো: সাঈদ রুবেল

📍 জেলা: ঠাকুরগাঁও

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে গড়েয়ার তৌহিদি জনতার পাশাপাশি হাজার হাজার সাধারণ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভ মিছিলে যোগদান করেন। মিছিল শুরু হলে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তারা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে মো: সাঈদ রুবেল গুলিতে লুটিয়ে পড়েন এবং তার পিঠের পেছনে গুলি লেগে পেটের ডান পার্শ্ব দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। ১ মার্চ বাদ আসর বিকেল ৫টায় গড়েয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে শহীদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাওলানা আবু সাঈদ। জানাযায় প্রায় ২০-২৫ হাজার লোক উপস্থিত হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#136
শহীদ মো: মনির হোসেন

শহীদ মো: মনির হোসেন

📍 জেলা: ঠাকুরগাঁও

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে গড়েয়ার তৌহিদি জনতার পাশাপাশি হাজার হাজার সাধারণ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভ মিছিলে যোগদান করেন। মিছিল শুরু হলে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তারা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে মো: মনির হোসেন গুলিতে আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। তার পেটে, বুকে এবং পায়ে তিনটি গুলি লাগে। এ অবস্থায় তিনি গমক্ষেতে পড়ে যান। তার বড় জ্যাঠা তাকে খুঁজে পান। বেশ কিছুক্ষণ পর তাকে মোটরসাইকেলে করে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#137
শহীদ মো: ফিরোজ ইসলাম

শহীদ মো: ফিরোজ ইসলাম

📍 জেলা: ঠাকুরগাঁও

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে গড়েয়ার তৌহিদি জনতার পাশাপাশি হাজার হাজার সাধারণ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভ মিছিলে যোগদান করেন। মিছিল শুরু হলে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তারা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে মো: ফিরোজ ইসলাম গুলিতে লুটিয়ে পড়েন। তার ঘাড়ে গুলি লেগে দাঁত ভেঙে মুখ দিয়ে বের হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। ১ মার্চ বাদ আসর বিকেল ৫ টায় গড়েয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে শহীদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাওলানা আবু সাঈদ। জানাযায় প্রায় ২০/২৫ হাজার লোক উপস্থিত হয়। রাজনৈতিকভাবে কোন দলের সাথে সক্রিয় ছিলেন না।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#138
শহীদ মো: দুলাল ইসলাম

শহীদ মো: দুলাল ইসলাম

📍 জেলা: ঠাকুরগাঁও

২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে গড়েয়ার হাজার হাজার তৌহিদি জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শুরু হলে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তারা মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালায়। মো: দুলাল ইসলাম হাতে ও পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হয় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। আহত হওয়ায় পুলিশ তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ। হাসপাতালে নিয়ে যায়। অভিভাবকেরা হাসপাতাল থেকে তাকে প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই ১৪ মার্চ ২০১৩ ইং তারিখে শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন দুলাল। ৪ মার্চ বাদ আসর বিকেল ৫ টায় গড়েয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে শহীদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাওলানা আবু সাঈদ। জানাযায় প্রায় ৫ হাজার লোক উপস্থিত হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#139
শহীদ মো: দায়মুল ইসলাম

শহীদ মো: দায়মুল ইসলাম

📍 জেলা: ঠাকুরগাঁও

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে গড়েয়ার হাজার হাজার তৌহিদি জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। নয়া গড়েয়া হাটে সালাতুল জোহরের পর পর এ মিছিল চলতে থাকে। দায়মূল ইসলাম মিছিলের সাথে সাথে চলতে থাকেন। মিছিলের এক পর্যায় পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে হামলা করে এবং নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে মো: দায়মুল ইসলাম গুলিতে আহত হয়ে লুটিয়ে পড়েন। তার পেছন দিক হতে গুলি লেগে সামনে পেট দিয়ে বের হয়ে যায়। আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ মার্চ ২০১৩ তারিখে বিকেল ৩টায় তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। ৫ মার্চ রাত ৯ টায় গড়েয়া ঈদগাহ মাঠে শহীদের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় মাওলানা আব্দুল হাকিম। জানাযায় ৩ হাজারের অধিক লোক উপস্থিত হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#140
শহীদ মো: মামুনুর রশীদ

শহীদ মো: মামুনুর রশীদ

📍 জেলা: রংপুর

ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার। মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেউ রিক্সা কেউ বাইসাইকেল, মোটরবাইকে আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। শহীদ মামুনুর রশীদ তার নিজের বাইসাইকেলযোগে সকাল ৯ টার ভেতর মিঠাপুকুর পৌঁছেন। আর সেখানে প্রায় ৫০ হাজার এলাকাবাসীর সাথে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। শাহাদাতের দিন তার পকেটে ছিল মাত্র ২৫ টাকা। মিছিলে যাওয়ার সময় কী মনে হলো। কোন দিনতো দিতে পারেন না, তাই হৃদয়ের গভীরের সব পিতৃস্নেহ যেন আজ সাগরের ফেনার মতো উথলে উঠলো। আড়াই বছরের মেয়ে মরিয়মের হাতে ৫ টাকা গুঁজে দিয়ে, তাকে কিছু খেতে বললেন। বাকি ২০ টাকা নিয়ে দ্রুত মিছিলে ছুটলেন। আল্লাহর পথে কাজে লাগতেও পারে। শেষ সম্বল বলতে তার ছিল এটুকুই।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#141
শহীদ মো: ছাদিকুর রহমান

শহীদ মো: ছাদিকুর রহমান

📍 জেলা: রংপুর

দুই মাস আগ থেকেই তিনি আফসোসের সাথে বলে বেড়াতেন-'সাঈদী সাহেব জেলে আর আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি।' ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩। ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার। হরতাল উপলক্ষে মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তেমনি খবর পেয়ে শহীদ ছাদিকুর, যেতে উদ্যত হন। ভোরে ছাদিকুর নাস্তা করার জন্য বাসি ভাত খুঁজছে কিন্তু পাননি। ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া বোন রুকাইয়া বলে ফজরের পর পরই ভাইয়া রেডি হতে থাকে। কিছুটা ইতস্থতঃ করে বলে-আমাদের কোন টয়লেট না থাকায় আমরা প্রয়োজনে পাশের বাসায় বা জঙ্গলে যেতাম। সে সময় আম্মা টয়লেটে ছিলেন। ভাইয়া চাচার সাইকেল নিয়ে রওনা দেয়। এমন সময় আম্মা এসে হাজির হয়ে ভাইয়াকে টেনে ধরে। বাসি ভাত খেয়ে যেতে বলে। ভাইয়ার যেন সেদিন কী হয়েছিল মায়ের হাত থেকে ছোটার জন্য বলেন, আমার ভাত খাওয়ার টাইম নাই। "মাগো, দুই রাকাত নামাজ পড়ে দোয়া করবেন আমি যেন শহীদ হই।" আজ রশি দিয়েও আমাকে বেঁধে রাখতে পারবেন না। আপনারা সবাই রোজা থাকেন। বলেই সে বের হয়ে যায়। মা মোহাবিষ্টের মতো তার গন্তব্যের দিকে তাকিয়ে থাকেন। তারপর বাইসাইকেলযোগে সকালে মিঠাপুকুর যান। সেখানে প্রায় ৫০ হাজার এলাকাবাসীর সাথে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তার প্রস্তুতিও ছিল সুনিপুন আগেরদিন পাশের দর্জির দোকানে ১০০ টাকা পাওনা ছিল সেটি শোধ করে গেছেন। পাশের বাড়ির তার চাচাতো ভাই মোমিনুলের কাছে তিনি তার হৃদয়ের একান্ত আকুতির কথা বলে যান "সাঈদীর ফাঁসির রায়ের আগে যেন আমার শহীদি মৃত্যু হয়।"

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#142
শহীদ মো: মাহমুদুল হাসান

শহীদ মো: মাহমুদুল হাসান

📍 জেলা: রংপুর

২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩। ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার। সকালে ফজরের নামাজের পূর্বেই ফোনে কর্মীদের ডেকে তুলেন অতঃপর নামাজ শেষে কিছুক্ষণ কুরআন হাদিস পড়েন। পাড়ার ৫-৬ জন ছাত্র-বন্ধুসহ মায়ের হাতে তৈরি জীবনের শেষ খাবার খেয়ে, মাকে বলে বেরিয়ে পড়েন। ৩-৪টা সাইকেলে ২জন করে বসে সকাল ৭টায় মিঠাপুকুরে চলে যান। সেদিন মিঠাপুকুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে কেউ রিক্সা, কেউ বাইসাইকেল, মোটর সাইকেলে আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। সেখানে হাজার হাজার এলাকাবাসীর সাথে উল্লেখিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশ-বিজিবি নির্বিচারে শত-শত রাউন্ড টিয়ার শেল ও গুলি বর্ষণ করতে থাকে। প্রায় ৩৫-৪০ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয়। ঘটনাস্থলেই ৫ জন শহীদ হন। বেলা ২.৪৫ মিনিটে মাহমুদ পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যান। সাথে সাথে তার সাথীরা তাকে পাশের বাড়িতে নিয়ে রেখে তারা আবার মাঠে চলে আসে। বাড়ির মহিলারা অনেক চেষ্টা করেও তার রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে পারেনি। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করে কিন্তু পুলিশের ভয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা সম্ভব হয়নি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে সেখানে তিনি শাহাদৎ বরণ করেন। মাগরিবের পর তার লাশ বাড়িতে পৌঁছে এবং পরদিন সকাল ৯টায় বাড়ির পাশে আলুক্ষেতে জানাজা নামাজ শেষে বাড়ির পাশে মসজিদের পাশেই তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় প্রায় ৫ হাজার লোক হয়েছিল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#143
শহীদ মোঃ মশিউর রহমান

শহীদ মোঃ মশিউর রহমান

📍 জেলা: রংপুর

২৮শে ফেব্রুয়ারি' ২০১৩। ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার। বেশ কয়েক দিন আগ থেকে মুফাস্সিরে কুরআন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কথিত মামলার রায় হবার ঘোষণায় এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জরণ চলছে। সেদিনের মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শতশত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কেউ রিক্সা, কেউ বাইসাইকেল, মোটর সাইকেলে আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তেমনি খবর পেয়ে শহীদ মশিউর রহমান বাইসাইকেলযোগে সকাল ৭টায় মিঠাপুকুর যান। সেখানে প্রায় ৫০ হাজার এলাকাবাসীর সাথে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। সালাতুজ জোহরের প্রায় আধাঘন্টা পরে হাজার হাজার জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশ-বিজিবি নির্বিচারে শত-শত রাউন্ড টিয়ার শেল ও গুলি বর্ষণ করতে থাকে। সাথে সরকারি দলের লোকেরাও উসকানি দিতে থাকে। ঘটনাস্থলেই ৫ জন শহীদ হয়, মশিউর রহমান তাদের একজন। বেলা ২.৩০ মিনিটে গুলিবিদ্ধ হবার সাথে সাথে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। এরপর তার লাশ তার সাথীরা পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। দরিদ্র পিতামাতা সেদিন আলুখেতে কাজ করছিলেন, মা কিভাবে টের পেয়ে যান। অজ্ঞান হয়ে ক্ষেতেই লুটিয়ে পড়েন। ভ্যানে করে তাকে আনা হয় বাড়িতে; অপরদিকে মাগরিবের একটু আগে মশিউর এর লাশ বাড়িতে নিয়ে এলে তৈরি হয় এক হৃদয়বিদারক প্রেক্ষাপট অতঃপর নামাজের পর তার জানাজা শেষে পরিবারের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। একটি জাতীয় দৈনিক আমার দেশ ২ মার্চ, ২০১৩, লিখে। মিঠাপুকুর উপজেলা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমানের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে শোকের মাতম। তার মা বার বার বুক চাপড়িয়ে আর্তনাদ করতে করতে মূর্ছা যাচ্ছেন। কখনও কখনও জ্ঞানই ফিরছে না তার। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, মশিউর ছিলেন ওই এলাকার মধ্যে সবচাইতে ভদ্র ও মেধাবী ছাত্র। মশিউরের বাবা আনোয়ার হোসেন জানান, তার ছেলের কোনো অন্যায় ছিল না। তারা আমার ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#144
শহীদ মো: আশিকুর রহমান

শহীদ মো: আশিকুর রহমান

📍 জেলা: রংপুর

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩। ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার। আল্লামা সাঈদীর রায়কে কেন্দ্র করে মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেউ রিক্সা, কেউ বাই সাইকেল, মোটরসাইকেল আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। শহীদ আশিকুরের আব্বা ৫০ বছর বয়সী আফতাব উদ্দীনের চিন্তা ছিল তিনি একাই যাবেন। তাই একান্তে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আশিকুর বেঁকে বসলো বললো, 'আব্বা আপনি থাকেন আমিই যাব'। বাপ-বেটার টানাহেঁচড়া শেষে ঠিক হলো উভয়েই যাবে। প্রথমে একটি সাদা শার্ট গায়ে দিয়ে তিনি বাবাকে বললেন কেমন লাগছে? আব্বা বললেন, ভালোইতো। অতঃপর মায়ের কাছ থেকে আশিকুর একটি লাল শার্ট নিয়ে গায়ে দিয়ে বললেন,-এবার কেমন দেখা যায়? কী এক অজানা আশঙ্কায় আব্বা-আম্মা দুজনেই নীরব থাকেন। সামান্য কিছু মুড়ি খেয়ে: লাল শার্ট গায়ে ছেলে বাপসহ বেরিয়ে যায় মাকে শুধু বলে,-আম্মা যাই। মা জননী এবারও নীরব। আশিকুর ও তার বাবা ভটভটিতে চেপে সকাল ৭.৩০টায় মিঠাপুকুর যান। সেখানে প্রায় ৫০ হাজার এলাকাবাসীর সাথে উল্লেখিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। বেলা প্রায় ২.৩০ মিনিটে নামাজ শেষে তারা মিছিলে যোগ দেন। একটা পর্যায়ে পুলিশ-বিজিবি গুলি চালালে সে সরাসরি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় এবং সেখানেই শাহাদৎ বরণ করেন। শাহাদাতের পর তার প্রতিবেশীরা লাশ নিয়ে মাগরিবের আগে বাসায় পৌঁছে এবং নামাজের পর জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#145
শহীদ মো: আকমল হোসে

শহীদ মো: আকমল হোসে

📍 জেলা: রংপুর

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ সন্ধ্যায় আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার মুক্তিকামী তৌহিদি জনতা বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ভায়ারহাট থেকে জ্ঞানগঞ্জ হয়ে আবার ভায়ারহাটে আসে। এ সময় সরকারদলীয় লোকজন ও পুলিশ বাহিনী একযোগে লাঠি, রড ও কিরিচ নিয়ে মিছিলকারীদের ওপর হায়েনার মত ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে পায় ২০-২২ জন আহত হয় এবং ৯ম শ্রেণীর ছাত্র আকমল হোসেন মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। এই বর্বরোচিত হামলার একপর্যায়ে এলাকার সাধারণ জনগণ একাত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জনতার হাতে পীরগাছায় একজন পুলিশ সদস্যও মারা যায়। পরবর্তীতে বিজিবি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মোঃ আকমল হোসেন হামলাকারীদের ছোড়া ইটের আঘাত মাথায় লেগে মারাত্মকভাবে আহত হন। আহতাবস্থায় তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান করে দেখা যায় তার মাথার ডান পার্শ্বে খুলি ভেঙে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে। সেখানে দুইদিন চিকিৎসার পর ২রা মার্চ দুপুর ১.৩০ টায় শাহাদাত বরণ করেন। ৩রা মার্চ ২০১৩ ইং তারিখ রবিবার সকাল ৯: ৩০ টায় জ্ঞানগঞ্জ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় প্রায় ১০ হাজার লোকের উপস্থিতি ছিল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#149
শহীদ মোঃ সাহেব মিয়া

শহীদ মোঃ সাহেব মিয়া

📍 জেলা: রংপুর

২৮শে ফেব্রুয়ারি' ২০১৩। ঘটনাস্থল শহীদের নিজ বাড়ি থেকে মাত্র অর্ধ কিলোমিটার। মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে কেউ রিক্সা, কেউ বাইসাইকেল, মোটর সাইকেলে আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। শহীদের স্ত্রীর বক্তবা-সেদিন পরিবারের সব মহিলা রোজা আর নফল নামাজে ব্যস্ত। সকাল থেকেই যেন বাপ-বেটার জিহাদে যাওয়া ও শহীদ হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। ছেলে ৭ম শ্রেণির মিজানকে মিছিলে যেতে বারণ করায় সে মাকে বলেছে, 'শহীদের মা হওয়ার ইচ্ছা নেই আপনার?' এসব দেখে এক পর্যায়ে জামিলা বেগম হাল ছেড়ে দিলেন। নিজেই সিদ্ধান্তে আসলেন এ কাজে তো বাধা দিতে নেই। দুপুরের পর স্বামী সাহেব মিয়া বাসায় এসে টিভি নিউজ দেখছিলেন হঠাৎ প্রশ্ন করলেন, মিজান কোথায়? ওতো মিছিলেই আছে, বলতেই, দুটো খেয়েই তাড়াহুড়া করে রওনা হয়ে যান মিছিলে। ভাবখানা এই, ছেলে চলে গেছে, সবাই গেছে তারতো অনেক দেরি হয়ে গেল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#150
শহীদ মো: জাহাঙ্গীর আলম

শহীদ মো: জাহাঙ্গীর আলম

📍 জেলা: রংপুর

একজন সাধারণ মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে শহীদ জাহাঙ্গীর সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। সংসারের ঘানি টানতেই তার দিন শেষ হতো। শাহাদাতের আগে মাঝে-মাঝে বলতেন "সাঈদী সাহেব কুরআনের তাফসীর করেন, এটাই তার দোষ। আরতো কোন দোষ দেখি না। তার খারাপ কিছু হলে আমরা বসে থাকবো না।" ২৮ ফেব্রুয়ারি আল্লামা সাঈদী সাহেবের রায়কে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তখন সাজ সাজ রব। মিছিলের খবর পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত লোক দলবেঁধে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে, কেউ রিক্সা কেউ বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল আবার কেউবা নসিমনে করে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। সাধারণত তিনি ব্যবসায়িক ব্যস্ততায় প্রোগ্রামাদিতে যেতে পারতেন না। সেদিন অবাক ব্যাপার, প্রোগ্রামে যাওয়ার ব্যাপারে অস্থির হয়ে যান। বড় ছেলে ১৫ বছরের রিপন বায়না ধরে সেও মিছিলে যাবে। সকালে তাকে আর ঘুম থেকে জাগালেন না। অতঃপর বিদায়বেলায় কী হলো একান্ত চেনা স্ত্রীর দিকে এবং ঘুমন্ত সন্তানদের প্রতি তাকিয়ে আছেন আর চোখ দিয়ে তপ্ত পানির বান ঝরছে। স্ত্রীকে বুঝতে না দিয়ে সে কান্না লুকানোর চেষ্টা করলেন। চেয়ে চেয়ে সবচেয়ে ভাল পোশাকটি পরলেন, যেন ঈ'দগাতে যাচ্ছেন। বাবা নেই মায়ের দোয়া নেয়া দরকার ছিল কিন্তু সেওতো নানা বাড়িতে। তাই সে সুযোগ আর হলো না। অবশেষে সবাইকে সান্তনা দিতে পান চিবুতে চিবুতে হাসিমুখে সকাল ৭.৩০ টার দিকে নিজ বাইসাইকেলে চেপে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে মিঠাপুকুর যান। সেখানে প্রায় ৫০ হাজার এলাকাবাসীর সাথে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি কি আন্দাজ করেছিলেন জীবনের এই প্রথম প্রোগ্রামই তার সর্বশেষ প্রোগ্রাম? তিনি কি আশা করেছিলেন তিনি ঈ'দগাহতে যাবেন; যার নাম শহীদি ঈদগাহ?

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#151
শহীদ আব্দুস সালাম মোল্লা

শহীদ আব্দুস সালাম মোল্লা

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৭ ফেব্রুয়ারি'১৩ তারিখে তিনি সাতক্ষীরা শহরে আসেন কৃষিজমির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে। রাতে তিনি সাতক্ষীরায় নিজ বাসায় অবস্থান করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ইং আল্লামা সাঈদীর রায় হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সকাল থেকেই সারা দেশে হরতাল চলছিল। প্রাণের টানে শহীদ হাজী আব্দুস সালাম মোল্লা সকাল থেকেই নেমে পড়েন হরতালের পিকেটিংয়ে। সকাল ৬.৩০ টায় হরতালের পিকেটিং এর জন্য বের হন। যাওয়ার সময় স্ত্রীকে বলেছিলেন, মমতাজ, গোসল করে পাক-সাফ হয়ে যাচ্ছি, আমি যদি শহীদ হই আমাকে গোসল করাইওনা। হজ্জের সময় আনা কাফনের কাপড়তো হারিয়ে গেছে। বাজার থেকে কাপড় কিনে টাউনের দিকেই আমাকে দাফন দিও। স্ত্রী রাগারাগি করে এই বলে বাধা দেয় যে, 'তোমার শহীদ হওয়ার সময় হয়নি। তুমি মারা গেলে বাচ্চা-সংসার কে দেখবে? ওদের বিয়ে-শাদি, ওদের লেখাপড়ার কী হবে? আমি ওদের মা এবং তোমার স্ত্রী হিসেবে বলছি..।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#152
শহীদ আলী মোস্তফা

শহীদ আলী মোস্তফা

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ আলী মোস্তফা সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা থানার শশাডাংগা গ্রামে ১৯৯৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুল মজিদ ও মাতা আনোয়ারা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। পিতা-মাতার অত্যন্ত আদরের সন্তান শহীদ আলী মোস্তফা শশাডাংগা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাইমারি বৃত্তি পেয়ে, এ পর্ব শেষ করে শশাডাংগা দাখিল মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ২০১২ সালে সায়েন্স থেকে এ প্লাস পেয়ে তিনি দাখিল পাস করেন। সর্বশেষ খানপুর আলিম মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছিলেন। অত্যন্ত মিশুক প্রকৃতি, দ্বীনের কাজে সদাব্যস্ত ও সুন্দর সংগঠক হওয়ায় সমবয়সী সবাই তার সাথে বন্ধুর মত ব্যবহার করতেন আর মুরুব্বিগণ তাকে খুবই স্নেহ করতেন। বাড়ি আসলেই তার শিক্ষকগণ তাকে জুমার খুৎবা বা মসজিদে দ্বীনি আলোচনা করতে বলতেন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ছোট বা সমবয়সী ছাত্রদের তাদের কঠিন বিষয়গুলো পড়িয়ে দিতেন। তার মন ছিল ঈমানী চেতনায় উদীপ্ত। তাই কোন ঈমানদারের ওপর জুলুম তিনি সহ্য করতে পারতেন না। শাহাদাতের মাত্র দুইদিন আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ তিনি সাথীপ্রার্থী হয়েছিলেন। তার স্বপ্ন ছিলো আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত হবে। ২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে বাড়ি থেকে খানপুর আলিম মাদ্রাসায় যান এবং বলে যান যে সামনে পরীক্ষা আছে। তিনি মাদ্রাসা হোস্টেলে থাকতেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবের রায় হবে বলে কোর্ট থেকে ঘোষণা আসে। আর এ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিরপরাধ মাওলানার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাই বলে দেয় যে, কেমন রায় হতে পারে। তাই ২৮ তারিখ সারা দেশে হরতাল ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তিনি মিছিলের একেবারে সামনের কাতারে ছিলেন। মিছিল শুরু হয়ে শহরের সার্কিট হাউজের কাছাকাছি আসলে পুলিশ ও ছাত্রলীগ যৌথভাবে গুলি আরম্ভ করে। শহীদ আলী মোস্তফার মাথায় বাম চোখের উপরের দিকে গুলি লেগে তা পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। ১ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯:৪০ মিনিটে তার জানাযা হয়। এতে ইমামতি করেন মুহাদ্দিস মাওলানা রবিউল বাশার। জানাযায় আনুমানিক তিন হাজার লোক অংশগ্রহণ করেন। তার পর নিজ গ্রাম শশাডাংগা মসজিদের উত্তরে পবিত্র পরিবেশে তাকে দাফন করা হয়।সাতক্ষীরায় পুলিশের গুলিতে নিহত শিবির নেতা মোস্তফার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। ইনসেটে নিহত মোস্তফার লাশ-সংগ্রাম

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#153
শহীদ মো: মাহবুবুর রহমান

শহীদ মো: মাহবুবুর রহমান

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে ও মাওলানা সাঈদী ভক্তদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্বিচারে গুলি করে নিরপরাধ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে ৩-৪ মার্চ ২০১৩ ইং সারাদেশে হরতাল পালন করার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সারা দেশের মত সাতক্ষীরায়ও তৌহিদী জনতা ও হাজার হাজার সাঈদী ভক্ত সাধারণ মানুষ পিকেটিং করতে রাস্তায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ হরতালে সরকার পুলিশ, বিজিবি রাস্তায় পিকেটারদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায়। খানপুর এলাকায় বিজিবি ও সাধারণ সাঈদী ভক্তদের মাঝে সংঘর্ষ বেধে যায়। শহীদ মো: মাহবুবুর রহমান ঐ দিন মাঠে কাজে থাকাবস্থায় সংবাদ পান যে গ্রামে বিজিবি এসেছে। আল্লামা সাঈদী সাহেবের ওপর দেয়া ফাঁসির রায় তিনি এমনিতেই মেনে নিতে পারেননি। তাই শতাব্দীর সবচেয়ে গর্হিত মিথ্যা রায়ের বিরুদ্ধে ৩ মার্চ ২০১৩ ইং জামায়াতের ডাকা হরতালে যখন বিজিবি বাধা দিচ্ছে জানতে পারেন, তখন বেরিয়ে পড়েন মিছিলে। মিছিলে যাওয়ার পূর্বে তার চাচাত ভাইকে বলেন, 'ভাই আমি মিছিলে যাচ্ছি দোয়া করবেন।' তিনি খানপুরে এসে দেখেন বিজিবি চলে যাচ্ছে। কিছুদূর যাওয়ার পর বিজিবি প্রতিরোধের মুখে পড়ে এবং আবার ফিরে আসে। বিজিবির ফিরে আসা দেখে খানপুর এলাকার জনগণ আবার উত্তেজিত হয়ে ওঠে। মাহবুব উত্তেজিত জনতাকে হাত উঠিয়ে থামানোর চেষ্টা করছিলেন এবং বিজিবিকে আক্রমণ করতে নিষেধ করছিলেন। সকাল ১১ টার দিকে পেছন দিক হতে বিজিবি খুব কাছ থেকে তাকে টার্গেট করে গুলি করে এবং তা পিঠে লেগে কলিজাসহ সামনে দিয়ে বের হয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ তিনি শাহাদৎ বরণ করেণ। ৩ মার্চ রবিবার পোস্টমর্টেম ছাড়াই রক্তাক্ত পোশাকে বিকাল পাঁচটায় জানাযা ও দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান। জানাযায় প্রায় ১০ হাজার লোক অংশগ্রহণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#154
শহীদ মো: সাইফুল ইসলাম

শহীদ মো: সাইফুল ইসলাম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপর অবিচারপূর্ণ রায় ঘোষণা হলে এলাকা থেকে অনেক সাঈদী ভক্ত সাতক্ষীরা শহরে চলে আসে, খেটে খাওয়া কৃষক মো: সাইফুল ইসলামও তাদের সাথে ইঞ্জিন ভ্যানে করে শহরে যান। যাওয়ার পূর্বে দুপুরের খাবার না খেয়েই বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তার বড় ভাবী বলেন, মেজভাই ভাত খেয়ে যাও, তখন তিনি বলেছিলেন আমি শহীদ হওয়ার জন্য যাচ্ছি। আসরের পর মিছিল শুরু হয়। মিছিলে সম্মুখভাগে ছিলেন সাইফুল, আলী মোস্তফাসহ আরো অনেকে। মিছিলের সামনে পুলিশ বিজিবি আর বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে লুকিয়ে ছিল সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীরা। মিছিল শুরু হবার সাথে সাথেই পুলিশ, বিজিবি আর সন্ত্রাসীরা গুলি শুরু করে মিছিলের ওপর। শাহাদাত বরণ করেন অনেকে। শহীদের মিছিলের সারিতে সাইফুল ইসলামও ছিলেন। বিকেল ৫টার দিকে তার ডান কাঁধের হাড়ের পাশ দিয়ে গুলি ভেতরে ঢুকে যায়। আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখেই শাহাদাৎ বরণ করেন। পরেরদিন ১ মার্চ, ২০১৩ প্রায় ১০ হাজার মুসল্লি নিয়ে খানপুর মাদ্রাসায় জানাযার ইমামতি করেন আবু সালেহ মো: রফিকুল ইসলাম।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#155
শহীদ মো: রবিউল ইসলাম

শহীদ মো: রবিউল ইসলাম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ আল্লামা সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় শুনার পর ভালুখালির গাজীপুর ও অন্যান্য গ্রামের সাঈদী ভক্ত শত শত তৌহিদী জনতার সাথে পিতা-পুত্র একসাথে ইঞ্জিনচালিত ভ্যানে চড়ে শহরের সার্কিট হাউজের সামনে চলে যান। জনসভা শেষে মিছিল হয়। মিছিলে পুলিশ, বিজিবি ও সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া গুলিতে তিনি নিহত হন। বিকাল ৫ টার দিকে বাম ঘাড়ে গুলি লেগে গলা ফেঁড়ে বের হয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। অপরদিকে একই মিছিলের ভিন্ন জায়গায় তার পিতা মো: আনোয়ারুল ইসলাম সামনে এগুতে থাকেন, তখন তাঁরও বুকের বাম পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়। আল্লাহ তায়া'লা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। শহীদের জানাযায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ উপস্থিত হয়। জানাযায় ইমামতি করেন অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল খালেক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#156
শহীদ মো: শাহীন আলম

শহীদ মো: শাহীন আলম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৮ মার্চ ২০১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবের রায় হবে বলে কোর্ট থেকে ঘোষণা আসে। আর এ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিরপরাধ মাওলানার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাই বলে দেয় যে কেমন রায় হতে পারে। তাই ২৮ তারিখ সারা দেশে হরতাল ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিকালে সাঈদী সাহেবের ফাঁসির রায় ঘোষণা হলে লাখো সাঈদী প্রেমিকের জনস্রোত সমাবেশস্থল কদমতলা ছাপিয়ে সার্কিট হাউজ মোড় পর্যন্ত চলে যায়। বেলা ৫টার দিকে শুরু হয় সাঈদী প্রেমিক জনতার ওপর পুলিশ, বিজিবি ও সরকারদলীয় ক্যাডারদের মুহুর্মুহু গুলি বর্ষণ। এখানেই শাহাদাত বরণ করেন শহীদ শাহীন আলম।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#157
শহীদ মো: মাহমুদুল হাসান

শহীদ মো: মাহমুদুল হাসান

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৮ ফেব্রুয়ারি ১৩ তারিখে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেবের রায় হবে বলে কোর্ট থেকে ঘোষণা আসে। আর এ ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নিরপরাধ মাওলানার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলাই বলে দেয় যে কেমন রায় হতে পারে। তাই ২৮ তারিখ সারা দেশে হরতাল ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিকালে সাঈদী সাহেবের ফাঁসির রায় ঘোষণা হলে লাখো সাঈদী প্রেমিকের জনস্রোত সমাবেশস্থল কদমতলা ছাপিয়ে সার্কিট হাউজ মোড় পর্যন্ত চলে যায়। বেলা ৫টার দিকে শুরু হয় সাঈদী প্রেমিক জনতার ওপর পুলিশ, বিজিবি ও সরকারদলীয় ক্যাডারদের মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ। লুটিয়ে পড়ে কয়েকজন। এ ঘটনায় ৭ জন শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#158
শহীদ মো: ইকবাল হোসেন তুহিন

শহীদ মো: ইকবাল হোসেন তুহিন

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদের বাবা: সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত মসজিদে আদায় করতো ছোট ভাইদের সাথে নিয়ে। যখন মসজিদে আজান হতো তখন নামাজের প্রস্তুতি নিয়ে সে দাদার নেতৃত্বে মসজিদে যেত। মুয়াজ্জিন মসজিদের সবার নামাজ শেষ হলে দাঁড়িয়ে থাকতো দরজা লাগানোর জন্য কিন্তু তুহিনের নামাজ যেন আর শেষ হয় না। সে খুব ধীরস্থির ভাবে সালাত আদায় করতো। কখনো সে তাহাজ্জুদ এবং এশরাকের নামাজ বাদ দিতো না। রাত দুটোয় উঠে যখন তাহাজ্জুদ পড়তো পাশে যারা ঘুমিয়ে আছে তাদের যাতে ডিস্টার্ব না হয় এজন্য মশারির ওপর তোয়ালে দিয়ে রাখত। সর্বদাই বই এবং পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। যেখানেই জিহাদের কোন আয়াত বা হাদিস পেত আন্ডার লাইন করতো। এ বছর দুইবার কুরআন খতম দিয়েছিল। কোন সময় পেলে পাড়ার ছেলেদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতো।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#161
শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ

শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কামারালি গ্রামে ১৯৭৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ রহিম মোড়ল ও মাতা মরহুমা আছিরন নেছার দশ সন্তানের মধ্যে শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ সপ্তম। কামারালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তারপর অভাব অনটনের কারণে পড়ালেখা করতে পারেননি। পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে অন্যের জমিতে দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। অতি গরিব পরিবারের সন্তান ছিলেন, অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#164
শহীদ আমিনুর রহমান

শহীদ আমিনুর রহমান

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ আমিনুর রহমানের শাহাদাতের সেই দিনের বর্ণনা করতে গিয়ে মোঃ হাবিবুর রহমান লিখেছেন- ২৭এপ্রিল '১৪ আনুমানিক ৪টা ১০ মিনিটের সময় একটি ফোন পেলাম- কামালনগরে মুহুর্মুহু গুলি চলছে। পুরো এলাকা নাকি রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছে। তখন ভাবলাম আমাদের মেসে কিছু হলো নাতো। প্রথমে আমিনুর ভাইয়ের মোবাইলে কল দিলাম, এরপর আবু তালেব ভাই, পরে ফারাজি ভাইকেও কল দিলাম কিন্তু কেউই রিসিভ করলেন না। তখন সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলো। পরে স্থানীয়দের কাছে ফোনে জানতে পারলাম খুলনা মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজি ও শহর সভাপতি আবু তালেব ভাইসহ সাতজন গুলিবিদ্ধ এবং শহীদের মিছিলে যোগ দিলেন প্রিয় আমিনুর রহমান। সংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচি আন্তরিকতা, সাহসিকতা ও নিষ্ঠার সাথেই পালন করেছেন। ইসলামী আন্দোলনে এই সক্রিয় ভূমিকা পালনই কাল হয়ে দাঁড়ালো। হায়েনাদের নজরে পড়ে যান তিনি। তাকে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে তারা। অবশেষে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়ে যায়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#165
শহীদমোঃ আবু হানিফ ছোটন

শহীদমোঃ আবু হানিফ ছোটন

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

১৮ ফেব্রুয়ারি-২০১৪, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাড়তদহমুখী ঘেরের পাশ থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পদ্মশাকরা গ্রামের বাসিন্দা শহর আলী গাজীর ছেলে মোঃ আবু হানিফ ছোটনকে গ্রেফতার করে মাথায় কালোটুপি পরিয়ে গাড়িতে তোলে। এখান থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে পুষ্পকাটি পুরাতন ইটভাটায় নিয়ে যায়। সেখানে রেখে তাঁকে ব্যাপক নির্যাতন করে। একপর্যায়ে শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা হানিফকে পূর্ব ভোমরাবন্দর লাভলু স্কেলের সামনে নিয়ে তাকে লক্ষ্য করে পর পর ৮/১০ রাউন্ড গুলি করে। তাদের এই গুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভয়ে কেউ ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। হানিফকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#166
শহীদ মাওলানা আশরাফুল ইসলাম

শহীদ মাওলানা আশরাফুল ইসলাম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

০৬.০৫.২০১৪ তারিখ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে কালিগঞ্জ থানা পুলিশ ঠেকড়া সাদপুর দাখিল মাদাসার সুপার জামায়াত কর্মী মাওলানা আশরাফুল ইসলামের বাড়ি ঘিরে ফেলে। পুলিশ ঘরে ঢুকে তাকে গ্রেফতার করে টেনে হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে আসে। পরে তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়, জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং মারধর করে। রাত দেড়টার দিকে পার্শ্ববর্তী ভদ্রখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নিয়ে যায়। তাকে চোখ, মুখ এবং হাত-পা বেঁধে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিঁড়ির উপরে রেখে বুকে গুলি করে। গুলির শব্দে গ্রামের লোকজন বেরিয়ে আসলে পুলিশ তাদেরকেও লক্ষ্য করে ১৫/১৬ রাউন্ড গুলি চালায়। ভয়ে আর কেউ সামনে এগিয়ে আসেনি। পরে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পুলিশ কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক মফিজুর রহমান জানান, রাত দুইটার দিকে আশরাফুল ইসলামকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। তার বুকে গুলিবিদ্ধ ছিল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#167
শহীদ মোঃ আবদুস সবুর সরদার

শহীদ মোঃ আবদুস সবুর সরদার

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ মোঃ আঃ সবুর সরদার পরিবারের সকলকে ইসলামী আন্দোলনের পথে চলার পরামর্শ দিতেন এবং নিজে শহীদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করতেন। সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ: ৩ নভেম্বর ২০১৩, রোববার সন্ধ্যায় হরতালপূর্ব মিছিল শেষে জামায়াত কর্মী সরুলিয়া গ্রামের আবদুস সবুর অন্যদের সাথে ফিরে যাচ্ছিলেন। চাচাতো ভাই মৃত আবদুল হামিদ হুজুর ছিলেন তার সাথে। এ সময় পেছন থেকে অতর্কিতে হামলা করে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা। রড দিয়ে মাথায় আঘাত করায় মাথার খুলি মগজে দেবে যায়। আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার ৬ নভেম্বর অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তাররা তাকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেয়ার পথে আরিচা ফেরিঘাটে তিনি শাহাদাত বরণ করেন। শহীদ আবদুস সবুরের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ছয় নভেম্বর সন্ধ্যায়, আগরদাড়ি আমিনিয়া কামিল মাদরাসার বলফিল্ড ময়দানে। উক্ত জানাজায় ইমামতি করেন সাবেক সংসদ সদস্য প্রিন্সিপাল আবদুল খালেক। দ্বিতীয় জানাজা সরুলিয়া হাইস্কুল মাঠে, এখানে ইমামতি করেন তৎকালীন কলারোয়া জামায়াতের আমীর মাওলানা ওমর আলী। তৃতীয় ও সর্বশেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয় মৌলভী বাড়ি হাফেজী মাদরাসার মাঠে। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#168
শহীদ আবুল কালাম আজাদ

শহীদ আবুল কালাম আজাদ

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদের মা লতিফা বেগম: আমার কালামের মতো মানুষ ছিল না। কেউ খারাপ বলতে পারতো না। মেয়েরা পুকুরে গোসল করে, তাই পর্দা খেলাপ হবার ভয়ে পুকুরে গোসল করতো না। এসএসসি ও এইচএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেছে। সারাদিন সংগঠনের কাজ নিয়ে থাকতো। ঠিকমতো জামাকাপড় দিতে পারিনি, অনেক কষ্ট করেছে সে। মাঝে মাঝে মানুষের সাথে মাঠে কাজ করতো। পিতা: দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে চেষ্টা করে যাব। আমি শহীদের পিতা হিসাবে গর্বিত। বড় বোন: আমার ভাই ইসলামী আন্দোলন করতো এই কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আল্লাহ তাকে শহীদ হিসাবে কবুল করুন, আমীন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#169
শহীদ মোঃ আকতার আলী

শহীদ মোঃ আকতার আলী

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

বাংলাদেশের দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরা। তৌহিদী জনতার আবেগ-অনুভূতির সাথে গভীরভাবে মিশে আছে এ জেলা। এখানকার অধিকাংশ মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে বলেই আশা-আকাঙ্ক্ষা আর স্বপ্নের যেন শেষ নেই। সুন্দরবনের পাশের এ জনপদকে নিয়ে বাতিলের ষড়যন্ত্রও যেন নির্ভেদ্য। তথাকথিত প্রগতিশীল ও আওয়ামী হায়েনাদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত হয়েছে বারবার। কালিগঞ্জে শহীদ আলী মোস্তফার শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৯৯৯ সালের ২৫ নভেম্বর এ জনপদের শহীদি মিছিলের যাত্রা শুরু হয়। একে একে এ মিছিলে নাম লিখিয়েছেন শহীদ সিরাজুল ইসলাম, শামসুল হক, শামসুর রহমান, রুহুল আমিন মোড়ল, শেখ রহমত আলী, রফিকুল ইসলাম, আমানউল্লাহ আমান, শামসুজ্জামান খান রেজা, শেখ মোস্তফা আরিফুজ্জামান, হোসেন আলী, আরিজুল ইসলাম, আবুল কালাম, আলী মোস্তফা, ইকবাল হাসান তুহিন, আবু হানিফ ছোটনসহ আরো অনেকে। ২০১৩ সাল থেকে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের ধরে নিয়ে নির্বিচারে হত্যা করা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম। যদিও জাহেলী মিডিয়া সংবাদ পাল্টে দিয়ে এসব ঘটনায় বরাবর ভিলেন হিসেবে উপস্থিত করতো জামায়াত-শিবিরকেই।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#170
শহীদ আনারুল ইসলাম

শহীদ আনারুল ইসলাম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২০১৪ সালের ১৪ই জানুয়ারী শহীদ আনারুল ইসলাম মাঠে কাজ করছেন। সকাল আটটার দিকে সাদা পোশাকের পুলিশ এসে রেকি করে গেছে। আশপাশের মানুষজন শহীদ আনারুলকে বলেন- এরা কিন্তু পুলিশের লোক, আপনি সরে যান। কিন্তু তিনি গুরুত্ব দেননি। সকাল নয়টা আঠারো মিনিটে মোটর সাইকেল যোগে দুইপাশের রাস্তা দিয়ে পুলিশ আসে। রাস্তায় সাইকেল রেখে তারা জমিতে নেমেই এলোপাথারি গুলি করতে শুরু করে। শহীদ আনারুলের একশো গজ দূরে ছিলেন তাঁর ভাই জামায়াত রুকন ও নোয়াপাড়া পশ্চিম শাখা সভাপতি রবিউল ইসলাম। তাঁর ভাই চিৎকার করে তাকে দৌড়াতে বলেন। তখন শহীদ আনারুল ইসলাম দৌড়ানো শুরু করে। তাঁর পেছনে পেছনে দুই পুলিশ সদস্য গুলি করতে করতে দৌড়াতে লাগলো। চারদিকে বিস্তীর্ণ মাঠ। মাঠে কাদা-পানি। শহীদ আনারুল দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁটু পরিমাণ কাদা পানিতে নেমে গেলো। ততক্ষণে শক্তিও প্রায় শেষ হয়ে গেছে। তখন আনারুল দুই হাত তুলে সারেন্ডার করলো। পুলিশ সদস্যরা জামার কলার ধরে টেনে হিচড়ে তাকে রাস্তায় আনলো। তারপর জোয়ারের বিলের পানির কলের পাশে এনে তাকে গুলি করে হত্যা করে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#171
শহীদ আরিজুল ইসলাম

শহীদ আরিজুল ইসলাম

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ আরিজুলকে হারিয়ে শহীদের মা রোকেয়া খাতুন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এখনও তিনি অসুস্থ। শহীদের পিতা মোঃ সবেদ সরদারের বয়স ৫৯ বছর। তিনি কৃষি কাজ করে সংসারের হাল ঠিক রাখার চেষ্টা করছেন। শহীদের বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম জামায়াতের কর্মী। তরকারির ব্যবসা করে ২ ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে সংসার নির্বাহ করেন। শহীদ আরিজুলের বড় বোন রাবেয়া খাতুন মানসিক রোগী। বয়স তেত্রিশ বছর। মানসিক রোগের কারণেই বিবাহ হয়নি। শহীদের ভাই তরিকুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতের কর্মী। এক ছেলে ও এক মেয়ের সংসার নির্বাহ করেন কৃষি কাজ করে। শহীদের বড় বোন রিজিয়া বেগম থাকেন স্বামীর সংসারে, তারও রয়েছে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। পরিবারে পঞ্চম সন্তান শহীদ আরিজুল। তাঁর ছোট ভাই মফিজুল বর্তমানে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। তিনিও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#172
শহীদ আতিয়ার রহমান

শহীদ আতিয়ার রহমান

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ আতিয়ার রহমানের ছয় ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে মোবারক সরদারের বয়স পঞ্চান্ন বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। দুই ছেলে এক মেয়ে নিয়ে তার সংসার। দ্বিতীয় ছেলে আফজাল সরদার পেশায় কৃষক। ৫৩ বছর বয়স্ক আফজালের সংসারে আছে তিন মেয়ে ও এক ছেলে। পরিবারের তৃতীয় সন্তান আবু বকর সরদার পেশায় জেলে। তাঁর তিনটি মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। শহীদের চতুর্থ সন্তান মোঃ ওমর ফারুকের টং দোকান আছে। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী। তিন ছেলে নিয়ে তার সংসার। শহিদের পঞ্চম সন্তান ও একমাত্র মেয়ে ফাতেমা বেগম বিবাহিত। তিন ছেলেকে নিয়ে তিনি থাকেন স্বামীর সংসারে। ষষ্ঠ সন্তান মোঃ সেকান্দার আলীর বয়স চল্লিশ বছর। তিনি বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর রুকন এই ইউনিয়ন সেক্রেটারী। শহীদের সর্বশেষ সন্তান মোঃ হাবীবুর রহমান ইজিবাইক চালান। তিনি জামায়াতের কর্মী এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#174
শহীদ হাফেজ মোঃ হোসেন আলী

শহীদ হাফেজ মোঃ হোসেন আলী

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

আওয়ামী জুলুম নির্যাতনের প্রতিবাদে ও নির্দলীয় সরকারের দাবিতে জামায়াত সহ ১৮ দল ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচি পালনের জন্য জনগণ রাজপথে নেমে আসে। ০৩.১২.২০১৩ তারিখ খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ কলেজ মোড়ে জনতা অবরোধ কর্মসূচি পালনের জন্য অবস্থান করলে সরকারের পেটুয়া র‍্যাব, পুলিশ, বিজিবি এলোপাথাড়ি গুলি করতে করতে সামনের দিকে অগ্রসর হলে জনগণ স্বতস্ফূর্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শহীদ হোসেন আলী এই প্রতিরোধ মিছিলে অংশ নিয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটা গুলি এসে তার বুকের ডান পাশে লাগে এবং বুকের ভিতরে ঢুকে যায়, তিনি আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। দ্রুত তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সকল সাথীদের শোক সাগরে ভাসিয়ে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#175
শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন

শহীদ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২০১৩ সালে পুরো বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে উত্তাল ছিল। মিছিল, হরতাল, অবরোধ সহ নানা রকম কর্মসূচীতে দেশের বিভিন্ন জেলায় সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আপামর জনতা রাস্তায় নেমে স্বৈরাচারের প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করে অবৈধ সরকারের অন্যায্য বিচারেরও। এই বিক্ষোভ-প্রতিবাদ থেকে বাদ যায়নি দক্ষিণের জনপদ সাতক্ষীরাও। এই আন্দোলন-বিক্ষোভ দমনের লক্ষ্যে প্রতিদিন রাতে সাতক্ষীরার বিভিন্ন জনপদে রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়তো পুলিশ-বিজিবি ও স্থানীয় আওয়ামী-যুবলীগের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর-লুটপাট ছাড়া নারীদের নির্যাতন ও জামায়াত শিবির কর্মীদের নির্বিচারে হত্যা ছিল তখনকার প্রতিদিনের সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#176
শহীদ কামাল উদ্দীন গাইন

শহীদ কামাল উদ্দীন গাইন

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২০১৩ সালের ৩রা জানুয়ারী দুপুরের খাওয়া দাওয়া সেরে সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশে যোগদানের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন শহীদ কামাল উদ্দীন। মিছিল থেকে ফেরার পথে অতর্কিতে পেছন থেকে ইট দিয়ে আঘাত করে আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী। এরপর তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু হাসপাতাল থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রিলিজ করে দেয়া হয়। ছয়দিন বাসায় থাকার পর ৯ জানুয়ারী ক্ষতস্থানে রক্তক্ষরণ হলে আবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তারগণ তাকে খুলনা হাসপাতালে রেফার করেন। খুলনা হাসপাতালে নেয়ার পর জানা যায়, ইটের আঘাতে তার মস্তিষ্কের পর্দা ফেটে গেছে। এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ জানুয়ারী তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#177
শহীদ মাওলানা সাইদুর রহমান

শহীদ মাওলানা সাইদুর রহমান

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২০১৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে পুলিশের তিনজন সদস্য মাওলানা সাইদুর রহমানকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। স্থানীয় এক ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু চিকিৎসা না দিয়ে তাকে সাতক্ষীরা সদর থানা হাজতে রাখা হয়। এ সময় তাকে নির্মমভাবে মারপিট করে পুলিশ। শুক্রবার সারাদিন থানায় আটকে রেখে তাকে নির্যাতন করার পর তাকে আদালতে তুললে আদালত তাকে চিকিৎসা করানোর নির্দেশ দেয়। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি করালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#179
শহীদ শামসুল হক

শহীদ শামসুল হক

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

সংগঠনের পরামর্শে শহীদ শামসুল হক বাজারে পুলিশ-বিজিবির গতিবিধি দেখার ডিউটি করতেন। ২৭নভেম্বর সকালে বাজারে ডিউটি করতে গিয়ে দেখেন অনেকগুলো পুলিশ-বিজিবির গাড়ি। তখন তিনি তার ছোট বাচ্চার জন্যে কিছু খাবার দেয়ার জন্যে বাড়ীতে আসেন এবং স্ত্রীকে খবরটি দিয়ে আবার বাজারে ছুটে আসেন। তখন ১৮ দল ঘোষিত অবরোধ চলছিল। তিনি অবরোধের সমর্থনে মিছিলে যোগদান করেন। তার মাথায় ছিল সাদা তোয়ালে। পুলিশ, বিজিবি এবং আওয়ামী লীগের যৌথভাবে মিছিলে হামলা করে। তাদের ছোড়া গুলি সরাসরি শামসুল হকের মাথায় আঘাত করে এবং অপর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#181
শহীদ শহীদুল ইসলাম শানা

শহীদ শহীদুল ইসলাম শানা

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

শহীদ শহিদুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একনিষ্ঠ কর্মী। এ কারণে তার নামে অনেকগুলো মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছিল। এ জন্য তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে ছিলেন। সেদিন ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি বাঘারপাড়ায় তার মামা শশুড়ের বাড়িতে আত্মোগোপনে ছিলেন। মামা শশুড়ের আড়ত ঘরে বসে পত্রিকা পড়ছিলেন এমন সময় পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এরপর শুক্রবার রাত তিনটার দিকে যশোর রামনগর পিকনিক কর্ণারে নিয়ে তাঁর গলায় বুকে ও তলপেটে গুলি করে হত্যা করে। এরপর পুলিশ তার লাশ যশোরের শার্শা থানায় রেখে আসে। এক নজরে শহীদ শহীদুল ইসলাম নাম: শহীদুল ইসলাম পিতার নাম: মৃত নূর আলী শানা মাতার নাম: জয়তুন নেসা, বয়স: ৬৫ স্ত্রীর নাম: খাইরুননেসা পিয়া, বয়স: ৩২, গৃহিণী: ঠিকানা: গ্রাম- কাশিমপুর, ইউনিয়ন- আগরদাড়ি, থানা- সদর, সাতক্ষীরা ভাই বোন: সাত ভাই এক বোন সন্তান: নিঃসন্তান সাংগঠনিক মান: কর্মী শাহাদাতের তারিখ: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, যশোর রামনগর পিকনিক কর্ণার

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#182
শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ

শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

১৬.১২.২০১৩ তারিখ রাতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা একত্রিত হয়ে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালায়, গুলিবর্ষণ করে ও ভাংচুর করে। এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে সন্ত্রসীদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এখানেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাত বরণ করেন মোঃ শহিদুল্লাহ। এক নজরে শহীদ মোঃ শহিদুল্লাহ নাম: মোঃ শহিদুল্লাহ পিতার নাম: মরহুম ইলিয়াস সরদার মাতার নাম: মর্জিনা বেগম, বয়স- ৫৫ বছর স্ত্রীর নাম: নাসিমা খাতুন ঠিকানা: গ্রাম- শিয়াল ডাঙ্গা, ডাকঘর- আগরদাড়ী থানা- সদর, জেলা- সাতক্ষীরা ভাই বোন: ছয় ভাই চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয় সন্তান: দুই ছেলে এক মেয়ে সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আহত হওয়ার তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে। শাহাদাতের তারিখ: ১৬.১২.২০১৩ ইং

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#183
শহীদ সিরাজুল ইসলাম সরদার

শহীদ সিরাজুল ইসলাম সরদার

📍 জেলা: সাতক্ষীরা

২৮.৪.২০১৪ তারিখ বেলা সাড়ে ৩টায় আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়ে দেবহাটা থানা পুলিশ সিরাজুল ইসলাম সরদারের বাড়িতে যায়। এ সময় তাকে গ্রেফতার করে প্রিজনভ্যানে তোলে। তার ছোট ছেলে-মেয়েরা কান্নাকাটি করে বলে আমার বাবারে তোমরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছ। তাদেরকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে গাড়ি চালিয়ে চলে যায়। এরপর আর থানায় তার সাথে কাউকে দেখা করতে দেয়া হয়নি। পরদিন মঙ্গলবার ভোর রাতে পুলিশ তাকে নিয়ে পাতনার বিলের গুচ্ছগ্রামের কেওড়াতলা নামকস্থানে ফেলে বুকের ডান পাশে গুলি করে। তিনি ঘটনাস্থলেই। এক নজরে শহীদ মো. সিরজুল ইসলাম নাম: মোঃ সিরাজুল ইসলাম পিতার নাম: মৃত বাবর আলী মাতার নাম: ছবিরন বিবি স্ত্রীর নাম: মনোয়ারা খাতুন ঠিকানা: সখীপুর, চিনেডাঙ্গা, দেবহাটা, সাতক্ষীরা ভাই বোন: একমাত্র সন্তান সন্তান: ১ ছেলে ২ মেয়ে সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আটকের দিন: ২৮ এপ্রিল, নিজ বাড়িতে থেকে নিয়ে যায় শাহাদাতের তারিখ: ২৯ এপ্রিল, ২০১৪ ফজরের সময়, গুলি করে হত্যা

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#184
শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান

শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান

📍 জেলা: বাগেরহাট

তিনি প্রতিদিনের ন্যায় ১০ মার্চ, ২০১৩ এশার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ কিছু আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা তাকে মসজিদ থেকে ধরে নিয়ে হাতুড়ি দিয়ে তার হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেয় এবং কুপিয়ে যখম করে। তার পর ধারালো অস্ত্র দ্বারা তার হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়। তার পর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নাম: শহীদ ক্বারী মো: মকছুদুর রহমান (১০৯)। পেশা: মসজিদের ইমাম। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১০.১৯৬৫ বয়স ৪৭ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১০.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৩.২০১৩ বাদ মাগরিব। স্থান: হাসপাতালে চিকিৎসা অবস্থায় মারা যান। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- মান্দ্রা, ইউনিয়ন-বিষ্ণুপুর, ডাকঘর- এস, বাখেরগঞ্জ, থানা- বাগেরহাট, জেলা-বাগেরহাট। পিতা: আ: হাকীম শেখ, মসজিদের ইমাম ছিলেন, ২০১৩ সালে মৃত্যু। মাতা: মতিয়ারা, বয়স প্রায় ৮০ বছর, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#185
শহীদ মানজারুল ইসলাম তুহিন

শহীদ মানজারুল ইসলাম তুহিন

📍 জেলা: বাগেরহাট

১৫ মার্চ ২০১৪ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ছিল। নির্বাচনকে ঘিরে সব জায়গায় ছিল আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র মহড়া। বাগেরহাটের সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী বাহিনী ভোট সেন্টার দখলের জন্য সকাল থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে বাধা প্রদান করছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মেগনিতলায় সকাল ৮.৩০ এর দিকে ভোটারদের বাধা প্রদান করে এবং একপর্যায়ে মহিলাসহ কিছু ভোটারকে মারধর করে। এ সংবাদ পৌছলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কিছু লোকজন জেলা সেক্রেটারীর নেতৃত্বে ভোটারদেরকে উদ্ধার করার জন্য যায় এবং আওয়ামী বাহিনীর সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে শিবির কিছুটা পিছু হটতে বাধ্য হয়। এরই মধ্যে মানজারুল ইসলাম রাস্তায় পড়ে গেলে আওয়ামী সন্ত্রসীরা মাথার পিছনে রাম দা দিয়ে কোপ মারে এবং ইট দিয়ে থেতলে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। এলাকার লোকজনের মাধ্যমে শিবিরের নেতা-কর্মীরা জানতে পারেন যে মানজারুল ইসলাম রাস্তায় পড়ে আছে। তখন তাকে উদ্ধার করার জন্য লোকজন ছুটে গিয়ে প্রথমে মটর সাইকেল এবং পরে অটো রিক্সায় উঠিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি শাহাদাতের অমীয় সুধা পান করেন। এক নজরে শহীদ মানজারুল ইসলাম তুহিন নাম: শহীদ মানজারুল ইসলাম তুহিন পিতার নাম: শেখ আফজাল হোসেন মাতার নাম: আনোয়ারা বেগম জন্ম তারিখ: ১০ জানুয়ারী ১৯৯৪ ঠিকানা: গ্রাম- টেংরাখালী, পোঃ- টেংরাখালী, থানা- কচুয়া, জেলা- বাগেরহাট। ভাই বোন: চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড়। পড়াশুনা: বাগেরহাট সরকারী পি সি কলেজ অনার্স ২য় বর্ষ অর্থনীতি বিভাগ। সাংগঠনিক মান: সাথী দায়িত্ব: পি সি কলেজ শাখার ম্যাস পরিচালক। আহত হওয়ার তারিখ: ১৫ মার্চ, ২০১৪ ইং আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থামাথায় চাইনিজ কুড়াল, দা এবং শাবল দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫ মার্চ ২০১৪ সকাল ৮.৩০ মিনিট। শাহাদাতের স্থান: বাগেরহাট, মেঘনিতলা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#186
শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল

শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল

📍 জেলা: বাগেরহাট

শহীদ মো: আবু সাঈদ মোড়ল বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট থানার পিলজংগ গ্রামে ১৯৬৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বয়স ছিল প্রায় ৪৮ বছর। পিতা মরহুম মসিউদ্দিন মোড়ল ও মাতা ফুলছরাত বেগমের ৬ ছেলে ৩ মেয়ের ভেতর অন্যতম। তার দ্বারা এলাকার সকল প্রকার ইসলামিক কাজ সংঘটিত হত এবং তিনি সব সময় মানুষের বিপদ আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াতেন। আর সাধারণ মানুষদের ইসলামের দাওয়াত দিতেন। শাহাদাতের সময় তিনি তার সত্তরোর্ধ্ব বয়স্কা মাতা এবং স্ত্রী মঞ্জুয়ারা বেগম ও দুই ছেলে যথাক্রমে দশম শ্রেণির ছাত্র মোঃ মেহেদী হাসান ও দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র মোঃ মাসুদ হাসানকে রেখে যান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#187
শহীদ মো: আবু রুহানী

শহীদ মো: আবু রুহানী

📍 জেলা: বগুড়া

নাম: শহীদ মো: আবু রুহানী (০১৭)। পেশা: সরকারি আযিযুল হক কলেজ বগুড়ায়, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ২০.১২.১৯৯১ সাল ২১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৩১ জানুয়ারি ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, দুপুর ২টা-৩টা, স্থান: শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়া। দাফন করা হয়: পারিবারিক কবরস্থানে।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: এরুলিয়া (মন্ডলপাড়া)। ডাকঘর: এরুলিয়া, বগুড়া সদর, বগুড়া। পিতা: মো: আবু বকর, বয়স: ৫৩ বছর, মক্তব পড়ান। মাতা: মোছা: রেহেনা বেগম, ৪৬ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: রফিকুল ইসলাম, মেসেঞ্জার কাম গার্ড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, বগুড়া, বয়স ৩০ বছর। মোসা: ফাতেমা, বিবাহিতা, স্বামী-ফার্নিচার-এর ব্যবসা করেন। মোসাঃ রোকেয়া, বিবাহিতা, স্বামী-ঔষধের দোকান আছে। মোঃ আশরাফ আলী, সরকারি আযিযুল হক কলেজ বগুড়া, তৃতীয় বর্ষ-সমাজবিজ্ঞান বিভাগ। নামুযা ফাযিল মাদরাসা হতে ফাযিল (বি.এ) এ গ্রেড বিভাগে উত্তীর্ণ হয়। মোসা: জয়নব, মোস্তফা আলিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, ফাজিল প্রথম বর্ষ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#188
শহীদ মো: সেলিম হাসান

শহীদ মো: সেলিম হাসান

📍 জেলা: বগুড়া

৩ মার্চ রবিবার মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেব-এর মুক্তির দাবি ও ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে এবং অবৈধ ট্রাইব্যুনাল বাতিলসহ সারাদেশে নির্বিচারে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সারা দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়। নাম: শহীদ মো: সেলিম হাসান (০১৮)। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থক ছিলেন। পেশা: মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৯৫ সাল, বয়স ১৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ' ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৫ মার্চ ২০১৩ ফজরের আগ মুহূর্তে, স্থান: শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল হাসপাতাল। দাফন করা হয়। বাড়ির পাশে কবরস্থানে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#189
শহীদ মো: ওবায়দুর রহমান বাবু

শহীদ মো: ওবায়দুর রহমান বাবু

📍 জেলা: বগুড়া

ব্যক্তিগত প্রোফাইল নাম: শহীদ মো: ওবায়দুর রহমান বাবু (০১৯)। পেশা: গার্মেন্টস-এ চাকুরি করতেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৩০.১০.১৯৮৯, ২২ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩ সকাল ৭ টা শাহাদাতের তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩, সকাল ৭টা, স্থান: বগুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। দাফন করা হয়: বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: রায় মাঝিড়া, ডাকঘর: ভবানিগঞ্জ, বগুড়া সদর, বগুড়া। পিতা: মো: মোস্তাফিজুর রহমান, বয়স ৪৭ বছর। সাংসারিক কাজ করেন। মাতা: তিন বছর বয়সে মারা যান। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনশেড মাটির একটি ঘর। ৫/৬ বিঘা কৃষিজমি এবং তাতে কৃষিকাজ করে শহীদের বাবা সংসার পরিচালনা করেন। ভাই-বোনের বিবরণ: শহীদ মো: ওবায়দুর রহমান বাবু, গার্মেন্টস-এ চাকরি করতেন। মো: রবিউল ইসলাম, এইচএসসি, মহাস্থান মাহিওয়ার ডিগ্রি কলেজ, মো: রায়হান ইসলাম, দশম শ্রেণী, রায় মাঝিড়া হাইস্কুল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#190
শহীদ মো: আব্দুশ শহিদুর রহমান

শহীদ মো: আব্দুশ শহিদুর রহমান

📍 জেলা: বগুড়া

আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ৩ মার্চ ২০১৩ তারিখ রবিবার ভোররাত ৪টায় বাসা থেকে বেরিয়ে হরতালের সমর্থনে মিছিলে যান। রবিবার সকালে হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। মো: শহিদুর রহমান সেখানে গুলিবিদ্ধ হন। দুই সিনায় দুটি গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। পরে তাকে সকাল ৮ টায় বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শাহাপুর উত্তর পাড়ায় মো: শহিদুর রহমানের জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়। এ জানাযার নামাজে ইমামতি করেন জনাব মাওলানা মহির উদ্দিন। ১ হাজার লোক জানাজায় উপস্থিত ছিল। ব্যক্তিগত প্রোফাইল নাম: শহীদ মো: আব্দুশ শহিদুর রহমান (০২০)। পেশা: কৃষি ও ইটভাটায় কাজ করতেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৮৯ সাল ২৪ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩ সকালে, স্থান: হাসপাতালে নেয়ার পথে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: শাহাপুর রূপসী উত্তরপাড়া, ডাকঘর: ভবানিগঞ্জ, থানা: গাবতলী। জেলা: বগুড়া। পিতা: মো: আজাদুল হক, ৪৫ বছর, রিকশাচালক। মাতা: শাহানা বেগম বয়স: ৩৫ বছর, কাজ করেন। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: একটি ঘরের কাজ শুরু করেছিলেন কিন্তু শেষ করতে পারেননি। নিজেদের কোন জমিজমা নেই। কৃষিকাজ এবং ইটভাটায় কাজ করে সংসার চালাতেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#191
শহীদ মো: জিয়াউর রহমান প্রামানিক

শহীদ মো: জিয়াউর রহমান প্রামানিক

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: জিয়াউর রহমান প্রামানিক (০২১)। পেশা: কৃষি কাজ করতেন। সাংগঠনিক মান: সমর্থক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৮৭ সাল ২৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩। জানাজা নামাজ পড়ান জনাব ফরিদ উদ্দিন প্রামানিক এবং জানাজায় প্রায় ৩-৪ হাজার লোক উপস্থিত ছিলেন। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পার আছলাই, ডাকঘর: মোকামতলা, থানা: শিবগঞ্জ, বগুড়া। পিতা: মোঃ লুৎফর রহমান প্রমানিক বয়স: ৮০ বছর, খুব অসুস্থ। মাতা: মোসাঃ সুফিয়া বেগম, বয়স: ৭০ বছর, গৃহিণী। ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনশেড মাটির একটি ঘর। সামান্য জমি-জমা আছে তা দিয়ে কোন রকমে সংসার চলে। শহীদের পিতা কৃষি কাজ করে সংসার চালান। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: জিয়াউর রহমান (শহীদ), কৃষিকাজ, মো: শফি আলম (কৃষি কাজ) রুহুল আমীন (কৃষি কাজ), জহুরা, গৃহিণী, রহিমা, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#192
শহীদ মো: দুলু মিয়া

শহীদ মো: দুলু মিয়া

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: দুলু মিয়া (০২২)। পেশা ডাবের ব্যবসা করতেন। সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৪৫ বছর আনুমানিক। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকাল ৮.৩০ মিনিটে, স্থান: শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। জানাজা নামাজ পড়ান মো: আনোয়ার হোসেন। দাফন করা হয়: পারিবারিক কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: মুরাদপুর, ডাকঘর: মোকামতলা, থানা: শিবগঞ্জ, বগুড়া। পিতা: মৃত আলহাজ্ব দবির উদ্দীন মোল্লাহ। ইন্তেকালের তারিখ: ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে। বয়স হয়েছিল প্রায় ১১৬ বছর। মাতা: মোসা: সাঈতুন বিবি বয়স ৯০, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের তৈরি ১টি ঘর। নিজেদের মাত্র ৪ শতাংশ কৃষিজমি আছে। ভাই-বোনের সহযোগিতায় সংসার চলে। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: সাহিদা বেগম বয়স-৩৫ বছর, মেয়ে: মোসাঃ দুলালী আক্তার, বিবাহিতা, ছেলে: মো: শাওন, মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#193
শহীদ মো: খালেদুর রহমান টিটু

শহীদ মো: খালেদুর রহমান টিটু

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মোঃ খালেদুর রহমান টিটু (০২৩)। পেশা: স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন পল্লি মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ নভেম্বর ১৯৯৯ইং, বয়স ১৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকালে। দাফন করা হয়। নিজ এলাকায়। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পুরানদোরপুর, ডাকঘর: ঝিকরগাছা, থানা: ঝিকরগাছা, যশোর। বর্তমানে যোগাযোগের ঠিকানা: গাজি পালসা , ১৫ নং ওয়ার্ড, বগুড়া। পিতা: মোঃ আলম। বয়স ৪০ বছর, রংমিস্ত্রি। মাতা: সাকিলা বেগম, গৃহিণী, ৩৫ বছর। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন, ঘর ভাড়া মাসে ৬০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। বাবা রংমিস্ত্রি, এ আয় দিয়েই সংসার চলে। ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: খালেদুর রহমান টিটু (শহীদ), ২. মেহেদী হাসান সেতু, ৭ম শ্রেণী, পল্লি মঙ্গল উচ্চবিদ্যালয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#194
শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদল (নও মুসলিম)

শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদল (নও মুসলিম)

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদল (০২৪)। পেশা: এসএসসি পাস, কাপড়ের দোকানে চাকরি। জন্ম তারিখ ও বয়স: ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ইং, বয়স ২৪ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৮.৩০মি.। শাহাদাতের তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩, সকাল ০৮.৩০মি.। জানাজা নামাজ পড়ান তার ফুফা এবং নামাজ শেষে দাফন করা হয় বাড়ির পাশে কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কৃষ্ণচন্দ্র মোকামতলা, ডাকঘর: নগুয়া হাট, থানা: গাবতলী, জেলা: বগুড়া। বর্তমানে যোগাযোগের ঠিকানা: জয়পুর পাড়া (বিসিক শিল্প পাড়া) বগুড়া সদর, বগুড়া। পিতা: আলতাফ হোসেন। ৪২ বছর, বেকার। মাতা: আয়েশা আক্তার, ৩৫ বছর গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব কোন ঘরবাড়ি নাই। ভাড়া বাড়িতে থাকেন। ঘর ভাড়া মাসে ৩০০০ টাকা। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। ৪/৫ হাজার টাকা মাসিক আয়। শহীদ আব্দুল্লাহ আল মামুন ভাইই ছিল আয়ের মূল উৎস। বাবা সামান্য টুকিটাকি কাজ করেন (দিনমজুর) ভাই-বোনের বিবরণ: ১. আব্দুল্লাহ আল মামুন (শহীদ), ২. রাবেয়া বুশরা বৃষ্টি, বগুড়া মহিলা কলেজ, অনার্স ১ম বর্ষ, ইংরেজি ৩. জান্নাতুল ফেরদৌস, বগুড়া মহিলা কলেজ, অনার্স ১ম বর্ষ, ইংরেজি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#195
শহীদ মো: আলমগীর হোসাইন

শহীদ মো: আলমগীর হোসাইন

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: আলমগীর হোসাইন (০২৫)। পেশা: প্যারামেডিকেলে পড়তেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬ ইং ১৬ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৮.৩০মি.। শাহাদাতের তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৮.৩০ মি. স্থান: বগুড়া ইসলামী হাসপাতালের কাছে ইয়াকুবিয়ার মোড় এলাকায়। দাফন করা হয়: বাড়ির পাশে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কলাকোপা, ডাকঘর: কলাকোপা, থানা: গাবতলী, জেলা: বগুড়া। পিতা: মো: আনসার আলী প্রামাণিক (অসুস্থ), ৬০ বছর, কৃষিকাজ করেন। মাতা: খাতেমুন, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের একটি ঘর, যৌথ পরিবার। নিজেদের ১ বিঘার মতো কৃষিজমি আছে। ছেলেদের সহযোগিতায় সংসার চলে। ভাই-বোনের বিবরণ: ১. মো: ঈসমাইল, টেকনিক্যাল কোম্পানিতে শ্রমিকের কাজ করেন ২. মোছা: ছবিকা, বিবাহিতা, স্বামীঃ মো: জহুরুল, কৃষিকাজ, ৩. মো: লিটন, ড্রাইভিং আব্দুল মোনায়েম লিঃ কোম্পানিতে চাকরি করেন। ৪. মো: আলমগীর হোসেন (শহীদ), প্যারামেডিকেলে পড়তেন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#196
শহীদা মোছা: মুনজিলা বেগম

শহীদা মোছা: মুনজিলা বেগম

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদা মোছা: মুনজিলা বেগম (০২৬)। পেশা: গৃহিণী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ আগস্ট ১৯৬৯ইং, ৪৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৬.৩০মি.। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৬.৩০মি. স্থান: বগুড়া শাহজাহানপুরের রাস্তায়। দাফন করা হয়। এলাকার বড় কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: নতুন মন্ডল পাড়া, ডোমনপুকুর, ডাকঘর: মাঝিরা, থানা: শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া। স্বামী: মো: হযরত আলী তোতা, ৫০ বছর, কাঠমিস্ত্রি (এখন পঙ্গু) অসুস্থতার কারণে পা কেটে ফেলতে হয়েছে। পিতা: মৃত আহমদ আলী মাতার নাম: মোছা: রহিমা বেগম, ৭০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: খাস জায়গার ওপর মাটির ঘরের ওপর টিনের চাল, যৌথ পরিবার। নিজেদের কোন কৃষিজমি নেই। ছেলেদের সহযোগিতায় সংসার চলে। স্বামী ও সন্তানদের বিবরণ: স্বামী: মো: হযরত আলী তোতা ১ম ছেলে: মো: ইউনুছ আলী (২৭), গাড়ির হেল্পারি করে, মেয়ে: মোছা: হাজেরা বেগম (২৪), বিবাহিতা-স্বামী কৃষক, ২য় ছেলে: মো: ইসমাইল (১৯), দিনমজুর।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#197
শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম

শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদা মোছা: আকলিমা বেগম (০২৭)। পেশা: গৃহিণী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৬০ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ'১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, স্থান: জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। দাফন করা হয়: এলাকার বড় কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: নতুন মন্ডল পাড়া, ডোমনপুকুর, ডাকঘর: মাঝিড়া, থানা: শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া।স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের চাল বিশিষ্ট মাটির ঘর। ছেলেরা রিকশা চালিয়ে সংসার চালায় স্বামী ও সন্তানদের বিবরণ: স্বামী: মৃত মো: মোনছের আলী। ১ম ছেলে: মো: নজরুল ইসলাম, রিক্সাচালক, ২য় ছেলে: আব্দুল হামিদ রিক্সাচালক, ৩য় ছেলে: রফিকুল রিক্সাচালক, ৪র্থ ছেলে: মো: হাফিজ লন্ড্রি এবং বাঁশের ব্যবসা, ১ম মেয়ে: বানু, বিবাহিতা, ২য় মেয়ে: মোর্শেদা, ৩য় মেয়ে: আশেদা, বিবাহিতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#198
শহীদা মোছা: আরজেনা বেগম

শহীদা মোছা: আরজেনা বেগম

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদা মোছা: আরজেনা বেগম (০২৮)। পেশা: গৃহিণী জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৭৫ সাল ৩৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৮:১৫মি.। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ০৮.১৫মি.। দাফন করা হয়: এলাকার বড় কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: শাহজাহানপুর পশ্চিম পাড়া, ডাকঘর: মাঝিড়া, থানা: শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া। স্বামী: মো: মেহরাজ আলী, বয়স ৬০ বছর, অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের একটি ঘর। তিন শতাংশ জমি। অন্যের বাড়িতে কাজ করে কোন রকমে সংসার চলে। স্বামী ও সন্তানদের বিবরণ: স্বামী: মো: মেহরাজ আলী, বয়স ৬০ বছর, অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। ছেলে: আনোয়ার হোসেন আনু, সিমেন্টের খুঁটির কারখানার কাজ করেন। মেয়ে: মাছা: মেরিনা খাতুন, বেলপুকুর হাই স্কুল, ৯ম শ্রেণি, মানবিক বিভাগ।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#199
শহীদ মো: আব্দুল কাফী

শহীদ মো: আব্দুল কাফী

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: আব্দুল কাফী (০২৯), পেশা: দর্জি কাজ করতেন। সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকালে, স্থান: শাহাজাহানপুর মেইন রাস্তা। দাফন করা হয়: এলাকার বড় কবরস্থান। জানাজা পড়ান তার ছেলে মো: আহসান হাবিব। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: গোবিন্দপুর, ডাকঘর: নগরহাট শাহজাহানপুর, জেলা: বগুড়া। পিতা: মৃত আবু জাফর প্রামাণিক। মাতা: ফজিতন্নেছা। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: মাসিক ২৫০০ টাকার একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। দর্জি কাজ মাসিক আয় ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: শাহনাজ বেগম, বয়স ৩৫ বছর, সেলাই মেশিন চালান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#200
শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন

শহীদ মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ: মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন (০৯২)। পেশা: বগুড়া পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন। সাংগঠনিক মান: সাথী ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৬.০৪.১৯৯৫, ১৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৩১.০১.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ৩১ জানুয়ারি ২০১৩, হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদাৎ বরণ করেন, স্থান: জামিলনগর মসজিদ। দাফন করা হয়: জয়পুরহাট জেলার কালাই উপজেলায় নিজ বাড়ির পাশে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: আদর্শপাড়া, ডাকঘর: কালাই, উপজেলা: কালাই, জেলা: জয়পুরহাট। পিতা: মো. আব্দুল আখের। ৪৫ বছর, ছোট কাঁচামালের দোকান। মাতা: মোছা: অলেদা বিবি, ৩৫ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: শহীদ: মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, পেশা: বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন, মো: আব্দুল গফুর, নবম শ্রেণী, ওমর কিন্ডারগার্টেন স্কুল, দিলরুবা খাতুন, ৫ম শ্রেণী, ব্রাক স্কুল।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#201
শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার

শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: ইব্রাহিম সরকার (১০৪)। পেশা: ইলেক্ট্রিক দোকান জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৮.১২.১৯৮৮। আহত হওয়ার তারিখ: ১৯,০৪,২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ১৯.০৪.২০১৩, রাত ১১.৩০টা, স্থান: ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল। দাফন করা হয়: দক্ষিণ নাটাইপাড়া পারিবারিক গোরস্থান।স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-দক্ষিণ নাটাইপাড়া, ইউনিয়ন-বগুড়া পৌরসভা, ডাকঘর-বগুড়া, থানা- সদর, জেলা-বগুড়া। পিতা : আজিজুর রহমান সরকার, বয়স ৫০ বছর। ইসলামী ব্যাংকে গোডাউন রক্ষকের চাকুরী। মাতা: লাইলী বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব জমিতে বাড়ি রয়েছে। সামান্য আবাদিজমিও নেই। বাবার ছোট চাকুরী ও বড় ভাইয়ের টেকনিশিয়ানের কাজের আয়ে পরিবার চলে। ভাই-বোনের বিবরণ: মোহাম্মদ আলী, টেকনিশিয়ান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#202
শহীদ মো: সাবেত আলী

শহীদ মো: সাবেত আলী

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মো: সাবেত আলী (১০৫)। পেশা। দিনমজুর। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৪.০৯.১৯৫৭। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩। = শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, স্থান: পাশের এক বাড়িতে আশ্রয় অবস্থায় পুলিশ গুলি করে এবং সেখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-সুজাবাদ দইপাড়া, ইউনিয়ন- মাঝিড়া, ডাকঘর-মাদলা, থানা-শাহজাহানপুর, জেলা-বগুড়া।পিতা: মনির উদ্দিন, মরহুম। মাতা: খাতেমন বিবি, মরহুম। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির ঘরের চারপাশে বাঁশের বেড়া এবং উপরে ছনের ছাউনি। কোন কৃষিজমি নেই। স্ত্রীর ইটভাটার মজুরি দিয়ে সংসার চলে। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: কামরুন্নাহার, মেয়ে: মোছা: রানী খাতুন-বিবাহিত, রুনা খাতুন-বিবাহিত, আছিয়া- ৫ম শ্রেণীতে পড়ে। শাফিয়া খাতুন-১৬ বছর, জনি মিয়া। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: খাদেম আলী-কৃষক, মো: আবেদ আলী-গার্মেন্টস, মোছা: ফুলেরা-গৃহিণী, আবিরন-গৃহিণী, মোছা: খুকিয়া-গৃহিণী, মোছা: আবিরন-গৃহিণী, মোছা: হালিমা-গৃহিণী, মোছা: বেগুনি-গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#203
শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান

শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মোঃ জাহিদুর রহমান (১৩২)। জেলা, বগুড়া। জন্ম তারিখ ১২ মার্চ, ১৯৮৯। আহত হওয়ার তারিখ ১৭ জুলাই, ২০১৩-রাত ৯টা। আহতের ধরন ও পরবর্তী অবস্থা: মাথা ও বুকে প্রচণ্ড আঘাত, কান ও নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ। শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৮ জুলাই রাত ২.৩০ মিনিটে। জানাজার ইমামের নাম ও উপস্থিতি ডঃ ফজলুর রহমান সাঈদ, উপস্থিাতি-তিন হাজার জন। পিতার নাম মোঃ আঃ রহমান। পেশা: কৃষি। মাতার নাম: মোছা জুলেখা বেগম। বয়স ও পেশা: ৪৮, গৃহিণী। পরিবারের আয়ের উৎস ও পরিমাণ: কৃষি, বছরে ৫০ হাজার টাকা। ভাই-বোনের বিবরণ: মোঃ মিজানুর রহমান ছাত্র। মোছাঃ রওশন আরা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: রিনা খাতুন, গৃহিণী। মোছা: শিল্পী খাতুন, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#204
শহীদ মিজানুর রহমান

শহীদ মিজানুর রহমান

📍 জেলা: বগুড়া

শহীদ মিজানুর রহমান (১২৩)। পেশা: পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০১.০৫.৮৫, ২৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৩১.০১.১৩, বুকের বাম পাশে আঘাত। শাহাদাতের তারিখ: ৩১.০১.১৩ দুপুর ১২টা, স্থান: কুমিল্লা। দাফন করা হয়: পারিবারিক কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: উত্তর মানিক নগর, ডাকঘর: যাহাপুর, থানা: তিতাস, জেলা: কুমিল্লা। পিতা: মো: আবুল কালাম, ৬০ বছর, কৃষি। মাতা: রেজিয়া বেগম, ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের বেড়া ও উপরে টিন দেয়া একটি ঘর আছে। সামান্য জমি আছে। বর্তমানে শহীদের বিধবা স্ত্রী ও পুত্র বগুড়ার ভাড়া বাসা ছেড়ে দিয়ে কুমিল্লায় নিজেদের গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। পরিবারে আয় রোজগার করার কেউ নেই। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: হালিমা বেগম, ২৪ বছর। একমাত্র সন্তান মো: রবিউল ইসলাম রিহান, ৪ বছর, নার্সারি, চাইল্ড হেভেন কিন্ডারগার্টেন স্কুল। ভাই-বোনের বিবরণ: মোছা: ডলি আক্তার, বিবাহিতা, গৃহিণী। মো: মিজানুর রহমান, শহীদ। মোছা: সালমা আক্তার, বিবাহিতা, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#209
শহীদ মো: মোজাহিদুল ইসলাম

শহীদ মো: মোজাহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: দিনাজপুর

শহীদ মো: মোজাহিদুল ইসলাম (০১৫)। সাংগঠনিকমান: সাথী উপশাখা সভাপতি। পেশা: দাখিল পরীক্ষার্থী, গোলাম রহমান আলিম মাদ্রাসায়। জন্ম তারিখ ও বয়স: ২৮ মে ১৯৯৪। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১২। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ ডিসেম্বর ২০১২ দাফন করা হয় পারিবারিক কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: গোয়ালডিহি, ডাকঘর: গোয়ালডিহি, ইউনিয়ন: ১ নং খোড়াগাছ, উপজেলা: খানসামা, জেলা: দিনাজপুর। পিতা: মাওলানা মো: আতাউর রহমান সরকার বয়স: ৫৬ বছর, সহকারী মৌলভী বাজার দরগাহ মাদ্রাসা। মাতা: শেফালী বেগম, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: শফিউল আলম, নীলফামারী ইপিজেড এ কর্মরত। নাজমুস সাফাত, জুয়েলারি ব্যবসা, আব্দুল্লাহ আল ফারুক, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ২০১৩, শহীদ মো: মোজাহিদুল ইসলাম, আরিফুল হাসান আরাফাত, নবম শ্রেণী, আবু নাসের মো: আব্দুজ জাহের, চতুর্থ শ্রেণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#210
শহীদ মো: ফয়েজ উদ্দীন

শহীদ মো: ফয়েজ উদ্দীন

📍 জেলা: দিনাজপুর

শহীদ মোঃ ফয়েজ উদ্দীন (০১৬)। পেশা: ফুটপাথে ফলের ব্যবসা। সাংগঠনিক মান: কর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৩০ বছর, আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ দাফন করা হয়। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: রানীরবন্দর, ডাকঘর: রানীরবন্দর বাজার, ইউনিয়নঃ, উপজেলা: রানীরবন্দর বাজার, জেলা: দিনাজপুর। পিতা: খলিলুর রহমান, বয়স: ৬০ বছর, ফুটপাথের ফল ব্যবসায়ী। মাতা: ফাতেমা বেগম, ৫২ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: শহীদ ফয়েজ উদ্দীন। ফয়জুল বারী: ফলের দোকানের সহযোগিতা করে। সালমা: বিবাহিতা, আলতা: বিবাহিতা, লিমা: বিবাহিতা, আরজিনা, বিবাহিতা, শেফালী: বিবাহিতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#211
শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান

শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান

📍 জেলা: দিনাজপুর

শহীদ মোঃ মতিয়ার রহমান এক নজরে শহীদ মতিয়ার রহমান পূর্ণ নাম: মোঃ মতিয়ার রহমান পিতার নাম: মোঃ আব্দুর রহমান পিতার বয়স ও পেশা: ৭৫ বছর, কৃষি মাতার নাম: মোছাঃ মরজিনা বেগম মাতার বয়স ও পেশা: ৬৫ বছর, গৃহিণী শহীদের জন্ম তারিখ: ২ এপ্রিল ১৯৯৫ স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- দক্ষিণ নশরতপুর, ডাকঘর- বলাইবাজার থানা- চিরিরবন্দর, জেলা- দিনাজপুর ভাই-বোন: পাঁচ ভাই তিন বোনের সংসারে সবার ছোট বশেষ পড়ালেখা: অনার্স তৃতীয় বর্ষ, দর্শন, দিনাজপুর সরকারী কলেজ সাংগঠনিক মান: সাথী সাংগঠনিক দায়িত্ব: রানীরবন্দর সাংগঠনিক থানার সভাপতি আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০২.২০১৫ ইং আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: যৌথ বাহীনির নির্বিচারে গুলিবর্ষণে আহত হন শাহাদাতের কারণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে গুলি করে হত্যা শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৫.০২.২০১৫ ইং

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#212
শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান

শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান

📍 জেলা: দিনাজপুর

শহীদ মোঃ আসাদুজ্জামান নাম: মোঃ আসাদুজ্জামান পিতার নাম: মোঃ আলিম উদ্দীন পিতার পেশা ও বয়স: দিনমজুর, ৫৯ বছর মাতার নাম: রহিমা বেগম মাতার পেশা ও বয়স: গৃহিণী, ৪৬ বছর জন্ম তারিখ: ৯ জুন ১৯৯৯ ভাই-বোন:দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার ছোট ঠিকানা: গ্রাম- সাহাডুবি, ডাকঘর- দেওতি, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর সর্বশেষ পড়ালেখা: অষ্টম শ্রেণী, মুরারিপুর দাখিল মাদরাসা সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ইং আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: মাথায় ও শরীরে আঘাত শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৬.০১.২০১৪ইং, সময়ঃ সকাল ৭.১৫ মিনিট

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#215
শহীদ মোঃ আতিকুল ইসলাম আপন

শহীদ মোঃ আতিকুল ইসলাম আপন

📍 জেলা: দিনাজপুর

শহীদ মো: আতিকুল ইসলাম আপন (০০৯)। জন্ম তারিখ: ২৩.০৫.১৯৯৬ ইং। পিতা: মো: আনিসুর রহমান, বয়স- ৫২ বছর, ঔষধের ব্যবসা/ ডিসপেন্সারি মাতা: আমিনা বেগম, বয়স- ৪৭ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোন: নেই। একমাত্র সন্তান। অধ্যয়ন: ১০ম শ্রেণীর ছাত্র। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পশ্চিম খুটামারা কবিরাজ পাড়া, ডাকঘর: খুটামারা, থানা: জলঢাকা, জেলা: নীলফামারী। আহত ও শাহাদাতের তারিখ: ০২ মার্চ ২০১৩, পিঠের ডান দিকে গুলি লেগে বুকের ডান পাশ দিয়ে বের হয়। জানাজার ইমামের নাম ও উপস্থিতি: প্রথমবার: মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম- প্রভাষক, আইডিয়েল কলেজ, টেঙ্গনমারী ঈদগাহ মাঠে, উপস্থিতি ২০ হাজার। দ্বিতীয়বার: মাওলানা ওহিদুল ইসলাম-প্রভাষক সিটমিরগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসা। উপস্থিতি ১ হাজার। কবর: বাড়ির দরজায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#221
শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম

শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ হাফেজ মোঃ আমিরুল ইসলাম (০৪৮)। সাংগঠনিক মান। সাবেক সাথী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। পেশা: 'আল-কুরআন রিসার্চ সেন্টার এন্ড হিফজুল কুরআন একাডেমি'। উদ্দেশ্য আধুনিক প্রযুক্তির যুগে আল-কুরআনকে ভালোভাবে জানা-বুঝার ব্যবস্থা করা। তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল। জন্ম তারিখ ও বয়স: ৩০ ডিসেম্বর ১৯৮৫, ২৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩। শাহাদাতের তারিখ। ২৮ ফেব্রুয়ারি'১৩, বিকাল ৫.৩০টা, স্থান: মেডিক্যালে নেয়ার পথেই হাফেজ আমিরুল ইসলাম শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। শুক্রবার ১ মার্চ সকালে নিজ গ্রাম আহম্মদ পুরে তার জানাযা জুনষ্ঠিত হয়। দাফন। শনিবার ২ মার্চ ২০১৩, 'বাঘায় দাফন সম্পন্ন। স্থায়ী ঠিকানা। বাড়ির নাম: গ্রাম। আহম্মদপুর, ডাকঘর: বাঘা, উপজেলা: বাঘা, জেলা: রাজশাহী। পিতা: মোঃ ওমর আলী, বয়স প্রায় ৬৮ বছর, কৃষি কাজ করে কোন রকম সংসার পরিচালনা করেন। মাতা: রিজিয়া বেগম, বয়স প্রায় ৬২ বছর, গৃহিণী। সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। মোছাঃ নাজমা খাতুন। ভাই-বোনের বিবরণ: মাওলানা আব্দুর রশিদ, শিক্ষক, রামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, লালপুর, নাটোর। মোঃ জহুরুল ইসলাম, চাকরিজীবী। মোঃ হাবিবুর রহমান, মার্কেটিং অফিসার (বগুড়া), ইবনে সিনা। শহীদ হাফেজ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আবু আব্বাস, মাস্টার্স অধ্যয়নরত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বোন-৬ জন, সবাই বিবাহিতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#222
শহীদ মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম

শহীদ মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ মো: মুজাহিদুল ইসলাম (০৫০)। পেশা: তিনি একজন কৃষক হলেও কষ্টকরে পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব এবং এর মক্তব চালাতেন। এতে যথাক্রমে ২৩০০ এবং ১০০০ টাকা পেতেন। এ সামান্য আয়ে সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৩ জানুয়ারি ১৯৬৭ইং ৪৭ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ১০টা। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩ সকাল ১০টা, স্থান: শহীদ মো: মুজাহিদ আলী রাস্তা ছেড়ে ক্ষেতের আইল দিয়ে চলে যাওয়ার সময় পুলিশ-বিজিবি সেখানেই তাকে গুলি করলে তিনি ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন। জানাজা পড়ান শহীদের দ্বিতীয় ছেলে হাফেজ মাসুদুল ইসলাম। এ জানাজায় প্রায় ৭ হাজার লোক উপস্থিত ছিল। দাফন করা হয়। বাড়ির পাশে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: মহিযালবাড়ি, ডাকঘর: মহিষালবাড়ি, ইউনিয়ন: মহিষালবাড়ি, উপজেলা: গোদাগাড়ী, জেলা: রাজশাহী। পিতা: মৃত সিদ্দিক মোল্লা। মাতা: মোমেনা বেগম। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: ১ম ছেলে: ওয়াহিদুল ইসলাম, এইচএসসি পরীক্ষার্থী, ২য় ছেলে। মাসুদুল ইসলাম, ৯ম শ্রেণী পড়ে, ৩য় ছেলে: রেজওয়ানুল ইসলাম, ৮ম শ্রেণী, ১ম মেয়ে: নাঈমা খাতুন, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে, ২য় মেয়ে: সায়েমা খাতুন, ৩য় শ্রেণীতে পড়ে, ৪র্থ ছেলে। জাবির, শিশু শ্রেণীতে পড়ে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#223
শহীদ মো: রফিকুল ইসলাম

শহীদ মো: রফিকুল ইসলাম

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ মো: রফিকুল ইসলাম (০৫১)। পেশা: ছাত্র ছিলেন এবং ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৫.০৩.১৯৯৯ ইং ১৪ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩ সকাল ১০টা শাহাদাতের তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩, সকাল ৯.৩০ মিঃ শহীদ মো: রফিকুল ইসলাম বুকের বাম পার্শ্বে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহাদাত বরণ করেন, স্থান: গোদাগাড়ীতে শাহাদাৎ বরণ করেন। শহীদের জানাজা পড়ান জনাব আঃ রাজ্জাক। প্রায় ৬ হাজার লোক উপস্থিত ছিল। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: জোতগোসাইদাস, ডাকঘর: শ্রীমন্তপুর, ইউনিয়ন: গোদাগাড়ী পৌরসভা, উপজেলা: গোদাগাড়ি, জেলা: রাজশাহী। পিতা। গোলাম মোস্তফা, বয়স প্রায় ৫৫ বছর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন। মাতা: মাসতারা বেগম, বয়স প্রায় ৪৫ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: ১ম ছেলে। শহিদ মো: রফিকুল ইসলাম, দাখিল ৯ম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন, ২য় ছেলে: ফারুক, দিনমজুর, ৩য় ছেলে। রবিউল ইসলাম, দিন মজুর, ১ম মেয়ে: মোসা: রোজলি বেগম, গৃহিণী। ২য় মেয়ে। শিউলী বেগম, গৃহিণী। ৩য় মেয়ে: মেরিনা, গৃহিণী, ৪র্থ মেয়ে। মোতাহারা, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#224
শহীদ হাফেজ রাশিদুল ইসলাম

শহীদ হাফেজ রাশিদুল ইসলাম

📍 জেলা: চুয়াডাঙ্গা

শহীদ হাফেজ রাশিদুল ইসলাম (০৪৯)। পেশা: রাজশাহী নগরীর আল জামিয়া আল্লামা কাসেমিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিলেন ১৮ বছরের তরুণ হাফেজ রাশিদুল ইসলাম। পড়ালেখা করতেন হেদায়েতুন্নাহু শ্রেণীতে। জন্ম তারিখ ও বয়স: ২০ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল ২১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি'১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি'১৩, বিকাল ৩টা, স্থান: হাফেজ রাশিদুল ইসলামসহ অনেকে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে পরা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। রাশিদুল অজ্ঞান হয়ে ভাসতে থাকলে বৈঠা দিয়ে তার দেহ পানির নিচে ডুবিয়ে দিয়ে পুলিশ ২ জন মাদ্রাসার ছাত্রকে গ্রেফতার করে নিয়ে চলে আসে। দাফন করা হয়। পারিবারিক কবরস্থানে এবং জানাজা পড়ান জনাব আঃ সামাদ, জানাজায় প্রায় ৫ হাজার লোক উপস্থিত ছিল। স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: গ্রাম: আব্ন্দর বাড়িয়া, ডাকঘর: আন্দর বাড়িয়া উপজেলা: জীবন নগর, জেলা: চুয়াডাঙ্গা। পিতা: মোঃ আনোয়ারুল হক, ৬০ বছর, মসজিদের খাদেম। = মাতা। সালেহা বেগম, ৪৮ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: শরিফুল ইসলাম, গার্মেন্টস এ চাকরিরত। রফিকুল ইসলাম, কুরিয়ার সার্ভিস। শামীমা খাতুন, গৃহিণী। আনোয়ারা খাতুন, গৃহিণী। আজমীরা খাতুন মুন্নি, এইচএসসি পরীক্ষার্থী। হাসিবুল ইসলাম, এইচএসসি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#225
শহীদ আব্দুল্লাহ ওমর নাসিফ শাহাদাত

শহীদ আব্দুল্লাহ ওমর নাসিফ শাহাদাত

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ আব্দুল্লাহ ওমর নাসিফ শাহাদাত (১০০)। পেশা: ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১.১২.১৯৮৪, বয়স ৩০ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১২.০৫.২০১৩ইং রাত ৩টা ৩০ মি: শাহাদাতের তারিখ: ১২.০৫.১৩ইং, স্থান: রাজশাহী বেতারের মাঠ আমজাদের মোড় ধরমপুরে ক্রসফায়ার নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। দাফন করা হয়। কাজল্য সাকোপাড়া গোরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-কাজলা, ডাকঘর- কাজলা, থানা-মতিহার, জেলা-রাজশাহী। পিতা: মো: আখতারুজ্জামান মানু, অবসর প্রাপ্ত। মাতা: মোছাঃ সাবিহা বেগম, বয়স প্রায় ৫৬ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: সংসারের অবস্থা ভাল না। আয়ের কোন উৎস নাই। একজন মাত্র ভাই আছে, সে পেশায় একজন নবীন এ্যাডভোকেট। সংসারের সদস্য সংখ্যা ৮ জন। ছোট ভাইয়ের উপর সংসারের সমস্ত ভার এখন। ভাই ছিল সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। বর্তমানে বাড়ির অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক টাকা ঋণ আছে। শহীদ শাহাদাত সংসারের ৭০% খরচ যোগান দিতেন। * স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ। স্ত্রী। রিনা খাতুন রেসমী। ছেলে। আরেফিন আহমেদ সাইমুম এবং বয়স তার ৪ বছর। ভাই-বোনের বিবরণ। ভাই: হাসানুল বান্না, নবীন এ্যাডভোকেট। বোন। মোছা মুনিরা খাতুন, বি.এ অনার্স। বোন: মোছা রুহ আফজাহ (সাথী), গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#228
শহীদ অধ্যাপক নুরুল ইসলাম শাহীন

শহীদ অধ্যাপক নুরুল ইসলাম শাহীন

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ অধ্যাপক নূরুল ইসলাম শাহীন পিতার নাম: আব্দুর রহমান মুন্সি মাতার নাম: জাহান নেগার, বয়স ৪৫ বছর পেশা: শিক্ষক- ইসলামিয়া কলেজ, মতিহার, রাজশাহী ও প্রেস ব্যবসায়ী পূর্ণ ঠিকানা: ৯৯/ বিনোদপুর বাজার, মতিহার, রাজশাহী শিক্ষাগত যোগ্যতা: এম.এ- ইসলামিক স্টাডিজ, রাবি জন্ম তারিখ: ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ ভাই-বোনের সংখ্যা: ভাই- ৩ জন, ১ বোন, শহীদের অবস্থান- ২য় ভাই-বোনের পেশা: ২ ভাই শিক্ষক ও বোন বিবাহিত গৃহিনী শহীদের শখ: গরীব-অসহায়দের খেদমত ভবিষ্যৎ টার্গেট: আত্মনির্ভরশীল জীবন সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মতিহার থানা, রাজশাহী মহানগরী সর্বশেষ দায়িত্ব: ওয়ার্ড সেক্রেটারি সংগঠনে আসার ইতিহাস: পারিবারিকভাবে ও ছাত্রসংগঠনের অনুপ্রেরণায় আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয় আহত হওয়ার স্থান: ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫ রাত ৯টায় ডিবি পুলিশ গুম করে অজানা স্থানে নিয়ে যায়। শাহাদাতের স্থান: পুলিশ/র‍্যাব তার গলায় ও বুকে গুলি করে হত্যার পর রাজশাহী হাসপাতালে লাশ রাখে হত্যাকারীর পরিচয়: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিবি ও র‍্যাব শহীদের কবর: মতিহার থানার খোজাপুর কবরস্থান

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#231
শহীদ শহিদুল ইসলাম

শহীদ শহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: রাজশাহী

শহীদ শহীদুল ইসলাম জন্ম তারিখ: ৪ মে, ১৯৯২ পিতার নাম: জালাল উদ্দিন, ৫৮ বছর, ছোট-খাট গরুর খামার ব্যবসায়ী মাতার নাম: জোসনা বেগম, ৪৩ বছর, গৃহিণী স্ত্রীর নাম: বিবি আখতার আখি, গৃহিণী সন্তানের নাম: সাদিয়া আফরিন, সাড়ে ৩ বছর স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- বড়বন গ্রাম ভাড়ালীপাড়া, ডাকঘর- বড়বন গ্রাম থানা- শাহমখদুম, জেলা- রাজশাহী আহত হওয়ার তারিখ ও সময়: ১১ এপ্রিল, ২০১৫ রাত ২টায় কর্মস্থল থেকে ডিবি পুলিশ গুম করে আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: পুলিশ-র‍্যাব তার বুকে ৫টি গুলি করে হত্যার পর খড়খড়ি এলাকায় লাশ ফেলে যায় শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ১৩ এপ্রিল, ২০১৫ আনুমানিক ভোর ৪টা

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#232
শহীদ মো: আব্দুর রহীম

শহীদ মো: আব্দুর রহীম

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মো: আব্দুর রহীম (০৫২)। পেশা: দিনমজুর এবং জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২/০২/১৯৬৫, বয়স: ৪৬ বছর। আহত হওয়ার ০১.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০১.০৩.২০১৩, সকাল ১১টা, স্থান: হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করেন। জানাজা নামাজ পড়ান মাওলানা হারেছ উদ্দিন এবং জানাজায় প্রায় ১২ হাজার লোক উপস্থিত ছিলেন। দাফন করা হয়। বাড়ির পাশে কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পারদিলালপুর, ডাকঘর: কানসাট, ইউনিয়ন: শাহাবাজপুর উপজেলা। শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: মরহুম মো: মকবুল হোসেন। ২৮ বছর আগে ইন্তেকাল করেন। মাতা: মোসা: জায়েদা বেগম-বয়স ৭৪ বছর। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: রওশন আরা বেগম, বয়স ৪৫ বছর, গৃহিণী। ১ম ছেলে: মোঃ আব্দুল জলিল। বয়স ২৮ বছর, কৃষি কাজ করে। মেয়ে: মোসা: রাহিমা বেগম, বয়স প্রায় ২১ বছর, বিবাহিত, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#233
শহীদ মো: নাসির উদ্দিন

শহীদ মো: নাসির উদ্দিন

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মোঃ নাসির উদ্দিন (০৫৩)। সাংগঠনিক মান: ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলেন। পেশা: শহীদ মো: নাসির উদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলীয়া মাদ্রাসায় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে অনার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০১.০১.১৯৯৩, ২১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি' ১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি' ১৩, বিকাল ৫টায়, স্থান: শিবগঞ্জ সদর। দাফন করা হয়: পারিবারিক কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: পশ্চিম গোপালনগর, ডাকঘর: ভবানীপুর, ইউনিয়ন: শ্যামপুর, উপজেলা: শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: মো: মফিজ উদ্দিন, বয়স প্রায় ৬২ বছর, কৃষিকাজ করেন। মাতা: মোছা: হালিমা খাতুন, বয়স প্রায় ৫৫ বছর, গৃহিণী। ভাই- বোনের বিবরণ: শহীদ মো: নাসির উদ্দীন, অনার্স অধ্যয়নরত, ইসলামিক স্টাডিজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসা। সোহেম উদ্দিন, সপ্তম শ্রেণী, শরৎ নগর দাখিল মাদরাসা, সুরেফা বেগম, বিবাহিতা, গৃহিণী। তাহেরা বেগম, বিবাহিতা, গৃহিণী, মুক্তারা বেগম, দাখিল শ্রেণী, ভবানীপুর আলিম মাদরাসা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#234
শহীদ মো: রবিউল ইসলাম রবু

শহীদ মো: রবিউল ইসলাম রবু

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মো: রবিউল ইসলাম রবু (০৯৬)। তিনি ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন। পেশা। আমকেনা আর সাইকেল দিয়ে তা বিক্রি করে প্রতিদিন ১০০/১৫০ টাকা উপার্জন হতো। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২.০২,১৯৮৯, ২৬ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৯.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২৯.০৩.২০১৩ = স্থান। পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ। দাফন করা হয়। পারিবারিক কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: বাবুপুর, ডাকঘর। ভবানীপুর, ইউনিয়ন। শ্যামপুর, উপজেলা। শিবগঞ্জ, জেলা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: ভদু বিশ্বাস-৭০ বছর। মাতা: যাকেরা বেগম,-৫৫-গৃহিণী। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ। স্ত্রী-আদুরী বেগম, বয়স ২০ বছর, গৃহিণী, ছেলে। মো: রায়হান, বয়স। প্রায় ২ বছর আড়াই মাস। ভাই-বোনের বিবরণ: জিয়াউর রহমান, ৩২ বছর, দিনমজুর। শহীদ মো: রবিউল ইসলাম রবু।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#235
শহীদ মো: মতিউর রহমান

শহীদ মো: মতিউর রহমান

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মোঃ মতিউর রহমান (০৯৭)। পেশা। দিনমজুর ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স। ১২,০২,১৯৬৮, ৪৭ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ২৯,০৩,২০১৩। শাহাদাতের তারিখ। ২৯.০৩.২০১৩, বিকাল ৩টা, স্থান। রাজশাহীতে নেওয়ার পথে ১.৩০ ঘন্টা পর তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন। জানাজা নামাজ পড়ান জনাব নজরুল ইসলাম। দাফন করা হয়। বাড়ির পাশে কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা। গ্রাম। গোপান নগর, ডাকঘর। ভবানীপুর, ইউনিয়ন। শ্যামপুর, উপজেলা। শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা। মৃত জিল্লুর রহমান-৮৮ সালে। মাতা। মৃত কায়েমা বেগম-২০০৩ সালে।। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ। স্ত্রী। সাবিনা ইয়াসমিন, গৃহিণী, ১ম ছেলে। মো। জামাল। বয়স ১৬ বছর, দিনমজুর, ধান কাটে। মেয়ে। হাজেরা খাতুন, বয়স ১৪ বছর, ১ম শ্রেণী। মেয়ে। আসমা খাতুন, বয়স ৮ বছর, ১ম শ্রেণীতে পড়ে। ভাই-বোনের বিবরণ। রংফুল, বিবাহিত। রুহুল আমিন, শ্রমজীবী, ১৯৯৮ সালে মারা যায়। রুহিতন, বিবাহিতা। মুস্তারা, বিবাহিতা। শহীদ মতিউর রহমান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#236
শহীদ মো: ওয়ালিউল্লাহ

শহীদ মো: ওয়ালিউল্লাহ

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ (০৯৮)। পেশা। মাদ্রাসার ছাত্র এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স। ০১.০৩.১৯৯৮, ১৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ২৯.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২৯,০৩,২০১৩, রাত ৩টা, ছান। পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ। জানাজা নামাজ পড়ান জনাব নজরুল ইসলাম। দাফন করা হয়। পারিবারিক কবরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা। গ্রাম। উমরপুর, ডাকঘর। ভবানীপুর, ইউনিয়ন। শ্যামপুর, উপজেলা। শিবগঞ্জ, জেলা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা। আব্দুল হাকিম, ৪৬ বছর, ব্যবসা। মাতা। রেহানা বেগম, ৩৫ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ। শহীদ মোঃ ওয়ালিউল্লাহ, হারুন হাবীব, ৭ম শ্রেণী। মারুফা খাতুন, ষষ্ঠ শ্রেণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#237
শহীদ আসগর আলী লিমন

শহীদ আসগর আলী লিমন

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ আসগর আলী লিমন (১০২)। পেশা: ছাত্র। জন্ম তারিখ ও বয়স। ৭.৭.৯৯ সাল। বয়স ১৩ বছর প্রায়। আহত হওয়ার তারিখ। ২৪.০৪.২০১৩ সময় বেলা ১১ আনুমানিক। শাহাদাতের তারিখ: ২৪.০৪.২০১৩ সময় দুপুর ১২ আনুমানিক। স্থায়ী ঠিকানা। গ্রাম-উপরাজারামপুর, ইউনিয়ন-ডাকঘর-উপরাজারামপুর, খানা-সদর, জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা। মোঃ লোকমান হোসেন, সৌদি আরব প্রবাসী। মাতা। মোসা। আকলিমা বেগম, বয়স প্রায় ৪২ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। বর্তমানে লিমনের বাড়ি ভাল মানের। তার আব্বা মোঃ লোকমান হোসেন বিদেশে কর্মরত এবং সেখানের আয় থেকেই তাদের পরিবার পরিচালিত হয়। ভাই-বোনের বিবরণ। শহীদ আসগর আলী লিমন, মোসা। লিপি, বিবাহিত, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#239
শহীদ জিয়াউর রহমান

শহীদ জিয়াউর রহমান

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ জিয়াউর রহমান (১২৯)। পেশা: একাদশ শ্রেণীর ছাত্রছিলেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৪.০১.১৯৯৭, ১৬ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, বেলা ১টা। শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩ বিকাল ৩টা। স্থান: রসূলপুর, শিবগঞ্জ। দাফন করা হয়: নিজ এলাকার সরকারি কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম:ধুমি হায়াতপুর, ডাকঘর: ধুমি হায়াতপুর, থানা: শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: মো:রফিকুল ইসলাম, ৩ মাস আগে মারা গেছেন। মাতা: মোসা:বাদুনারা বগম, বয়স ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা:বর্তমান বাড়ি-ঘরের অবস্থা খুবই শোচনীয়। বাঁশের বেড়া দেয়া মাত্র ২টি ঘর রয়েছে। পল্লী চিকিৎসক বড় ভাইয়ের সামান্য আয়ে সংসার চলে। ভাই-বোনের বিবরণ: মো:আবু বাক্কার, ব্যবসা। মোসা:আয়েশা খাতুন, গৃহিণী। মো:আজিম, ব্যবসা। মো:আনারুল, কৃষি। মোসা:ফাতেমা খাতুন, গৃহিণী। মোসা: রিমা খাতুন, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#240
শহীদ নুরুল ইসলাম

শহীদ নুরুল ইসলাম

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ নূরুল ইসলাম (১৩০)। পেশা: দিনমজুর। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩.১১.১৯৭২, ৪১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, বেলা ১ টা শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, বেলা ২টা, স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জের রসুলপুর বাজার মোড়ে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: রসুলপুর, ডাকঘর: ছাত্রাজিতপুর, থানা:শিবগঞ্জ, জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: মৃত সাজ্জাদ আলী, কৃষক। মাতা:মৃত হাজেরা বেগম, বয়স প্রায় ৬৫ বছর। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: শহীদ নূরুল ইসলামের বাড়ি ঘরের অবস্থা খুব খারাপ। বসবাসের জন্য টিন শেডের ২টি ঘর রয়েছে। শহীদ নূরুল ইসলাম শ্রমিক ছিলেন। বর্তমানে আয়ের কোন উৎস নেই। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী: মোসা:নাদিরা বেগম, গৃহিণী। মেয়ে: মোসা:সেলিনা খাতুন, ৭ম শ্রেণী, মো:নাদিম, ৪র্থ শ্রেণী,মো: নাহিদ, ২য় শ্রেণী, মো: ওয়াহিদ, প্লে। ভাই-বোনের বিবরণ; মোসা: রুমা খাতুন। মৃত জালাল উদ্দীন,ব্যবসা। মো: শফিকুল ইসলাম, ব্যবসা। মো: আবু বাক্কার, ব্যবসা। মো: ইয়াসিন আলী, ব্যবসা। মো: তাসবুর আলী, ব্যবসা। মোসা: রেখা বেগম, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#241
শহীদ এবাদত আলী

শহীদ এবাদত আলী

📍 জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ

শহীদ মো: এবাদত আলী (১৩১)। পেশা: পিঁয়াজু দোকানদার। জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৫.১০.১৯৭৮, ৩৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১২.০৫.২০১৩, সন্ধ্যা ৭টা। শাহাদাতের তারিখ: ১২.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মি.। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: বেঙ্গাই চর আদর্শ পাড়া, থানা: সদর থানা,জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পিতা: মো: মহসিন আলী, কাঠমিস্ত্রি। মাতা:মোসা: আঙ্গরী বেগম, বয়স ৬৫ বছর, গৃহণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বসবাসের জন্য খুব জীর্ণ ১টি টিন শেড ঘর রয়েছে, যা ছেলেদের নিয়ে বসবাস খুব দুর্বিষহ। বর্তমানে আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোসা:চামেলী খাতুন (স্ত্রী),মো: আল এমরান, ১ম শ্রেণী।মোঃ ইব্রাহীম খলিল, ১ বছর। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: বাদশা, বিদেশে অবস্থানরত। মো:শাহাদাত, বিদেশে অবস্থানরত। শহীদ এবাদত,পিয়াজু দোকানদার। মোসা: রুনা বেগম, গৃহিণী। মোসা: সদরেকা, গৃহিণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#244
শহীদ মো: আনিছুর রহমান

শহীদ মো: আনিছুর রহমান

📍 জেলা: যশোর

শহীদ মো: আনিছুর রহমান (০৯৪)। পেশা। ইট ভাটায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। পিতা: মোঃ ইব্রাহীম মোল্লা, বয়স ৬০ বছর, অন্যের জমিতে কৃষক হিসেবে কাজ করেন। মাতা: ফুলজান বেগম, বয়স ৫০ বছর, গৃহিণী। * স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা: গ্রাম: জয়পুর, ডাকঘর: জয়পুর, থানা: মণিরামপুর, জেলা: যশোর। যোগাযোগকারীর নাম ও সম্পর্ক: মো: মনছুর আলী শহীদের বড় ভাই, ০১৯৩৮ ১৪৮৯৪৪। আহত ও শাহাদাতের তারিখ: ২২ মার্চ ২০১৩, ফজরের সময়, গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। জানাজার ইমামতি করেন: জনাব মাওলানা আজিজুর রহমান, উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫ হাজার। * ভাই- বোনের বিবরণঃ মোঃ মনছুর আলী-বয়স-৩০, কৃষি কাজ করেন। মরিয়ম-বয়স-২৮, গৃহিণী। মনিরা, বয়স-২৭ গৃহিণী। শহীদ মো: আনিছুর রহমান-বয়স-২৫।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#245
শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু

শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্নু

📍 জেলা: যশোর

শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নানু (১৫৩)। পেশা। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী (দর্জি)। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৩-১০-১৯৬২ ইং, ৫১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫-০৫-২০১৩, বিকাল ৫ টা, ঢাকা, বুকে গুলি বিদ্ধ। শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৩, দুপুর ১২টা। স্থান। ঢাকা। দাফন করা হয়। যশোর পৌরসভার খড়কি কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। খড়কি, ইউনিয়ন: খড়কি, থানা। কোতয়ানি, জেলা: যশোর। পিতা। শহিদুল ইসলাম, মৃত। মাতা: হামিদা খানম, বয়স্ক ও অসুস্থ। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। দুই শতক জমির উপর পুরাতন জীর্ণ-শীর্ণ ইটের বাড়ি, চাষাবাদের কোন জমি নেই। দর্জির ব্যবসা দিয়ে সংসার চালাতেন। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণঃ স্ত্রী। শাহানাজ পারভীন। সন্তান- উম্মে হাবীবা, বিবাহিতা। উম্মে সুমাইয়া, এম এম কলেজে ডিগ্রি অধ্যয়নরত। উম্মে সাদিয়া, ৯ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত। আবু হুজাইফা, হাফেজি অধ্যয়নরত। আবু হানজালা, নার্সারি। ভাই-বোনের বিবরণ। মোঃ সিরাজুল হক, স্কুল শিক্ষক। হাফিজুল হক, মুদি ব্যবসায়ী। শহীদ মোয়াজ্জেমুল হক নান্ত্র, শহীদ। হোসনে আরা, বিবাহিতা। শাহিনা আক্তার, বিবাহিতা। শামিমা খাতুন, বিবাহিতা। রেহেনা খাতুন, বিবাহিতা। জেসমিন নাহার, বিবাহিতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#246
শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল

শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল

📍 জেলা: যশোর

শহীদ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বুলবুল পিতার নাম: মরহুম আলহাজ্ব ডা: ওয়াজেদ আলী মাতার নাম: রাজিয়া সুলতানা জন্ম তারিখ: ১৫ই আগস্ট ১৯৮৪ ভাই-বোন ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে দ্বিতীয় সাংগঠনিক মান: শিবিরের সদস্য ছিলেন এবং সর্বশেষ জামায়াতের রুকন। সর্বশেষ দায়িত্ব: উপশহর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী শিক্ষা জীবন: মেরিন ইঞ্জিনিয়ার পারিবারিক জীবন: অবিবাহিত স্থায়ী ঠিকানা: যশোর সদর নিউমার্কেট, উপশহর ইউনিয়ন ৭নং সেক্টর যাদের আঘাতে শহীদ: আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ আঘাতের ধরণ: মাথায় গুলি শাহাদাতের তারিখ: ২৭ নভেম্বর ২০১৩, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#248
শহীদ হাবীবুল্লাহ হুসাইন

শহীদ হাবীবুল্লাহ হুসাইন

📍 জেলা: যশোর

শহীদ হাবীবুল্লাহ হুসাইন পিতার নাম: মোঃ নেয়ামত আলী খান পিতার পেশা: গ্রাম্য ডাক্তার মাতার নাম: জয়নব বেগম মাতার পেশা: গৃহিণী জন্ম তারিখ: ৪ জুলাই ১৯৯৪ স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- তেবাড়িয়া, পোস্ট- শালকোনা উপজেলা- শার্শা, জেলা-যশোর। ভাই-বোন: ৩ ভাই এর মধ্যে দ্বিতীয় সাংগঠনিক মান: সদস্য প্রার্থী (প্রশ্নপত্র), বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির পড়াশুনা: অনার্স ৩য় বর্ষ, অর্থনীতি বিভাগ, সরকারি এমএম কলেজ, যশোর আহত হওয়ার স্থান: শহীদ আসাদ হল, সরকারী এমএম কলেজ আঘাতের ধরণ: রড, হাতুড়ি, হকিস্টিক, স্ট্যাম্প, জি আই পাইপ দিয়ে পেটানো হয় কাদের আঘাতে শহীদ: ছাত্রলীগ শাহাদাতের তারিখ ও স্থান: ২৩ নভেম্বর ২০১৫, যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#249
শহীদ মোঃ কামরুল হাসান

শহীদ মোঃ কামরুল হাসান

📍 জেলা: যশোর

শহীদ মোঃ কামরুল হাসান পিতার নাম: মোহাম্মদ আলী পিতার পেশা: কৃষি মাতার নাম: মোছাঃ জাহানারা বেগম মাতার পেশা: গৃহিণী জন্ম তারিখ: ৪ জুলাই ১৯৯৪ স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- ছোট খুদড়া, পোস্ট- বন্দবিলা উপজেলা- বাঘারপাড়া, জেলা- যশোর। ভাই বোন: দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে তৃতীয় সাংগঠনিক মান: সদস্য প্রার্থী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির সর্বশেষ পড়াশুনা: অনার্স ৩য় বর্ষ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সরকারী এম এম কলেজ, যশোর আহত হওয়ার স্থান: শহীদ আসাদ হল, সরকারী এম এম কলেজ, যশোর কাদের আঘাতে শহীদ: রড, হাতুড়ি, হকিস্টিক, স্ট্যাম্প, জিআই পাইপ দিয়ে পেটানো হয় শাহাদাতের তারিখ: ছাত্রলীগ: ২৩ নভেম্বর ২০১৫, ঢাকার নেবার পথে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের কাছে, রাত সাড়ে বারোটায়

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#250
শহীদ রুহুল আমিন

শহীদ রুহুল আমিন

📍 জেলা: সিরাজগঞ্জ

শহীদ মোঃ রুহুল আমিন (০৪১), স্থানীয় শেখ আব্দুল হামিদ কারিগরি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন, ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিলেন, জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৯৯ সাল ১৪ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি '১৩। শাহাদাতের তারিখ: ১ মার্চ' ১৩, সকাল ৯টায়, স্থান: চন্ডিদাসগাঁতি বাজারে প্রায় ২৫ হাজার লোকের অংশগ্রহণে এবং মাওলানা আতাউর রহমানের ইমামতিতে শহীদের জানাযা সম্পন্ন হয়। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: চন্ডিদাসগাঁতি, ডাকঘর: চন্ডিদাসগাঁতি, ইউনিয়ন: শিয়াল কোল, উপজেলা: সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা:সিরাজগঞ্জ। পিতা: মোঃআব্দুল জলিল,কৃষি, বয়স প্রায় ৪৫ বছর। চাষাবাদের অল্প জমি আর ময়দার মিলে শ্রমিকের কাজ। মাতা: রুবিয়া খাতুন, বয়স প্রায় ৪০ বছর, গৃহিণী। ভাই-বোনের বিবরণ: মোঃ রাকিবুল ইসলাম। বয়স প্রায় ১০ বছর। স্থানীয় হাফেজি মাদরাসার ছাত্র।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#251
শহীদ মোক্তার হোসেন

শহীদ মোক্তার হোসেন

📍 জেলা: সিরাজগঞ্জ

শহীদ মোক্তার হোসেন (০৪২)। পড়ালেখা করতেন সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্স স্কুল এ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণীতে এবং ছাত্রশিবিরের সার্থী ছিলেন। স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা শেষ করে ভালো চাকরির জন্য বিসিএস এ উত্তীর্ণ হয়ে বাবা-মার মুখে হাসি ফোটাবেন। জন্ম তারিখ ও বয়স: ২০ জানুয়ারি, ১৯৯২ সাল, বয়স প্রায় ১৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি '১৩, পুলিশের নিক্ষিপ্ত গুলিসাহসী তরুণ মোক্তারের বাম বাহুতে লেগে বুকের ভেতর ঢুকে গিয়ে পেছন দিক দিয়ে বেরিয়েযায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসার অভাবে শাহাদাত বরণ করেন কলেজছাত্র মোক্তার হোসেন। শাহাদাতের তারিখ: ২৮ ফেব্রুয়ারি '১৩, ঐ দিন রাতে কয়েলগাঁতি বাজারে পুলিশের চাপে পোস্টমর্টেম ছাড়াই কয়েক হাজার লোকের অংশগ্রহণে এবং মাওলানা আবু তাহেরের ইমামতিতে শহীদের জানাযা সম্পন্ন হয়। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: রাজা খাঁর চর,ডাকঘর: কয়েলগাঁতি, উপজেলা: সিরাজগঞ্জ সদর, জেলা: সিরাজগঞ্জ। পিতা: মোঃ আলমগীর হোসেন খা। বয়স প্রায় ৫০ বছর, কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মাতা: আমেনা খাতুন, বয়স প্রায় ৪৫বছর, গৃহিণী। ভাই- বোনের বিবরণ: মোঃ বনিআমিন, বয়স প্রায় ২৪ বছর। কালেক্টরেট ভবনে চাকরি করেন। বোন- বন্যা খাতুন বয়স প্রায় ১২ বছর,মাদ্রাসার ছাত্রী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#252
শহীদ ওয়ারেছ আলী

শহীদ ওয়ারেছ আলী

📍 জেলা: সিরাজগঞ্জ

শহীদ মোঃ ওয়ারেছ আলী (০৪৩)। জন্ম তারিখ: ৭ অক্টোবর, ১৯৫০। পিতা: মৃত ওয়াজেদ আলী। স্থায়ী ঠিকানা:গ্রাম: সৈয়দপুর, ডাকঘর: নওহাটা,থানা: এনায়েতপুর, জেলা: সিরাজগঞ্জ। আহত ও শাহাদাতের তারিখ: ০৯ ডিসেম্বর'১২, আওয়ামী যুবলীগের সন্ত্রাসীদের দ্বারা লাঠি-সোটার আক্রমণ এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে শাহাদৎরণ। জানাজার ইমামতি করেন জনাব মাওলানা আব্দুল গফুর, উপস্থিতি ৫ হাজার প্রায়। সন্তানদের বিবরণ: শহীদুল ইসলাম-৩৬,তাঁতের ব্যবসা। হাসিমা খাতুন-৩২, গৃহিণী। সাইফুল ইসলাম-২৮,তাঁতের ব্যবসা। শাহিদা খাতুন-২৪, গৃহিণী।রাজিয়া খাতুন-২৩, গৃহিণী। বুলবুল ইসলাম-২২, আব্দুল মান্নান-১৮। লাভলী আক্তার-১৬, ৭ম শ্রেণি। শারমিন আক্তার-১২,৫ম শ্রেণি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#253
শহীদ মো:মাহফুজুর রহমান

শহীদ মো:মাহফুজুর রহমান

📍 জেলা: সিরাজগঞ্জ

শহীদ মো:মাহফুজুর রহমান (০৪৪)। ফলিয়া মাধ্যমিক উচ্চবিদ্যালয়-দশম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিলেন। সাংগঠনিক মান: ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২.০৫.১৯৯৬, ১৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ:৪ মার্চ ২০১৩।ডান পায়ের উরুতে গুলি করে পুলিশ। শাহাদাতের তারিখ: ৪ মার্চ ২০১৩, সকাল ৯:৩০টার দিকে শাহাদাত বরণ করেন। স্থান:উল্লাপাড়া। দাফন করা হয়: বাড়ির পাশে 1 স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: ফলিয়া পশ্চিম পাড়া, ডাকঘর: পূর্নিমাগাঁতী, ইউনিয়ন: পূর্নিমাগাঁতী উপজেলা: উল্লাপাড়া, জেলা: সিরাজগঞ্জ। পিতা: মো: আজিজুল হক প্রামানিক, বয়স প্রায় ৬৪ বছর, কৃষি। মাতা: মোসা: ময়না খাতুন, বয়স প্রায় ৪৫ বছর, গৃহিণী, অধিকাংশ সময় রোগে ভোগেন। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: আব্দুল মতিন, বয়স-২৭। মোসা: মুরশিদা খাতুন, বয়স-১৯, বিবাহিতা, গৃহিণী। শহীদ মো:মাহফুজুর রহমান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#254
শহীদ মো: ইউনুস আলী

শহীদ মো: ইউনুস আলী

📍 জেলা: সিরাজগঞ্জ

শহীদ মো: ইউনুস আলী (১০৬)। পেশা:ছাত্র। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১.০৫.১৯৯৯ বয়স ১৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ২৯.০৩.২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ২৯.০৩.২০১৩, বেলা ১১.৩০টা, স্থান: ঘটনাস্থলেই শাহাদাত। দাফন করা হয়: পারিবারিক গোরস্থানে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-কল্যাণপুর, ডাকঘর- কল্যাণপুর বাজার, থানা-বেলকুচি, জেলা-সিরাজগঞ্জ পিতা:আব্দুল হামিদ সরকার, বয়স প্রায় ৫৫ বছর, মুদি দোকানদার। মাতা: জোৎস্না বেগম, বয়স প্রায় ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ি ঘরের চারপাশে হোগলা পাতার বেড়া এবং উপরে ছনের চাল। কোনো আবাদি জমি নেই। বাবার মুদি দোকান ও বড় ভাইয়ের গার্মেন্টেসে চাকুরীর আয়ে তাদের পরিবার চলে। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: ইলিয়াছ আলী সরকার- গার্মেন্টসে চাকুরী। মো: ইউসুফ আলী সরকারতাঁত শ্রমিক। আমেনা খাতুন- বিবাহিতা।আয়েশা খাতুন-আলিম। মুছা আলী সরকার-শ্রমিক, ইউনুছ আলী-শহীদ। সুমাইয়া-৮ম শ্রেণী। ইয়াকুব আলী-৭ম শ্রেণী। জান্নাতি খাতুন-দ্বিতীয় শ্রেণী। মুজাহিদ আলী-শিশু।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#258
শহীদ ফরমান আলী

শহীদ ফরমান আলী

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মোঃ ফরমান আলী (০৩০), পেশা। ব্যবসা। সাংগঠনিক মান। রোকন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স। ১১ অক্টোবর ১৯৮৪, ২৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১টা, স্থান: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি। দাফন করা হয়। স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে জানাজা শেষে নিজ গ্রাম আরজীয় অনন্তপুর। স্থায়ী ঠিকানা। গ্রাম। আরজীয় অনন্তপুর, ডাকঘর। চাঁদপুর, থানা। পাঁচবিবি, জেলা। জয়পুরহাট। পিতা: মো: রাজিব উদ্দিন, বয়স্ক মানুষ, কৃষিকাজ করেন। মাতা: মোছাঃ নুরজাহান বেগম। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। টিনের এবং মাটির একটি বসতবাড়ি। চাষাবাদের কোন জমি নেই। একটি মুদি দোকান ছিল তা দিয়ে কোন রকম সংসার চলতো। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: তোহরা বেগম (সদস্যা), বয়স ২৪ বছর, গৃহিণী। একটি ছেলে নাম-আব্দুল্লাহ, বয়স ৩ বছর ৩ মাস। ভাই-বোনের বিবরণ। মো। আরমান আলী, কাঠ ব্যবসা, মোছা। লিপি, বিবাহিতা স্বামী কৃষক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#259
শহীদ মো: হেছাব উদ্দীন মণ্ডল

শহীদ মো: হেছাব উদ্দীন মণ্ডল

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মো: হেছাব উদ্দীন মণ্ডল (০৩১), পেশা- কৃষক। সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৬৩ সাল, ৫০ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩.০৩.২০১৩, সকাল ১১টা শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৩ মার্চ ২০১৩, সকাল ১১টা। স্থান। জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পাঁচমাথা। দাফন করা হয়। নিজ এলাকার কবর স্থান। স্থায়ী ঠিকানা। গ্রাম। দইবক নন্দনপুর, ডাকঘর। কোতোয়ালী বাগ, ইউনিয়ন। ধরনদি, খানা। পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাট। পিতা। মরহুম হাফিজ উদ্দীন মণ্ডল। মাতা: মরহুম নুরুন বিবি। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা। কৃষিকাজ করতেন, চাষাবাদের জমি নাই। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ। নাম: ১ম ছেলে। হাফেজ মো: জাহাঙ্গীর আলম, বয়স-২৭, হাফেজী মাদ্রাসার শিক্ষক, ২য় ছেলে। মো: জামিরুল ইসলাম, বয়স-২৫, কৃষিকাজ, পড়াশুনা ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত, ১ম মেয়ে। মোছা: মনিরা (হাফেজা), বিবাহিতা- স্বামী কৃষক, ২য় মেয়ে। মোছা। জেসমিন আজার, বিবাহিতা-স্বামী কৃষক। ভাই-বোনের বিবরণ। ৮ ভাই, ২ বোন।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#260
শহীদ মো: আব্দুল হাকিম

শহীদ মো: আব্দুল হাকিম

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মো: আব্দুল হাকিম (০৩২), পেশা: ভ্যানচালক, দিনমুজুর। সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্য তারিখ ও বয়স: ০২.০৬.১৯৮৫, ২৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ০৩ মার্চ ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১টা। স্থান: জয়পুর হাট জেলার পাঁচবিবি থানার পাঁচমাথা, বুকের মাঝখানে গুলি লেগে পেছন দিয়ে বেরিয়ে যায়, দাফন এলাকার কবর স্থান * স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। পুকুর পাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডাকঘর। ছানাইপুর, ইউনিয়ন: কুসুম্বা খানা। পাঁচবিবি, জেলা। জয়পুরহাট। পিতা: নজির উদ্দীন মণ্ডল, বয়স-৭৫, কৃষিকাজ। * মাতা: মোসাঃ খোদেজা বিবি, বয়স-৬৫, গৃহিণী। বাড়ি-ঘরও সম্পদের অবস্থা। আশ্রয়ণ প্রকল্পের সরকারি খাস জমিতে নির্ধারিত ঘরে থেকে জীবন যালন করছিলেন। নিত্য প্রয়োজনীয় টিউবওয়েল ও টয়লেট নেই। ভাই-বোনের বিবরণ: আব্দুল ওয়াদুদ, কৃষি, সুলতান মাহমুদ, স্থানীয় মক্তবের মুয়াজ্জিন, আনিছা খাতুন, বিবাহিতা, স্বামী মারা গেছে, খালেছা বিবি, বিবাহিতা, আছিয়া খাতুন, বিবাহিতা।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#261
শহীদ মো: নাসির উদ্দীন

শহীদ মো: নাসির উদ্দীন

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মোঃ নাসির উদ্দীন (০৩৩), পেশা। দিনমজুরি। সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৯৫ সাল, ১৮ বছর। আহত হওয়ার তারিখ। ০৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১ টা। পেটে গুলি লেগেছিল। শাহাদাতের তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩ বেলা ১১টা, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার। দাফন করা হয়: নিজ বাড়ির কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: বাঁশখোর, ডাকঘর: সালাইপুর, ইউনিয়ন: কুসুম্বা, থানা: পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাট। পিতা: মো: মোজাহারুল ইসলাম, ৪৫ বছর, দিনমুজুর। মাতা। মোছা: নুর বানু, ৩৫ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: খড়ের চালবিশিষ্ট মাটির বাড়ি। খুব খারাপ অবস্থা। চাষাবাদের জমি নেই। দিনমজুরি করে সংসারের খরচ নির্বাহ করতেন। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: আশিক-বয়স-১৫, দিনমুজুর, উম্মে কুলসুম- বয়স-১৩, ৫ম শ্রেণী।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#262
শহীদ মো: মজনু মিয়া

শহীদ মো: মজনু মিয়া

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মো: মজনু মিয়া (০৩৪), পেশা-কৃষি। সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জন্মন্ম তারিখ: ২১.০৮.১৯৯০, ২৩ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৩ মার্চ ২০১৩, ভান পাঁজর দিয়ে গুলি ঢুকে বাম পাঁজর দিয়ে বের হয়। শাহাদাতের তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১টা। স্থান: জয়পুরহাট সদরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে। দাফন করা হয়: নিজ গ্রামের পারিবারিক কবর স্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: নামা বাঁশখুর, ডাকঘর: সালাইপুর, ইউনিয়ন: কুসুম্বা, থানা: পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাট। পিতা: মো: আজহার আলী, ৬২ বছর, কৃষক। মাতা। দেলোয়ারা বেগম, ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: ৮ হাত বাই সাড়ে ৫ হাত মাটির তৈরি ছোট একটি ঘর, চাষাবাদের কোন জমি নেই। টিউবওয়েল ও টয়লেট নেই। বর্গা চাষাবাদ করে সংসার চলতো। * স্ত্রী ও সন্তানদের অবস্থা: গোলচেহারা বন্যা, বয়স ২২ বছর। একটি সন্তান নাম-মাসুদ রানা। তাই বোনের বিবরণ: দেলোয়ার হোসেন গার্মেন্টস শ্রমিক আইনল হোসেন, ৭ম শ্রেণী।a

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#263
শহীদ মো: মজিদুল রহমান

শহীদ মো: মজিদুল রহমান

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মো: মজিদুল রহমান (০৩৫), পেশা: কৃষি। সাংগঠনিক মান: সমর্থক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জন্ম তারিখ: ০৮.০২.১৯৭২, ৪১ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১টা, বুকের ডান পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে বাম পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। শাহাদাতের তারিখ: ৩ মার্চ ২০১৩, বেলা ১১টা, স্থান: জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার কাছে মহিপুর হাসপাতাল, দাফন করা হয়। স্থানীয় কবরস্থান। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম। কাসড়া, ডাকঘর: আমদই, কুসুম্বা থানা। পাঁচবিবি, জেলা। জয়পুরহাট। পিতা: মো: মফিজ উদ্দীন প্রামাণিক, ৬০ বছর, কৃষক। মাতা: হাছিনা খাতুন, ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: মাটির তৈরি ছোট একটি ঘর। চাষাবাদের কোন জমি নেই। টিউবওয়েল ও টয়লেট নেই। কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: বিউটি আক্তার, বয়স ৩০ বছর, গৃহিণী। ১ম ছেলে। মোঃ খায়রুল ইসলাম, কৃষিকাজ, বয়স ১৮ বছর, মেয়ে: মোছা: মরিয়ম, বয়স ১৫, ৬ষ্ঠ শ্রেণী, মোছা: মীম, বয়স ৩ বছর। ভাই-বোনের বিবরণ: মোসা: মজিদা খাতুন, বিবাহিতা- স্বামী কৃষক, মোসা: আজিদা খাতুন, বিবাহিতা- স্বামী কৃষক, মোসা: ওজিদা খাতুন, বিবাহিতা- স্বামী কৃষক, মো: মামুনুর রশিদ, কৃষি।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#264
শহীদ মো: বদিউজ্জামান

শহীদ মো: বদিউজ্জামান

📍 জেলা: জয়পুরহাট

শহীদ মোঃ বদিউজ্জামান (০৩৬), পেশা: ছাত্র (ফাজিল, ৩য় বর্ষ)। সাংগঠনিক মান: সাথী। জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৮.১০.১৯৯১, বয়স ২২ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৫ নভেম্বর ২০১২, ডান চোখে রাবার বুলেট লেগেছে। মাথায় পুলিশের লাঠির আঘাত। শাহাদাতের তারিখ: ১০-১১-২০১২, ফজর নামাযের পর। স্থান। ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল, কাকরাইল। * স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: হোল্ডিং-১২০, তেলিহার, ডাকঘর: আমদই, ইউনিয়ন-কুসুম্বা থানা। পাঁচবিবি, জেলা: জয়পুরহাট। * পিতা: মৃত আব্বাস আলী, কৃষিকাজ করতেন। মাতা: খোবেলা খানম, ৬২ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: টিনের এবং মাটির একটি বসতবাড়ি। চাষাবাদের কোন জমি নেই। টিউবওয়েল ও টয়লেট নেই। * ভাই-বোনের বিবরণ: নাজমুন নাহার, বিবাহিতা, স্বামী কৃষক, ফাতেমা খাতুন, বিবাহিত, স্বামী কৃষক, পারভীন আক্তার, বিবাহিতা, স্বামী কৃষক, গোলাপী বেগম, বিবাহিতা, স্বামী কৃষক, আরজানা, বিবাহিতা, স্বামী কৃষক, মনজু আরা, বিবাহিতা, স্বামী কৃষক।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#275
শহীদ হাফেজ নজরুল ইসলাম

শহীদ হাফেজ নজরুল ইসলাম

📍 জেলা: নোয়াখালী

শহীদ হাফেজ নজরুল ইসলাম পিতা: মৃত আব্দুল হাকিম মাতা: জুলেখা বেগম জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯৯৮ ঠিকানা: গ্রাম- অভিরামপুর, পোঃ- জয়নারায়ণপুর, উপজেলা- বেগমগঞ্জ, জেলা- নোয়াখালী সর্বশেষ পড়ালেখা: অনার্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), মাস্টার্স (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), কামিল অধ্যয়নরত ভাই-বোনের সংখ্যা: তিন ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার ছোট সাংগঠনিক মান: সাথী, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির; রোকনপ্রার্থী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিভাবে শহীদ হলেন: চৌমুহনী লজিং বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা। শাহাদাতের তারিখ: ২ মার্চ, ২০২০ শহীদের কবর: পারিবারিক কবরস্থানে

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#279
শহীদ মুনসুর আলী গাজী

শহীদ মুনসুর আলী গাজী

📍 জেলা: খুলনা

শহীদ মো: মুনসুর আলী গাজী পেশা: ভ্যানচালক, দিনমজুরি জন্ম তারিখ ও বয়স: ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৬৭ সাল; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ৪৭ বছর। স্থায়ী ঠিকানা: বাড়ির নাম: পশ্চিমপাড়া গাজীবাড়ি, গ্রাম: কাটেংগা, ডাকঘর: কাটেংগা, ইউনিয়ন: ধামালিয়া, উপজেলা: ডুমুরিয়া, জেলা: খুলনা। পিতা: মৃত: খান জাহান আলী গাজী (ইন্তেকাল: ১৯৮৫ সাল) মাতা: মৃত: সখিনা বেগম (ইন্তেকাল: ১৯৯১ সাল) পরিবারের অবস্থা: জীর্ণ শীর্ণ ১টি মাটির ঘর, তেমন কোনো আবাদি জমি নেই। ভ্যান চালিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতেন। স্ত্রী ও সন্তান: স্ত্রী: রেহেনা বেগম (৪০), গৃহিণী। মেয়ে: ডলি খাতুন (বিবাহিত), দুলি খাতুন (৮ম শ্রেণী), ও মীম। ভাই-বোন: বোন: সাবিনা বেগম (৬০), ছায়রা বেগম (৫৫), জরিনা বেগম (৩৫), সুফিয়া বেগম (৩০)। (মুনসুর আলী গাজী ছিলেন একমাত্র ভাই)। শাহাদাতের তারিখ: ১১ই এপ্রিল ২০১৩, সকাল ৭টায়। স্থান: চুঁড়ি কে.বি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে, ডুমুরিয়া। দাফন: এলাকার বড় কবরস্থানে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#280
শহীদ মো: জাহিদুল ইসলাম

শহীদ মো: জাহিদুল ইসলাম

📍 জেলা: খুলনা

শহীদ মো: জাহিদুল ইসলাম পেশা: দিনমজুর ও ভ্যানচালক জন্ম তারিখ ও বয়স: ৯ ই মে, ১৯৮৮ ইং; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ২৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩। শাহাদাতের তারিখ: ১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৩০ মিনিট। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: ইসলামপুর, ডাকঘর: ঘুগরাকাটি, থানা: কয়রা, জেলা: খুলনা। পিতা: মো: মৃত জালাল গাজী, দিনমজুরি ও ভ্যানচালক। মাতা: মাজিদা বেগম, ৫০ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: একটি কাঁচঘর, মাটির দেয়াল, খড়ের ছাউনি। আয়ের উৎস নাই। স্ত্রী ও সন্তানের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: ছবিউন্নেসা, গৃহিণী। মেয়ে: তাহেরা খাতুন, ১ বছর। ভাই-বোনের বিবরণ: আবু সাঈদ (ভ্যানচালক), আ: রহমান (লেখা-পড়া সামান্য), ইমামুল (লেখা-পড়া সামান্য), রোকেয়া (বিবাহিত)। দাফন: পারিবারিক কবরস্থান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#281
শহীদ মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা)

শহীদ মো: শামছুল আলম (ইসছাক মোল্লা)

📍 জেলা: কুষ্টিয়া

শহীদ মো: শামছুল আলম (১০৯) পেশা: চাকরিজীবী জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৯৬৮ সালে, বয়স ৪৬ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ইং শাহাদাতের তারিখ: ০৫.০৫.২০১৩ রাত ৯.৩০ মিনিট। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম- তেলিয়াকান্দা, ডাকঘর- তেলিয়াকান্দা, থানা- দৌলতপুর, জেলা- কুষ্টিয়া। পিতা: মৃত- মো: সোলেমান মন্ডল মাতা: খুরজান নেছা, মৃত বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: বাড়ির চারপাশের ছালার বেড়া এবং উপরের টিনের ছাউনি। উপার্জনের কোন ব্যবস্থা নেই। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী: মোছা: ফেরদৌসী। মেয়ে: আলেয়া খাতুন (বিবাহিত), ছাবিনা খাতুন (বিবাহিত), রাবেয়া খাতুন (বিবাহিত), আসমা খাতুন (বিবাহিত)। ছেলে: আবু সাইদ (৩য় শ্রেণীতে অধ্যয়ন করতো, এখন হাফেজি পড়ে)। ভাই-বোনের বিবরণ: হায়দার মন্ডল (ব্যবসা), জসিম উদ্দিন (কৃষি), বেল্লুহা খাতুন (বিবাহিত, গৃহিণী), ছামেদা (বিবাহিত, গৃহিণী), হাওয়া (বিবাহিত, গৃহিণী)। দাফন: বাড়ির মসজিদের পাশের কবরস্থানে।

বিস্তারিত প্রোফাইল →
শহীদ
#282
শহীদ মো: সবুজ আহামেদ

শহীদ মো: সবুজ আহামেদ

📍 জেলা: কুষ্টিয়া

শহীদ মো: সবুজ আহামেদ (১২৭) পেশা: দিনমজুর (পাশাপাশি দশম শ্রেণীর ছাত্র) জন্ম তারিখ ও বয়স: ০৩.০৬.১৯৯৭; শাহাদাতের সময় বয়স ছিল ১৫ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩, সকাল ৭টা। শাহাদাতের তারিখ: ১৫.০৭.২০১৩ সকাল ৭টা। স্থান: কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার হালসাতে। স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: হালসা, ডাকঘর: হালসা বাজার, থানা: মিরপুর, জেলা: কুষ্টিয়া। পিতা: মো: খবিরউদ্দিন আহামেদ, দিনমজুর। মাতা: হাসিলা খাতুন, ৪৫ বছর, গৃহিণী। বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: ১টি মাত্র টিনের ছাউনির ঘরে বসবাস। বাড়িতে কোনো রান্না ঘর নেই, বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল নেই, এমনকি পয়-নিষ্কাশনের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই। একমাত্র আয়ের উৎস দিনমজুরি ও কৃষিকাজ। ভাই-বোনের বিবরণ: মো: হাসান আহামেদ (দিনমজুর), মো: সেলিম আহামেদ (বেকার)। দাফন: পারিবারিক কবরস্থান।

বিস্তারিত প্রোফাইল →